গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

শূন্য থেকে শুরু

"যুদ্ধের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান এই পথের শেষ নেই। (০ পয়েন্ট)



পর্ব:: 2. *-----------* ভোরের আলো তখনও ফুটে নি।পাখিরা তখনও জেগে উঠে নি।ভোরের ঠান্ডা বাতাস পৃথিবীকে মুখরিত করে ফেলছে। এদিকে প্রধান তাবুতে যুদ্ধের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।একপাশে দাড়িয়ে আছে ক্যাপ্টেন তার সাথেই উমর ম্যাপ নিয়ে সবার সাথে মিলে যুদ্ধের পরিকল্পনা করছে।তার ঠিক পাশেই ক্যাপ্টেনের প্রধান উপদেষ্টা কামাল দাড়িয়ে।উমর এবার বলল এই যে এটা সেই পাহাড় যেটাতে শএুবাহিনীর ক্যাম্প।এখন কথা হলো তাদের সৈন্যসংখ্যা কত হবে? যেহুতু আমাদের কাছে তেমন ভারী অস্এ নেই তাই সৈন্যসংখ্যা খেয়াল রাখাটা বুদ্ধিমানের কাজ।ক্যাপ্টেন বলল হুম ঠিক।কতো হতে পারে বলে মনে কর কামাল? কামাল মাথা নেড়ে বলল জ্বি ক্যাপ্টেন কতো আর হতে পারে এই ধরুন তিন থেকে চার হাজার।কামাল হলো ক্যাপ্টেনের প্রধান উপদেষ্টা। উমর বলল আচ্ছা ঠিক আছে তবে আমরা আজ শএুবাহিনীর ক্যাম্প ধ্বংস করব ইনশাল্লাহ।ম্যাপের দিকে দেখিয়ে উমর বলল এই রাস্তা দিয়ে উঠাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে কারন এটাই সবচেয়ে সহজ রাস্তা এবং বিপদও কম।আমরা ঠিক এইদিকটায় শএুপক্ষকে আক্রমন করলে তারা সামলাতে পারবে না। ক্যাপ্টেন বলল হুম ভালো পরিকল্পনা।তো চলুন সবাই যুদ্ধের প্রস্তুুতি নেওয়া যাক।একে একে প্রধান তাবু খালি হয়েগেল।শুধু ক্যাপ্টেনই রয়ে গেল।উমর হাটছে তাবুগুলোকে তার পিছনে ফেলে। এমন সময় হঠাৎ করেই তার মাথায় কি একটা চিন্তার উদয় হলো সাথে সাথেই আবার ক্যাপ্টেনের তাবুর দিকে রওনা হলো। ভিতরে আসতে পারি ক্যাপ্টেন? তাবুর ভিতর থেকে আওয়াজ আসল উমর! হুম আস। উমর ভিতরে প্রবেশ করেই পুনরায় ম্যাপ নিয়ে বসল ক্যাপ্টেনের সামনে।ক্যাপ্টেন বিস্নিত হয়ে বলল আরে উমর কী হলো আবার? ম্যাপ নিয়ে বসলে! উমর বলল জ্বি ক্যাপ্টেন।মনে আছে আমাদের উদ্দেশ্য হলো শএুকে ধ্বংস করার সাথে সাথে আমাদের মধ্যেকার বিশ্বাসঘাতককেও ধরতে হবে আজ।তাই ঐখানে যেমনটি পরিকল্পনা করা হয়েছে তেমনটি করলে আমরা যুদ্ধে হারব কারন বিশ্বাসঘাতকটি নিশ্চই সব ফাস করে দিবে।ক্যাপ্টেন বলল হুম ঠিক।তাহলে কি ভাবছ তুমি? উমর এবার মানচিএ দেখিয়ে বলল আমরা শুধু এদিকটা দিয়ে নয় বরং চারপাশ দিয়েই শএুপক্ষকে আক্রমন করব।আমাদের সৈন্যরা চারটি দলে ভাগ হবে আর প্রত্যেক দলে একজন করে কমান্ডার নিযুক্ত করা হবে।যখন আমরা শএুপক্ষকে চারদিক থেকে আক্রমন করব তখন তারা পালাবার কোন পথই পাবে না।হয় মারা যাবে নাহয় আত্নসমর্পন করবে।ক্যাপ্টেন বলল হুম তাহলে সেই চারজন কমান্ডার কে কে হবে? তাদেরও তো পরিকল্পনা বুঝাতে হবে। উমর বলল হুম।চিন্তা করবেন না আমি সবাইকে বুঝিয়ে দিচ্ছি।ক্যাপ্টেন হাসিমাখানো মুখে বলল তুমার মতো বীর সাহসী কমান্ডার যত দিন এখানে আছে ততদিন ইনশাল্লাহ আমরা কোন যুদ্ধে পরাজয় হবো না। যাও আর জয়ী হয়ে ফিরে আস।আল্লাহ তুমাদের রক্ষা করুক।আমিন।উমর এই বলে চলে আসল সরাসরি তার তাবুতে।এক সৈন্যকে বলল যাও রশিদ,আর জাহাঙ্গীরকে আমার তাবুতে ডেকে পাঠাও। কিছুক্ষন পরেই তাবুতে উমরসহ পাচজন বসে আছে।উমর তাদেরকে সব পরিকল্পনা বুঝিয়ে দিল।বাকি দুজন হলো তার দুই বন্ধু ওয়ালিদ আর ওয়াক্কাস। এবার উমর বলল তো জয়ী হতে পারব তো আমরা? সবাই বলল ইনশাল্লাহ। ইতিমধ্যে দুপুর ঘনিয়ে আসছে। সূর্য পশ্চিম আকাশের দিকে যাএা শুরু করেছে।এখন প্রধান তাবুর সামনে হাজার হাজার সৈন্য দাড়িয়ে।ক্যাপ্টেন সবার উদ্দেশ্য অনেক কথা বলার পর উমর দাড়াল সবাইকে কিছু কথা বলার জন্যে। কারন যুদ্ধে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো মনোবল আর সাহস।যা যুদ্ধের আগেই সৈন্যদের মধ্যে জাগিয়ে দিতে হয়।উমর এবার বলা শুরু করল- আমার সহযোগী বীর সাহসী সৈন্যরা। তুমরা মনে রাখবে আমরা আল্লাহর কাছ থেকে এসেছি আর তার কাছেই ফিরে যাব। আমরা আল্লাহর পথে আল্লাহর ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্যে লড়াই করছি।ইনশাল্লাহ আল্লাহ আমাদের সাহায্য করবেন। এরসাথেই সকলে সমস্বরে বলল ইনশাল্লাহ।উমর আবার বলা শুরু করল। মনে রাখবে আমরা সেই জাতি যে জাতি আল্লাহ ছাড়া আর কারও সামনে মাথা নত করে না। মৃত্যেু আমাদের জন্যে আল্লাহর নিকট নিয়ে যাবে। তাই আজ যুদ্ধের দিন,আজ শাহাদাৎতের দিন।আল্লাহু আকবার। এরপরেই সৈন্যদের মাঝ থেকে অবিরাম কয়েকবার আল্লাহু আকবার ধ্বনিটি ভেসে আসল যে ধ্বনিতে আকাশ-জমিনসহ কেপে উঠল। এবার সবাই যুদ্ধের জন্যে রওনা দিল।ক্যাপ্টেন অসুস্হ্যতার জন্যে যুদ্ধে যুগ দিতে না পারায় তাবুতে বসে আফসোস করছে আর আল্লাহর নিকট দুআ করছে- হে আল্লাহ বয়সের ভার আজকে আমাকে থামিয়ে দিচ্ছে।ভিবিন্ন রোগ ব্যধি আমাকে গ্রাস করছে। দীর্ঘটাকাল আমি তুমার পথে অতিবাহিত করেছি ইয়া রাব্বি।তুমি আমাকে নিরাশ কর না শাহাদাৎতের শরাব পান করার তৌফিক তুমি আমাকে দাও।এমন সময় তাবুতে প্রবেশের অনুমতি চাইল একজন।ক্যাপ্টেন অনুমতি দেওয়ার সাথে সাথে তাবুতে প্রবেশ করল গুপ্তচর ইউনিটের একজন।তাবুতে প্রবেশ করেই বলল আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক ক্যাপ্টেন।চিঠি এসেছে একটা।নাম লেখা হামিদ।ক্যাপ্টেন মুচকি হেসে বলল দাও।লোকটি চিঠি দিয়ে চলে গেল।চিঠিটা সাংকেতিক ভাষায় লেখা যা ক্যাপ্টেন আর কমান্ডারই বুঝতে পারে।হামিদ হলো গুপ্তচর ইউনিটের সবচেয়ে দূর্দর্ষ গুপ্তচর। যিনি প্রায় ১২ বছর যাবৎ ডিক্লের বাহিনীতে কাজ করছে।তার আসল পরিচয় কেউ জানে না ক্যাপ্টেন,কমান্ডার ছাড়া। চিঠিতে লেখা- আপনার উপরে আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক ক্যাপ্টেন।আমি দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীতে কাজ করে অনেক তথ্য সংগ্রহ করেছি, আর একটা ভিষন খারাপ খবর আছে।এখানে বলা সম্ভব নয় আমি এখন টার্গেট পয়েন্টে আছি আপনি কাউকে পাঠান এখনি অনেক কিছু বলার আছে।সে আমাকে এসে গোপন কোড বললেই বুঝতে পারব। এবার ক্যাপ্টেন চিন্তিত ভঙ্গিতে আব্দুল্লাহকে খবর পাঠালেন।কিছুক্ষন পরেই আব্দুল্লাহ ক্যাপ্টেনের তাবুতে প্রবেশ করল। ক্যাপ্টেন তাকে গহিন বনের টার্গেট পয়েন্টে যেতে বলল আর সেসব গোপন কোড আর উওরগুলো শিখিয়ে দিল।আব্দুল্লাহ এবার হামিদের সন্ধানে ছুটে চলল।এদিকে একটানা রাইফেলের গর্জন শুনা যাচ্ছে গহিন বনের সবচেয়ে উচু পাহাড়টায়। রাইফেলের গর্জন আর এর কালো ধোয়ায় বনের পাখিগুলোও আতংঙ্কে ছুটাছোটি করছে।এখান থেকে মাঝে মাঝেই আল্লাহু আকবার ধ্বনি ভেসে আসছে যাতে আকাশসম উচু ঐ পাহাড়টাও কেপে যাচ্ছে গাছগুলো পানি শোষন করতে ভুলে যাচ্ছে। এদিকে আবার উবায়দা ক্যাপ্টেনের তাবুতে হাজির।অনুমতি নিয়ে ভিতরে ডুকেই এক গ্লাস পানি খেয়ে নিল সে।ক্যাপ্টেন বলল কি খবর বলো? কে সেই বিশ্বাসঘাতক যে আমাদের পিঠে বারবার ছুড়ি বসাচ্ছে। উবায়দা বলল ক্ষমা করবেন ক্যাপ্টেন।আমি ভাবছি এই দৃশ্য দেখার আগে কেন আমার দু-চোখ অন্ধ হয়ে যায় নি।নিজের চোখকেই যে আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।ক্যাপ্টেন বলল বল কে সে? এদিকে আব্দুল্লাহ টার্গেট পয়েন্টে হাজির। কিন্তুুু কাউকেই সে দেখতে পাচ্ছে না শুধু বনের জীব-জন্তুুগুলো ছাড়া।এমনসময় একজন লোক সেদিক দিয়ে হেটে যাচ্ছে। গায়ে তার লম্বা চাদর জড়ানো।আব্দুল্লাহর সন্ধেহ হলো।সে বলল পথিক এই পথের শেষ কোথায়? উওর আসল পুরো পৃথিবী আবার আব্দুল্লাহ বলল তুমার গন্তব্য কোথায়? পথিক উওর দিল গন্তব্য পরকাল।আব্দুল্লাহ আবার বলল তুমার লক্ষ কী? পথিক উওর দিল শাহাদাৎ।আব্দুল্লাহ এবার মুচকি একটা হাসি দিয়ে বলল আপনার ইচ্ছা যেন পূরন হয়।আপনাকে দেখে খুশি হলাম। আমি আব্দুল্লাহ ক্যাপ্টেন পাঠিয়েছি।হামিদ আর আব্দুল্লাহ এখন দুজন দুজনকে আলিঙ্গন করল। হামিদ তার হাতে কিছু কাগজ-পএ দিয়ে বলল এখানে সব তথ্য আছে ক্যাপ্টেনকে দিবেন। আর একটা ভয়াবহ খারাপ খবর আছে।জানেনই তো এখানের সবচেয়ে শক্তিশালি বাহিনী হল ডিক্লে মানে ডিউক্লিটিয়ানোসের বাহিনী।ক্যাপ্টেনকে গিয়ে বলবেন........ """চলবে ইনশাল্লাহ""""


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৯০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ~স্টপ পর্ণোগ্রাফি(অন্ধকার জগৎ থেকে বের হয়ে আসুন আলের পথে)।
→ ~বাড়ি থেকে পালিয়ে-শিবরাম চক্রবর্তী(বুক রিভিউ)
→ গল্প থেকে শিক্ষা: শিকারি ও বুদ্ধিমান পাখি
→ সীরাহ কেন পড়া উচিৎ? মুহাম্মাদ (সাঃ), সবদিক থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ – চতুর্থ পর্ব
→ জাহান্নাম থেকে মুক্তির সহজ উপায়
→ তোর থেকে তোর বাবা ভালো
→ ~শূন্যস্থান হতে স্রষ্টার দূরত্ব কত?
→ আমি মেরাজ থেকে এসেছি
→ ~ আমার আম্মুর কাছ থেকে!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...