গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

জলদানব রহস্য_৮

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Farhan… (৭৮১ পয়েন্ট)



 গোয়েন্দা কিশোর মুসা রবিন জলদানব রহস্য_রকিব হাসান আট  পানিতে নামলেন মিস নেসি। ফারিহা আর মুসা বাদে বাকি সবাই তাঁকে অল্প পানিতে ঘিরে দাঁড়াল। মাস্ক ও স্নরকেল ব্যবহার করে কীভাবে ডুব-সাঁতার দিতে হয় শিখিয়ে দিতে লাগলেন তিনি। লেকের কিনারে সাঁতরাতে শুরু করল ছেলেমেয়েরা। নতুন ধরনের পোশাক পরে মজা পেয়ে গেছে। সাঁতরানোর চেয়ে দাপাদাপি করছে বেশি। মোহরের খোঁজে বারবার ডুব দিতে লাগল কিশোর। লেকের মাঝখানে চলে এসেছে খেয়ালই রইল না। হঠাৎ তার চিৎকারে ফিরে তাকাল ফারিহা। হাত দিয়ে পানিতে চাপড় মেরে ভেসে থাকার চেষ্টা করতে দেখল কিশোরকে। ‘অ্যাই!’ চেঁচিয়ে উঠল ফারিহা। ‘কিশোর ডুবে যাচ্ছে! ডুবে যাচ্ছে!’ এক মুহূর্ত দেরি না করে পানিতে ডুব দিলেন মিস নেসি। লম্বা গলাটা আরও লম্বা করে দিয়ে, নিঃশব্দে। সাপের দেহের মতো বেঁকে গিয়ে পানিতে তলিয়ে গেল তার পেছনটা।  ‘খোদা! আমার বন্ধুকে বাঁচাও!’ গলা কাঁপছে মুসার। চিৎকার করে উঠল ফারিহা, ‘বেঁচে গেছে! মিস নেসি ওকে ধরে ফেলেছেন!’ ‘কোনো মানুষকে এত তাড়াতাড়ি সাঁতরাতে দেখিনি আমি!’ মৃদুস্বরে বলল মুসা। ‘আর ডুব দেওয়ার কায়দাটা দেখেছিলে?’ ‘তোমার ওই দানবের কিচ্ছা এখন বন্ধ করো তো, মুসা!’ বিরক্ত হয়ে বলল রবিন। ‘বরং কিশোরকে বাঁচিয়েছেন বলে মিস নেসির ওপর আমাদের কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত।’ ‘নিয়ে এসেছেন, ওই যে,’ হাঁপ ছাড়ল ফারিহা। মিস নেসি কিশোরকে পানির কিনারে নিয়ে এলে, ধরাধরি করে তাকে তীরে তুলল কয়েকজন ছেলেমেয়ে। মুখ থেকে মাস্ক আর স্নরকেল টেনে খুলল কিশোর। ঘিরে দাঁড়াল তাকে সবাই। ওদের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল সে, ‘এমন করে কী দেখছ তোমরা?’ ‘আমরা মনে করেছিলাম তুমি ডুবে মরছ,’ ফারিহা জবাব দিল। মাথা ঝাড়া দিল কিশোর। পানি ছিটিয়ে গেল চারদিকে। ‘আমার কিছু হয়নি। আমি ভালো আছি।’ নিজের মুখের মাস্কটা মাথার ওপর ঠেলে তুলে দিলেন মিস নেসি। কিশোরের কাঁধ চাপড়ালেন। ‘এখানে সাঁতার কাটতে নামলে পাড়ের কাছাকাছি থাকবে। নিরাপদ জায়গায়।’ নীরবে মাথা ঝাঁকিয়ে সায় জানাল কিশোর। আবার পানিতে নেমে গেলেন মিস নেসি। তাঁর দূরে চলে যাওয়ার অপেক্ষা করল কিশোর। তারপর নিচু স্বরে মুসাকে বলল, ‘তোমার কথাই মনে হয় ঠিক।’ ‘কী ঠিক?’ ‘লক নেসের দানব।’ ‘তুমিও বিশ্বাস করছ?’ রবিন অবাক। ‘এইমাত্র আমি যা দেখে এলাম,’ কিশোর বলল, ‘তুমি দেখলে, তুমিও জলদানবে বিশ্বাস করতে।’ ‘কী দেখেছ?’ ফারিহার প্রশ্ন। ‘পানির নিচে কালো, বড়, একটা কিছু দেখেছি আমি, ডাইনোসরের মতো।’ ‘বলো কী!’ চেঁচিয়ে উঠল ফারিহা। ‘এখনই খালাকে জানানো দরকার! হাত তুলল কিশোর, ‘না, এখন না। আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এসেছে।’ ‘কী বুদ্ধি?’ একসঙ্গে প্রশ্ন করল অন্য তিনজন। ‘ওই জলদানবটাকে ধরব আমরা,’ হাসিমুখে ঘোষণা করল কিশোর।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জলদানব রহস্য_১১
→ জলদানব রহস্য_১০
→ জলদানব রহস্য_৯
→ জলদানব রহস্য_৭
→ জলদানব রহস্য_৬
→ জলদানব রহস্য_৫
→ জলদানব রহস্য_৪
→ জলদানব রহস্য_৩
→ জলদানব রহস্য_০২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...