গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

জলদানব রহস্য_৬

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Farhan… (৭৮১ পয়েন্ট)



গোয়েন্দা কিশোর মুসা রবিন জলদানব রহস্য_রকিব হাসান  ছয়  পরদিন সকালে ব্যাগপাইপের শব্দে ঘুম ভাঙল ওদের। মুসা যখন ফারিহার সঙ্গে ডাইনিং রুমের দিকে রওনা হলো, তখনো হাই তুলছে ফারিহা। ফারিহাকে দেখে রবিন বলল, ‘কি, মুখ-চোখের অবস্থা এমন কেন? ঘুমাওনি নাকি?’ ‘না,’ আবার হাই তুলল ফারিহা। ‘মিস নেসির ব্যাগপাইপ সারা রাত ঘুমোতে দেয়নি আমাকে।’ ‘আমিও শুনেছি,’ রবিন বলল। ‘কিন্তু সারা রাত তো একটানা বাজাননি। থেমে থেমে বাজিয়েছেন।’ ‘মাঝে মাঝে ঘুমিয়ে নিয়েছেন আরকি,’ মুসা বলল। ‘দানবেরও ঘুম পায়।’ ‘চুপ!’ সাবধান করল রবিন। ‘আস্তে।’ চারপাশে তাকিয়ে দেখে নিল কেউ দেখছে কি না। ‘একটা ব্যাপার খেয়াল করেছ, আমরা কাছাকাছি থাকলে মিস নেসি চুপ থাকেন?’ ফারিহা বলল, ‘অনেকেই অন্যের সামনে গান গাইতে লজ্জা পায়। মিস নেসি বেশি লাজুক। বাঁশি বাজাতেও লজ্জা পান। কথাও কম বলেন।’ ‘খেয়াল করেছি,’ মুসা বলল। ‘মন খারাপ হয়ে যায় বলে ব্যাগপাইপ বাজান তিনি। বাড়ির জন্য, অর্থাৎ লক নেস লেকটার জন্য মন কেমন করে তাঁর। করবেই। বাড়ির জন্য সবারই করে। বাঁশি বাজিয়ে দেশের কথা মনে করেন তিনি। ফিরে যেতে চান নিজের লেকে, নিজের বাসায়।’ এত জোরে হেসে উঠল কিশোর, হাতের দুধের গ্লাস থেকে দুধ ছলকে পড়ল। ‘আরে গাধা, মিস নেসি দানব না। বংশীবাদক। বাজাতে ইচ্ছে করে বলেই বাজান। আর বাড়ি যেতে মন এত অস্থির হলে চলেই তো যেতে পারেন। এখানে তো কেউ তাঁকে আটকে রাখেনি।’ ‘তবে কাল রাতে দানবটাকে দেখেছি আমরা এটা ঠিক,’ কেঁপে উঠল ফারিহা। ‘পানিতে ভুড়ভুড়ি দিচ্ছিল।’ হতাশ ভঙ্গিতে মাথা নাড়তে লাগল কিশোর। আরেক টুকরো রুটি তুলে নিল। ‘দানব দেখলাম কোথায়? পানিতে ঝপাং শব্দ শুনেছি কেবল, আর বুদবুদ দেখেছি। তাতেই প্রমাণ হয়ে গেল না ওটা দানব।’ ‘ছোট মাছেও অবশ্য বুদবুদ তোলে।’ দুধের গ্লাসে চুমুক দিল রবিন। ‘একবার গ্রামে বেড়াতে গিয়ে একটা পুকুরে রুটি ফেলেছিলাম। ছোট ছোট মাছেরা একসঙ্গে মিলে সেই রুটি খাওয়ার সময় প্রচণ্ড ভুড়ভুড়ি তুলছিল।’ ‘মনস্টার লেকের পানিতে যে ভুড়ভুড়ি দেখেছি আমরা, ওগুলোও ছোট মাছের। মরা মাছ খেতে এসে হুড়োহুড়ি লাগিয়েছিল জ্যান্ত মাছেরা। ইচ্ছে করেই ওদের খেতে দিয়েছেন মিস্টার উলফ। তাতে একসঙ্গে দুটো কাজ হয়েছে। জ্যান্ত মাছগুলো খাবার পেয়েছে। আবার মরা মাছ পচে বনের পরিবেশও দূষিত হয়নি।’ প্যানকেকের শেষ টুকরোটা মুখে পুরল কিশোর। ‘দানবের ভাবনাটা আসলে মুসার দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওসব চিন্তা বাদ দিয়ে চলো মজার জিনিস খুঁজি। যেমন, গুপ্তধন।’ নাশতা সেরে লেকের পারে রওনা হলো ওরা। কিন্তু লেকের কিনারে বালুর চরায় এসে থমকে দাঁড়াল মুসা। চিৎকার করে বলল, ‘দেখো দেখো!’ চারপাশে তাকাল কিশোর। ‘কই, কিছু তো দেখছি না।’ ‘গুপ্তধন পেয়ে গেলে নাকি?’ ফারিহার প্রশ্ন। মাথা নেড়ে মাটির দিকে দেখাল মুসা। ‘না। পায়ের ছাপ। দানবের পায়ের।’ চোখ বড় বড় হয়ে গেল ফারিহার। চুপ হয়ে গেছে কিশোর আর রবিন। তাকিয়ে আছে ছাপগুলোর দিকে। অনেক বড় ছাপ। সামনের দিকটা ব্যাঙের পায়ের মতো। ‘জলদানব গেছে এখান দিয়ে,’ দাগের কাছ থেকে পিছিয়ে যেতে শুরু করল ফারিহা। নিচু হয়ে ছাপগুলো ভালোমতো পরীক্ষা করল কিশোর। ‘এগুলো দানবের পায়ের, আমি বিশ্বাস করি না। এর অন্য কোনো ব্যাখ্যা আছে।’ বালুতে গভীরভাবে বসে যাওয়া একটা ছাপের ওপর হাত রাখল মুসা। ‘না, এর একটাই ব্যাখ্যা। জলদানব। আর দানবটার নাম নেসি।’ ‘লক নেসের দানব এখানে এসে হাজির হয়েছে!’ চেঁচিয়ে উঠল ফারিহা। ‘এখন আমরা কী করব!’


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৭২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জলদানব রহস্য_১১
→ জলদানব রহস্য_১০
→ জলদানব রহস্য_৯
→ জলদানব রহস্য_৮
→ জলদানব রহস্য_৭
→ জলদানব রহস্য_৫
→ জলদানব রহস্য_৪
→ জলদানব রহস্য_৩
→ জলদানব রহস্য_০২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...