গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (১৮)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Tuba Rubaiyat (১৮২৩ পয়েন্ট)



শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ Part:18 writer:T.R♥ ♦♦ অভিদের দাদুবাড়িটা দুতলা,,,চারপাশে বড় বড় বাগান।।সামনে একটা ফুলের বাগানও আছে।।অনেক রকমের ফুল ফুটে আছে,,,অভির দাদা খুব শৌখিন আর রুচিসম্পন্ন মানুষ ছিলেন।।নিজের বাড়িটা কে খুব সুন্দর করে সাজিয়েছেন তিনি।।।রিহা তার বংশের বড় নাতনি তাই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে রিহার বিয়ে এ বাড়ি থেকে হবে।।।পুরো বাড়িতে মানুষ ভরপুর।।সব আত্মিয় স্বজন রা চলে এসেছে।।কোথাও তিল ধারনের ঠাই নেই,,,বিয়ে বাড়ি বলে কথা!!! দোতলার কোনার ঘরটায় শ্রুতি,,রিহা,,আর রিহার ফ্রেন্ড অরি কে দেয়া হয়েছে।।শ্রুতি এসেই শাওয়ার নিয়েছে।।শাওয়ার নিয়েই কচু পাতা রঙ এর একটা থ্রিপিস পড়েছে আজ।।।কিছুক্ষন রেস্ট নিয়ে নিচে নেমে এলো,,,,,সবাই খেতে বসেছে।।।ও নিজেও এসে খেতে বসলো,,,,নিরা আর নেহা এক প্লেটে খেতে বসেছে।।।নিরা আর নেহা হলো অভির ছোট ফুপির মেয়ে।।ওরা দুজন জমজ।।দুজনেই সেভেনে পড়ে।।সারাক্ষন একে অপরের পেছনে লেগে থাকে।।শুধু ঝগড়া করবে।।আবার একজন আরেকজনকে ছাড়া এক মিনিট ও থাকবেনা।।এমনকি এক প্লেটেই খাবার খাবে।।।এর মধ্যে ইলা এসে অভির গা ঘেসে অভির পাশেই বসে পড়লো।।আর বকবক শুরু করে দিলো।।। অভির চোখেমুখে বিরক্তির ছাপ।।। রিহা এসে শ্রুতির কানে কানে বলল,,,,,,,,, --এইতো এসেছে,,,,,এখন সারাদিন অভির সাথেই চিপকে থাকবে।।।ফালতু একটা,,,,আর সারাদিন ন্যাকামি করবে,,,,হুহ,,, --মানে আপু??? --মানে বুঝোনা??ইলা ছোটবেলা থেকেই অভির পেছনে পড়ে আছে।।।দেশে আসলে সারাক্ষন ওর সাথেই চিপকে থাকে।।।এর জন্য যে অভি কতবার নিষেধ করেছে,,,, কিন্তু ও কোন কথাই শোনেনা।।অভি তো এক্টুও সহ্য করতে পারেনা ওকে।।।শুধু অভি কেন??কেউই সহ্য করতে পারেনা ওকে।।।অহংকারী মেয়ে একটা,,,,,,,, শ্রুতি কিছু না বলে চুপচাপ খেতে বসে।।।ওর ও খুব রাগ লাগছে ইলার উপর।।। রিহার বিয়ে তিনদিন পরে,,,পাশেই গ্রামে মেলা হচ্ছে।।,তাই ওরা সব কাজিনরা মিলে ঠিক করেছে মেলায় ঘুরতে যাবে বিকেলে,,,,,, মেলায় গিয়ে সবাই মহাখুশি,,,,শ্রুতিও খুব খুশি,,,,কিন্তু একটা বিষয় নিয়ে চরম বিরক্ত!!!বিরক্তির কারন হলো একেতো ইলা অভির সাথে চিপকে আছে তার উপর রেহানের মামাতো ভাই একটা সাদ না পাদ নাম শ্রুতিকে দেখলেই হা করে তাকিয়ে থাকে,,,,মেলায় এসেও ওর সাথে সাথে ঘুরছে,,,,,,এদিক দিয়ে নিরা -নেহা দুজনেই ঝামেলা পাকিয়েছে।।। এক টা দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে দুটো মিলে ঝগড়া করছে দেখে সবাই এগিয়ে গেল।।।অনেক্ষন গবেষনার পর ঝগড়ার কারন জানা গেল,,,,, কারন হলো দুজনেই একটা শোপিস পছন্দ করেছে,,,,,,এখন দুজনের মধ্যে কে নিবে সেটা নিয়ে চুলোচুলি বেধে গেছে।।।তারপর বেচারা অভি আর রেহানকে পুরো মেলা ঘুরে একইরকম আরেকটা শোপিস খুজে বের করতে হয়েছে।।।শ্রুতি আর অরি একসাথে হাটছে।।।অরি হলো রিহার বেস্টফ্রেন্ড। ।।। মেয়েটা খুব ভালো ,,,, রিহার মতো মিশুক আর খুব সুন্দর।।।সবাই মিলে নাগরদোলায় উঠলো।।।শ্রুতি নাগরদোলায় উঠতে খুব পায়।।।ও ভয়ে অভিকে আকড়ে ধরে আছে।।।এটা দেখে ইলা রাগে ফুসছে আর রেহান আর অরি মিটিমিটি হাসছে।। দোকানে একটা পায়েল দেখে শ্রুতির ভীষণ পছন্দ হয়েছে।।।কিন্তু সবাই সামনে এগিয়ে গিয়েছে তাই সেটা না নিয়েই শ্রুতি চলে আসে।।তাছাড়া ওর কাছে তখন টাকাও নেই।।তবে বিষয়টা দূর থেকে একজন ঠিকই খেয়াল করেছে।।। পাশেই একটা নদী আছে,,,,ওরা মেলা থেকে নদী দেখতে এসেছে,,,নদীর পাশেই কাশবন।।সাদা সাদা কাশফুলের ছড়াছড়ি।।। শ্রুতি বাচ্চাদের মতো কাশবনে ছুটোছুটি করছে।।।ওর খুব ভালো লাগছে।।।কিছুক্ষন পর অভি দেখে শ্রুতি আসে পাশে নেই।।।ও হঠাৎ ভয় পেয়ে যায়।।।কোথায় গেল ও।।।ও পাগলের মতো খুজতে থাকে।।।নদীর কিনারায় এসে দেখে শ্রুতি নদীতে পা ডুবিয়ে বসে আছে।।।চুলগুলো উড়ছে।।।অভি গিয়ে ধপ করে শ্রুতির পাশে বসে পড়ে।।। --কি হলো মন খারাপ??? --না তো,,,, -- তাহলে এখানে একা বসে আছো কেন??? আমাকে বলে আসতে,,,,জানো আমি কত ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।। -- ভয় পাওয়ার কি আছে??আমি কি মরে গেছি নাকি?? -- ধরে থাপ্পড় মারবো যদি মরার কথা একবারো বলো,,,,,এমন কিছু হলে শেষ হয়ে যাবো আমি,,,,প্লিজ কখনো এমন বলোনা।।। শ্রুতি কিছু বললো না।।।কিছুক্ষন চুপ করে থেকে বললো,,,,,,,, --নদীর জলে পা ডুবিয়ে বসে দেখুন কত ভালো লাগে,,,,,,,,,, দুজনে নদির জলে পা ডুবিয়ে বসে শেষ বিকেল টা উপভোগ করছে।।। ****------**-----*------***--***---**** রাতে সবাই মিলে ছাদে আড্ডা বসেছে।।।চারদিকে বাতাস বয়ে যাচ্ছে।।পরিবেশ টা খুব সুন্দর।। বাড়িটা একটু পুরোনো হওয়ায় যেন আরো ভালো লাগছে।।আশেপাশে গাছ গুলো একই তালে বাতাসে দোল খেয়ে যাচ্ছে,,আর আকাশে পুর্নিমার চাঁদ।।সবকিছু মিলিয়ে জাস্ট অসাধারণ লাগছে।।।হঠাৎ করে অভি এসে ধপ করে শ্রুতি পাশেই বসে পড়লো।।শ্রুতির খুব লজ্জা লাগছে এভাবে বসায়।।কিন্তু অভি ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে আছে,,,, এখানে পাশেই একটা পাহাড় আছে,,,ওরা প্ল্যান করেছে সকালে ভোরে সবাই পাহাড়ে যাবে,,,ভোরে গেলে ঠাণ্ডায় ঠান্ডায় যেতে পারবে,,,আর সূর্যোদয় ও দেখতে পারবে।। অভির চাচাতো বোন নিধি বলে উঠলো,,,, -- সেটা তো কাল এখন কি করা যায় বলোতো।।। ইহান বলে উঠলো,,,,অভি গান শুনা তো,,,,, সবাই চিৎকার করে বলে উঠলো,,,হ্যা অভি ভাইয়া গান গাইবে,,,, শ্রুতি অবাক হয়ে সবার দিকে তাকাচ্ছে,, অভি গান গাইতে পারে!! ও রিহার কানে কানে এ কথা বলতেই রিহা হুহা করে হেসে উঠলো,,,,,,,, --শ্রুতি!!তুমি কোন দুনিয়ায় আছো??এতদিনে এটা জানোনা?? অভি কি এম্নিতেই বুয়েটের হাজার মেয়ের ক্রাশ?? বুয়েটের মোস্ট ওয়ান্টেড সিংগার হলো "আহনাফ আহমেদ অভি চৌধুরী ""।।সেটা গাইলেই বুঝবে,,, এর মধ্যেই অভি গিটার নিয়ে চলে এলো,,,,,সবাই চিৎকার করে বলে উঠলো,,,,, তাড়াতাড়ি শুরু করো,,,,,, অভি গিটার নিয়ে বসলো,,,,সোনালী সুতোর কাজ করা কালো পাঞ্জাবী পড়েছে আজ,,হাতাগুলো কনুই পর্যন্ত গুটানো,,সিল্কি চুলগুলো কপালে পড়ে আছে,,হাতে সবসময়কার মত ব্র‍্যান্ডেড ঘড়ি আর ব্রেসলেট।। ফর্সা শরীরে কি মারাত্মক লাগছে এই কালো রং।।ঠোঁটের কোনায় লেগে আছে সেই দুষ্টুমি ভরা হাসি।।ইশশ শ্রুতি পুরো ফিদা,,,, অভি শ্রুতির দিকে তাকিয়ে একটা অমায়িক হাসি দিয়েই গেয়ে উঠলো,,,,,,,,, বলতে যেয়ে মনে হয়,বলতে তবু দেয়না হৃদয়,, কতটা তোমায় ভালোবাসি।।(আড়চোখে শ্রুতির দিকে তাকিয়ে) চলতে গিয়ে মনে হয় দুরত্ব কিছু নয়, তোমার কাছেই ফিরে আসি।(মুচকি হেসে অন্যদিকে তাকিয়ে) তুমি,,তুমি,,তুমি শুধু এই মনের আনাচে কানাচে, সত্যি বলোনা কেউ কি প্রেম হিনা কখনো বাঁচে?? তুমি,,তুমি,,তুমি শুধু এই মনের আনাচে কানাচে,, সত্যি বলো না কেউ কি প্রেম হীনা কখনো বাঁচে?? মেঘের খামে আজ তোমার নামে উড়ো চিঠি পাঠিয়ে দিলাম,, মেনে নিও, বুঝে নিও খুব যতনে তা লিখেছিলাম,,,,,, (বাকিটা নিজ দায়িত্বে শুনে নেবেন) গান শেষ হতেই সবাই হাততালি দিলো।।অভি শ্রুতির দিকে তাকিয়ে দুষ্টু হাসি দিয়ে চোখ মেরে দিলো,, শ্রুতি তাড়াতাড়ি আসে পাশে তাকিয়ে দেখলো কেউ দেখেছে কিনা,,,দেখে যে রিহা মুচকি হাসছে ওদের দিকে তাকিয়ে,,,, শ্রুতির ইচ্ছা করছে মাটি ফাক করে ঢুকে যেতে,,,, এর মধ্যে রাতের খাবারের জন্য ডাক পড়ে গেছে,,,,,সবাই খেতে গেল,,,,খাওয়া শেষে সবাই ঘুমাতে গেল,,,সব জায়গায় মানুষ ভরা,,,এমন কি ডাইনিং রুম ড্রয়িংরুম ও বাদ যায়নি,,,,অনেকে ফ্লোরেও ঘুমিয়েছে,, সবাই ঘুমিয়ে গেছে,,,শ্রুতি সিড়ি দিয়ে উঠছে হঠাৎ কেউ ওর মুখ চেপে ধরে ছাদে নিয়ে আসে।।ভয়ে ওর দম বন্ধ হয়ে গেঁছে,,চোখ খুলে অভিকে দেখে স্বস্তির নিশ্বাস ছাড়লো,,,, --কি হলো এভাবে নিয়ে এসেছেন কেন?? --এনেছি যখন কারন তো নিশ্চয়ই আছে,,, বলেই রেলিং ঘেষে দাড়ালো,,,,শ্রুতি চারদিক দেখতে লাগলো,,,,পুরো বাড়ি চুপচাপ কোন শব্দ নেই,,,,শ্রুতি দোলনায় গিয়ে বসলো,,অভি দেয়াল ঘেষে বুকে হাত গুজে ওর দিকে তাকিয়ে আছে,,,কালো পাঞ্জাবি,,, ফর্সা হাতে কালো পশম গুলো খুব মানিয়েছে,,, শ্রুতি ভাবছে ও এতো সুন্দর কেন???একটু ছুয়ে দিলে কেমন হয়??খুব বেশি ক্ষতি হবে কি??? আকাশ ও তো সুন্দর কিন্তু তাকেও তো ছোয়া যায়না তবুও তো মানুষ আকাশ নিয়ে কত লেখালেখি, কত বলাবলি করে।।আমিও না হয় ওকে নিয়ে একটু ভাবাভাবি করি ক্ষতি কি,,,,,,, ওর ভাবনার ঘোর ভাংলো যখন অভি এসে ওর কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়লো,,,অভির চোখে পানি,,, --শ্রুতি খুব কস্ট হচ্ছে,,,সহ্য করতে পারছিনা,,,জানো এই আড্ডার মধ্যমনি কে থাকতো??আরু থাকতো,,,ও একাই সবাইকে মাতিয়ে রাখত।।।।।ওকে ছাড়া এই প্রথম দাদুবাড়ি এসেছি,,,আমি গান গাইলে সবসময় বলতো,,, ছিঃ এটা কোন গান?? পাশে দেখ কয়েকটা কাক হার্টএটাক করেছে,,,,কিন্তু আজ ও নেই।। হারিয়ে গেছে ওই তারাদের মাঝে,,,প্লিজ ওকে এনে দাওনা শ্রুতি,,,কতদিন দেখিনা আমার বোনটাকে,,,,,,,,,, কিছুক্ষন চুপ থেকে আবার বলল,,,,, --একদিন ও আমার কোলে মাথা রেখে কি বলেছিলো জানো??বলেছিলো,,ভাইয়া!!আজ আমি তোর কোলে মাথা রেখে আকাশ দেখছি,,যখন আমি ওই তারাদের মাঝে হারিয়ে যাবো তখন তুইও কারো কোলে মাথা রেখে আমাকে ওই তারা দের মাঝে খুজবি তাইনা??আচ্ছা কোন তারাটা আরু বলোতো,,,,,,,বলোনা শ্রুতি,,, শ্রুতি কাঁদছে।। একটা ভাইয়ের তার বোনের প্রতি ভালোবাসা দেখে,,,,,অভি পুরো বাচ্চাদের মতো বিহেভ করছে,,,,, অভি: শ্রুতি!!! একটা অনুরোধ রাখবে প্লিজজ,,,,,,,(মায়াবী কন্ঠে) শ্রুতি: কি??? অভি: আমার মাথায় একটু হাত টা রাখবে প্লিজ,,,,খুব যন্ত্রনা করছে,,,, শ্রুতি ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো,,,,ওর মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে নিজেও একসময় ঘুমিয়ে গেল,।।।।।সকালে উঠেই প্রচণ্ড অবাক হলো,,,,,,, (চলবে) [কেমন হচ্ছে????]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১১৫৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অভিশপ্ত আয়না পর্র৬(শেষ পর্ব):-
→ শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (২২)
→ শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (২১)
→ "আনিকা তুমি এমন কেন?"[২য় তথা শেষ পর্ব]
→ শেষ বসন্ত-(প্রথম পর্ব)
→ সীরাহ কেন পড়া উচিৎ? রাসূল (সা:) এর জীবনী বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংরক্ষিত হয়েছে – শেষ পর্ব
→ শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (২০)
→ আমি (শেষ পর্ব ৮)
→ ♥ তোমাকেই খোঁজছি (শেষ-পর্ব) ♥
→ শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (১৯)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...