গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

ভাইবোন

"স্মৃতির পাতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Rubaiya Islam (১৯২ পয়েন্ট)



আমার নাম রুবাইয়া ইসলাম।আমি ২০২০ এর এইচএসসি পরীক্ষার্থী। আমরা দুই ভাইবোন।আমার ভাই আমার ৯ বছরের ছোট।ওর নাম রিফাত হোসেন রাজ।আমার ভাই চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে।ও আমার ছোট কিন্তু কিছুদিন পর আমার বড় হয়ে যাবে।gj সবাই নিশ্চয় ভাবছেন কেন? একটু ধৈর্য ধরেন বলছি। কারণ এখন ওর উচ্চতা ৪ফুট ১১ইঞ্চি।আমাদের দুই ভাইবোনের মধ্যে সব সময় যুদ্ধ লাগে।যুদ্ধ কিন্তু যে সে যুদ্ধ নয়।একেবারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। যুদ্ধ লাগার কয়েকটা কারণ বলি।যথা•••••• ১•আমার আর আমার ভাইয়ের খাতা কলম সব আলাদা।কিন্তু ও লেখার সময় নিজেই খাতায় না লিখে আমার খাতায় লিখবে।প্লেন তৈরির জন্য নিজের খাতা থেকে পৃষ্ঠা না নিয়ে আমার খাতার পৃষ্ঠা নেয়।weep ২•আমার পড়ার সময় ও হয় জোরে পড়বে নয়তো টিভির ভলিউম বেশি করে গান শুনবে। ৩•আমি যখন ফোন নিব তখন উনি ফোনে গেম খেলার বায়না করবে ইত্যাদি ইত্যাদি। সব লিখলে আমার হাত থাকবে না।আর এসব করলেই আমার হাত চলে সাথে আমার ভাইয়ের হাত ও।আর তখন আমাদের বাড়িতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ লেগে যায়। ও আমার সাথে এত ঝগড়া করে ঠিক কিন্তু ও আমায় ভীষণ ভালোবাসে।আমার যদি মন খারাপ থাকে তাহলে ও এমন কিছু করে তাতে আমার মন ভালো হয়ে যায়।gj আমাদের ভাইবোন সম্পর্কে আর লিখছে মন চাচ্ছে না।শুধু এবার ভাইয়ের সম্পর্কে কিছু লিখছি।প্লিজ কেউ কিছু মনে করবেন না। আমার ভাইয়া পড়ালেখায় ভালো।আর ও খুব মিশুকে তাই সবার কাছে খুব অল্প সময়ের মধ্যে প্রিয় হয়ে উঠতে পারে।ওর স্কুলের স্যার ম্যাডামরাও ওকে খুব ভালোবাসে।ওর বাংলার ম্যাডাম ওকে সবচাইতে বেশি ভালবাসে আবার সবচাইতে বেশি শাসনও করে। ওর আরো একটা গুণ হচ্ছে নিজে না খেয়ে অপরকে খাওয়ানো। অর্থাৎ ও সবার সাথে সব কিছু শেয়ার করতে পছন্দ করে। আমরা যেহেতু গ্রামে থাকি তাই এখানকার সবাই নিম্মবিত্ত বা মধ্যবিত্ত।উচ্চশ্রেণির খুব অল্প লোক বাস করে।আমার ভাই যেখানে প্রাইভেট পড়ে ওখানে ওর এক সহপাঠী প্রতিদিন প্রায় ময়লা আর ছেঁড়া জামা পড়ে আসতো তাই আমার ভাই একদিন বাড়ি এসে রাতে খাওয়ার সময় বলছে আম্মু আমার এক বন্ধু ছেঁড়া জামা পড়ে স্কুলে আর প্রাইভেট পড়তে যায় তা আমার শার্টগুলো আমি ওকে দিবো??( আমার ভাই টি- শার্ট পরতে বেশি পছন্দ করে।শার্ট খুব কম পরে) তখন আম্মু বলে তুই তো ওগুলো পরিস না তাহলে দিস।পরের দিন ও ওর ৫থেকে ৬ টা শার্ট নিয়ে ওর ওই বন্ধুকে দেয়। কিন্তু এটা ও সবার সামনে না দিয়ে শুধুমাত্র ওর স্যারের সামনে দিয়েছিল। আর লিখতে ভালো লাগছে না।সবাই আমার ভাইয়ের জন্য দোয়া যেন ও মানুষের মতো মানুষ হয়।আমার আব্বু আম্মু আর দেশের নাম উজ্জ্বল করতে পারে। ★★ কি লিখলাম নিজেই জানিনা। সবাই ভুলত্রুটি ক্ষমা করবেন।না করলে নিজের সুটকেসে তুলে রাখবেন।( এটা কাল্পনিক নয় সত্য ঘটনা)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪৪২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভাইবোনের খুনসুটি।
→ ভাইবোনদের সামান্য উপদেশ....

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...