গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

অন্ধ প্রেম

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান RJ Raj (২২১ পয়েন্ট)



মেয়েটির নাম ছিলো,নুপুর। তার নামটা যেমন সুন্দর,সে দেখতেও ভারি মিষ্টি মেয়ে। সে রোজ বোরকা পরে বাসা থেকে বের হতো। স্কুল কলেজ এমনকি শপিং করতেও সে বোরকা পড়ে যেতো। অদ্ভুত একটা বিষয় হলো, তার বাবা মা নিজের পরিবার ছাড়া তাকে আর কেউ দেখেনি। এমনকি তার বান্ধবিরা পর্যন্ত। কারন,,তার বয়স যখন পাচ বছর সে ঠিক তখন থেকেই বোরকা পড়ে বাইরে বের হতো। ,,,, নুপুর তো বোরকা পড়তো,,, সে কেমন দেখতে সাদা না ফর্সা বা কালো যেমনি হোক না কেনো।তাকে না দেখেই তার প্রেমে পড়বে,,,এমন কোন ছেলে আছে বলে মনে হয় না। কিন্ত,,,আছে একজন। তার নাম,,রাজ। কলেজের কোন ছেলে নুপুরের দিকে খেয়াল না করলেও,,,,রাজ নুপুরেরর পেছনে ছায়ার মতো লেগেই থাকতো। আর রোজ একটা করে গোলাপ তাকে উপহার দিতো। কিন্ত,,,নুপুর তার দেয়া গোলাপটাকে পায়ের তলায় ফেলে,,পা দিয়ে পিসিয়ে চলে যায়। এ ঘটনা আজ থেকে নয়,,যখন তারা দুজনে একসাথে একই কলেজে এসেছে,ঠিক সেই সময় থেকে। অনেক আগে একবার,নুপুর তাকে বলেছিলো, তার এই পাগলামি কেনো,,,, কিন্ত,,,রাজ ভালবাসি কথাটা বলার সাহস পাই নি।তার কিছু ভয় ছিলো,,,আজ গোলাপটাকে পিসিয়ে যে চলে যাচ্ছে।তাকে ভালবাসি কথাটা বলবে কি করে। বরং সে কথাটা বললে, নুপুরের সাথে বন্ধুত্য টা নষ্ট হয়ে যাবে,সে যতটুকু কাছে আছে সেটুকুও তাকে আর পাওয়া যাবে না। , রাজ আজ গোলাপ হাতে নিয়ে আসেনি। কলেজের শত মানুষের সামনে নুপুর কে প্রোপজ করে।কিন্ত,,,নুপুর সে সময় অনেক রেগে যায় তার বামহাত দিয়ে কষিয়ে একটা চড় মারে। এরপর রাজ কে বলছে,,,,,, নুপুরঃ এই ছেলে তোমার এত সাহস হলো কিভাবে? রাজঃ ভালবাসার জন্য সাহস লাগে না। শুধু সেই মানুষটির প্রতি আস্থা থাকতে হয়। আর তার জন্য নিজের বুকে অনেক খানি ভালবাসা থাকতে হয়। নুপুরঃ এই ছেলে তুমি আমাকে কখনো দেখেছো। রাজঃ না। নুপুরঃ তাহলে ভালবাসলে কিভাবে? রাজঃ মন দিয়ে। নুপুরঃ কি?আমি দেখতে অনেক কালো সে জন্য বোরকা পরে কলেজে আসি। এই সামান্য বিষয়টা তোমার মাথায় ঢুকলো না। রাজঃ আপনি কালো হলে আমার কিছু যায় আসে না।আমি নুপুর কে ভালবাসি আর নুপুর দেখতে কেমন হয় সেটা আমার ভালো জানা আছে। নুপুরঃ এবার কিছুটা শান্ত মনে বলছে, সত্যি আমি দেখতে খারাপ।কলেজে আমার থেকে অনেক ভালো মেয়ে আছে। তুমি তাদের ভালবাসো।আর আমার পিছনে পরে থেকোনা।সামনে তোমার উজ্জল ভবিষ্যত সেটা নিয়ে ভাবো রাজঃ আমার ভবিষ্যত আমি তখনি ভাববো যখন আমার ভালবাসা তুমি গ্রহন করবে। নুপুরঃ সেটা কোনদিনও সম্ভব না। আর কিছু না বলে কলেজ থেকে চলে যায়।এবং রাজ বিষয়টা সে ভাবতে থাকে। ,,,,, আজ এক মাস হয়ে গেলো,নুপুর আর কলেজে আসেনা।কেউ তার বিষয়টা না ভাবলেও প্রেমিক পাগলার ঘুম ঠিকই রাতে আসে না। অনেক চেষ্টা করেও নুপুরের খোঁজ মেলেনি। তাই কলেজের সবাই রাজকে দোষী করলো। হঠাৎ একদিন কলেজে আগমন হলো এক অপরুপ সুন্দর এক মেয়ে,নাম তার প্রিয়া। এই প্রিয়ার দিকে আমার মতো আরও দশটা ছেলে তাকে পাওয়ার জন্য পাগল হয়ে উঠে। কিন্ত,,,এই প্রিয়ার চোখ সবসময় রাজের দিকে। রাজ যেমন নুপুরের পেছনে লেগে থাকতো। ঠিক তেমনি এই প্রিয়া রাজের পেছনে লেগে থাকে। ,,,,,, প্রথমে রাজের সাথে বন্ধুভাব হয়। আস্তে আস্তে রাজকে অনেক কাছে যেতে চাইলেও রাজ তাকে মেনে নিতে পারে না। এক সময় প্রিয়া রাজকে ভালবাসার প্রস্তাব দেয়। কিন্ত,,,রাজের জীবনে অন্য কেউ আছে,,, এমনটা বলে প্রিয়াকে আর পাত্তা দিতো না রাজ। আজ ঠিক তেমনি তার মতো কলেজের সবার সামনে প্রিয়া রাজ কে প্রপোজ করে। তাতে রাজ না বলে দিলে,,,,,,, প্রিয়াঃ কি ভাবো নিজেকে? রাজঃ একজন সাধারন মানুষ,আর তাছাড়া আমার জীবনে অন্য কেউ আছে। তোমাকে ভালবাসা আমার পক্ষে সম্ভব না। প্রিয়াঃ কে আছে,আজ এতদিন হলো শুধু শুনেই যাচ্ছি,কিন্ত কে সেই এখনো তার মুখটা পর্যন্ত দেখলাম না। সে যদি আর ফিরে না আসে? রাজঃ সে আমার জীবনে এসেছিলো, আমি তার জীবনে হয়তো কেউ ছিলাম না। সে আমাকে ভাল না ও বাসতে পারে। কিন্ত আমি তাকে কখনো ভুলে থাকতে পারবোনা। প্রিয়াঃ ও আচ্ছা,,, আমি যদি বলি আমিও তোমাকে ভুলে থাকতে পারবোনা।সেটাকে তুমি কিভাবে দেখবে। পায়েলঃ তুমি শুধু শুধুই মরিচিকার পেছনে ছুটছো। আমার এ জীবন তাকে ছাড়া অস্মপুর্ন। প্রিয়াঃ তাহলে তোমার ভালবাসার কোন যোগ্যতায় নেই।তুমি জানো তোমার মতো দশটা ছেলে আমার পেছনে পরে থাকে। তাদের বাড়ি গাড়ি টাকা পয়সা তোমার থেকে অনেক বেশি।তবুও আমি তোমাকে ভালবাসি আমাকে ফিরিয়ে দিও না প্লিজ,,,,,,,। রাজঃ হ্যা আমি অনেক ছোট,,,তাই তো কারও অবহেলা ছাড়া আমার জীবনে আর কিছুই নেই।দয়া করে আমার সামনে আর আসবেন না। এই বলে চলে যায় রাজ। ,,, আজ সাতদিন পর, নুপুর বোরকা পড়ে কলেজে এসেছে। তাকে দেখেই রাজ আত্বহারা। কিন্ত আজ তার জীবনে চরম একটা পরিক্ষা সেই দিনগুলো র মতো আজ সবাই একত্র হয়েছে। মাঝখানে তিনটি মানুষ। একদিকে নুপুর এবং প্রিয়া। প্রিয়াঃ তোমার নুপুর কে নিয়ে এসেছি। নুপুর মুখের কাপড় টা খুলে দেয়। দিতেই সবাই চমকে যায়।ঠিক যেনো কোন কাজের মেয়ে। নুপুররঃহ্যা,আমিই তোমার নুপুর। তোমাকে বলেছিলাম না আমি দেখতে খারাপ। প্রিয়াঃ এখন বলো,কার হাত ধরতে চাও,? সে সময় রাজের দুনিয়াটা যেনো ঘুড়তে থাকলো।নুপুর যেমনি হোক না কেনো,তাকে তো ভালবাসি।কিন্ত আমার পরিবার তারা কি নুপুর কে মেনে নিবে। আর ভাবতে পারছেনা।ভালবাসার মানুষ যেমনি দেখতে হোক,,,,তাকে ছাড়া জীবন টা অচল,,,,,, নুপুরের দিকে হাত বাড়িয়ে দিলো,,,, নুপুর সেও হাত ধরে চলে যেতে থাকলো। পেছনে প্রিয়া মনে মনে অনেক খুশি। কিছু দুর যেতেই,,,নুপুর বলে দিলো। নুপুরঃ ভাইয়া হাত ছাড়ুন রাজঃ তো অবাক, কি? নুপুরঃ জ্বি, আমি নুপুর নই। ঐ প্রিয়া হলো তোমার নুপুর। তোমার ভালবাসা কে বাজিয়ে দেখতেই এই অভিনয়।আমি ওদের কাজের মেয়ে,সে আপনার সাথে এমন করছে,,,আপনি যতটা কষ্ট পেয়েছেন, তার অধিক সে কষ্ট পেয়েছে। সে যখন রোজ কলেজে আপনার সাথে অভিনয় করেছে,,,,বাসাতে ফিরে লুকিয়ে লুকিয়ে কাদে।শুধু আপনাকে কষ্ট দেয় বলেই। যান ওনার কাছে যান,,,উনি আপনাকে অনেক ভালবাসে। রাজ দৌড়ে গিয়ে জরিয়ে ধরলো। ধন্যবাদ কষ্টকরে পরার জন্য....... কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৮৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ চমৎকার সেই প্রেম
→ ~স্টপ পর্ণোগ্রাফি(অন্ধকার জগৎ থেকে বের হয়ে আসুন আলের পথে)।
→ প্রেমের কক্ষপথ
→ ✳হিসাববিজ্ঞান ভাষায় প্রেম পত্র✳
→ অবন্তির প্রেম
→ কলেজ লাইফের প্রেম ( পর্ব ৩)
→ প্রেমময় প্রদীপ
→ প্রেমিকা সোনালী,ম্যানেজার বেহুশ
→ কলেজ লাইফের প্রেম (২য় পর্ব )

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...