গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

,অক্টোপাসের বিদায় ১

"সাইমুম সিরিজ" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mujakkir Islam (৪৪৫৯ পয়েন্ট)



অক্টোপাসের বিদায় আহমদ মুসার রক্ষা নেই। তাকে ফাঁদে পড়তেই হবে।’ বলল জেনারেল শ্যারন। ‘কিছুক্ষণ আগে শশাংকের সাথে কথা হলো। সে বলল, ‘আজ সন্ধ্যার দিকে নাকি আহমদ মুসা আনাপোলিশে যাচ্ছে। অথচ তার যাওয়ার কথা ছিল না। শশাংক ও সাগরিকাই ওয়াশিংটনে যাবে শুনেছিলাম।’ বলল নোয়ান নাবিলা। ‘ধন্যবাদ নাবিলা। এখন দেখবে আহমদ মুসার পরবর্তী কাজ হবে তোমাকে ফলো করা। সে নিশ্চিত মনে করেছে তুমি আমাদের সাথে জড়িত এবং তুমি সারা জেফারসন সম্পর্কে সবকিছু জান।’ বলল জেনারেল শ্যারন। ‘এটাইতো চাই। আমাকে ফলো করবে আর আমি তাকে ফাঁদের মধ্যে নিয়ে যাব।’ নোয়ান নাবিলা বলল। ‘আর আমরা তাকে টুক করে খাঁচায় পুরব।’ বলে হেসে উঠল জেনারেল শ্যারন। ‘আমি সবচেয়ে বেশি খুশি, সাগরিকাকে তার হাত থেকে রক্ষা করার এটা একটা পথ হবে।’ নাবিলা বলল। ‘শুধু তো সাগরিকা সেন নয়, আমাদের তথ্য মতে শশাংক সেনও আহমদ মুসার দারুণ ভক্ত হয়ে উঠেছে।’ বলল জেনারেল শ্যারন। ‘সেটা আহমদ মুসা সাগরিকার বন্ধু হওয়ার কারণে। সাগরিকাকে সরাতে পারলে শশাংক এমনি সরে যাবে।’ নাবিলা বলল। ‘মি. শ্যারন, আহমদ মুসাকে আটকাবার আরও সুযোগ পাচ্ছি, এটা আশার কথা। কিন্তু আমি মামলা নিয়ে সত্যিই উদ্বিগ্ন। মামলার চার্জশিটগুলো আমি পড়েছি। আমাদের জন্য আইনি লড়াই চালাবার কোন সুযোগই নেই।’ বলল আমেরিকান কাউন্সিলর জুইস এ্যাসোসিয়েশনস এর প্রধান ডেভিড উইলিয়াম জোনস। তার কন্ঠে উদ্বেগ। ‘এ জন্যেই আইনের চোখকে অন্যদিকে ঘুরাতে হবে।’ বলল জেনারেল শ্যারন। ‘কিভাবে?’ জিজ্ঞেস করল ডেভিড উইলিয়াম জোনস। ‘কেন আপনিও তো জানেন, বিজয়ের আনন্দে আহমদ মুসা এমন কিছু করে বসবে যা তাকে আমেরিকানদের কাছে ঘৃণার পাত্রে পরিণত করবে।’ বলল জেনারেল শ্যারন। ‘সেটা কি? কি রকম? দারুণ উৎসুক কন্ঠে জানতে চাইল নোয়ান নাবিলা। জেনারেল শ্যারন ও ডেভিড জোনস দু’জনেই তাকাল নোয়ান নাবিলার দিকে। কিছুটা বিব্রত ভাব দু’জনের চোখে-মুখেই। জবাব দিল জেনারেল শ্যারন। বলল মুখে হাসি টেনে, ‘ও কিছুনা । আহমদ মুসা আমেরিকার ইহুদীদের বিরুদ্ধে আরেকটা ষড়যন্ত্র করছে।’ ‘কি ষড়যন্ত্র?’ নোয়ান নাবিলা বলল। ‘সবই জানতে পারবে। এইটুকু জেনে রাখ, বিজয়ের আনন্দে অন্ধ হয়ে সে হিটলার সাজতে চাচ্ছে।’ দরজায় এ সময় নক হলো। সেদিকে না তাকিয়েই জেনারেল শ্যারন বলল, ‘এস বেন ইয়ামিন।’ দরজা ঠেলে ঘরে প্রবেশ করল বেন ইয়ামিন। নিরেট ইহুদী চেহারা বেন ইয়ামিনের। স্পাই হিসেবে, যে কোন ষড়যন্ত্রের সফল অপারেটর হিসেবে জেনারেল শ্যারনের অস্ত্রশালায় সে অদ্বিতীয়। সে ঘরে ঢুকতেই জেনারেল শ্যারন বলল, ‘কি খবর বেন?’ ‘সব ঠিক-ঠাক।’ ‘মিশন কয়টায় যাচ্ছে?’ ‘সন্ধ্যা ছ’টায়।’ ‘কি বুঝলে কোন রেসিষ্ট্যান্স হবে? কিংবা কোন অসুবিধা?’ ‘তেমন সম্ভাবনা নেই। তবে সমস্যা হলো, দু’জন সাংবাদিক সেখানে থাকে। তবে যে সময় আমাদের অপারেশন, সে সময় তারা অফিসে থাকবে।’ ‘গুড।’ উচ্ছসিত কন্ঠে বলে উঠল জেনারেল শ্যারন। একটু থেমেই সে আবার বলল, ‘ওখানে সাংবাদিকের বাসা থাকায় সুবিধাই হলো। মিডিয়াগুলো ইস্যুটাকে সাংঘাতিকভাবে হাতে তুলে নেবে।’ ‘আরেকটা সুবিধা আছে স্যার। আমেরিকার পূর্ব উপকূলে এটাই ইহুদীদের প্রথম বসতি। মার্কিন ইহুদীদের পিতা বলে কথিত দি গ্রেট ডেভিড দানিয়েল এই বসতিতেই জন্মগ্রহন করেন। তার জন্মস্থানটা এখন সিনাগগে পরিণত হয়েছে। সিনাগগের পাশেই তার ভূমিষ্ট হওয়ার ঘরটি এখনও বর্তমান। ওটা মার্কিন ইহুদীদের একটা পবিত্র স্থান। ওখানে কেউ হাত দিলে মার্কিন ইহুদীদের কলিজায় হাত দেয়া হবে।’ ‘ব্রাভো, ব্রাভো। ওটায় শুধু হাত দেয়া নয়, নিশ্চয় ওটা আগুনের গ্রাসে যাবে।’ বলতে বলতে জেনারেল শ্যারনের মুখে একটা ক্রুর হাসি ফুটে উঠল। নোয়ান নাবিলা জেনারেল শ্যারনের সামনে মুখোমুখি এক শোফায় বসেছিল। তার ভ্রুদুটি কুঞ্চিত হয়ে উঠেছে। অনাহুতভাবে এ রকম আলোচনায় অংশগ্রহন অসংগত বলে নোয়ান নাবিলা কিছু বলল না। কিন্তু মনটি তার খুব উৎসুক হয়ে উঠল। কথা শেষ করে একটু দম নিয়েছিল জেনারেল শ্যারন। তারপর একটু নড়ে-চড়ে বসে পকেট থেকে একটা অদ্ভুত লাল মোড়ক বের করে বেন ইয়ামিনের দিকে তুলে ধরে বলল, ‘এটা তোমার মিশনের কমান্ডারকে দিয়ে দিও। পরিকল্পনার সাথে এটাও যুক্ত হবে। অপারেশন শেষে ফেরার সময় সে যেন এটা ওখানে ফেলে রেখে আসে।’ বেন ইয়ামিন ওটা হাতে নিয়ে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখে বলল, ‘ভয়ংকর বিস্ফোরক। তৈরী হয়েছে লিবিয়ার ত্রিপোলীতে। অতএব…………।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৭৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রহস্য(১)
→ অভিশপ্ত আয়না পর্ব১:-
→ সময়ে অসময়ে= পর্ব ১
→ ~১৯৭১-হুমায়ূন আহমেদ(বুক রিভিউ)
→ "আনিকা তুমি এমন কেন?"[১ম পর্ব]
→ ~নোকিয়া_১২০৮
→ রাঘববাবুর বাড়ি-১
→ বিয়ের পর ভালোবাসা 1
→ ছোটবেলার সেরা ১২ টি ধারনা...
→ ভারত অভিযান (১ম খন্ড)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...