গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনঃ মুসলমানের টাকা হজম

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান AI Omar Faruk (৩ পয়েন্ট)



===== ইসলাম কখনো বলেনি অসাম্প্রদায়িক প্রমান করতে যেয়ে মুসলমানের মুসলমানিত্ব বিসর্জন দিতে। প্রত্যেক মানুষই সাম্প্রদায়িক । কারন প্রত্যেকেই তার নিজস্ব সম্প্রদায়ের কথা চিন্তা করে। অসাম্প্রদায়িক শব্দ মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার জন্য একটা চটকদার শব্দ মাত্র। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন নামক একটা হিন্দুয়ানী সংস্থা সে চটকদার শব্দ ব্যবহার করে মুসলমানদের বিভ্রান্ত করছে। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছে কিশোর কুমার দাস আর শিপ্রা দাস নামক দুই ভাই বোন। নিরাভিষভোজি বৈষ্ণব হিন্দু, মন্দিরে মন্দিরে কীর্তনও শুনে নিয়মিত। ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান কিশোর কুমার দাশ। ডিসেম্বর ২২,২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠা করে বিদ্যানন্দ ।তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জে। কিন্তু বেড়ে উঠেছে চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার কালুরঘাট খেজুরতলা এলাকায়। বর্তমানে গুগল ক্লাউড ওয়্যার ৩৬০-এর কমার্শিয়াল ডিরেক্টর। পেরুতে একটি হোটেলও রয়েছে তার। বিদ্যানন্দের সঙ্গে লাইটার ইয়ুথ ফাউন্ডেশন নামের আরেক প্রতিষ্ঠানও এক হয়ে কাজ করছে। তাদের ভাষ্যমতে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন নাকি একটি শিক্ষা সহায়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ‘এক টাকার আহার’ প্রকল্পটি চালু করে ‘বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন’। অর্থ আসে কোথা থেকে? ১. দাতাদের অর্থায়ন। ২. স্বেচ্ছায় সহায়তা। ৩. বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ফেসবুকের মাধ্যমে টাকা আদায় করছে । ইতিমধ্যে এতিমখানা বানানোর জন্য কক্সবাজারের রামুতে ১৮ শতক যায়গা পেয়েছে। যদিও বলা হচ্ছে এতিমখানা, কিন্তু বাস্তবে সেটা উপজাতি গোষ্ঠীর অনাথালয়। কিছুদিন আগে একটা ক্যাডেট কলেজ থেকে ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা এসেছে। চাটার্ড একাউন্টেন্টদের সংগঠন থেকে দেয়া হয়েছে ৩ লক্ষ টাকা । অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে ১ টাকায় আহার আর গরিবদের সাহায্যের নাম দিয়ে তারা মুসলমানদের অনুভুতিকে কাজে লাগিয়ে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। শুধু মাত্র নিজের খরছে এসকল দেওয়া কিছুতেই সম্ভব নয়। তার মানে এই অল্প খরচের চমক দেখিয়ে মিডিয়ায় হাইলাইট হয়ে ফান্ড ফুলে ফেঁপে উঠানোই তাদের মুল লক্ষ্য। ইহুদিরা এমন পলিসি করেই নামে বেনামে হাজার হাজার কোটি টাকা মুসলমানদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে। মুসলমানদের এ সকল ষড়যন্ত্র অনুধাবন করতে হবে। যদি সাহায্য করতেই হয় তাহলে ইয়াতিমখানায় দান করুন, না হয় নিজে দান করুন । কিন্তু কিছুতেই এসকল প্রতিষ্ঠানে টাকা দিবেননা। মনে রাখবেন আপনি মানবতার খাতিরে দান করলেও এরা কেবলই স্বার্থের জন্য মানবতা দেখায়, অন্য কোন কারণে নয়। সংগৃহীত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১০১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মুসলমানের পরিচয়
→ ATM-এ তাকালেই আসবে টাকা!
→ করোনা ভাইরাস থেকে মুসলমানের জন্য ১০ শিক্ষাঃ
→ করোনাভাইরাস থেকে মুসলমানের ১০ শিক্ষা
→ টাকা ছাড়াই জীবন-যাপন
→ টাকা ধার দেওয়ার পরিণাম।।
→ কালো টাকার #ভালোবাসা
→ টাকা না থাকলে এক অবস্থা থাকলে আরেক অবস্থা
→ মুসলমানের সম্মান।

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...