গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

শয়তানের ফুল - ৩

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ আনিছুর রহমান লিখন (৪৩৪৪ পয়েন্ট)



লেখকঃ জিৎ দত্ত, বড় গল্প, কল্পবিজ্ঞান গল্প, চতুর্থ বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, পূজাবার্ষিকী। ****************★***************** পরশু অবিনাশদার জন্মদিন ছিল। অফিস থেকে সরাসরি গেছিলাম অবিনাশদার বাড়ি। অবিনাশদা চকোলেট কেক পছন্দ করে বলে একটা ভাল দেখে চকোলেট কেক পার্সেল করে নিয়ে গেছিলাম। এই ক’দিনে আমার হাতের ঘা টা একটু শুকিয়েছে, যদিও এর জন্য আমায় টিটেনাস নিতে হয়েছে। সেদিনের ওই পোকাটার ব্যাপারে এখনও কিছুই বুঝে উঠতে পারিনি। বেল বাজাতেই রামহরিদা তাড়াতাড়ি কোনও রকমে আমার জন্য দরজা খুলে চা নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উপরে ছুটল। জিজ্ঞেস করলাম, অবিনাশদা কোথায়? রামহরিদা বলল, সে নাকি আজ দু’দিন হল নিজের ল্যাব থেকেই বেরোয়নি, সারাদিন নাকি ওখানেই পড়ে আছে। ওখানেই খাচ্ছে, ওখানেই ঘুমোচ্ছে, দু’দিন থেকে নাকি ইউনিভার্সিটিও যাচ্ছে না। রামহরিদা এখন ল্যাবে ওর চা দিতে যাচ্ছে। বুঝলাম ব্যাপারটা বেশ সিরিয়াস, অবিনাশদা নিজের গবেষণার ডুবে আছে, এমন সময় ওকে ডিস্টার্ব করা ঠিক হবে কিনা ভেবে পেলাম না। ওর ল্যাবে সরাসরি চলে যাব কিনা এই নিয়ে দোনোমনো করছি, এমন সময় রামহরিদাই বললো,“তুমিও এসো না, দাদাবাবু তোমাকে দেখলে খুশিই হবে।’’ রামহরি দার কথায় ভরসা পেয়ে সরাসরি অবিনাশদার ল্যাবে চলে গেলাম। ওর ল্যাবটা দোতলার একটা ঘরে। আমি এর আগেও অনেকবার গিয়েছি তাই ঘরটা আমার চেনা। সামনে গিয়ে দেখলাম ল্যাবের দরজা ভেজানো। হালকা ধাক্কা দিতেই খুলে গেল,আর খুলে যেতেই আবার সেই একটা পচা উৎকট গন্ধ আমার নাকে এসে ঠেকলো। গন্ধটা অনেকটা ঘেমো মোজা বা জুতো থেকে যেমন গন্ধ আসে তেমন। তবে এর তীব্রতা অনেক বেশি। দেখলাম অবিনাশদা দরজার দিকে পিঠ করে টেবিলের উপর ঝুঁকে পড়ে কী একটা দেখছে বা লিখছে। রামহরিদা পিছনে চা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দু’জনেই এই গন্ধের মধ্যেও কী ভাবে রয়েছে বুঝে পেলাম না। আমি নাকে রুমাল দিয়ে খুব আস্তে আস্তে অবিনাশদার পিছনে গিয়ে দাঁড়ালাম। অবিনাশদা পেছনের দিকে না তাকিয়েই বলল,“ রামহরিদা, এখন যাও, এখন আর চা খাব না।’’ আমি বললাম, “চা ছাড়ো, এখন তো কেক কাটার টাইম।’’ অবিনাশদাআমার গলার আওয়াজ পেয়ে পিছনে ফিরল, “আরে পুলু তুই, কখন এলি?’’ আমি অবাক হয়ে অবিনাশদা কে দেখছিলাম। এই ক’দিনে কি অবস্থা হয়েছে ওর। আগের থেকে যেন একটু মোটা হয়ে গেছে, মুখ ভর্তি গোঁফ দাঁড়ির জঙ্গল, চোখ দুটো কি অস্বাভাবিক রকম টানা টানা লাগছে, সম্ভবত অনেকদিন না ঘুমানোর ফলে। আমি বলেই ফেললাম, “তোমার এ কী অবস্থা হয়েছে অবিনাশদা? কতদিন স্নান করো না? মনে তো হচ্ছে ভালো করে ঘুমোওনি কতদিন। আর সবথেকে বড় কথা এই গন্ধের মধ্যে বসে আছ কি করে?’’ অবিনাশদা একটু অবাক হয়ে বলল, “গন্ধ! কই আমি তো তেমন কোনও গন্ধ পাচ্ছি না। রামহরিদা তুমি কোনও গন্ধ পাচ্ছ?’’ রামহরিদা ঘাড় নাড়ল, “না দাদাবাবু, আমিও তো তেমন কিছু পাচ্ছি না।’’ —তোমরা অনেকক্ষণ থেকে আছ বলে গন্ধটা তোমাদের নাকে সয়ে গেছে হয়তো। কিন্তু বাপরে কী উৎকট গন্ধ। —তা হবে হয়তো, আসলে ল্যাবে নানা রকমের জিনিস থাকে তো, গন্ধ লাগতেই পারে। আচ্ছা দাঁড়া দেখি। অবিনাশদা একটা আলমারি থেকে একটা রুম ফ্রেশনার বের করে ঘরের ভেতরে স্প্রে করে দিলো। তাতে গন্ধটা একটু কমল, কিন্তু পুরোপুরি গেল না। আমি রামহরিদাকে বললাম, “তোমার দাদাবাবু যখন খাবে না, চা টা তখন তুমি নয় আমাকেই দাও রামহরিদা।’’ রামহরিদা হেসে, চা-টা আমাকে ধরিয়ে দিয়ে নীচে চলে গেল। রুম ফ্রেশনারের বোতলটা রেখে অবিনাশদা আমায় জিজ্ঞেস করল, “তারপর? তুই এই সময়? অফিস থেকে সরাসরি মনে হচ্ছে। তা কী ব্যাপার?’’ —কী ব্যাপার মানে? হ্যাপি বার্থডে। তুমি তো দেখছি টোটাল ভুলে মেরে দিয়েছ। কী এমন গবেষণা করছ শুনি? —ও হ্যাঁ তাইতো, আমার সত্যিই মনে ছিল না রে। আসলেই ওই ফুলটা নিয়েই গবেষণা করছিলাম। কী আশ্চর্য ফুল মাইরি! জিনিসটা সম্বন্ধে যতই জানছি ততই আশ্চর্য লাগছে জানিস। তুই জানিস, ওই ফুলগুলো গাছ থেকে ছিঁড়ে দিলেও এক সপ্তাহ ধরে তাজা থাকে, এমনকী ছেঁড়া অবস্থাতেও ফুল থেকে ফলে পরিণত হতে পারে। —তাই নাকি! আশ্চর্য তো! এরকম আবার হয় নাকি? আচ্ছা তোমার গবেষণার বাকি কথা পরে শুনবো, তুমি আগে ফ্রেশ হয়ে নীচে এসো তো। আমি কেক এনেছি, আগে কেক কাটবে চলো। —তুই কেন এসব পাগলামি করিস বল তো? —বেশ করি, তুমি নীচে চলো। আমি কথা বলতে বলতে টেবিলে রাখা একটা কাচের বোতল হাতে তুলে নিয়েছিলাম। অবিনাশদা এক প্রকার ছোঁ মেরে আমার হাত থেকে বোতলটা ছিনিয়ে নিয়ে বলল,“এতে হাত দিস না। এটা ফ্লুরোঅ্যান্টিমনিক অ্যাসিডের বোতল, খুব বিষাক্ত,হাতে লাগলে হাত ঝলসে যাবে। এই অ্যাসিড যেকোনও জিনিসকে এক মিনিটে নষ্ট করে দিতে পারে। সুতরাং এটায় হাত দিস না।’’ —আচ্ছা বাবা, দেব না। কিন্তু তুমি নীচে তো চলো। আমি তো আমার বাড়ি ফিরব নাকি? বোতলটা টেবিলে রেখে দিয়ে অবিনাশদা বলল, “হ্যাঁ চল, তবে আজ আমার বাড়ি থেকেই ডিনার করে যাবি। বাড়িতে ফোন করে বলে দে, আমি রামহরিদা-কে খাবার আনতে পাঠাচ্ছি।’’ সন্ধ্যা আটটার মধ্যে খাবার চলে এল। অবিনাশদাও স্নানটান সেরে বেশ ফ্রেশ হয়ে এসেছে। রামহরিদা আমাদের খাবার দিয়ে দিল। সঙ্গে নিজের জন্য একটা প্লেটে আলাদা করে বিরিয়ানি আর মাংস তুলে নিল। খেতে খেতে অবিনাশদাকে বললাম,“হ্যাঁ, বলো এবার তোমার রিসার্চের ব্যাপারে।’’ মাংসের হাড়ের ভেতর থেকে মজ্জাটা সুড়ুৎ করে টেনে নিয়ে অবিনাশদা বলল, “রিসার্চের ব্যাপারটা বেশ খানিকটা এগিয়েছে বুঝলি। তোকে তো বললামই যে গাছ থেকে ছিঁড়ে নিলেও ফুলটা অনেক দিন বেঁচে থাকে। এর আর একটা বৈশিষ্ট্য হল এই গাছের বৃদ্ধি খুব বেশি। মাত্র কয়েকদিনেই বাগানের গাছটা বেশ ঝাড় হয়ে উঠেছে। ল্যাবের গাছটাকে অবশ্য আমি কেটেকুটে বেশি বাড়তে দিইনি। তবে এই বাড়বৃদ্ধির কারণ আমাজনের ওই উর্বর মাটিও হতে পারে। শেফার্ড আমাকে বলেছিল আমাজনের মাটি ছাড়া নাকি এই গাছ অন্য মাটিতে জন্মাবে না। কিন্তু আমার ল্যাবের গাছটার কাটা টুকরোগুলো আমি যেখানে যেখানে ফেলেছিলাম সেখানেও ওই কাটা টুকরোগুলো থেকে নতুন গাছ জন্মেছে, অর্থাৎ গাছটা অঙ্গজ জননে সক্ষম। এই ব্যাপারটা শেফার্ড মনে হয় জানত না। না হলে ও আমায় বীজ না পাঠিয়ে কাটা গাছের কয়েকটা টুকরো পাঠাত। আর এটা সংগ্রহ করতেও ওকে এত ঝামেলা পোহাতে হত না। আর একটা দোষ বা গুণ আছে বুঝলি? এই গাছটা এর আশপাশের অন্য গাছগুলোকে নষ্ট করে দেয়, মানে এটা একরকমের ন্যাচারাল উইডিসাইট।’’ আমি মুখের খাবারটা গিলে নিয়ে বললাম,“সবই তো বুঝলাম, কিন্তু ‘শয়তানের ফুল’ বলছে কেন?” অবিনাশদা একটা বড় পিস মুখে চালান করে দিয়ে চিবোতে চিবোতে বলল,“এটা খুব ভালো প্রশ্ন করেছিস বুঝলি। আমি ফুলটার কেমিক্যাল অ্যানালাইসিস করিয়েছি। আমি ঠিকই সন্দেহ করেছিলাম, ফুলটার মধ্যে অন্যান্য কেমিক্যালের সঙ্গে সঙ্গে রেডিয়ামও রয়েছে, যে জন্য রাতের অন্ধকারেও ওর হলুদ ছিটেগুলো জ্বলতে থাকে। হলুদ ওই ডটগুলোকে মাইক্রোস্কোপে খুব ভালো করে দেখলে মনে হয় ওগুলো খুব ছোট ছোট ছিদ্র বা পোর। আমার মনে হয় ওই পোরগুলো থেকে খুব হালকা কোনও গ্যাস বের হয় যেটা ফুলটার ওই টকশা মিষ্টি গন্ধের কারণ। তবে সেটা কী গ্যাস আমি জানিনা। তবে একটা জিনিস বুঝতে পেরেছি ওই গ্যাসটার ব্যাপারে।’’ — কী জিনিস? — সেটা এখনই বলব না। আগে নিজে কনফার্ম হই। একটা পেল্লাই ঢেঁকুরের আওয়াজে মুখ তুলে অবিনাশদার দিকে তাকালাম, সে বাবু পরম সুখে মাংসের হাড় চিবোচ্ছে। ঢেঁকুরটা অবিনাশদা তুলল বলে মনে হল না, ওর মুখভর্তি তো খাবার। তাহলে কোথা থেকে এল আওয়াজটা? রামহরিদার দিকে দেখলাম, সেও পরম আনন্দে চিকেন লেগ পিসের সদ্ব্যবহার করতে ব্যস্ত। তাহলে ঢেঁকুর তুলল কে? প্রসঙ্গ অন্যদিকে ঘোরাতে বললাম, “তা অবিনাশদা সেই মাপিংগুয়ারির ব্যাপারে আর কিছু জানাল তোমার ওই শেফার্ড? যাই বল ওটা কিন্তু আমার হেব্বি ইন্টারেস্টিং লেগেছে।’’ অবিনাশদা কেমন যেন হকচকিয়ে গেল, তারপর সামলে নিয়ে বলল, “আরে না না, সে নিয়ে আর ভাবনার সময় কই। তবে কাল শেফার্ডের একটা চিঠি এসেছে বুঝলি। সেই যে বলেছিলাম না পশ্চিম আমাজনে কোরুবোদের গ্রাম থেকে ক@জন মানুষ জঙ্গলে কাঠ কাটতে গিয়ে হারিয়ে গেছিল, তাদের প্রায় একমাস পরে পাওয়া যায় ওই জঙ্গল থেকে প্রায়দশ মাইল দূরে একটা নদীর ধারে। একটা রেসকিউ টিম ওদের গিয়ে উদ্ধার করে। ওই লোকগুলোর নাকি বিগত এক মাসের স্মৃতি কিছুই মনে নেই। স্থানীয় ডাক্তারদের মতে লোকগুলোর শরীরে কোনও রকমের বিষক্রিয়া হয়েছিল, যা ধীরে ধীরে কেটে যাওয়ায় লোকগুলো সুস্থ হয়ে ওঠে। কিন্তু ওই গ্রামের এক প্রবীণ ওঝা বলে ওই লোকগুলো নাকি সুস্থ হয়েছে ওই নদীর জল খেয়ে। ওই নদীর জলের মধ্যে নাকি বিষ কাটানোর ক্ষমতা রয়েছে। শেফার্ড আমায় আবার এক বোতল ওই নদীর জল পাঠিয়েছে। আমি জলটা পরীক্ষা করে দেখেছি জলটার মধ্যে বিশেষ এক ধরনের প্ল্যাংকটন জন্মায়, যাদের মধ্যে সত্যিই কিছুটা বিষক্রিয়া নষ্ট করার ক্ষমতা আছে। সুতরাং এ ব্যাপারে ওঝা মনে হয় খুব ভুল কিছু বলেনি। দেখি ব্যাপারটা শেফার্ডকে জানাতে হবে।’’ আমার খাওয়া হয়ে গেছিল, উঠে হাত ধুয়ে নিলাম। আমার সঙ্গে সঙ্গে অবিনাশদাও হাত ধুতে উঠে এল। রামহরিদার ও খাওয়া হয়ে গেছে। সেই পেল্লাই ঢেঁকুরের শব্দটা আর একবার শুনলাম, আর এবার স্পষ্ট দেখলাম অবিনাশদার ঠোঁট দুটো বন্ধ ছিল। তাহলে ঢেঁকুরটা তুলল কে? আওয়াজটা তো অবিনাশদার কাছ থেকেই এল বলে মনে হল। ঢেঁকুর তোলা স্বাভাবিক একটা ব্যাপার, কিন্তু তাও যেন কেমন অস্বাভাবিক লাগল, কেন যে লাগল তা জানি না। অনেকক্ষণ ধরে একটা চাপা অস্বস্তি হচ্ছিল, কিন্তু সেটার কারণ কী ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। রাত ন’টা নাগাদ অবিনাশদার বাড়ি থেকে বেরোলাম। অবিনাশদা দরজা পর্যন্ত পৌছে দিয়ে গেল। গেটের কাছ থেকে ওর বাগানের দিকে উঁকি মেরে দেখলাম সত্যিই হলুদ রংগুলো জোনাকির মতো জ্বলে আছে। এই অন্ধকারে বেশ দেখতে লাগছে ফুলগুলো। রাস্তার মোড় থেকে রিকশা পেয়ে গেলাম। রিকশায় বসে ফুলগুলোর কথাই মনে মনে ভাবছিলাম। হঠাৎ ক’টা কথা মনে পড়ায় এতক্ষণ থেকে হওয়া অস্বস্তির কারণটা বুঝতে পারলাম। প্রথমত, সেই পচা গন্ধটা শুধু ল্যাবের এর ভেতরে না, ল্যাবের বাইরেও পাচ্ছিলাম। কিন্তু ততক্ষণে গন্ধটা গা সওয়া হয়ে যাওয়ায় অতটা খেয়াল করিনি, এখনই বাইরের খোলা হাওয়ায় ব্যাপারটা স্পষ্ট অনুভব করতে পারলাম। আর দ্বিতীয় কারণটা যে কী সেটা অনেক চেষ্টা করেও বুঝতে পারলাম না। তবে অস্বাভাবিক কিছু একটা যে ছিল এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৩৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অভিশপ্ত আয়না পর্ব২:-
→ ~দীঘির জলে কার ছায়া গো-হুমায়ূন আহমেদ(বুক রিভিউ)(আমার সবচেয়ে প্রিয় আরও একটা বই)।
→ শ্রদ্ধা-2
→ ~অমুসলিমদের জন্য মক্কা-মদিনায় প্রবেশ নিষিদ্ধ কেন? এতে কী বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব হুমকির মুখে?
→ অবনীল(পর্ব-৬)
→ অভিশপ্ত আয়না পর্ব১:-
→ শেষ বসন্ত-(প্রথম পর্ব)
→ ~দ্বিতীয় মানব-হুমায়ূন আহমেদ(বুক রিভিউ)
→ ~গৌরিপুর জংশন-হুমায়ূন আহমেদ(বুক রিভিউ)
→ ~রূপা-হুমায়ূন আহমেদ(বুক রিভিউ)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...