গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

পিশাচের কবলে।

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান SIAM The Deadman (৩৩৮ পয়েন্ট)



আমি রাতুল। শহরে চাকরি করি। কিন্তু গ্রামে আমার আমার আসল বাড়ি। তো এবার ঠিক করলাম ঈদে গ্রামে যাবো। কারন চাকরির জন্য প্রতি ঈদে যাওয়া হয় না। আর হ্যা এটা কুরবানির ঈদgj। তো ঈদের তিনদিন আগে সকাল দশটায় রেডি হয়ে স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। স্টেশনে গিয়ে শুনলাম ট্রেন তিন ঘন্টা লেটে আসবে। আমার মন খারাপ হয়ে গেলো। তারপর স্টেশনের প্লাটফর্মের বেন্ঞে বসে ছিলাম অলস ভাবে। আমার ঘুম চলে আসছিলোsleep। এমন সময় ট্রেন আসলো। ট্রেনে উঠে পড়লাম। ট্রেন চলছে। আমি ভাবছি পৌছোতে মনে হয় সন্ধ্যা হবে। তারপর আবার দুইমাইল হাটা। তারপর যদি আবার রিকশা ভ্যান না পাই। তাহলে তো গেলো। এমন সময় একজন লোক এসে আমার সামনে বসলো। সম্ভবত লোকটি আগের স্টেশনে উঠছে। লোকটি বেশ লম্বা। গায়ে কালো পোশাক। চোখে সানগ্লাস। বয়স হবে আমার চেয়ে একটু বড়। লোকটিকে নিরক্ষন করার সময় লোকটি আমার দিকে তাকালো। এবং একটু হেসে হ্যান্ডশেকের জন্য হাতটা বাড়িয়ে দিলেন। আমি হ্যান্ডশেকের জন্য তার হাতটা ছুতেই মনে হলো হাতটি অস্বাভাবিক ঠান্ডা। আমি একটু ভয় পেলেও তার সাথে আলাপ করতে লাগলাম। কথা প্রসঙ্গে জানতে পারলাম উনি কেদারগন্জ্ঞ যাবেন। যেখানে আমি যাব। আমি বেশ খুশি হলাম। ট্রেন সন্ধ্যার দিকে স্টেশনে পৌছোলো। এখানে আবার বৃষ্টি হইছে। তার মানে ভ্যান রিকশা আর পাওয়া যাবে না। হেটে যেতে হবে। অগত্যা চলতে শুরু করলাম। আমি আর সেই লোকটি। হাটছি তখন দেখলাম তিনি মানে ওই লোকটি সানগ্লাস পড়ে আছেন। এই সন্ধ্যা বেলায়। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে বললো যে জবাবটা পরে এমনিতে পেয়ে যাবেন। আমি অবাক হলাম। চলতে চলতে যখন একটা পুকুরের কাছে এসে পৌছোলাম তখন লোকটি হঠাৎ দাড়িয়ে গেল। এবং তার চশমা খুলে ফেললো। তখন একটা হাড়হিম করা দৃশ্য দেখলাম। দেখলাম তার চোখের জায়গায় কিছু নেই শুধু কোটর দেখা যাচ্ছে। লোকটার গা থেকে চামড়া খুলে পড়ছে । দাত বড় হচ্ছে। সব মিলিয়ে একটা পিশাচ যেন আমার সামনে দাড়িয়ে। আমার দিকে এগিয়ে আসছে লোকটি। আমি যেন দৌড়াতে ভুলে গেছি। তখনই আয়াতুল কুরসি পড়া শুরু করলাম। দেখলাম পিশাচটা সরে যাচ্ছে। আমি দৌড় লাগালাম অবশেষে গ্রামের শুরুতে কয়েকটা বাড়ি দেখতে পেলাম। আমি একটা বাড়ির সামনে এসে চিৎকার দিয়ে অজ্ঞান হয়ে যাই। এরপর জ্ঞান ফিরলে নিজেকে বাসায় দেখতে পাই। তারপর প্রায় দশদিন জ্বর ছিল। তারপর থেকে কোনদিন রাত করে বাড়ি আসতাম না।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫১১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পিশাচের রাত-০৭
→ পিশাচের রাত-০৬
→ পিশাচের রাত-০৫
→ পিশাচের রাত-০৪
→ পিশাচের রাত-০৩
→ পিশাচের রাত-০২
→ পিশাচের রাত-০২
→ পিশাচের রাত-০১
→ পিশাচের রাত-০৮

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...