গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (১৯)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Tuba Rubaiyat (৮৭ পয়েন্ট)



শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ part:19 writer:T.R♥ ♦♦ ফজরের আজানের মিষ্টি সুরে শ্রুতির ঘুম ভেঙে যায়।।ঘুম জড়ানো চোখে চারপাশে তাকিয়ে খুব অবাক হয়।।ওর পাশে রিহা ঘুমিয়ে আছে,,,কিন্তু ও তো ছাদে ছিলো অভির সাথে ।। তাহলে এখানে এলো কি করে??নিশ্চয়ই অভি নিয়ে এসেছে।।হায় আল্লাহ কেউ আবার দেখেনি তো।।।নামাযের সময় হয়ে যাওয়ায় চিন্তা ভাবনা গুলো কে সাইডে রেখে ওযু করে নামায পড়ে নেয়।। এর মধ্যেই নিধি এসে বলে,,,, -- শ্রুতি রেডি হয়ে নাও,,,,,এখন পাহাড়ে যাবো সবাই।। --আচ্ছা আমি আসছি।।। একটু পরেই সবাই তৈরি হয়ে চলে আসে।।শ্রুতি ব্ল্যাক জিন্স,,সাদা টপস,,উপরে নেভি ব্লু কটি,,চুলগুলো উচু করে বাধা,, সাদা কেডস,,,পড়েছে,,,,অভি দেখে হা হয়ে যায়,,,, -- উফফ এই মেয়ে যেভাবেই থাকে সেভাবেই আমাকে পাগল করে দেয়,,, শ্রুতি অভির দিকে তাকিয়েই অবাক হয়ে যায়,,,,অভিও আজ সাদা শার্ট, ব্ল্যাক জিন্স পড়েছে।।।বাহ কি মিলে গেল,,,,,,,তারপর সবাই বেরিয়ে যায়,,,,,কিছুক্ষনের মধ্যেই ওরা পাহাড়ে কাছে চলে আসে,,,, সবাই আস্তে আস্তে পাহাড়ে উঠছে আর মজা করছে,,,পাহাড়ের পাশে দিয়েই একটা নদী বয়ে গেছে,,,পাহাড়ের চুড়ায় একটু সমতল জায়গা দেখা যাচ্ছে,,,ছোট ছোট সবুজ ঘাসের ওপর শিশির জমে আছে।। ভোর বেলা শিশিরভেজা ঘাসে খালি পায়ে হাটার মজাই অন্যরকম।।হাটার সময় যখন শিশির বিন্দু গুলো পা ছুয়ে যায় তখন অসাধারণ লাগে।।শ্রুতি পা থেকে কেডস গুলো খুলে হাতে নেয়,,,আর খালি পায়ে হাটতে থাকে শিশির ভেজা ঘাসে।।অন্যরা সবাই একটু সামনে,,, কেউ ছবি তুলছে,কেউ দুষ্টুমিতে মেতে আছে।।হঠাৎ কেউ ওর চোখে হাত দিয়ে ওকে একপাশে নিয়ে আসে,,স্পর্শটা ওর চেনা।।তবুও নিজেকে ছাড়ানোর জন্য ছুটোছুটি করতে থাকে,,, অভি: একটু চুপ থাকতে পারোনা???জানো লাফালাফি করে লাভ নেই তবুও লাফাচ্ছো কেন?? শ্রুতি: উফফ কাল থেকে কি শুরু করেছেন আপনি???যেখানে সেখানে নিয়ে আসেন আমাকে,,,,ছারুন!! অভি: কথা বন্ধ করে পুর্বাকাশে তাকাও,,,, শ্রুতি: কেন তাকা,,,,,,,, পুর্বাকাশে তাকিয়ে কথা শেষ করার আগেই শ্রুতির চোখ আটকে গেল এক মনরোম দৃশ্যে।।।যেন এক কল্পনাকে দেখতে পেল। চারিদিকে মেঘ আর সবুজ পাহাড়ের এক অপুর্ব সমন্বয়।।প্রকৃতি যেন উজার করে রেখেছে এক রুপের ঝাপি।।ছোট ছোট মেঘের ভেলায় চড়ে কোন এক অপরুপা রাজকন্যা জেন নেমে এসেছে পাহাড়ের দেশে।।অভি শ্রুতিকে পেছন থেকে জড়িয়ে ওর কাধে থুতনি রেখে নিজেও আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল।।কয়েক সেকেন্ড পর শ্রুতি দেখতে পেল বিশাল এক সূর্য থালার মত একটা মাথা জাগিয়েছে পাহাড়ের ওপাশ থেকে।। শ্রুতি কোন কথা বলতে পারলো না। কি অসাধারণ!! আস্তে আস্তে সূর্যের এক প্রান্ত পুরো পৃথিবীকে তাতিয়ে উপরে উঠছে,, আরো একটু উপরে,,, তারপর আরো একটু উপরে,,,,এভাবে পুরোপুরি উপরে উঠে গেল,,,,শ্রুতি অভির দিকে ফিরে বললো,,,, --সূর্যটা অসাধারণ!! পাহাড়ের সূর্য বুঝি এমন ভয়ংকর সুন্দর হয়?? --শুধু পাহাড়ে না,,, সূর্যোদয় এর সময় সূর্য সবজায়গাতেই এমন থাকে,,,শহরের মানুষ দেরী করে ঘুম থেকে ওঠে বলে এই সৌন্দর্যটা দেখতে পায়না,,,,আর তাছাড়া ইট পাথরের দেয়ালের ভেতর থেকে এই সূর্যটাকে দেখার সুযোগ কই বলো???এই সৌন্দর্যটা পাহাড় আর সমুদ্রের পাড় থেকে সবচেয়ে ভালো দেখা যায়।।শ্রুতি কিছু না বলে আবার আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে।।অভি ওর কানের কাছে গিয়ে বলে,,,,,,,,,,, --মনে ভালোবাসার অনুভুতি কবে সৃষ্টি হয়েছিলো জানিনা।।তবে প্রিয় মানুষকে সাথে নিয়ে বৃষ্টিতে ভিজবো,, এভাবে সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত,, রংধনু দেখবো এই স্বপ্ন অনেক আগে থেকেই বুনে রেখেছি আমি,,,,আজ তুমি আমার সেই স্বপ্ন পুরন করে দিলে মায়াবতী!!! এখন বাকি হলো সূর্যাস্ত আর রংধনু দেখা।।সেটাও সুযোগ বুঝে তোমাকে নিয়ে পুরন করে নেবো।। বলেই শ্রুতির সামনে হাটু গেড়ে বসে পড়ে,,,,,পকেট থেকে একটা পায়েল বের করে খুব যত্ন করে পড়িয়ে দেয়।।।পায়েল টা দেখে শ্রুতি খুব অবাক হয়ে যায়,,কারন এটা সেই পায়েলটা যেটা মেলায় ওর পছন্দ হয়েছিলো কিন্তু কিনতে পারেনি।।। -- এই পায়েলটা?? আপনি এটা পেয়েছেন কোথায়?? -- মেলা থেকে এনেছি,,,, --আপনি কিভাবে বুঝলেন এটা আমার পছন্দ হয়েছে??? --আপনার এই চোখ গুলো আমি পড়তে পারি ম্যাডাম,,,,,,,আপনার চোখ দেখেই আমি সব বুঝতে পারি।। শ্রুতি ছলছল চোখে তাকিয়ে আছে,,, অভি আরো কিছু বলতে যাবে এর মধ্যে ইহান ডাক দেয়,,,, --ওইতো ইহান ডাকছে,,,,চলো,,,,, --হুম।। অরি পাহাড়ের কিনারায় দাঁড়িয়ে আছে,,,,,রেহান গিয়ে ওর পাশে দাঁড়ায়।। --কি হলো কি করছো একা একা?? --কিছুনা,,,,,প্রকৃতি কে উপভোগ করছি,,,,,, --হুম,,,, ইট পাথরের দেয়ালের আড়ালে এই সৌন্দর্যটা পাওয়া যায়না,,,,, অরি চুপচাপ সামনে তাকিয়ে আছে,,,,রেহানের কেন যেন এই মেয়েটাকে খুব ভালো লাগে।।কারনটা জানা নেই!!! ****----***---**---*----****-*----*--* সন্ধ্যায় রিহার গায়ে হলুদ।।।ওয়েডিং প্ল্যানার রা বাড়ি সাজাচ্ছে,,,, মেয়েরা সবাই মেহেদি পড়তে বসে গেছে,,,, নিরা আর নেহা এখানেও ঝামেলা শুরু করেছে কে আগে মেহেদী পড়বে সেটা নিয়ে,,,,,,,,,,আজ মেয়েরা সব হলুদ শাড়ি পরেছে।।আর ছেলেরা সাদা পাঞ্জাবী সাথে হলুদ কটি,,,,, শ্রুতি কোমরের নিচ পর্যন্ত লম্বা চুল গুলো ছেড়ে দিয়েছে,,,,মুখে হল্কা সাজ একেবারে পার্ফেক্ট।।।।অরি হেসে বললো,,,,, --ইস আমাদের হলুদ পরীকে তো অসাধারণ লাগছে,,,আজ তো সবাই রিহা কে ছেড়ে তোমার দিকে ই তাকাবে,,,,আজ যে কত ছেলের মাথা খারাপ করবে তুমি,,, --কিযে বলনা আপু,,,,, --হয়েছে আর লজ্জা পেতে হবেনা,,,,, অভি আর ইহান রেডি হয়ে স্টেজের সামনে দাঁড়িয়ে আছে,,,,,হঠাৎ সিড়ির দিকে তাকিয়েই অভির চোখ আটকে গেল একটা হলুদ পরীর উপর,,,,,হয়তো কয়েকটা হার্টবিট ও মিস হয়ে গেল।।।ইহান পাশে থেকে বলল,,,, -- আরে ভাই মুখটা একটু অফ কর,,,,এভাবে হা করে থাকলে বিয়ে বাড়ির মানুষ সব তোর মুখে ঢুকে যাবে,,,,হা হা,, অভি শ্রুতির দিকে তাকিয়ে থেকেই একহাত বুকে দিয়ে মাথা হেলিয়ে বলে উঠলো,,,,,,,,, -- ইয়ার!!!হায় ম্যা মারাযাওয়া!!! -- ভাই মরে গেলে তো তুইই পস্তাবি,,,,দেখা গেল তুই মরে গেলে আমি শ্রুতিকে বিয়ে করে সুইজারল্যান্ড হানিমুনে চলে গেলাম,,,আর তুই কবরে শুয়ে শুয়ে আফসোস করছিস,,,,,,তাই বলছিলাম যে ক্রাশ একটু কম খা,,, --এই কথা কল্পনাতেও আনিস না কখনো,,,,,, শ্রুতি শুধু আর শুধু মাত্রই অভির,,,,,,,(দাত মুখ শক্ত করে) হলুদের প্রোগ্রাম শুরু হয়ে গেছে,,,,,সবাই রিহাকে হলুদ লাগাচ্ছে,,,ওর সাথে ছবি তুলছে,,,শ্রুতির এসব ভীর পছন্দ না তাই এক পাশে দাঁড়িয়ে আছে।।একটা পিচ্চি এসে শ্রুতির হাতে একটা চিরকুট ধরিয়ে দিলো,,,যেটায় লেখা,,,,, আমার মায়াবতী♥ ""আজ কি আমাকে মারার প্ল্যান করেছো নাকি??হুম্মম্ম??প্রতিনিয়ত এভাবে পাগল করলে পরে সামলাতে পারবে??""" শ্রুতি জানে কে লিখেছে,,,,ও শুধু একটা মুচকি হাসি দিলো,,,,,হলুদ লাগানো প্রায় শেষ,,,, কিছুক্ষন পর অভি এলো,,,হাত গুলো পেছনে,,, --কি হলো????(ভ্রু নাচিয়ে) শ্রুতি কিছু বলতে যাবে তার আগেই দু গালে হলুদ লাগিয়ে দিলো,,,,,তার পর ভুবন ভোলানো হাসি দিয়ে চলে গেল,,,,,পুরোটাই শ্রুতির মাথার উপর দিয়ে গেসে,,,,,ও রাগী লুক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে,,,,, বড়রা সবাই চলে গেছে,,,,এখন শুধু ছোটরা আছে,,,,ইহান, রেহান, নিধি সবাই মিলে ডান্স করলো,,,,এর মধ্যেই ইলা এসে বলল,,, ও গান গাইবে,,,শুনেই নিধি ওরা বিষম খেল।।কারন ও কি গান করে সেটা সবারই জানা আছে।।কিন্তু কেউ কিছুই বলল না।।না হলে ইলা কুরুক্ষেত্র বাধিয়ে ফেলবে,,,,শ্রুতির পাশে নিরা আর নেহা দাঁড়িয়ে ছিল,,,,নিরা নেহাকে ফিসফিস করে বলল,,,, ,"""নেহারে চল,,,এখনো আপুর বিয়ে খাওয়া হয়নি ।। এখন যদি হার্টএটাক হয় তাহলে সব শেষ"" বলেই দুজনেই ফুস।।ইলা গান শুরু করলো,,,শ্রুতির মনে হচ্ছে কেউ যেন একটা ফাটা বাঁশ ছেড়ে দিয়েছে,,,যেই অল্প কয়েকজন ছিল তারাও সবাই চলে গেছে,,,শ্রুতি অনেক্ষন ধরে হাসি আটকে রাখার চেষ্টা করছে,,শেষে আর আটকাতে পারলনা জোরে হুহা করে হেসে দিল,,,,ইলা তো রেগে আগুন।। --এই মেয়ে এভাবে জোকারের মত হাসছো কেন,,,,জীবনে কখনো গান শোনোনি,,,,গান শুনলে হাসতে হয়??? -- গান শুনলে কি কেউ কখনো হাসে নাকি??কিন্তু এটা তোমার গান শুনে অতি আনন্দে হেসে ফেলেছি,,,, ব্যাস আর কি লাগে,,,ইলা এবার পারেনা ওকে খুন করে ফেলে,,আরো রেগে গিয়ে বললো,,, -- ওহ রেলি???তাহলে নিজে একটা গান গেয়ে দেখাও তো,,,দেখি কেমন গান গাও তুমি,,, -- আমি গান গাইনা,,, ইলা তো সুযোগ পেয়ে গেল,,,,এটা নিয়ে এখন শ্রুতিকে অপমান করতে পারবে,,,ভেবেই মনে মনে শয়তানী হাসি দিলো,,,, --গাইবে কি করে??? গান কাকে বলে জানো,,,তোমার মত চিপ মেয়েরা তো এটাই পারে,,,ছোট মুখে বড় কথা,,,রাস্তার মেয়ে কোথাকার!!!রাস্তার মেয়েরা আবার গান গাইতে জানে নাকি??হাহ,,,,,,,,,, ইলার কথা শুনে শ্রুতির চোখে পানি এসে পড়লো,,,,,চোখ মুছে সামনে এগিয়ে গেল।।ইলা এখনো শ্রুতিকে আজেবাজে কথা শুনিয়েই যাচ্ছে,,,,শ্রুতি সামনে গিয়ে ইলার হাত থেকে মাইক টা নিয়ে চোখ বন্ধ করে গাইতে শুরু করল,,,,, Ik baat kahun tujhse, Tu paas hain jo mere sine se tere sar ko lagake sunti main rahun naam apnaa sine se tere sarko lagake sunti main rahun naam apna,, সবাই অবাক হয়ে আছে,,,এত সুন্দর করে কি করে গাইতে পারে,,,ইলা আফসোস করছে কেন ওকে গাইতে দিলো,,,,অভি একটু দূরে দাঁড়িয়ে ফ্রেন্ডদের সাথে কথা বলছিল,,,গানের আওয়াজ শুনে আস্তে আস্তে স্টেজের দিকে এগিয়ে এসে শ্রুতিকে দেখে থমকে যায়,,,তারপর নিজেও শ্রুতির সাথে সুর মিলিয়ে গাইতে থাকে,,, Oh likh di tere naa Zindegi janiyee,, bas rehna tere naal ve juriyee,, rehna tu pal pal dil ke paas, jodi reh tujhse har ek saans,, অন্য কারো কন্ঠ শুনে শ্রুতি চোখ খুলে অভিকে দেখে,,,,আবার চোখ বন্ধ করে তালে তালে গাইতে থাকে।।।হঠাৎ অনেকের হাততালির আওয়াজে চোখ খুলে অবাক হয়ে যায়।।পুরো বিয়েবাড়ির সবাই দাঁড়িয়ে আছে।।।সব মেহমান রা মুগ্ধ হয়ে গান শুনছে,,,,সবাই শুধু এটাই জিজ্ঞেস করছে ওরা প্রফেশনাল সিংগার কিনা??না হলে এত ভালো কি করে কেউ গাইতে পারে।।।এদিকে ইলা রাগে ফুসছে,,, --এর প্রতিশোধ আমি নেবই,,,এই মেয়ে কি মনে করে নিজেকে,,,আর অভির সাহস কি করে হয় এই মেয়ের সাথে গান গাওয়ার???? (চলবে)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৯৭৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (২৩)
→ শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (২৩)
→ জিজের পরিচিতরা যে কারণে প্রিয় (শেষ পর্ব)
→ অভিশপ্ত আয়না পর্র৬(শেষ পর্ব):-
→ শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (২২)
→ শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (২১)
→ "আনিকা তুমি এমন কেন?"[২য় তথা শেষ পর্ব]
→ শেষ বসন্ত-(প্রথম পর্ব)
→ সীরাহ কেন পড়া উচিৎ? রাসূল (সা:) এর জীবনী বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংরক্ষিত হয়েছে – শেষ পর্ব
→ শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (২০)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...