গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

সহধর্মিণী (শেষ পর্ব)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ আনিছুর রহমান লিখন (৩০ পয়েন্ট)



অপরাজিতাকে ছাড়া আমার এক মুহূর্তও চলবে না। আমি শুধু অপরাজিতাকে চাই। ও আমার অস্তিত্বে মিশে আছে। এ রকম ভাবনায় মনটা বিষিয়ে উঠছে। মাথা থেকে ঘাম ঝরে পড়ছে। তাই ফ্যানের সুইচটি অন করে দিলাম। পাখায় অনেক ময়লা জমেছে।তাই বাতাস কাটতে পারছে না। পরিষ্কার করা দরকার। একটা ন্যাকড়া খোঁজতে লাগলাম। কোথাও খোঁজে পেলাম না। অবশেষে অপরাজিতার একটি পুরনো শাড়ি দিয়ে ফ্যানের পাখাগুলি মুছছি। হঠাৎ করে মাথাটা ঘুরে গেল। চারপাশে অন্ধকার দেখছি! চেয়ার থেকে পড়ে অজ্ঞান হয়ে গেলাম। আমার এ অবস্থা দেখে আমার বড় ছেলে অপরাজিতাকে ফোন দিয়ে কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, - মা, মা, বাবা তো তোমার শাড়ি নিয়ে ফ্যানের সাথে আত্মহত্যা করতে গিয়ে মেঝেতে পড়ে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে। দরজা লক করা ভিতরে যেতে পারছি না। - আমি আসছি বাবা। অপরা এল। দরজা ভাঙা হল। আমাকে হাসপাতালে নেয়া হলো। আমি জ্ঞান ফিরে দেখি হাসপাতালে। অবাক হয়ে যাই। আরো অবাক হই অপরাজিতা হাউমাউ করে কাঁদতে ছিল। আর বলতে ছিল, - তুমি কেন আত্মহত্যা করতে গেলে? আমি না হয় অভিমান করেছি। তাই বলে............ - আমি আর বেঁচে থাকতে চাই নি। তুমি ছাড়া আমি কিভাবে থাকতাম বলো? ( আমি বিষয়টি আঁচ করে চালাকি করে বলছি) - তোমার যদি কিছু হয়ে যেত। আমি কথা দিচ্ছি আর তোমাকে ছাড়া কোথাও যাব না। আমাকে মাফ করে দিয়েছো তো। - (মনে মনে বলি) এ কাজের ওছিলায় অপরাজিতাকে কাছে পেলাম। যাক এ কথা কাউকে জানানো দরকার নেই। - কি ভাবছো আনিছ? - ভাবছি যে আমি যদি মারাই যেতাম তাহলে কি হতো? আমার মুখে হাতটি রেখে অপরাজিতা বলল, - ওমন কথা মুখে এনো না। তোমাকে ছাড়া আমিও বাঁচব না। তোমার কিছু হলে আমিও মরে যাব.......... হো হো হো..... - এমন ভাবে কেঁদো না তো! তোমাকে আজ যেন জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করছে। একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে রাখি। যেন ভালবাসা ফুরাই না। আমি বুঝি, যতই অভিমান করুক না কেন? আমার সহধর্মিণী অপরাজিতা আমাকে খুবই ভালবাসে। এ ভালবাসা যেন শেষ হবার নয়! আবরার ও আদনান আমার কাছে এসে বসে। আদনান বলে, এখন কেমন লাগছে আব্বু? - একটু ভাল। - আব্বু তুমি ও আম্মু কাছাকাছি বসো। ফটো তুলব। এরপর হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে ঘরে ফিরে এলাম। চব্বিশটি বছর চলে গেছে। চুলে পাক ধরেছে। চোখে উঠেছে মোটা ফ্রেমের চশমা। চোখের পাওয়ার কমেছে। তবুও যেন ভালবাসা কমে নি! ঠিক আগের মতোই আছে। এ ভালবাসা আমার প্রাণপ্রিয় সহধর্মিণীর।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪৫২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জিজের পরিচিতরা যে কারণে প্রিয় (শেষ পর্ব)
→ অভিশপ্ত আয়না পর্র৬(শেষ পর্ব):-
→ শেষ বসন্ত-(প্রথম পর্ব)
→ আমি (শেষ পর্ব ৮)
→ ♥ তোমাকেই খোঁজছি (শেষ-পর্ব) ♥
→ তুমি কিসের মতো -পর্ব ২ (শেষ পর্ব)
→ ~ অচেনা ভুবন(১ম পর্ব)
→ আমাদের জীবনটাই অন্যরকম নাম্বার থ্রি(শেষ পর্ব৯)
→ আমি তাকে হারাতে চাইনা (শেষ পর্ব)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...