গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

একটি ফালতুচিকিৎসার কাহিনি।

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Nirob(guest) (৩৬১৪ পয়েন্ট)



পৃথীবিতে কিছু কিছু মানুষের চির বিদায় কখনো মেনে নেওয়া যাই না । কাওকে যদি ইচ্ছা করেই মুখে বিষ তুলে দিয়ে মেরে ফেলে বলা হয় যে এই ভাবে তার মৃত্যু আছে তা কেও কি কখনো মেনে নিবে ? কারণ আপনি ইচ্ছা করলে তাকে বাচাঁতে পারতেন । আমার মামার বাসা মচমইলে তাই সে খানে আমার জন্ম হয়েছিল মা বলত আমি যখন আতুর ঘরে কান্নাকাটি করতাম তখন আমার খালা আমার থেকে দুই বছরের বড় সেও এসে কান্নাকাটি করতো এই বলে আপু বাবা কান্দে , মা বলত আমি যতখন থামতাম না সেও কান্দে আমার সাথে ।আবার মা বলতো এমনও হয়েছে যে রাত একটা দুইটার সময় উটে আমাকে দেখার জন্য কান্না কাটি করতো আমার খালা । সে সময় নাকি আমার সবচাইতে কাছের মানুষ ছিল আমার খালা আমি খুশি হলে খালা খুশি হত আবার আমি কাননা করলে সেও কানতো । এটা কম ভালবাসা থাকলে কোন দিন হত না আবার যখন আস্তে আস্তে বড় হতে লাগলাম তখন খেলার সাথী হিসেবে এই খালাকে পেয়েছিলাম সব চাইতে কাছে । আমার ভাল করে মনে আছে এক দিন গোসল করতে গিয়েছিলাম খালার সাথে কিন্তু আমি ছোট ছিলাম সাঁতার জানতাম না সেই দিন আমার জীবনের শেষ দিন হয়ে যেত যদি সে আমার পাশে না থাকতো আমি পানিতে পড়ে গিয়েছিলাম সবচাইতে বড় কথা হল খালাও সে ভাবে সাঁতার জানতো না তা যেন ও সে আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে আমার এখনো মনে আছে দুই জনে অনেক পানি খেয়েছিলাম । এমন অনেক মজার মজার কথা আছে যা লেখে শেষ করা যাবে না, একদিন হঠাৎ করে নানা চলে গেল মুনছুর মাষ্টার মচমইল বহুমুখি হাইস্কুলের টিচার ছিলেন । সাবিনা খালা নানা কে রাজশাহি মেডিকেলে ভত্তি করেছিলেন যখন নানার মৃত দেহ বাড়িতে আনা হয় সবার সে কি কান্না । সাবিনা খালা সেদিন বলেছিল ডাক্তার এর অবহেলার জন্য নানা নাকি মরে গছে । ঠিক সেদিন ই আমার ছোট মামা মুনছুর মাষ্টার এর সবচাইতে ছোট ছেলে সে বলেছিল আমি ডাক্তার হব । এর সাথে সাথে খালাও বলেছিল আমি ডাক্তার হব যাতে আমার বাবার মত অকালে কেও চলে না যাই । আস্তে আস্তে আমরা বড় হয়ে উটলাম খালা এস এস ছি পাশ করে প্যারামেডিকেলে ভত্তি হল তখন আমি ক্লাশ সেভেনে হয়ত ছিলাম । কয়েক বছর পর খালা তার পছন্দের মানষ কে বিয়ে করলো ছেলেটি গরিব ছিল তাও যেনে সব কিছু ভুলে গিয়ে ছেলের বাড়িতেই গিয়ে বিয়ে করলো কারণ খালা যানতেন কেও এই বিয়ে মেনে নিবে না । এক দিন খালা চাকরি পেল সে একা রোজগার করে তার জামায় কেও চালাতেন এটা কিন্ত কম ভালবাসার টান নয় কারণ তিনি যানতেন যে পূথিবীতে ভালবাসার চাইতে বড় কিছু নাই আর সুন্দর ভাবে বাচঁতে গেলে সবাই কে ইনকাম করতে হয় না । এর মধ্যে খালার সুন্দর একটি মিয়ে ছেলে জন্ম দিলো । অনেক দিন পর দেখা হয়ে ছিল খালার সাথে সে কি আদর খালা কোন দিন আমার নাম ধরে ডাকতো না সব সময় ময়না না হয় সোনা বলে ডাকতো । এক সময় তার পরিবার থেকে বিয়েটা মনে নেয় অনেক অভিগ্যতার জন্য খালা ডাক্তার এর মান পাই । এর সাথে সাথে তার স্বামি ও চাকরি পান । প্রাই বছর পাঁচেক খালার সাথে দেখা নাই । সেদিন ছিল মুঙ্গলবার সকাল থেকেয় মোন টা বড় খারাফ ছিল রাতে এ পাশ ও পাশ করে ঘুমিয়ে যাই রাত একটার সময় ফনে রিং আসে ফন ধরতেই বলে রুমি খালা মরে গেছে আমি বুঝতে পারছিলাম না আমি কি করবো ভাবছিলাম এটা কেমন করে হল মোন টা চিৎকার দিয়ে কান্না করতে চাইলো কিন্তু পারলাম না কারণ আমার মার হাড পেসার আছে । রাতে আর ঘুম হল না সাকলে ঘুম থেকে উটে মা কে সব বলে খালার বাসাই ছুটে গেলেম মিজ্জাপুর । গিয়ে দেখি খালাকে গোসল করিয়ে কাফন পরিয়ে খাটিঁ মাটিতে রেখে দিছে । চখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না অনেক কষ্ট করে মোনকে সান্তনা দিলাম । পরে যানতে পারলাম দ্বিতৃয় সন্তান জন্মের জন্য খালার সিজার করা হয় বাচ্চা টা বেচেঁ গেলেও খালাকে বাচানো যাই নি । খালা খালু কে বলেছিল তুমি আমাকে রেখে কোথাও যেওনা কিন্তু সেদিনই ছিল খালুর চাকরিতে যোগদানের শেষ দিন তাই সে বাধ্য হয়ে চাকরিতে যোগদানের জন্য যাই । খালা খালুকে বলেছিল তোর সাথে আর কথা বলবো না কে যানতো এটায় তার খালুর সাথে শেষ কথা । আমার কষ্ট টা এখানে যে মামা তার ছোট ভাই ডাক্তারি পড়াশেষ করেছে সে ডাক্তার ও হইছে তার উচিৎ ছিল খালার পাশে থাকা যদি মামা খালার পাশে থাকতো তাহলে হয়ত রুমি খালা মরে যেত না কারণ সে সময় খালার পাসে কোন ছেলে ছিল না । খালা ডাক্তার হয়েও যদি ডাক্তারের অবহেলার জন্য মরে যাই তাহলে এর চাইতে বড় কষ্ট কিসের খালা অনেক বজার জন্য মিনতি করেছে কিন্তু এই সমাজের ডাক্তার তাকে বাচঁতে দেই নি । আর যখন আপন ভাই ডাক্তার হয়েও এই সময় বনের পাশে বিনা কারণে থাকতে না পারে আমার মনে হয় তার আর ডাক্তার হয়ে কোন লাভ নাই তাকে এই ডাক্তারি ছেরে দেওয়া উচিত । এক দিন এই ডাক্তারের অবহেলার জন্য নানা মরে যাই আজ পরিবারে ডাক্তার থাকা সত্তেও খালা মরে যাই যা আমি কোন দিন মেনে নিতে পারবো না । আমার মোন বলছে খালার দুইটা মা হারা মিয়ের কাছে মামার জবাব দিহিতা করতে হবে । সবাই দোয়া করবেন আমার আদরের খালার জন্য এবং তার রেখে যাওয়া দুটি মিয়ের জন্য তারা আর কোন দিন মা নামক আকাশের চাঁদ পাশে পাবে না ।মা বলে মোন খুলে ডাকতে পারবেনা । কেও তাদের আর আদর করে ঘুম পারাবেনা । তারিক 25 07 2018 রোজ মুঙ্গলবার রাত 12 প্রাই খালা মরে যাই।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৮৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একটি দামি উপহার
→ মৃত সাগর (Dead Sea)-আল্লাহ প্রদত্ত একটি শাস্তি
→ উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) এর একটি ঘটনা এবং আমাদের জন্যে শিক্ষা
→ ♥নেকলেস♥আমার প্রিয় একটি গদ্য
→ আমার মা (একটি সরল গল্প)
→ একটি লাল তারা
→ ছোট্ট উপহার একটি চিরকুট
→ ভুতের একটি মজার গল্প
→ মন ভালো করে দেয়া একটি গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...