গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

তুমি চিরকাল

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mujakkir Islam (৫ পয়েন্ট)



সেবা রোমান্টিক সিরিজ থেকে তুমি চিরকাল – শেখ আব্দুল হাকিম প্রথম পর্ব . তুমি তাহলে যাবেই? জানতে চাইল সাঈদ। এ আবার কি ধরনের প্রশ্ন! স্যুটকেসে দুটো শাড়ি ভরল ঝর্ণা, মুখ তুলে স্বামীর দিকে তাকাল। আমার যাবার কথা তো বেশ কদিন আগেই ঠিক হয়েছে। তুমি খুব ভাল করেই জানো যে এটা তোমার স্বাভাবিক বেড়াতে যাওয়া নয়। বলছ বটে ঢাকায় বান্ধবীর বাড়িতে উঠবে, কিন্তু হাসি সিদ্দিকী তোমাকে দুএকদিনের বেশি ধরে রাখতে পারবে না। কোলকাতা হয়ে দিঘায় চলে যাবে তুমি, সেই মধুরিমার কাছে। কিনা কি দেখেছে, শোনার পর থেকে এক মুহূর্তের জন্যেও শান্তি নেই তোমার মনে। তাহলে তো দিন কতকের জন্যে আমাকে চোখের সামনে থেকে দূর করতে পারলে খুশি হবার কথা তোমার। একটা ভূতকে জ্যান্ত করে কি লাভ, বলতে পারো আমাকে? কে বলল জ্যান্ত করতে চাইছি? আমি আসলে ঘাড় থেকে নামাতে চাইছি ওটাকে। দীর্ঘশ্বাস চাপল ঝর্ণা। যদি জানতাম…যদি বুঝতাম যে..তোমার সিকি ভাগও আমার কপালে জুটবে না, তাহলে…। সব মিলিয়ে আমি যা, এমন বহু মানুষ আছে যারা আমার আট ভাগের এক ভাগ পেলেও ধন্য হয়ে যেত, বলল ঝর্ণা, কৌতুক ঝিক করে উঠল তার চোখের তারায়। তোমার ভেতর আসলে কোন নীতিবোধ নেই, ঝর্ণা। মাঝে মধ্যে তোমাকে আমি এত ঘৃণা করি। আমাকে যখন বিয়ে করলে, তখনও তোমার মাথার এক কোণে আশরাফ ছিল। বিয়ের পর এই যে এক বছর আমরা একসঙ্গে আছি, আমার সন্দেহ প্রতিটি দিন তুমি তার কথা ভেবেছ। যদি ভেবেও থাকি, তুমি চিৎকার করলে সেটা বন্ধ হবে না। কেন চিল্কার করছ তাও বুঝি-কাজের বুয়াকে শোনাচ্ছ। চোখ-মুখ লাল হয়ে উঠল সাঈদের। ঝর্ণা, তোমাকে আমি বহুবার বলেছি, উনি আমাদের কাজের বুয়া নন। ভুলে যেয়ো না, আয়েশা আন্টি বি. এ. পাস, এককালে তিনি স্কুল মিসট্রেস ছিলেন। অনেক কষ্টে নিজেকে সামলে নিল সে, তারপর আবার বলল, উনি মিনিট খানেক হলো চলে গেছেন, দরজা বন্ধ হবার আওয়াজ পেয়েছি আমি। তবু, তোমার এই চিৎকার-চেঁচামেচি আমার ভাল লাগছে না। সব যদি যুক্তি দিয়ে বিচার করতে পারতে, এই অশান্তি সৃষ্টিই হত না। আমাদের বিয়ের আগে আমার মনের অবস্থা কি ছিল, তুমি জানতে। আমি তোমাকে সাবধানও করেছি, কিন্তু আমার কোন কথাই তুমি শোনোনি। ঝুঁকিটা সেই নিলেই। জানি। আমি বোধহয় আবারও তা নেব, স্বীকার করল সাঈদ, তবে শুধু যদি নিশ্চিত হতে পারি যে আমাকেই তুমি চাও। সম্ভবত এই অনিশ্চয়তা বোধটুকুই আমার প্রতি তোমার আকর্ষণের কারণ—অন্তত আংশিক। তারপর ঠোঁটের কোণ কামড়ে কি যেন চিন্তা করল ঝর্ণা, বলল, এবার থামো তো, অনেক হয়েছে। আমার যাবার কথা, আমি যাচ্ছি। তোমারও তো সিলেট যাবার কথা, ইচ্ছে হলে যাও। আর না গেলে এখানে বসে লেখাটা শেষ করো। লেখাটা ভাল হচ্ছে না, বলল সাঈদ। শান্তাও তাই বলছিল বটে। সে তত তোমার অন্ধ ভক্ত। প্রিয় লেখকের লেখার মান ভাল না হলে চিন্তায় মরে যায়। শান্তা খুব ভাল মেয়ে। একটু বেশি নরম। তোমাকে ভালবেসে ফেলছে, যদিও নিজে তা রোঝে না এখনও। সুটকেস বন্ধ করে বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল ঝর্ণা। তোমাকে নিয়ে সমস্যা হলো, সাঈদ, মেয়েদের সম্পর্কে খুব কম জানো তুমি। হালকাভাবে নিয়ো না, তোমার আসলে সত্যিকার একটা লাভ অ্যাফেয়ার দরকার। আবার চোখ-মুখ লালচে আর গরম হয়ে উঠল সাঈদে তেতো একটা লাভ অ্যাফেয়ার তো চলছেই তোমার সঙ্গে আমার, তারপর আরও একটা? হ্যাঁ, বড় বেশি তেতো। তোমাকে আমি খেপিয়ে তুলেছি, বোধহয় রশি দিয়ে বেঁধেও রেখেছি। তুমি আর তোমার কাজ, দুটোর স্বার্থেই ভাল হবে যদি শান্তার দিকে ঝেকো তুমি, এমনকি প্রয়োজনে নিজের ওপর জোর খাটিয়ে হলেও…। স্থির পাথর হয়ে গেল সাঈদ, চোখ দুটো থেকে আগুন ঝরছে। এমন কুৎসিত কথা তুমি বলতে পারলে? আমার জন্যে যদি নাও থাকে, শান্তার জন্যে তোমার কোন মায়া বা দরদ নেই? সে না তোমার খালাতো বোন? হাসি পেলেও হাসল না ঝর্ণা। এতে তারও কোন ক্ষতি হবে, বলল সে। বড় বেশি নরম, বলেছি না? একটু ছ্যাকা লাগার দরকার আছে। বাইশে পা দিয়েছে, কিন্তু আমার সন্দেহ এ-সব ব্যাপারে তার কোন অভিজ্ঞতা হয়নি এখনও। তোমার কাছ থেকে প্রথম স্বাদ পেলে তার জন্যেও ভালই হবে। ছি, তুমি এত নোংরা! এসব কথা কোন স্ত্রী তার স্বামীকে বলে? নিরীহ, লক্ষ্মী একটা মেয়ের সঙ্গে নিজের স্বামীকে তুমি মিছিমিছি জড়াতে চাইছ …! হয়তো ভাল কিছু পাবার আশায় চাইছি, বলল ঝর্ণা। মনে করো, তোমাদের উপকারী বন্ধু হতে ইচ্ছে হয়েছে আমার। অভিজ্ঞতাটা থেকে তোমরা দুজনেই উপকৃত হবে। মেয়েদের সম্পর্কে আনকোরা নতুন কিছু শিখবে তুমি, আর শান্তার ভেতর সচেতনতা সৃষ্টি হবে, বলা যায় তার ঘুম ভাঙবে—অবশ্যই তোমার __রা, তবে তোমার কাছে বাঁধা পড়বে না সে, অন্তত ব্যাপারটা স্থায়ী হবে না। এক সময় তার গ্রহণ ক্ষমতা এতটাই বাড়বে, তখন আর অন্য কারও আকর্ষণে সাড়া দিতে দ্বিধা করবে না। স্ত্রীর কাছাকাছি চলে এল সাঈদ। তার চেহারার মায়াভরা ভাবটুকু অদৃশ্য হয়েছে, রাগে জ্বলজ্বল করছে চোখ দুটো, দৃষ্টিতেও আশ্চর্য ধরনের একটা নিষ্ঠুরতা ফুটে উঠেছে। হঠাৎ একটু ভয় লাগল ঝর্ণার, শিরশির করে উঠল তার শরীর। ধ্যেত, তুমি দেখছি বড় বেশি সিরিয়াসলি নিচ্ছ, তার গলায় ধৈর্য হারানোর সুর। যখন তুমি দুজনের জীবনই নষ্ট করার হুমকি দাও, আমার সিরিয়াস না হয়ে উপায় কি! তুমি একটা শয়তান মেয়েলোক…কোন্ দিন না সীমা ছাড়িয়ে যাও! ঠিক আছে, ঠিক আছে, আমার কথা যদি এতই খারাপ লাগে তোমার, এখন থেকে আর কোন ভাল পরামর্শ দেব না। এরইমধ্যে অনেক বেশি বলে ফেলেছ। তোমাকে আমি ভালবাসি, কিন্তু কোন কোন সময়, এই যেমন এখন, মনে হয় তোমাকে খুন করতে পারলে দারুণ একটা তৃপ্তি পেতাম। কারণ বুঝতে পারি, একমাত্র শুধু তখনই তোমাকে পুরোপুরি পাওয়া হবে আমার। এ তোমার পাগলামি, বলল ঝর্ণা। সরো তো, সুটকেসটা বন্ধ করতে দাও। নিহত স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করার কোন ইচ্ছে আমার নেই। তুমি তো চিরকালই তা-ই, অভিনেত্রী, বলল সাঈদ। আমি ভালবাসলে কি হবে, আমার প্রতি তোমার ভালবাসাটা নির্জলা অভিনয়। কিন্তু এখন যেটা ঘটছে সেটা অভিনয় নয়, ঝর্ণা। একমাত্র মৃত্যুর মাধ্যমেই তোমাকে আমি আপন করে পেতে পারি…। সাঈদ, এরকম সাহিত্যের ভাষায় আমার সঙ্গে কথা বোলো না তো! প্রায় চিৎকার করে উঠল ঝর্ণা। সে কিছু বোঝার আগেই সাঈদ তার একটা হাত ধরে সজোরে মোচড় দিল, হ্যাঁচকা টানে নিয়ে গেল পিঠের দিকে। স্বামীর গায়ে এত শক্তি, আজই যেন প্রথম উপলব্ধি করতে পারল ঝর্ণা। ছাড়ো আমাকে! রাগে আবার চিৎকার করে উঠল, তবে এবার সত্যি সত্যি ভয় পেয়েছে। কেন ছাড়ব? তার হাতে তোমাকে তুলে দেয়ার জন্যে? বলো তো কেমন লাগে সেই লোকের, যে তার স্ত্রীকে একটা বছর যতবার বুকে নিয়ে শুয়েছে ততবার তার মনেহয়েছে, স্ত্রী অন্য এক পুরুষের কথা ভাবছে? প্রতিটি আদরে সাড়া দিয়েছ তুমি আমাকে সে মনে করে, আমাকে আমি মনে করে নয়। তুমি প্রলাপ বকছ! হাঁপিয়ে উঠল ঝর্ণা, ব্যথায় নীলচে হয়ে গেছে চেহারা। যা সত্যি তাই বলছি। স্বীকার করো তুমিও জানো এ-সব সত্যি ! সাঈদের শক্ত বাঁধনের ভেতর মোড় খাচ্ছে ঝর্ণা। ছাড়ো আমাকে! আমার লাগছে…সাঈদ…সাঈদ…, আর্তনাদ করে উঠল সে। ঝর্ণাকে বিছানায় ফেলে দিয়ে তার ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ল সাঈদ, আর্তনাদটা অকস্মাৎ থেমে গেল। ঘরের ভেতর জমাট বাঁধল নিস্তব্ধতা। কাজ সেরে চলে যাবার আগে লাইব্রেরি রুমের দরজা দিয়ে ভেতরে মাথা গলালেন আয়েশা বেগম, শান্তাকে জিজ্ঞেস করলেন তার কিছু লাগবে কিনা বা আর কোন কাজ করতে হবে কিনা। টাইপরাইটার থেকে একবার মুখ তুলে শান্তা শুধু মাথা নাড়ল। তারপরও দোরগোড়া থেকে নড়লেন না আয়েশা বেগম, বললেন, এই বয়েসে মেয়েদের ঘরের কোণে বসে কাজ করা ঠিক নয়। তোমরা যদি সচেতন না হও, এই যে নারীজাতির বিরুদ্ধে দেশজুড়ে ষড়যন্ত্র চলছে, তা ঠেকাবে কে? তোমাদের আসলে বেরিয়ে পড়া উচিত। মাঠে-ময়দানে, রাস্তা-ঘাটে বক্তৃতা দাও, মেয়েদের এক করো। এই যে ওরা কামড়ে-আঁচড়ে কচি মেয়েটাকে রক্তাক্ত করল, তারপর কবর দিল জ্যান্ত, সে তত তোমারই বোন, নয় কি? তার জন্যে তোমরা কিছু করবে না? আজ যদি তার জন্যে কিছু না করো, কাল তোমার অবস্থাও তো তার মত হবে। তখন?, জ্বী করব, এবার আর কাজ থেকে মুখ তুলল না শান্তা। তবে ভাবছে সে। আয়েশা আন্টি এমন সুরে কথাগুলো বলেন, তার মেয়েকে যেন সম্প্রতি জ্যান্ত কবর দেয়া হয়েছে। অথচ একাত্তর সালে, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার ঘটনা সেটা। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল সে। আয়েশা আন্টির কাছে ঘটনাটা হয়তো এখনও পুরানো হয়নি। ভুলে যেয়ো না, এই বন্দীদশা থেকে নিজেদের চেষ্টায় মুক্তি পেতে হবে আমাদের। চোখ রাঙিয়ে বললেন আয়েশা বেগম। না, ভুলব না। আমি তাহলে যাই, ওদেরকে তৈরি হতে বলি। জী, ঠিক আছে। চলে গেলেন আয়েশা বেগম। তিনি চলে যাবার পর নিঃসঙ্গবোধটা আঁকিয়ে বসল শান্তার মনে। এর আগে প্রায়ই আশা ভিলা-য় সারাদিন কাজ করেছে সে, সময়ের হিসাব মনে থাকেনি বা নিঃসঙ্গও লাগেনি। আজ তাহলে একা লাগার কারণ কি? একটা কারণ হতে পারে, সাঈদ হাসান এবার যে উপন্যাসটা লিখছেন, পড়ে একটুও মজা পাচ্ছে না সে। ময়মনসিংহ খুবই ছোট শহর, চারপাশে গ্রাম আর নদীর বেড়, সেই বেড়েরই এক প্রান্তে গাছগাছালির ভেতর ছোট্ট বাড়িটা। এখানে পাখির কল-কাকলি, নদীর কলকলানি, গাছের পাতায় বাতাসের ফিসফিসানি শোনা যায়, একজন লেখকের জন্যে এই প্রায় নির্জন পরিবেশ খুবই দরকার। তবে তার ঝর্ণা আপা যে প্রায়ই এখান থেকে চলে যেতে চায়, সেজন্যে অবাক হয় না শান্তা। এরকম ছোট শহরের পাশে বসবাস করার মত মানসিকতা তার হবারও নয়। তবে গত এক বছরে প্রতিবেশী অনেকের সঙ্গেই ওদের সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এবারের ঢাকায় বেড়ানোটা তার ঝর্ণা আপা নিশ্চয়ই দারুণ উপভোগ করছে। এর আগেরবার একা যায়নি, তাকেও সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিল। ঢাকায় গেলে সব সময় হাসি সিদ্দিকীদের বাড়িতে ওঠে ঝর্ণা আপা, হাসি সিদ্দিকীও তার স্বামীকে নিয়ে এখান থেকে একবার বেড়িয়ে গেছেন, সঙ্গে ঝর্ণা আপার ফ্যান সোহানাও এসেছিল। সন্দেহ নেই, ঢাকায় পা দিয়েই নাচ-গান নিয়ে মেতে উঠেছেন ঝর্ণা আপা, রোজ রাতে বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে চাইনীজ খাচ্ছেন, নাটক বা রিহার্সেল দেখতে বেইলী রোডেও যাচ্ছেন। তবে হাসান ভাইয়ের উচিত ছিল আপার সঙ্গে থাকা। তারপর শান্তা ভাবল, কিন্তু না, তা সম্ভব নয়। ঝর্ণার আপার বন্ধু-বান্ধবরা। সবাই ফ্যাশন জগতের রত্ন, নয়ত পারফর্মিং আর্টস-এর তারকা। তাদের সঙ্গে চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন হাসান ভাই, এ চিন্তাই করা যায় না। তিনি বরং যেখানে গেছেন সেখানেই তাকে সবচেয়ে বেশি মানায়। সিলেটের বিপিনবিহারী কলেজে। ওখানে বাংলার এক অধ্যাপক তাঁর পুরানো বন্ধু। হাতের কাজ শেষ করে মুক্তিযুদ্ধের ওপর নতুন যে উপন্যাসটা লিখবেন বলে ভাবছেন, দুই বন্ধু মিলে ঘন্টার পর ঘণ্টা লাইব্রেরিতে বসে তারই উপাদান ও উপাত্ত সংগ্রহ করছেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৫৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ "আনিকা তুমি এমন কেন?"[২য় তথা শেষ পর্ব]
→ "আনিকা তুমি এমন কেন?"[১ম পর্ব]
→ বঙ্গবন্ধু তুমি অনন্যময়
→ তুমি কিসের মতো -পর্ব ২ (শেষ পর্ব)
→ তুমি আর আমি কে!
→ তুমি কিসের মতো?
→ ওই মেয়ে তুমি কি আমার বউ হবা?////
→ কেন তুমি এলে
→ কেন তুমি নেই (কবিতা)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...