গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

জলদানব রহস্য_৯

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Farhan… (৭৮১ পয়েন্ট)



 গোয়েন্দা কিশোর মুসা রবিন জলদানব রহস্য_রকিব হাসান নয়  পরদিন সকাল। ভারী মেঘ ঝুলে রয়েছে মনস্টার লেকের ওপর। এ রকম আবহাওয়ায় ভয়ানক ঠান্ডা পানিতে নামা ঠিক হবে না বুঝে ছেলেমেয়েদের নিয়ে বনের ভেতর বেড়াতে চললেন মিস্টার উলফ। ইচ্ছে করেই দলের একেবারে পেছনে রইল তিন গোয়েন্দা ও ফারিহা। সুযোগ বুঝে সবার অলক্ষে সরে চলে এল ওরা। বোট ডকে এল। এটা আগেই প্ল্যান করে রেখেছিল ওরা। লাফ দিয়ে একটা নৌকায় নেমে লাইফ জ্যাকেট পরে নিল কিশোর। অন্য তিনজনকে ডাকল, ‘নামো। দানব ধরতে যাব আমরা।’ ‘কিন্তু মিস নেসিকে কী জবাব দেবে?’ মুসার প্রশ্ন। ‘যত যা-ই হোক, কাল তিনি তোমার প্রাণ বাঁচিয়েছেন।’ ‘প্রথম কথা হলো, আমি ডুবে মারা যাচ্ছিলাম না,’ জবাব দিল কিশোর। ‘দ্বিতীয় কথা, তিনি একটা দানব, তাই না? তার মানে, তিনি বিপজ্জনক। তা ছাড়া, লক নেস মনস্টারকে ধরতে পারলে বিখ্যাত হয়ে যাব আমরা।’ ‘কিন্তু দানব হলেও তাঁকে ধরা উচিত হবে না আমাদের,’ ফারিহা বলল। ‘মিস্টার উলফ এ জায়গাটাকে প্রাণীদের অভয়াশ্রম বানিয়েছেন। সব প্রাণীরই এখানে নিরাপদে থাকার অধিকার আছে। লক নেস মনস্টারেরও আছে।’ একমত হয়ে মাথা ঝাঁকাল মুসা আর রবিন। ‘বললামই তো, তাঁর কোনো ক্ষতি করা হবে না,’ কিশোর বলল। ‘শুধু দেখব, সত্যি তিনি দানব কি না।’ আর তর্ক না করে লাইফ জ্যাকেট পরে নিয়ে নৌকায় উঠল অন্য তিন গোয়েন্দাও। দাঁড় বেয়ে এগিয়ে চলল, যেখানে দানবের মতো জিনিসটাকে দেখেছে কিশোর। ‘মনে হয় এখানটাতেই সেদিন ঝপাং করে উঠেছিল,’ লেকের মাঝখানে এসে বলল রবিন। সবুজ পানির দিকে তাকিয়ে চুপ করে রইল ওরা। পানির নিচে দানবটাকে খুঁজছে ওদের চোখ। ‘কিছু দেখা যায়?’ অনেকক্ষণ পর জিজ্ঞেস করল ফারিহা। ‘নাহ্‌,’ মাথা নাড়ল কিশোর। ‘টোপ ফেলে লোভ দেখাতে হবে।’ ‘জলদানবের টোপ কী হতে পারে? কী খায়?’ মুসার প্রশ্ন। ‘মাছ! আবার কী?’ ফারিহা বলল। ‘ঠিক। মাছ প্রাণীটার সৃষ্টিই হয়েছে অন্যের খাবার হওয়ার জন্য,’ জিনসের পকেট থেকে একটা ঠোঙা বের করল রবিন। উপুড় করে ঢেলে দিল নৌকার পাটাতনে। ‘এ কী? এ তো আলুর চিপস। মাছ কই!’ বিরক্ত হলো কিশোর। ‘আর কিছু নেই আমার কাছে,’ রবিন বলল। ‘ফেলে দেখা যাক। পানির ওপর পড়লে মাছ ভেবে ভুল করে বসতে পারে দানবটা।’ কয়েকটা চিপস তুলে নিয়ে পানিতে ছুড়ে ফেলল সে। ‘একটা দানবের খোঁজ বোধ হয় আমরা পেয়েই গেছি,’ আড়চোখে মুসার দিকে তাকিয়ে হাসল ফারিহা। দানব দেখার উত্তেজনায়, মনের ভুলেই বোধ হয় চিপস তুলে নিয়ে খাওয়া শুরু করেছে মুসা। ‘অকারণে সময় নষ্ট,’ বিড়বিড় করে বলল ও। ‘মাঝখান থেকে মিস্টার উলফের শাস্তি ভোগ করতে হবে। তাঁর কথা না শুনে বনের মধ্যে ঘুরতে না যাওয়ার অপরাধে।’ একমত হয়ে মাথা ঝাঁকিয়ে দাঁড় তুলে নিল রবিন। কিশোরের দিকে তাকাল। ‘এখনো সময় আছে। চলো, ফিরে যাই।’ আচমকা ঝাপটা দিয়ে গেল ঝোড়ো বাতাস। উত্তেজনায় খেয়াল করেনি এতক্ষণ, আকাশে ঘন হয়েছে কালো মেঘ। বৃষ্টি আসবে। ‘দাঁড়াও দাঁড়াও!’ চিৎকার করে উঠল কিশোর। পানির নিচে কালো একটা বড় ছায়ার দিকে আঙুল তুলল সে। সোজা এগিয়ে আসছে নৌকাটার দিকে। ‘নিচে চলে আসছে! নিচে চলে আসছে!’ চিৎকার দিয়ে উঠল ফারিহা। ‘বসো! বসে পড়ো!’ রবিনও চিৎকার করে উঠল। তবে দেরি হয়ে গেছে। কাত হয়ে গেল নৌকাটা। ছিটকে পড়ল ওরা ঝোড়ো বাতাসে উত্তাল হয়ে ওঠা পানিতে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জলদানব রহস্য_১১
→ জলদানব রহস্য_১০
→ জলদানব রহস্য_৮
→ জলদানব রহস্য_৭
→ জলদানব রহস্য_৬
→ জলদানব রহস্য_৫
→ জলদানব রহস্য_৪
→ জলদানব রহস্য_৩
→ জলদানব রহস্য_০২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...