গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

জলদানব রহস্য_১০

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Farhan… (৭৮১ পয়েন্ট)



গোয়েন্দা কিশোর মুসা রবিন জলদানব রহস্য_রকিব হাসান  দশ  ভুস করে পানিতে মাথা তুলল ফারিহা। নৌকাটাকে উল্টো হয়ে ভেসে থাকতে দেখল লেকের পানিতে। মুসা, রবিন আর কিশোর ধরে ফেলেছে ওটাকে। তবে ফারিহা ওদের থেকে অনেকটাই দূরে। হাবুডুবু খেতে খেতে ঢেউয়ের ধাক্কায় সবার কাছ থেকে আরও দূরে সরে যেতে শুরু করল সে। ‘সাঁতরে চলে এসো আমাদের কাছে!’ চিৎকার করে বলল মুসা। ‘আমি সাঁতার জানি না!’ ককিয়ে উঠল ফারিহা। ‘চেষ্টা করো! চুপ করে থেকো না!’ রবিন বলল। ‘আর কিছু না পারলে হাত-পা ছোড়ো!’ চেষ্টা করছে ফারিহা। হাত-পা ছোড়া সার হলো শুধু, এগোতে আর পারল না। ‘বাঁচাও! বাঁচাও!’ চিৎকার করতে গেলেও বিপদ। নাক-মুখ দিয়ে পানি ঢুকে যায়। ‘আমি ডুবে যাচ্ছি!’ ‘ডুববে না,’ মুসা বলল। ‘লাইফ জ্যাকেট পরা আছে। ওটাই তোমাকে ভাসিয়ে রাখবে। পা দিয়ে লাথি মারতে থাকো শুধু পানিতে, ডাঙার কাছে চলে আসতে পারবে।’ ‘মনে হয় পারবে না,’ কিশোর বলল। ‘আমাকেই গিয়ে তুলে আনতে হবে।’ তবে তুলে আনতে আর হলো না তাকে। হাত-পা ছুড়ে সামান্য পাশে সরতেই যেন আপনাআপনি চলতে শুরু করল ফারিহা। বেশ দ্রুত এগিয়ে আসতে লাগল নৌকার দিকে। দেখতে দেখতে চলে এল নৌকার কাছে। একটা মুহূর্তও দেরি করল না মুসা। হাত বাড়িয়ে খামচে ধরল ফারিহার লাইফ জ্যাকেট। টানতে শুরু করল। নৌকার কিনার খামচে ধরল ফারিহা। সাদা হয়ে গেছে আঙুলগুলো। ‘তুমি তো সাঁতার জানো না!’ মুসা বলল। ‘এখন পারলে কী করে?’ চোখ এতই বড় বড় হয়ে গেছে ফারিহার, মনে হলো ছিটকে বেরিয়ে আসবে। ফিসফিস করে কোনোমতে বলল, ‘আমি তো পারিনি!’ ‘তাহলে এলে কীভাবে এখানে?’ কিশোরও কিছু বুঝতে পারছে না। ‘মনে হলো কিসে যেন ঠেলে নিয়ে এল,’ ফারিহা বলল। ‘শক্তিশালী কিছু। টান লাগল শরীরে।’ ‘স্রোতে ঠেলে এনেছে,’ রবিন বলল। মাথা নাড়ল মুসা, ‘উঁহুঁ, স্রোত না, স্রোত না। নেসি। জলদানব।’ ‘এখান থেকে নিয়ে চলো আমাকে!’ চিৎকার করে উঠল ফারিহা। ‘আমি আর একটা সেকেন্ডও থাকতে চাই না এখানে!’ ‘আমিও না,’ রবিন বলল। ‘একে তো দানব। তার ওপর ঝড়। ভয়ানক জায়গা এখন এই লেক।’ ‘চিৎকার শুরু করি,’ রবিন বলল। ‘কেউ না কেউ শুনতে পাবেই।’ ‘সাবধান! চেঁচাবে না!’ মুসা বলল। ‘দানবটা শুনে ফেলবে।’ নৌকাটাকে চিত করার চেষ্টা করল ওরা। তাহলে উঠে বসতে পারবে আবার। কিন্তু বহু চেষ্টা করেও সোজা করতে পারল না। সাহাযে্যর আশায় দূরে তীরের দিকে তাকাল ওরা। ‘ওই দেখো!’ কিশোর বলল। ‘ডকের ওপর কে জানি এসে দাঁড়িয়েছে।’ ‘মিস নেসির মতো লাগছে না?’ রবিন বলল। ‘নৌকা ধরে থাকতে থাকতে কাহিল হয়ে গেছি আমি,’ ফারিহা বলল। ‘চিৎকার করো। ডাক শুনলে আমাদের নিতে আসবেন।’ আবার তীরের দিকে তাকাল ওরা। ডকের ওপর কাউকে দেখা গেল না। ‘তার মানে কেউ আসেনি!’ ফারিহা বলল। ‘ভুল দেখেছি আমরা! সব কজন আজ আমরা দানবের পেটে যাব। মা-গো! ও মা!’ কাঁদতে শুরু করল ফারিহা। ‘সত্যিই আজ আর বাঁচোয়া নেই আমাদের,’ দুঃসাহসী কিশোরও হাল ছেড়ে দিল। ‘দানবের পেটে যাওয়াই কপালে লেখা ছিল।’ হঠাৎ নড়তে শুরু করল নৌকাটা। কিছু একটা যেন নিচ থেকে আঁকড়ে ধরেছে ওটাকে। ‘দানব! দানব!’ গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে উঠল রবিন। ‘ধরে থাকো! ছেড়ো না!’ কিশোরও চিৎকার করে উঠল। ‘যা ঘটে ঘটুক, দানবটা আমাদের গিলে না ফেলার আগে ছেড়ো না!’


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জলদানব রহস্য_১১
→ জলদানব রহস্য_৯
→ জলদানব রহস্য_৮
→ জলদানব রহস্য_৭
→ জলদানব রহস্য_৬
→ জলদানব রহস্য_৫
→ জলদানব রহস্য_৪
→ জলদানব রহস্য_৩
→ জলদানব রহস্য_০২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...