গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

ঘুষ আমি খাই না ঘুষেই আমারে খায়।

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান M.H.H.RONI (৩০২ পয়েন্ট)



মাঝরাএিতে কারও ফোনে ঘুম ভাঙায় বিরক্ত হলাম।করোনা ভাইরাসের জন্যে সারাদিনই বসায় বসে থাকায় রাএে ঘুমই আসতে চায়না।অনেক কষ্ট করে ঘুমানো ঘুমটা আমার ভেঙে গেল ফোনের জন্যে।মন চাচ্ছে একটা আছাড় মেরে ফোনটাকে ভেঙে ফেলি। যেই আছাড় মারতে যাব অমনিই দেখি আমার হবু বউয়ের ফোন।ফোনটা রিসিভ করেই বললাম হ্যালো!কী এই মাঝ রাএিতে ফোন করে বিরক্ত করছ?ঐপাশ থেকে সাইক্লোনের মতো করে আওয়াজ আসল কী-ই আমি বিরক্ত করি?আচ্ছা শুন কাল আমার সাথে একটু দেখা করতে আসবে।আমি বললাম পারব না।দেখ না চারদিকে লগডাউন এসময় বের হব কিভাবে? ঐপাশ থেকে আওয়াজ আসল মানুষ তো ভালোবাসার জন্যে কতকিছু করে আর তুমি সামান্য এই লগডাউন উপেক্ষা করে আসতে পারবে না? না আসলে তুমার সাথে আমার ব্রেকআপ। মনে থাকে যেন কাল সকাল ঠিক দশটায়।এর আগে যে জায়গায় দেখা করেছিলাম ঠিক সেই জায়গায়।এই কথা বলেই ফোনটা টুটুট করে কেটে দিয়ে আমার ম্যাজাজটা বিগড়ে দিল।আবারও ফোন করলাম এমনিভাবে কমপক্ষে বিশবার।প্রথমবার দেখাল নাম্বারটি ব্যস্ত আছে তারপর থেকে শুধু বন্ধ দেখাল।আমি এখন ভাবছি সে তো আমার প্রেমিকা নয় বাবা-মায়ের ঠিক করা হবু বউ তাহলে যে বলল না আসলে ব্রেকআপ? ব্রেকআপ তো প্রেমিক-প্রেমিকারা করে।সারা রাত ভেবেও এই রহস্যের সমাধান করতে পারলাম না। সকালে উঠেই রওনা হলাম গন্তব্যয়।জায়গাটি নদীর ধারেই।পুলিশ-সেনাবাহিনীর চোখ ফাকি দিয়ে যেতে হবে।ধরা পরলেই সর্বনাশ শুরু হয়ে যাবে ধমকাধমকি। রাস্তায় বেরিয়েই তো আমি অবাক রাস্তায় কোন পুলিশ বা সেনাবাহিনীই নেই।ব্যচারাদেরও মনে হয় প্রানের ভয় আছে তাই বের হয় না এখন। নাকি ঘুমই ভাঙেনি এখনও কে জানে? আমার মতো অসহায়দের ঘুম পানি করে প্রাণ ভয় ত্যাগ করে হবু বউয়ের সাথে দেখা করতে হচ্ছে।এদিকে দশটাও বেজে গিয়েছে।হবু বউয়ের আজাইরা ভাষন শুনার জন্যে নিজেকে প্রস্তুুত করলাম।কারন একটু দেরি হলেও সময় জ্ঞান নেই অলস এসব লেকচার শুনা লাগবে আমি জানি। নদীর পারে গিয়েই তো আমি অবাক! আমার হবু বউ তো দূরে থাক কেউ নেই।নদীর পানিও যেন শান্ত হয়ে নীরব নিস্তব্দ প্রকৃতিকে অনুভব করছে। আমি আর বাদ থাকি কেন তাই আমিও নদীর পানিতে পা-গুলো ডুবিয়ে বসে পড়লাম।মাঝে মাঝেই হালকা ঢেউয়ে নদীর পানিগুলো আমার পায়ে আছড়ে পড়ছে।এমন সময় পিছন থেকে ধ্বাক্কা অনুভব করলাম অবস্হা এমন যে নদীতে পড়ে যাওয়ার অবস্হা। পিছনে ফিরতেই দেখি আমার হবু বউ হাসি মাখানো মুখে বলল কী ভয় পেয়েছ? আমি বললাম না খুশি হয়েছি। এবার আমি উঠে পড়লাম আর সাথে সাথেই সে বসে পড়ল। আমিও যেই তার পাশে বসলাম অমনিই সে ঠাস করে উঠে পড়ে দূরে সড়ে গিয়ে বসল। আমি বললাম কি এমন করছ কেন? সে আবার হাসি মাখানো মুখে বলল বুঝনা! করোনা ভাইরাস তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখ। আমি বললাম তুমি না আমার হবু বউ? সে বলল তো? আমি বললাম তো কিছু না। তার এসব কান্ড দেখে ম্যাজাজ পুরাই গরম হয়ে গেল। তবুও নিজেকে সামলিয়ে চুপচাপ বসে আছি নাহয় যদি আবার ব্রেকআপ করে দেয়। তিন ফুট দূরত্ব থেকে আমার হবু বউ বলল আচ্ছা তুমি আমাকে কতটা ভালোবাস? আমি কিছুই বললাম না নির্বিকার হয়ে বসে আছি।সে আবারও একই কথা বলল আর এখনো কিছু না বলাতে উঠে এসে আবার ধাক্কা মারল আমি বললাম এই কিরছ? ভাইরাসে ধরবে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখ। সে এবার অভিমানের সুরে বলল আমি কী বলছি শুন না তুমি? আর শুনবা কেন শুনলেই তো বিপদ। আমি বললাম কী বিপদ বলো আবার।সে বলল তুমি আমায় কতটুকু ভালোবাস? আমি বললাম ঐ দেখ ভালোবাসা কী বাজারে কেনার জিনিস নাকি যে পরিমাপ করে দেখাব। সে বলল তুমি না একদম আনরোমান্টিক। আচ্ছা একটা পরিক্ষা হয়ে যাক? আমি বললাম কী পরিক্ষা দেখ আমি কোন প্রকার জীবনের রিস্ক নিতে পারব না ঐসব শুধু সিনেমাতেই হয় বাস্তবে নয়। সে হাসি মাখানো মুখে বলল বেশি কিছু না জীবনের রিস্ক নিতে বলব না আর তুমি মরা গেলে আমার কী হবে? এই বলে সে একটা রিং নদীর পানিতে ফেলে দিল।আমি বললাম একি এটা নদীতে ফেলে দিলে কেন? সে বলল ফেলছি এটাই তুমার পরিক্ষা এই রিংটা এখন তুমি আমাকে খুজে এনে দিয়ে প্রমান করবা তুমি আমাকে সত্যিই ভালোবাস। আর এটাতে তো জীবনের রিস্ক নিতে হবে না। আমি বললাম তার চেয়ে তুমি আমাকে ডাইরেক্ট আত্নহত্যা করতে বলতে। এরকম ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলার কী আছে? সে বলল মানে? আমি বললাম এই নদীতে ডুব দিয়ে রিং খুজতে গেলে তো ডাইরেক্ট উপরে চলে যেতে হবে। আমি কেন অনুসন্ধান কর্মী আসলেও ছোট এই রিংটা খুজে পাবে না আর তুমি আমাকে বলছ! সে এবার রাগি কন্ঠে বলল তুমি খুজে দিবা নাকি বল? আমি বললাম এটা খুজে এনে দিতে পারব না তবে এরকমই একটা কিনে দিব চলবে? সে বলল না হবে না এটা আমার মায়ের দেওয়া গিফট এটাই লাগবে।তুলে দিবা নাকি বল?সিরিনের জন্যে ফরহাদ যদি জীবন দিতে পারে,লাইলির জন্যে যদি মজনু জীবন দিতে পারে,শাজাহান যদি মমতাজের জন্যে তাজমহল বানাতে পারে তবে তুমি আমার জন্যে এই নদী থেকে সামান্য একটা রিং খুজে এনে দিতে পারবে না? আমি বললাম পারব না ফেললে কেন তুমি? ঐসব জীবন দেওয়া গল্প উপন্যাস আর সিনেমাতেই হয়। আর যদি চাও তবে তুমি মারা যাওয়ার পর নাহয় আমিও একটা তাজমহল বানিয়ে দিব তুমার কবরের উপর। মনে হয় এতে সে মারাত্নকভাবে আহত হলো। সে এবার সাইক্লোনের ভঙ্গিতে বলল কি-ই না তুলে দিলে এখানেই ব্রেকআপ। আমার মাথায় এবার হাই ভোল্টেজ কারন্টে শকট করল। আমি বললাম সেই রাত থেকে কী এক ব্রেকআপ, ব্রেকআপ শুরু করছ? যাও ব্রেকআপ থাক তুমার রিং নিয়ে। এই বলে আমি চলে আসলাম।হাটছি পশ্চিম দিগন্তে চলে যাওয়া সূর্যকে অতিক্রম করে। এমনসময় মটরসাইকেলে করে এক পুলিশ এসে সামনেই দাড়াল। তার বক্তব্য এই ছেলে এসময় তুমি রাস্তা দিয়ে হাটছ কেন? তুমাদের জন্যেই এই ভাইরাস দ্রুত ছড়াচ্ছে। আবার ভাইরাসের কথা শুনে রাগের উপর রাগ উঠল আমার। তবুও নিজেকে শান্ত করে বললাম এই হাটছি। পুলিশটি ধমকের সুরে বলল এটা কী তুমি পর্যটন কেন্দ্র পেয়েছ যে হাটছ! মাস্ক কই তুমার? এবার খেয়াল হলো তাড়াহুড়ায় মাস্কটা আনতেও ভুলে গেছি না দিলেও সাথে সাথে রাখতে হয়। আমি বললাম আসলে হয়েছে কী? কাল রাএেই ভেবেছিলাম আজকে তিন ঘন্টা হাটব তাই কাল রাএে আজকের তিন ঘন্টাসহ মাস্ক পড়ে শুয়ে ছিলাম এজন্যে মাস্ক এখন দেই নি। পুলিশটি এবার বলল ফাইজলামি কর মিয়া? চল। আমি বললাম কই যাব? বাসায় পৌছে দিবেন চলেন। পুলিশটি বলল বাসায় না সোজা থানায় পৌছে দিব চল। আমি বললাম দেখেন থানায় নিয়ে যাবেন যদি আমার কাছে ভাইরাস থাকেই তবে থানার সবার মধ্যেই ছড়িয়ে যাবে। তারচেয়ে ভালো আমি বাসায়ই চলে যাই। পুলিশটি এবার বলল এত কথা বলিস কেন তুই চল! এবার হয়েছে পুলিশদের মুখে তুই বলা মানে ঘূর্নিঝড়ের আগাম বিপদ সংকেত। এর মধ্যে পড়া যাবে না। তাই আমার পকেট থেকে পাচশত টাকার একটা নোট বের করে হাতে নিলাম। পুলিশটি এবার মুচকি হাসি দিয়ে বলল আসলে এই যে চাইছি ভালো হয়ে যাব ঘুষ খাব না কিন্তুু তা আর হয়ে উঠছে না এই তুমাদের জন্যেই। দাও পকেটে ডুকিয়ে দাও। আমি টাকাটা তার পকেটে দিলাম। এবার পুলিশ অফিসারটি বলল আসলে ঘুষ তো আমি খাই না ঘুষেই আমারে খায়। আমি অবাক হয়ে বললাম ঘুষেই আপনাকে খায় মানে? পুলিশ অফিসারটি তার ৩২ টা দাতই বের করে বলল এই যে দেখ আমি ভাবি আমি ঘুষ খাব না কিন্তুু মানুষই আমাকে ঘুষ দেয় তাহলে আমি কিন্তুু ঘুষ খাচ্ছি না ঘুষই আমাকে খাচ্ছে। আমি মনে মনে বললাম ঠিকই আছে নিজেকে এভাবে শান্তনা দিয়ে আর কতো চলবেন। পুলিশ অফিসারটি বলল আচ্ছা ঠিক আছে যাও সাবধানে যেও। আহারে ঘোষ দিয়েছি বললে আমার জন্যে এত মায়া হচ্ছে আমার।আমি হাটছি বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্য কিছুক্ষন পরেই আরেক পুলিশ অফিসার দেখে আমাকে ধমক শুরু ঐ একই কথা এই ছেলে ঘুরাঘুরি করছ মাস্ক কই তুমার? আমি বললাম ভুল করে বাসায় রেখে এসেছি।পুলিশ অফিসারটি হাসি মুখে বলল ভালো করেছ।এই বলে সে তার হাত চুলকাচ্ছে। বুঝাই যাচ্ছে একই কেইস ঘুষ দিতে হবে। আমি পকেট থেকে একশত টাকা বের করে আমার হাতে নিতেই পুলিশ অফিসারটি রেগে গিয়ে বলল কী ঘোষ দেখাচ্ছ তুমি আমাকে? কওো বড় সাহস! বুঝতে পারলাম পরিমানে কম হয়েছে তাই আরও দুইশত টাকা বের করে হাতে রাখলাম এই আমার শেষ সম্ভল আজ। পুলিশ অফিসারটি এবার বলল আর নেই! আমি বললাম না নেই। পুলিশ অফিসারটি বলল তাহলে আর কী করার এটা দিয়েই দিনের শুরুটা করি। এই বলে ছো মেরে সে আমার হাত থেকে টাকাটা নিয়ে বলল যাও আর এরকম ভাবে রাস্তায় বের হইও না। আমি বললাম ভাই একটা ইচ্ছা ছিল আমার। জীবনে প্রথম আমি কাউকে ঘুষ দিলাম তাই আমি চাই এই দিনটা সৃতি হয়ে থাক। আসেন একটা পিক তু্লি। এটা বলাতেই পু্লিশ অফিসারটি দু-পা পিছিয়ে বলল বোকা পেয়েছ আমাকে? পিক টা তু্লেই ফেইসবুক না কী সেটাতে ছেড়ে দিয়ে আমাকে ফাসিয়ে দিবা না? এক্ষুনি না গেলে এই ফোনটাও রেখে দিব যাও!এখন নিজের প্রতি নিজেরই রাগ হচ্ছে আমার কেন যে বের হয়েছিলাম রাস্তায়। এমন সময় পিছন থেকে আরেক পুলিশের ডাকে দাড়াতে হলো। পুলিশটি কিছু বলার আগেই আমি বললাম দেখেন আমার কাছে আর কোন টাকা নেই।যা ছিল সব পিছনে দিয়ে দিয়েছি তাই চাইলেও লাভ নেই। পুলিশ অফিসারের মুখে কালো মেঘের ছায়া নেমে আসল।সে বলল চল তুই। আমি বললাম কোথায়! সে বলল তর উপর করোনার সন্ধেহ আছে চেকআপ করতে হবে। আমি বললাম ঘুষ না দেওয়ার ফলে আপনি এরকমভাবে প্রতিশোধ নিবেন! ঠিক আছে চলেন। এই বলে আমি তার মটরাসাইকেলের পিছনে বসে পড়লাম। সে এবার বলল একি তুই আমার পিছনে বসলি কেন? আমি বললাম আপনিই না বললেন চেকআপ করাবেন ভালোই তো ফ্রিতে স্বাস্হ্য পরিক্ষা হয়ে গেল। পু্লিশ অফিসারটি করুন ভঙ্গিতে বলল ভারি দুষ্টো তো তুই।যা একশত টাকা দে তুই। আমি বললাম সরি ভাই নেই। সে বলল ৫০ টাকা? আমি বললাম তাও নেই। সে এবার রাগ করে বলল তাহলে ভিক্ষা কর তুই। তর মতো ফকির ৩০ বছরের চাকরি জীবনে আর একটাও দেখি নি আমি।ধুরর দিনের শুরুটাই মাটি হয়ে গেল সড় পিছন থেকে। আমি বললাম কিছুই করার নেই! ..............................সমাপ্ত........................... বি.দ্র:: গল্পটা সম্পূর্ন কাল্পনিক তাই সিরিয়াসলি নিলেও লাভ নেই কোনgj আর এখানে পুলিশদের নিয়ে যা বলা হয়েছে কাল্পনিকভাবে তা বাস্তবিকই কিছু মিল থাকলেও ভুললে চলবে না সবাই এক নয়।তারা নিজেদের প্রান ভয়কে তুচ্ছ করে আমাদের নিরাপওা দিয়ে যাচ্ছে দেশের স্বার্থে,মানুষের স্বার্থে। মন থেকে অজস্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা তাদের জন্যে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪১৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ শিরোনাম আপনিই দেন!
→ একটি নাটকের সিকোয়েন্স
→ তামাশা নাম্বার ফোর
→ জান্নাতের সঙ্গী সাথী ও হুর!!!!!
→ কাফনের কাপড়ের তো পকেট নাই
→ জিজের সবার ভূত নিয়ে আলোচনা
→ পিরিয়ড লজ্জার নয়,নারীর অহংকার
→ হাসলে হাসেন নাহয় কাদেন
→ ~স্যার হুমায়ূন আহমেদ কী আসলেই নাস্তিক ছিলেন? নাকি সব ভ্রান্ত ধারণা?
→ সৃষ্টিকর্তা যদি দয়ালুই হন তাহলে এত মানুষ না খেয়ে মারা যায় কেন?এর দায় তো স্রষ্টারই।

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...