গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

বঙ্গবন্ধু তুমি অনন্যময়

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান M.H.H.RONI (৩০৭ পয়েন্ট)



কোটি মানুষের হৃদয়ে স্বাধীনতার স্বপ্ন জাগানোর নাম বঙ্গবন্ধু। অসম্ভবকে সম্ভব দ নাম বঙ্গবন্ধু।শত বাধা বিপওি অতিক্রম করে নিজ লক্ষ্যয় এগিয়ে যাওয়ার নাম বঙ্গবন্ধু।বাঙালি হিসাবে আমাদের মধ্যে একটা সমস্যা বিদ্যমান তা হলো আমরা যোগ্য লোকের যোগ্য সম্মান দিতে জানি না। আমরা এমনভাবে অন্ধ রাজনীতিকে অনূসরন করি যে যারা আওয়ামীলিগ তারা জিয়াউর রহমানকে মানে না আবার যারা বি.এন.পি তারা বঙ্গবন্ধুকে মানে না জোর করেই জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বানাতে চায়। অন্যকোন দলের আপাতত কোন ব্যালু নেই আমাদের দেশে এরজন্য দেশের মূর্খ জনগনই দায়ি।যারা সত্যে আর ন্যায়ের পথে নিজেদের লক্ষ স্হির করেছে তাদের কেউ চোখে দেখে না।যাইহোক ঐদিকে না যাই। আমাদের মনে রাখা দরকার দেশ আমাদের দিকেই তাকিয়ে আছে।তাই আমাদের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। নিরপেক্ষভাবে বিচার করুন কোন দলের না হয়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে বঙ্গবন্ধুর অবদান কতটুকু? যারা তার লেখা অসমাপ্ত আত্নজীবনি পড়েছেন আমার বিশ্বাস তাদের হৃদয়কে একটু হলেও নাড়া দিয়েছে।ভারতবর্ষে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের জন্যে মানুষের বুকে স্বপ্ন জাগিয়েছিল শহীদ সোহরাওয়ার্দী,শে.রে-ই বাংলার হাত ধরে এই বঙ্গবন্ধুই।তিনি তার অসমাপ্ত আত্নজীবনি গ্রন্হে বলেছেন আমরা ভারত ভেঙে পাকিস্তান যখন বানালাম তখন দেখলাম এই পাকিস্তানেও আমাদের লাভ নেই।তখন আবার পুনরায় এই পাকিস্তান ভেঙে আবার বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার কথা বলায় এদেশের মানুষ তা কিভাবে নিয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অনেক জনসভা থেকে তাদের পালিয়েও আসতে হয়েছে। যিনি তার জীবনের অধিকাংশই জেলে কাটিয়েছেন এই দেশের জন্যে মানুষের জন্যে তাকে আমরা কিভাবে ভুলে যাব? যখন ১৯৬৫ সালে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হলো ১৭ দিন ব্যপি তখন আমাদের পূর্ব পাকিস্তান সম্পূর্ন অরক্ষিত হয়ে যায়।সেসময় ভারত ইচ্ছে করলেই পূর্ব পাকিস্তান নিজেদের দখলে নিত পারত।এখন প্রশ্ন হলো একটি দেশের অভ্যন্তরে একটি প্রদেশ কিভাবে এতটা অরক্ষিত হতে পারে? অপরদিকে লাহুর রক্ষা করলাম আমরাই নিজেদের জীবন দিয়ে। যখন ভারত সেনাবাহিনী লাহুরে তাদের ধ্বংসলীলা শুরু করে দিল তখন মেজর জিয়ায়ুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাদের আক্রমন প্রতিহত করার চেষ্টা করছে। শএুবাহিনীর সমস্ত টেংঙ্ক ধ্বংস করতে পারলেও একটি তখনও তার ধ্বংসলীলা চালিয়ে যাচ্ছিল তখনও সেটি ধ্বংস করা সম্ভব হচ্ছিল না।তখন জিয়াউর রহমান অবস্হা এমন দেখে কারও জিবনের বিনিময়ে তা ধ্বংস করতে হবে বুঝলেন। তিনি নিজেই তার শরীরে মাইন বেধে যেতে চাইলেন। তখন তারজুল ইসলাম নামে এক সাহসী সৈনিক দাড়াল সে যাবে। অতঃপর সেই মাইন হাতে নিয়ে শএুবাহিনীর টেংঙ্কের উপর ঝাপিয়ে পড়ে আর তার সাথে সাথে শএুবাহিনীও ধ্বংস হয়ে যায়। এখন যেই পাকিস্তান আমরা এভাবে রক্ষা করলাম সেই পাকিস্তানই কিভাবে আমাদের পূর্ব পাকিস্তান এতটা অরক্ষিত রাখল? ঠিক তখনই বুঝা যাচ্ছিল আমরা এক থাকতে পারব না। এরই ধারাবাহিকতায় সময়টা ১৯৭১ সালের ৭ই নভেম্বর। বঙ্গবন্ধু তখন জেলে। প্রধানমন্এী তাজউদ্দীন আহমেদের সাথে চুক্তি হলো ভারত সরকারের। চুক্তির একটা শর্ত আমাকে অবাক করে দেয় এখনো। আমরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ভারতকে এমনভাবে ক্রেডিট দেই যে তার তুলনায় আমাদের দেশের মুক্তিযুদ্ধারাও অনেক কম। কেন এটা? ভারত নিজেদের স্বার্থেই আমাদের সাহায্য করেছে। কারন পূর্ব আর পশ্চিম পাকিস্তান যদি এক থাকে তবে মাঝখানে ভারতের অবস্হা বেহাল। ঐ চুক্তির একটা শর্ত হলো বাংলাদেশ কখনও নিজেদের সেনাবাহিনী গঠন করবে না আধাসামরিক বাহিনী থাকতে পারে। এখন আমার প্রশ্ন হলো একটি দেশে সেনাবাহিনী ছাড়া কিভাবে নিরাপওা রক্ষিত হতে পারে? নাকি দেশ স্বাধীনতার পর আমরা ভারত সেনাবাহিনী দিয়ে চলব? তাহলে পাকিস্তান থেকে আমাদের আলাধা হওয়ার দরকারটা কী? ভারত যদি নিঃস্বার্থভাবেই আমাদের সাহায্য করত তাহলে এরকম অবান্তর শর্ত জুরে দেওয়ার কোন মানেই হয়না। এখন প্রশ্ন হতে পারে তবুও আমরা তো সেনাবাহিনী গঠন করলামই এটা কিভাবে হলো? হ্যা এই বঙ্গবন্ধুই ভারতের সেই চুক্তিকে প্রত্যাখান করে সেনাবাহিনী গঠন করেন। যুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বিকৃতি না দেওয়া সৌদি আরব বাংলাদেশের হজের ভিসা বন্ধ করে দেয়। হজ করতে হলে ভারতের ভিসা নিয়ে যেতে হতো বাংলাদেশের জনগনদের। বঙ্গবন্ধু এমনবস্হা খেয়াল করে সৌদি আরব যান। সেখানে গিয়ে তিনি সেসময়কার রাজা মুহাম্মদ বিন ফয়সালের সাথে দেখা করেন। ফয়সাল তাকে দেখে বলেন হুম বলেন কিভাবে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি?বঙ্গবন্ধু বলেন সরি এখানে আমি কোন সাহায্য চাইতে আসি নি। আমি চাই আমাদের জন্যে হজের ভিসা খুলে দেওয়া হোক একজন মুসলীম হিসাবে এটা আমাদেরও অধিকার। তখন মুহাম্মদ বিন ফয়সাল বলেন আপনার দেশের নাম তো গনতান্এীক বাংলাদেশ।যান আপনি আপনার দেশের নাম ইসলামি প্রজাতন্এ রেখে তারপর আসুন। তখন বঙ্গবন্ধু বলেন আপনার দেশের নামও তো ইসলামি প্রজাতন্এ সৌদি আরব নয় আপনারটাও তাহলে আগে পরিবর্তন করুন। তখন মুহাম্মদ বিন ফয়সাল বলেন আপনার সাথে পারলাম না এই বলে তিনি উঠে চলে যান। এরপর বঙ্গবন্ধু ইচ্ছা প্রকাশ করলেন ওআইসির সদস্য হতে।ভারত সরকার এতে নিষেদ করে। তাদের নিষেদ অমান্য করেই বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান পারি জমান এবং ওয়াইসির সদস্য হন। যেই বঙ্গবন্ধু তখনই ভারতকে না মেনে নিজের দেশের জন্যে যা কল্যানকর তাই করল সেখানে এখন আমাদের কী অবস্হা? ঠিক এজন্যেই আজ বঙ্গবীর কাদের সিদ্দীকি,কামাল হোসেন বিরুধী দলে থাকেন। কিন্তুু এরা বঙ্গবন্ধুর জন্যে জীবন দিতেও রাজি ছিল।[ বি.দ্র::এর প্রমান ১৫ আগস্টের রাত সেদিনের আগের ঘটনাগুলো জেনে দেখবেন সেনাবাহিনীর অমন অবস্হা আচ করতে পেরে মাঝরাএিতে কাদের সিদ্দীকি ছুটে যান বঙ্গবন্ধুর বাসায় তাকে সাবধান করতে। কিন্তুু বঙ্গবন্ধু কল্পনায়ও ভাবেননি যেই দেশ যেই মানুষদের তিনি এত ভালোবাসলেন তারাই তাকে হত্যা করবে।সে ঘটনা লিখলে গল্প অনেক বড় হয়ে যাবে] এখন অনেকেই ইসলাম ধর্মকে ভালোকরে না বুঝেই বলে বঙ্গবন্ধু তো সেক্যাুলারিস্ট ছিলেন। তিনি হিন্দু-মুসলীম কোন প্রভেদ করতেন না। ন্যায় বিচার স্বাধীনতা শুধু কী মুসলীমদের জন্যে? না বরং এটা সবার জন্যেই। এখন আমাদের কাছে এটা ভুল মনে হলেও সদ্য প্রতিষ্ঠিত একটা দেশের জন্যে এটাই সঠিক ছিল।কারন যুদ্ধ বিদ্ধস্ত একটা দেশ পুর্নগঠন করা কতটা কষ্টকর তা আমাদের কল্পনার বাইরে। তাছাড়াও সেসময় আন্তর্জাতিক ভিবিন্ন ষড়যন্এ তো ছিলই। আপাতত কারও দৃষ্টিতে তা ভুল মনে হলেও বুঝা দরকার একজন নেতার ১০০%ই সঠিক হবে এটা মনে করা বোকামি। তাই বলে তার সম্পূর্ন অবদানকে কীভাবে অস্বীকার করা যাবে? কাজী নজরুল যেমনটা বলেছেন:: যে নিজের আপন সত্যেকে চিনেছে,যে নিজের ধর্মের সত্যেকে চিনিছে সে কখনও অন্য ধর্মকে ঘৃনা করতে পারে না। যতদিন বাংলাদেশ রবে ততদিন বঙ্গবন্ধুর নাম অম্লান থাকবে,জিয়াউর রহমানসহ হাজার হাজার বীরসাহসীদের নাম অম্লান থাকবে কিন্তুু সবাইকে তার নিজ নিজ প্রাপ্য ক্রেডিটাই দেওয়া উচিৎ বেশিও নয় কমও নয়। .................................সমাপ্ত......................... বি.দ্র::: ভুল ক্রটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ "আনিকা তুমি এমন কেন?"[২য় তথা শেষ পর্ব]
→ "আনিকা তুমি এমন কেন?"[১ম পর্ব]
→ তুমি চিরকাল
→ তুমি কিসের মতো -পর্ব ২ (শেষ পর্ব)
→ তুমি আর আমি কে!
→ তুমি কিসের মতো?
→ ওই মেয়ে তুমি কি আমার বউ হবা?////
→ কেন তুমি এলে
→ কেন তুমি নেই (কবিতা)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...