গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

শূন্য থেকে শুরু।

"যুদ্ধের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান এই পথের শেষ নেই। (০ পয়েন্ট)



পর্ব:::১ ---------- গহিন এক বনে অনেকগুলো তাবুর সমাহার।আকাশ থেকে টিপ টিপ বৃষ্টি ঝরে পড়ছে তাবুগুলোর উপর।এরইমধ্যে প্রধান তাবুতে কিছু শোরগোল শুনা যাচ্ছে।সেখানে অনেকগুলো মানুষের ঠিক মধ্যেখানে ৬০-৬৫ বছরের এক বৃদ্ধ দৃঢ়পায়ে পায়চারি করছে।বয়স তাকে ছুতে পারে নি সামনে এগুনোর নেশায়।ইনি হলেন ক্যাপ্টেন উসমান।মুখে চিন্তার ছাপ।তিনি বললেন আমি বুঝতে পারছি না প্রতিবারেই আমাদের সকল পরিকল্পনা শএুবাহিনী কিভাবে জেনে ফেলে? নিশ্চই আমাদের মধ্যে কোন বিশ্বাসঘাতক লুকিয়ে আছে যে শএুবাহিনীর হয়ে কাজ করে।কিন্তুু কে সেই বিশ্বাসঘাতক? কারো মুখে কোন কথা নেই।ঠিক তখনই সবার মাঝখান থেকে ২২-২৩ বছরের একটি ছেলে দাড়িয়ে গেল।মুখে তার তারন্যের ছাপ।দেহে অসীম শক্তি,দেখে মনে হয় পর্বতকে বিদির্ন করার শক্তিও তার আছে।ইনি হলেন সৈন্যবাহিনীর কমান্ডার উমর।সে দাড়িয়েই বলল ক্যাপ্টেন আমরা যেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছি তা কখনই সফল হবে না যতদিন আমাদের মধ্যে এসব বিশ্বাসঘাতক লুকিয়ে থাকবে।এবারের যুদ্ধে শএুবাহিনীর অতর্কিত আক্রমনে আমাদের বহু সেনা শহীদ হয়েছে।যদি এমনিভাবে চলতে থাকে তবে সেদিন আর বেশিদিন দূরে নয় যেদিন যুদ্ধ করার মতো একটি সৈন্যকেও আমরা পাব না।তাই যতদ্রুত সম্ভব এই বিশ্বাসঘাতককে ধরে শাস্তি দিতে হবে।উপস্হিত সকলেই মাথা নাড়াল।ক্যাপ্টেন কিছুক্ষন চিন্তা করে বলল হুম ঠিক বলেছ উমর। এতে আমাদের অবশ্যই একটা পরিকল্পনা করা দরকার গোপনে।কমান্ডার দাড়িয়ে বলল ক্যাপ্টেন আজ নাহয় এ পর্যন্তই থাক।পরে দেখা যাবে।ক্যাপ্টেনও বুঝে ফেলেছে যেহুতু উমর এখন আলোচনা বন্ধ করতে বলেছে তাহলে নিশ্চই তার আলাদা কোন প্লেন আছে।কারন এই ১৫ বছর ধরে সে দেখে এসেছে উমর কতটা সাহসী আর বুদ্ধিদ্রিপ্ত যুবক।তাই সকলকে এখন চলে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন ক্যাপ্টেন।এখন প্রধান তাবুতে শুধু ক্যাপ্টেন আর কমান্ডার বসে আছে। ক্যাপ্টেন এবার বলল উমর কাছে আস।বলো কী তুমার পরিকল্পনা।ক্যাপ্টেন আমার কোন পরিকল্পনা নেই।উমর বলল।ক্যাপ্টেন মৃদু হেসে বলল ১৫ বছর ধরে আমি তোমাকে সৈন্য হিসাবে দেখে আসছি।আমি জানি যখন তোমার মনে কিছু একটা থাকে তখনই তুমি যেকোন ভাবে সামনে থাকা বিষয়টা বাদ দেওয়ার চেষ্টা কর।বলো তুমার মনে কী আছে।উমর বলল ক্যাপ্টেন, বিশ্বাসঘাতক যে কেউ হতে পারে। আর আপনি যদি সবাইকে নিয়ে এই পরিকল্পনা করেন তাহলে এই পরিকল্পনার গোপনিয়তা হারাবে আর তাতে পাখিও খাচায় ধরা দিবে না। আর তাই যত কম সম্ভব লোক নিয়েই পরিকল্পনা করা ভালো।এখন বলুন আপনার কী মতামত? ক্যাপ্টেন কিছুক্ষন ভেবে মুচকি একটা হাসি দিয়ে বলল হুম ঠিক বলেছ।আর আমি জানি পরিকল্পনাও তুমি ঠিক করে রেখেছ।বলো আমায়।উমর কিছুটা লজ্জিত হয়ে মুচকি একটা হাসি দিয়ে জঙ্গলের ম্যাপ বের করল। উমর এবার ম্যাপের দিকে ছুরি দিয়ে বলল এই যে দেখেন এই পাহারটা হলো জঙ্গলের সবচেয়ে বড় পাহাড়।আর এর ঠিক চূড়ায়ই শএুবাহিনীর ক্যাম্প।যেহুতু এটা সবচেয়ে বড় পাহাড় তাই সাধারনত রাএে এই পাহাড়ে উঠা সম্ভবপর নয়।এখন আপনি একটা ঘোষনা দিয়ে দিন যে আগামীকাল বিকালে আমরা যুদ্ধ যাএ শুরু করব। আর এই যে রাস্তাটা দেখছেন এটাই একমাএ সহজ রাস্তা ঐ ক্যাম্পে পৌছানোর।ঠিক এই জায়গাটায় আমরা আমাদের একজনকে রেখে দেই।এই পথ ছাড়া অন্যকোন পথ ব্যবহার করে কারও পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।আর যখন আমাদের মধ্যে থাকা বিশ্বাসঘাতক এই খবর নিয়ে শএুবাহিনীর ক্যাম্পে প্রবেশ করবে ঠিক তখনই জঙ্গলে অবস্হান করা আমাদের ঐ লোকটি দেখে নিবে কে সেই বিশ্বাসঘাতক। ক্যাপ্টেন এবার উওেজিত হয়ে বলল তারপর বিশ্বাসঘাতকটিকে ক্যাম্পে যাওয়ার আগেই ধরে ফেলবে? উমর বলল না বরং তাকে ক্যাম্পে যেতে দিন। ক্যাপ্টেন বলল কেন যেতে দিবে? আমরা বিকালে অভিজান চালাব তা যদি শএুবাহিনী জেনেই ফেলে তবে বিশ্বাসঘাতক ধরে কী হবে? তথ্য তো তারা পেয়েই যাবে।উমর বলল না ক্যাপ্টেন।আমাদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা বিশ্বাসঘাতক শএুবাহিনীকে খবর দিবে যে আমরা বিকালে অভিজান চালাব।আর তাতে শএুবাহিনীও বিকালে আক্রমনের জন্যে তৈরি হয়ে থাকবে।আমরা বিকালে নয় বরং দুপুরেই আক্রমন করব আর যা তারা কল্পনাও করতে পারবে না। কালই তাদের শেষ দিন হবে ইনশাল্লাহ আল্লাহ যদি চান তবে।ক্যাপ্টেন চোখে এবার হাসির ঝিলিক নিয়ে বলল মাশাল্লাহ সাহসী আমার।খুবই সুন্দর পরিকল্পনা করেছ এক ঢিলে দুই পাখি মারা হবে। ইনশাল্লাহ কালই তাদের শেষ দিনই হবে। ক্যাপ্টেন বলল তাহলে যাও আমাদের গোয়েন্দা বিভাগ থেকে পাঠিয়ে দাও একজনকে।ঠিক আছে ক্যাপ্টেন এই বলে উমরের প্রস্হান।তার যাওয়ার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ক্যাপ্টেন।আর ভাবছে এমন সাহসী আর বুদ্ধি দ্রীপ্ত ছেলে যদি আর কয়েকজন থাকত তবে পৃথিবীতে কোন অত্যাচারি,জালিম বেচে থাকত না।এবার উমর উবাইদার তাবুর সামনে দাড়িয়ে বলছে ভিতরে আসতে পারি উবাইদা? উবাইদা বলল কমান্ডার! অবশ্যই ভিতরে আসেন।ভিতরে যেয়েই উমর বলল শুন আমি তুমাকে একটা দায়িত্ব দিতে চাই যদিও তুমি গোয়েন্দা টিমের প্রধান।কিন্তুু এই দায়িত্বটা এতোই গুরুত্বপূর্ন যে আমি চাই তুমি নিজেই এই কাজটি কর।উবাইদা হাসিমুখে বলল অবশ্যই কমান্ডার।আপনার জন্যে সর্বদা জীবন দিতেও রাজি।উমর বলল না উবাইদা জীবন শুধুমাএ আল্লাহর জন্যে উৎসর্গিত। হ্যা যা বলছিলাম।এরপর কাল কোথায় কোনসময় কিভাবে উপস্হিত হতে হবে কমান্ডার তা বুঝিয়ে দিয়ে চলে আসল। অনেক রাত হয়েছে এবার তার নিজের তাবুতে ফিরবার সময় হয়েছে।ঐখানে তার ভাইয়ের মতো বন্ধুরা অপেক্ষা করছে।নিজের তাবুতে প্রবেশ করার সাথে সাথেই একজন বলল আরে কমান্ডার সাহেব যে রাস্তা মনে হয় ভুল করলেন? উমর হেসে বলল দেখ ভাই ওয়ালিদ মজা করো না একদম প্রচুর রাত হয়েছে এখন।তখনি আবু ওয়াক্কাস বলল মজা কী? কমান্ডার মানুষ কওো চিন্তা রাস্তা তো ভুল হতেই পারে।ছোটবেলা থেকেই এরা তিন বন্ধু।আর আজ এরা তিনজনেই কিছু লক্ষ্য আর উদ্দেশ্যের জন্যে একই পথের পথিক হয়েছে। উমর এবার হাসিমাখানো বলল ভাইয়েরা তোমাদের জন্যে সুখবর আছে একটা।কাল আমরা যুদ্ধে যাচ্ছি।একথা শুনে তারা দুজনেই একে অপরকে জড়িয়ে ধরে বলল আলহামদুলিল্লাহ সত্যি বলছ তো ভাই।অনেকদিন ধরে যুদ্ধ করা হয়না রাইফেল গুলোও মনে হয় জং ধরে আছে।উমর বলল হ্যা ভাই একদম সত্যি বলছি।তারা তিনজনেই এবার খুশিতে না চাইতেও জুরে হাসি দেওয়া শুরু করল।ঠিক তখনই উমর বলল থাম ভাইয়েরা এখন অনেক রাত সবাই জেগে যাবে তো। এবার চারিদিকে স্তব্দতা বিরাজ করছে। পাখির কিচিরমিচির শব্দও নেই।দূর থেকে মাঝে মাঝে কীসব অদ্ভুদ আওয়াজ এসে এই নিরবতা একটু পর পর ভেঙে যায়।সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে।নীরবে একাকি কমান্ডার ভাবছে কবে আমরা লক্ষ্যয় পৌছাব। কখন আর একটা মানুষও নির্যাতিত হবে না। হে আল্লাহ এ পথেই তুমি আমাকে মৃত্যেু দিও।আর যতদিন বেচে আছি ততদিন যেন এ শির তুমাকে ছাড়া অন্যকারও সামনে নত না হয়।শএুর সামনে আমাকে লজ্জিত করো না।আমাকে তুমি একা ছেড়ে দিও না।তুমি তো জান আমি কোনপ্রকার গৌরব বা স্বার্থর জন্যে যুদ্ধ করি না। আল্লাহ তুমি আমার সহ সকল ভাইদের সহায় হও।যেন আমরা জালিমদের বিরুদ্ধে কঠিন হতে পারি।আর অসহায়দের প্রতি সদয় হতে পারি।এসব ভাবতে ভাবতে কমান্ডারের দু-চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে গেল। কালকে তাকে অনেক কাজ করতে হবে।কালকের দিনটা খুবই ভালো হবে।বিশ্বাসঘাতক ধরা পড়বে শএুবাহিনীর উপর আক্রমন করা হবে।এসব ভাবতে ভাবতে কমান্ডারের দু-চোখও বন্ধ হয়ে গেল। বি.দ্র:: এটা আমি পর্বভিওিক ভাবে লিখতে চেষ্টা করব।কেউ সিরিয়াসলি নিবেন না দয়া করে কারন এটা সম্পূর্ন কল্পনা থেকে সাজানো।আর একটা পর্ব পড়ে ভালো না লাগলে কেউ বাজে কমেন্ট করবেন না।শেষ পর্যন্ত আশা করি ভালো লাগবে। ''"''চলবে ইনশাল্লাহ""""


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৪৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ~স্টপ পর্ণোগ্রাফি(অন্ধকার জগৎ থেকে বের হয়ে আসুন আলের পথে)।
→ ~বাড়ি থেকে পালিয়ে-শিবরাম চক্রবর্তী(বুক রিভিউ)
→ গল্প থেকে শিক্ষা: শিকারি ও বুদ্ধিমান পাখি
→ সীরাহ কেন পড়া উচিৎ? মুহাম্মাদ (সাঃ), সবদিক থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ – চতুর্থ পর্ব
→ জাহান্নাম থেকে মুক্তির সহজ উপায়
→ তোর থেকে তোর বাবা ভালো
→ ~শূন্যস্থান হতে স্রষ্টার দূরত্ব কত?
→ আমি মেরাজ থেকে এসেছি
→ শূন্য থেকে শুরু
→ ~ আমার আম্মুর কাছ থেকে!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...