গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

ব্যর্থ প্রেমিক

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আমি কে..... (৫০০ পয়েন্ট)



আমি বাবা-মায়ের একমাত্র মেয়ে, ছোটবেলা বাবা মারা যায়,কিন্তু আমাদের ফ্যামিলি অনেক ভালো হওয়াতে কন প্রবলেম হয়নি, নিজের ভাই নেই কিন্তু আমার চাচার ২ ছেলে আমার আপন ভাইয়ের মতো ওদেরও কোন বোন নেই। বড় ভাইয়া ছোট ভাইয়ার কাছেই আমার যত বায়না। ছোটবেলা থেকে আমি একটু অন্যরকম ছিলাম, আমার জগতটা একদম আলাদা ছিল । যা চাইতাম তাই পাইতাম, কিছু বলতে দেড়ি হত কিন্তু জিনিসটা সামনে পেতে দেড়ি হত না। আম্মু-খালামনি, নানু, ভাইয়াদের চোখের মনি আমি, বড় আম্মু আমার নিজের আম্মুর থেকেও বেশিকিছু, ৪ বছর আগে ভাইয়াদের কাছে বায়না ধরেছিলাম নেট ইউজ করবো ভাইয়ারা না করলো না। প্রথম ইউজ করতাম migg33 নতুন ছিলাম জানতাম না কি করতে হয় একটা ছেলের সাথে অল্প অল্প চ্যাট হত ওর আইডি টা আমি ভীষণ পছন্দ করতাম এরপর রাতদিন চ্যাট শুরু হয় আমাদের, কত গল্প কত দুষ্টামি, ফোন নাম্বার দেয়া নেয়া হল, আমি মেয়ে বলে ফোন দিলাম না ওই প্রথমে ফোন দিলো, ভয়ে রিসিভ করলাম না, এরপর দিতেই থাকলো ফোন, তারপর রিসিভ করলাম, কথা হলো । তারপর সারাদিন কথা হত আমাদের,রাতেও কথা হত। কথা বলতে অসুবিধা হলে mig তো আছেই । মাঝখানে কিছুদিন যোগাযোগ কম হল তখনি বুঝতে পারলাম ওকে ঠিক কতটা মিস করতেছি। বেস্ট ফ্রেন্ড অপুকে বিষয়টা বললাম, ও বলল তুই প্রেমে পরেছিস। তারপর অপু ওই ছেলেকে সব বলল । ওর নাম ছিল সাইফুল, পড়তো MMC তে । তখন ও আমায় ফোন করে বলল আমরা যেন ভালো বন্ধু হিসেবে থাকি,আমি রাজি হয়ে গেলাম কারন ওর সাথে কথা বলতে পারাটাই ছিল আমার জন্য অনেক আনন্দের একটি বিষয় । এভাবে দিন যেতে লাগল,ফ্রেন্ড হিসেবে আর ভাবতে পারতাম না । আমি খুব দুষ্টু ছিলাম, সারাদিন শুধু দুষ্টামি আর লাফালাফি করতাম । আমি আইসক্রিম আর চকলেট খুব পছন্দ করতাম, তুমি বলতে আমাদের জখন দেখা হবে তুমি আমাকে অনেক আইসক্রিম আর চকলেট খাওয়াবে, এভাবে আমাদের দিন যেতে থাকলো। আমি বিবিএ তে ভর্তি হলাম আর ও এম এম সি তে ফাইনাল পরীক্ষা শেষ এক সাবজেক্ট খারাপ হইছে, ওর কষতগুলো শেয়ার করতাম, ওকে পাগলের মতো ভালবাসতাম এখনো পাগলের মতই ভালবাসি, আপনারা বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না ওর জখন কোনও অসুখ হতো বা বিপদে পড়ত সবার আগে আমি বুঝতে পারতাম কিভাবে যেন, পরে বুঝছি মনের মিল থাকলে এমন হয়, একবার ও সিরি থেকে পরে পা ভেঙে ফেললো আমার অস্থির লাগছিলো ফোন দিলাম বলল পায়ে ভেঙে ফেলেছে। আরেকবার পহেলা বৈশাখে ১ টা অনুষ্ঠানে গান গাইতে মঞ্চে উঠলাম কিন্তু কেন যেন অস্থির লাগছিলো তাড়াতাড়ি শেষ করে ওকে ফোন করলাম ওর ফ্রেন্ড বলল ও অসুস্থ...শুনে অনেক কাঁদলাম, ও থামাল আমাকে ওই দিনই আমার খুব জ্বর হয়, ওর ফ্রেন্ডের কাছ থেকে ও শুনেও কোনও খবর দিলো না, খুব রাগ হল, অভিমানে ফোন দিলাম না...ফেসবুকে সারাদিন ওর ছবি দেখতাম, ওর ছবি সেভ করে রাখতাম, ৩ মাস আমাদের কোনও কথা হল না... আমার ভাইয়ারা জেনে গেলো সব, খুব মারল আমাকে, যে ভাইয়ারা কোনদিন ধমকও দেয়নি সেই ভাইয়াদের হাতে মার খেলাম!!! আমার ফোন নিয়ে নিলো, বিয়ে ঠিক হয়ে গেলো..। আসতে আসতে পরিবেশ হালকা হল ৩ মাস পর, ফোন হাতে পেলাম, হাতে পেয়েই ওকে মেসেজ দেই সাথে সাথে উত্তর পেলাম, আমার খবর জানতে চাইল, ওই দিন সারারাত আমাদের কথা হল, ও কিছুতেই মানতে পারলো না, এরপর আরও দুর্বল হয়ে পড়লো আমার প্রতি, খুব অসুস্থ হয়ে পড়ি, আমার অপারেশনের দরকার হয় ও বলল ভয় নেই ও পাশে থাকবে, আমায় ঢাকায় নেয়া হল টেস্ট এর পর টেস্ট চলছিলো, আমি সুযোগ পেলে ওকে ফোন দিতাম, সারারাতই লুকায় লুকায় migg এ চ্যাট করতাম, ও ভালো কবিতা লিখতে পারতো আর আমাকে শোনাতো, আমি বললাম আমি মরেও যেতে পারি ও বলল মরেই যদি যাবে তবে এতো মায়ায় ফেললে কেন? কেঁদে ফেললো, এরপর শুরু হল আমার লাইফের কালো অধ্যায়...। একটা মেয়ে migg এ আমার খবর নিলো ও নাকি আমার সব জানে, আমায় বলল ওরা নাকি জাস্ট ফ্রেন্ড আমি বোকার মতো বিশ্বাস করলাম, অপারেশনের আগের দিন মেয়ে ফোন দিলো বলল ভয়ের কিছু নেই ঠিক হয়ে যাবে সব,সাইফুলকে বললাম মেয়েটা কে সাইফুলও বলল ওরা ফ্রেন্ড আমার অপারেশন হল ওই মেয়ে খালামনির ক্লাছে ফোন দিয়ে খবর নিতো, এরপর আমি সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে আসলাম হঠাৎ সাইফুল বদলে যেতে লাগলো!, আমি ফোন দিলেও ধরত না ধরলেও বলত বিজি, ওই মেয়েকে ফ্রেন্ড ভাবতাম তাই মনের সব কথা ক্লহুলে বলতাম, মাঝে মাঝে খারাপ ব্যাবহার করত, আমার সন্দেহ হতে লাগলো একদিন জিজ্ঞেস করলাম ভালবাসে কিনা সাইফুলকে, ও বলল না, কিন্তু ২ দিন পর বলল সরি ক (আমি) মিথ্যা বলেছি আমি সাইফুলকে ছাড়া বাঁচবো না, ওইদিনই ওই মেয়ে অনেকগুলো ঘুমের ওষুধ খায় অনেক খারাপ অবস্থা দেখে আমি কথা দেই আমি সরে যাবো সাইফুলের লাইফ থেকে, সাইফুলকে বললাম কেন এমন করলো ও তো জানত ওই মেয়ে ওকে ভালবাসে মেয়েটিকে কেন আশা দিয়ে রাখলো, আমার সাথেই বা কেন অভিনয় করলো? ও বলল তোমরা আমায় পাগল বানায় দিচ্ছ, ওই মেয়েকে আমি ভালবাসি না এখন তোমাকেও ভালবাসি না সাইফুলকে বললাম আমি কথা দিছি তাই সরে গেলাম তোমার জীবন থেকে তুমি ওকে ভালোবাসো, ও বলল কাউকে ভালোবাসে না কিন্তু ওরা দুজন সারাদিন ফোনে কথা বলে ফেসবুকে চ্যাট করে, মিগ এ চ্যাট করে। ওই মেয়ে আমায় ফোন দিয়ে খুব বাজে ব্যাবহার করলো আমার সাথে, তবুও আমি মাঝে মাঝে ওকে ফোন দিয়ে সাইফুলের কথা শুনতাম, বলল ওরা খুব ভালো আছে দুজনেই অনেক ভালোবাসে দুজনকে, আমি খুশি ওরা তো সুখে আছে কিন্তু কেন যেন খুব কষ্ট হয়, ওকে মাঝে মাঝে ফোন দিলে রিসিভ করে না, করলেও অনীহা দেখায়। এখনো ভালবাসি আজ ৪ বছর হল ওকে ভালবাসি, ভুলতে পারি না, অপেক্ষায় থাকি জানি ফিরবেনা তবুও আশায় থাকি, এখনো আমি কিছুটা অসুস্থ কিন্তু সাইফুল কোনও খবরও নেয় না... বলতে পারিনা আমার ভুলটা কোথায়? কেন এমন হল আমার সাথে? (ওরা এখনো আমার ফ্রেন্ডলিস্টে আছে তাই নাম চেঞ্জ করে লিখলাম, এখনো প্রতিটি দিন প্রতিটি রাত ওর আশায় বুক বেঁধে রাখি)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৩৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ প্রেমিকা সোনালী,ম্যানেজার বেহুশ
→ ব্যর্থ প্রেম
→ ~ব্যর্থতা জিন্দাবাদ!
→ একরটি ব্যর্থ প্রেম
→ ব্যর্থতার এক যুগ
→ ক্রাস যখন প্রেমিকা
→ ক্রাস যখন প্রেমিকা
→ ক্রাস যখন প্রেমিকা
→ ক্রাস যখন প্রেমিকা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...