গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

"নসিব খারাপ থাকলে কাঠের পুতুলও হা করে"

"রূপকথা " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মফিজুল... (৪৪ পয়েন্ট)



আসসালামু আলাইকুম।। আজকে আমি যে গল্পটি লিখব সেটি একটা রুপকথার গল্প। রূপকথার গল্প হলেও বাস্তবের সাথে অনেক মিল আছে ।এই গল্পটি থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়ার আছে,,,, ------------------------- এক গ্রামে এক জমিদার লোক ছিল। তার একটি মাএ পুএ এবং একটি কন্যা সন্তান ছিল আর ছিল একজন স্ত্রী । তার স্ত্রী অনেক আগেই ইন্তেকাল করে।আর পুএ সন্তানও প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে বিয়ে করে। কিন্তু যাকে বিয়ে করে সে ছিল খুব লোভী। আর অন্য একজনের সাথে তার অবৈধ সম্পর্ক ছিল।জমিদার এর ইচ্ছে ছিল তার ছেলে বাণিজ্য করবে।। তাই সে ইচ্ছে অনুযায়ী তার ছেলে বাণিজ্য করতে যায়। এদিকে জমিদারের ভীষণ অসুখ হয়। অনেক চিকিৎসা করেও সে সুস্থ হয় না। তাই কিছুদিনের মধ্যেই জমিদার মারা যায়।মারা যাওয়ার আগে সে তার ছেলের বউকে বলেছিল যে, তাদের সমস্ত সম্পত্তি কোথায় ছিল এবং এর চাবিকাঠি। এরপর তার ছেলের বউ ঠিক করে যার সাথে তার অবৈধ সম্পর্ক ছিল তার সাথে মিলে এই সব সম্পত্তি আত্মগ্রাস করবে কিন্তু তার আগে সে তার স্বামীর কাছ থেকে ডিভোর্স নিয়ে চলে যাবে। এরপর তার স্বামী বাণিজ্য করে ফিরে আসে কিন্তু বাণিজ্যে তেমন লাভ হয় না।সে ফিরে এসে তার বাবার মৃত্যুর খবর শুনে স্ত্রীকে মৃত্যুর খবর যানায়নি কেন এ কথা জিজ্ঞাসা করে তার স্ত্রী বলে, অনেক কাজকর্ম ছিল তাই তার এ কথা মনে ছিলনা। এরপর তার স্ত্রী জমিদারের ছেলের থেকে ডিভোর্স নেশ কিন্তু জমিদারের ছেলে এ সম্পর্কে তাকে মানা করেনি বরং তাকে ডিভোর্স দিয়ে দেয়। তারপর থেকে জমিদারের ছেলের করুন অবস্থা হয় কারণ তার বাবার সমস্ত সম্পত্তি কোথায় আছে তা সে জানেনা এমনকি এটাও জানেনা যে তার বাবা তার স্ত্রীকে সমস্ত সম্পত্তির খবর জানিয়েছে।। জমিদারের ছেলে অনেক দিশেহারা হয়ে তার বোনের বাড়ি যায়।তার বোনের বিয়ে হয়েগেছিল।তার বোন তার দূরাবস্থার কথা আগে থেকেই জানত তাই সে তাকে ঘরে ঢুকতে দেয়নাই কারণ তার ভয় ছিল সে যদি আবার টাকা পয়সা চেয়ে বসে। তাই দারোয়ানকে তাকে চিড়া মুড়ি খই দিয়ে বাড়ির সামনে থেকেই বিদায় করতে বলে দেয়। বোনের এইরকম ব্যবহারে জমিদারের ছেলে অনেক কষ্ট পায়। এরপর তার এক বন্ধুর কথা মনে পড়ে সে তার কাছে যায় বন্ধুটি অবশ্য ভালো হলেও তার স্ত্রী তেমন ছিলনা। তার বন্ধু তাকে সাদরে গ্রগ্রহণ করে নেয় অন্যদিকে বন্ধুর স্ত্রী তার বন্ধুকে তাকে বাসায় থাকতে বারণ করে কারণ বন্ধুর বউয়েরও একই চিন্তা ছিল যে জমিদারের ছেলের এখন খারাপ অবস্থা সে যদি টাকাপয়সা চেয়ে বসে। কিন্তু বন্ধুটি তার বউয়ের কথায় কান দেয়না। এরপর জমিদারের ছেলে ইকটু চিন্তামুক্ত হয় এবং এখানে থাকতে থাকে।কয়েকদিন পর সে তার বন্ধুর ছোট্ট মেয়েটির সাথে খেলা করতে থাকে। মেয়েটির গলায় ছিল একটি সর্ণের চেইন আার হাতে ছিল সর্নের বালা।পাশেই একটি কাঠের পুতুল ছিল। সে মেয়েটিকে যখনিই কোলে নিবে তখনিই চেইনটি কাঠের পুতুল এর পাশে পড়ে যায় আর কাঠের পুতুলটি চেইনটি গিলে খায়। এটা দেখে সে অনেক অবাক হয়ে যায়।এখন সে খুব চিন্তায় পড়ে যায় কারণ কেউ তো আর বিশ্বাস করবে না যে সোনার চেইন কাঠের পুতুল গিলে খেয়েছে। সকলে তাকেই দোষী বলবে। তাই এই ভেবে সে মেয়েটিকে রেখেই দৌড় দেয়। এরপর সে একদিন রাস্তা দিয়ে হাটতে থাকে। তাকে কে যেন ডাক দেয় এইভেবে সে পিছনে ফিরে তাকায়। দেখে তার স্ত্রী তাকে ডাকছে কিন্তু তার স্ত্রী তাকে দেখতে পায়নি। আর দেখতে যেন না পায় এজন্য সে মুখটি ঢেকে নেয়।তার স্ত্রী তাকে ডাব পারতে বলে।ডাব গাছের পাশেই তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক যার সাথে ছিল মানে প্রেমিকের বাসা ছিল। জমিদারের ছেলে সবই বুঝতে পারে এরপর সে ডাব পারতে থাকে আর তাদের কথা শুনতে থাকে।তার স্ত্রী তার প্রেমিককে বলতে থাকে,,, _ শুনো আমার শশুর আমাকে বলেগেছিল যে তার সমস্ত সম্পত্তি কোথায় আছে।। তাদের একটি জমি আছে সেখানে সব টাকা পয়সা পুঁতে রাখা আছে একটি টঙ্গের বাক্সে আর তাদের একটি চেয়ারে সেই বাক্সের চাবিকাঠি রয়েছে।। তুমি সেই জমি আর চেয়ারটি আমার স্বামীর কাছ থেকে কিনে নেও যত টাকাই লাগে তার কাছ থেকে নেও এসব কথা জমিদারের ছেলে শুনে নেয় এবং সে শুনা মাএই দৌড়ে বাড়িতে যায় এবং চেয়ার থেকে চাবি নিয়ে টঙ্গের বাক্স থেকে সকল টাকা পয়সা নেয়।। এরপর তার স্ত্রীর প্রেমিক এসে জমিদারের ছেলের কাছ থেকে জমি আর চেয়ারটি কিনে নেয় প্রচুর দাম দিয়ে। কিন্তু কিনে নেওয়ার পর চেয়ারে কোন চাবি পাইনি আর জমিতেও কোন টঙ্গের বাক্স ছিল না। এটা দেখে জমিদারের ছেলের স্ত্রীর প্রেমিক অনেক ক্ষেঁপে যায় আর তার স্ত্রীকে অনেক মারে। অন্যদিকে জমিদারের ছেলে এখন জমিদার হয়ে যায় মানে তার কাছে অনেক টাকাপয়সা রয়েছে। তাই সে প্রথম তার বোনের বাড়ি যায় এবং তাকে ডাক দেয় এখন তার বোন তার সুঅবস্থা দেখে তাকে বাড়িতে আসতে বলে কিন্তু জমিদারের ছেলে বাড়িতে যায়না তাকে বলে,,, —আপা আমাকে বাড়িতে আর নিতে হবেনা আপনি আমাকে চিড়া মুড়ি খই দেন এটা শুনে তার বোন অনেক অবাকের সুরে বলে,, —কি বলিস ভাই তোর জন্য তো পোলাও কোরমা করেছি খেয়ে যা কিন্তু জমিদারের ছেলে মানে তার ভাই আর এগুলো খায় না তাকে কয়েকটি টাকা দিয়ে চলে যায় কারণ সে এখন মানুষ চিনেছে এরপর সে তার বন্ধুর বাড়ি যায় বন্ধুর বউ তাকে দেখেই রেগে গিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলে কিন্তু সে তাদেরকে মাথা ঠান্ডা করে বসতে বলে এবং বলে — ভাবী আপনি একটা বটি আনেন আর আপনার মেয়ের পুতুলটি নিয়ে আসেন তারপর বন্ধুর বউ পুতুল আর বটি আনে জমিদারের ছেলে বটি দিয়ে পুতুলটিকে দুই ভাগ করে। দুই ভাগ করে দেখে সেই সোনার চেইন। তার বন্ধু আর বন্ধুর বউ দুজনেই অবাক এরপর জমিদার এর ছেলে সব খুলে বলে। আর তাদের কিছু টাকা দিয়ে ফিরে যায়। এরপর তার বউ তার কাছে এসে অনেক কান্নাকাটি করে মাফ চায় কিন্তু সে তার মন বউয়ের কান্নায় গলে যায়না সে তাকে তার গ্রহণ করে নেয় না তারপর সে অন্যজায়গায় বিয়ে করে সুখে সংসার করতে থাকে।। -----আমার গল্পটি ফুরোলো নটে গাছটি মুরোলো---- বিঃদ্রঃ অনেকদিন পর গল্প লিখলাম। গল্প লিখার শক্তি হারিয়ে ফেলিছিলাম। তাই ভূল ক্রটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন gj আর গল্পটি রূপকথার হলেও শিক্ষার নেওয়ার আছে gj আল্লাহ হাফেজ ✋ ✋ ✋ ✈ ✈


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২২৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ``মহাপুরুষ ইয়ং-চুং-চা``
→ যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য
→ উপহার
→ মুখে বসন্তের দাগ! দূর করতে ব্যবহার করুন এগুলো
→ হুজুরের পড়া হাঁস
→ উড়োজাহাজ আবিস্কার
→ হাসলে হাসেন নাহয় কাদেন
→ ~আচ্ছা মানলাম যে এই মহাবিশ্বের একজন স্রষ্টা আছেন,তাহলে তাকে কে সৃষ্টি করল? আমি তো মনে করি মহাবিশ্ব নিজেই স্রষ্টা।
→ হায়রে মানুষ, তাদের কি ছিলনা কোনো হুশ!
→ ~ভূত নামানো(গল্পটি বলেছেন ড.মুহাম্মদ জাফর ইকবাল)।

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...