গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

অবিবাহিতদের জন্য নসিহত

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান AI Omar Faruk (৫ পয়েন্ট)



প্রেমের চেয়ে বড় এডভেঞ্চার আর কিছু হতে পারে না। বাস্তবিকই তাই। একজন ছেলে আর একজন মেয়ে নিজের পরিবারকে ফাঁকি দিয়ে একে অপরের সাথে ফোনে কথা বলছে, লুকিয়ে দেখা করছে, পার্কের সবচেয়ে নির্জন জায়গাটা খুঁজে খুঁজে বের করে সেখানে বসে খুনসুটি করছে, চারপাশে সজাগ দৃষ্টি রেখে খোলা আকাশের নীচে রোমান্স করছে! কত লুকোচুরি, কত চতুরতা! কত বুদ্ধিমত্তা ব্যয় করতে হয় একজন প্রেমিক/প্রেমিকার। এখানেই শেষ না। শুনতে খারাপ লাগলেও এটা সত্যি যে, যিনা করার সময় এক্সট্রিম সতর্কতা অবলম্বন করে যেন কনসিভ না করে। . Believe it or not, সব প্রেমেরই শেষ পরিণতি যিনা। যারা অবৈধ সম্পর্কে জড়িত তাদের মুখেই তাদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে শুনেছি। প্রেম থেকে যিনার দিকে যাওয়া শয়তানের এতটাই সুক্ষ্ম কৌশলে সম্পন্ন হয় যে দুজনের কারও কাছেই এই প্রক্রিয়াকে গুনাহ মনে হয় না। খুব কৌশলে শয়তান পরস্পরকে যিনাতে লিপ্ত করে। প্রেমের প্রথমদিনেই কেউ যিনায় লিপ্ত হয় না। প্রথমে একটু চোখাচোখি, একটু সলাজ হাসি, একটু হাতের স্পর্শ, তারপর তা ক্রমেই বাড়তে থাকে চূড়ান্ত যিনার দিকে। . যে মেয়েটা কখনো গায়রে মাহরামের সামনে যায় না, তার জন্য পরপুরুষের সাথে পর্দার আড়াল থেকে কথা বলাও খুব অস্বস্তিকর ব্যাপার, যে গায়রে মাহরামের সাথে কথা বলে,দেখা করে,বন্ধু ভাবে, সে এটা ভেবে নিজেকে অন্যদের চেয়ে ভাল মনেকরে যে, অন্যদের মত সে প্রেম তো আর করছে না। যে মেয়েটা প্রেম করে, সে এটা ভেবে নিজেকে অন্যদের থেকে ভাল ভাবে যে, প্রেম করলেও অন্যদের মত যিনা তো করেনি! And at last! যে যিনা করে অভ্যস্ত, সে এটা ভেবে অন্যদের চেয়ে নিজেকে ভাল ভাবে যে এবরশনের মত জঘন্য কাজ তো আর তাকে দিয়ে হয়নি! . এটাই শয়তানের কৌশল। শয়তান এত সুক্ষ্মভাবে এই প্রক্রিয়া গুলো সম্পন্ন করে যে ভিক্টিমস নিজেকে তারচেয়েও ভয়ঙ্কর গুনাহে লিপ্ত কারোও সাথে তুলনা করে, এবং নিজেকে ওর চেয়ে ভাল মনে করে প্রফুল্ল হয়। . ইসলাম এমন এক ধর্ম যা সর্বপ্রথম নারীকে তার প্রাপ্য সম্মান দিয়েছে। পরপুরুষের প্রেমে প্রলুব্ধ হয়ে নারী যাতে লাঞ্ছিত না হয় সে জন্য আল্লাহ নারী পুরুষ উভয়ের জন্য পর্দা ফরজ করেছেন। প্রেম করলে শয়তান অবশ্যই যিনা করতে প্রলুব্ধ করবে। সেজন্যই ইসলামে বিয়ের আগে প্রেম করা হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। . Wait... Wait... কুরআনে কোথায় বলা আছে প্রেম নিষেধ? কোথায় আছে প্রেম হারাম? . প্রেমিক/প্রেমিকাদের কমন প্রশ্ন। প্রশ্নটা তারা এমন দৃঢ়তার সাথে করে, মনেহয় যেন পুরো কুরআন তাদের অর্থসহ আত্মস্থ! কুরআনে বলা হয়েছে গায়রে মাহরাম দেখলে দৃষ্টি নীচু ও সংযত রাখতে হবে, কোমল ভাবে কথা বলা যাবে না, লজ্জা স্থান হিফাজত করতে হবে, পর্দা করতে হবে, সূরা মায়িদাতে বলা হয়েছে গোপন প্রেমলীলা নিষেধ, সেখানে বিবাহ পূর্ব প্রেম বৈধ হতে পারে কি করে? . পবিত্র কুরআনে কিছু ব্যাপারে সরাসরি নির্দেশ এসেছে, আর কিছু নির্দেশের ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে যা আমরা হাদিস থেকে বিস্তারিত জানতে পারি। প্রেম বা প্রণয় যাই বলি না কেন! এ ব্যাপারে কুরআনে বলা হয়েছে, . - "তোমাদের জন্যে হালাল সতী-সাধ্বী মুসলমান নারী এবং তাদের সতী-সাধ্বী নারী, যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তোমাদের পূর্বে, যখন তোমরা তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর তাদেরকে স্ত্রী করার জন্যে, কামবাসনা চরিতার্থ করার জন্যে কিংবা গুপ্ত প্রেমে লিপ্ত হওয়ার জন্যে নয়।" (সূরা মায়িদা : ৫) . আমরা দেখতেই পাচ্ছি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা এখানে ইঙ্গিত নয় বরং সরাসরি বলেছেন পুরুষের জৈবিক চাহিদার জন্য নারীকে স্ত্রী হিসেবে হালাল করা হয়েছে, গোপন প্রেমে লিপ্ত হওয়ার জন্য নয়। . মহান আল্লাহ বলেন, তোমরা যিনার ধারেকাছেও যেও না, ওটা অত্যন্ত খারাপ কাজ এবং খুবই জঘন্য পথ।' (সূরা ইসরা:৩২) . যিনার ধারে কাছে যাওয়া বলতে কি বুঝায়? গায়রে মাহরামের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করা, ফ্রিলি কথা বলা, ভাই/বোন/বন্ধুর মত সম্পর্ক তৈরি করা, ভালবাসার সম্পর্ক তৈরি করা, নিভৃতে একত্রিত হওয়া ইত্যাদি যিনার প্রাথমিক স্টেজ। এগুলোর ধারে কাছে যেতেই নিষেধ করা হয়েছে। কারন ইসলাম জানে এসবের শেষ পরিণতি নিশ্চিতভাবে যিনা। . . দুনিয়াতে যিনার শাস্তি:- . শারিয়্যাতে যিনার দু'ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে। ১. অবিবাহিতদের যিনা:- এক্ষেত্রে দুজন অবিবাহিত নারী-পুরুষের যৌনসম্পর্ক হলে শারিয়্যাহ আইনে দুজনকেই ১০০ বেত্রাঘাত করতে হবে এবং উভয়ের তওবা করতে হবে। ****** “ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণী উভয়কে এক’শ ঘা করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকরী করবে এদের প্রতি দয়া যেন তোমাদের অভিভূত না করে। যদি তোমরা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী হয়ে থাক। ঈমানদারদের একটি দল যেন এদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।” (সূরা আন নূর ২৪:২) ২. বিবাহিতদের যিনা(পরকিয়া):- দুজন নারী পুরুষের মধ্যে যে অবিবাহিত তাকে ১০০ বেত্রাঘাত করতে হবে। আর দুজনের মধ্যে যে বিবাহিত তাকে শারিয়্যাহর আইন মাফিক পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। আর যদি দুজনেই বিবাহিত হয় তবে দুজনকেই পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। যাতে করে সে তার কুকর্মের উপযুক্ত ফলাফল ভোগ করতে পারে আর হারাম কাজে তার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেমন করে মজা উপভোগ করেছিল, এখন তেমনি করে ঠিক তার উল্টা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভোগ করবে। এ মৃত্যুদণ্ডেও যদি তাদের পাপের পূর্ণ প্রায়শ্চিত্ত না হয় এবং তারা উভয়েই তওবা না করে মারা যায় তাহলে তাদেরকে জাহান্নামের আগুনে শাস্তি দেয়া হবে। : : যিনাকারীর পরকালীন শাস্তি:- . যিনাকারীর পরকালীন শাস্তি সম্পর্কে হাদীসে এসেছে; ****** “যিনারাকীরা উলংগ অবস্থায় এমন এক চুলার মধ্যে থাকবে যার অগ্রভাগ হবে অত্যন্ত সংকীর্ণ আর নিম্নভাগ হবে প্রশস্ত উহার তলদেশে অগ্নি প্রজ্বলিত থাকবে তাদেরকে তাতে দগ্ধ করা হবে। তারা মাঝে মধ্যে সেখান থেকে বের হয়ে যাওয়ার কাছাকাছি অবস্থায় পৌছে যাবে; অত:পর আগুন যখন স্তমিত হয়ে যাবে তখন তাতে তারা আবার ফিরে যাবে। আর তাদের সাথে এই আচারণ কেয়ামত পর্যন্ত করা হবে।” (বুখারী) জাহান্নামে যিনাকারীর আরও কি কি শাস্তি হবে তা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাই ভাল জানেন । : : দেখুন! আল্লাহ আপনার একটা মন দিয়েছেন। আবেগী মন। আপনার মনে অনুভূতি আসবেই। একাকিত্ব আপনাকে প্রতি মুহূর্তে যন্ত্রণা দিবে। একজন সঙ্গীর জন্য আপনি উতলা হবেন। এটাই স্বতঃসিদ্ধ নিয়ম। আপনার মনকে এভাবেই তৈরী করা হয়েছে। জান্নাতের প্রাচুর্যতায় থেকেও আমাদের আদি পিতা আদম (আ) একজন সঙ্গীর অভাববোধ করেছিলেন। আপনার মনের আকুতি বুঝেই ইসলাম আপনার জন্য বিয়েকে হালাল করেছে। . ইসলামের বিধান হল, বালেগ ছেলে-মেয়েদের যত দ্রুত সম্ভব বিয়ের ব্যবস্থা করা। এটাই রাসূল (সা) এর নির্দেশ। বালেগ হওয়া মাত্র বিয়ে করলে ফিতনা থেকে দূরে থাকা অনেক সহজ হয়ে যায়।তাছাড়া বিয়ে তো দ্বীনের অর্ধেক। অর্ধেক দ্বীন যখন পূর্ণ হবে তখন বাকিটুকুও পূর্ণ করা খুব সহজ হয়ে যাবে। . আপনার যদি কোন পছন্দ না থাকে তবে পরিবারকে বিয়ের দায়িত্ব দিন। আর আপনার যদি কোন পছন্দ থাকে তবে দেরি না করে পরিবারে বলুন। এই বয়সেই বিয়ের কথা কিভাবে বলবেন! এই লজ্জার ভয় না করে আপনি এটা ভাবুন বিয়ে একটা ইবাদাত। আপনি একটা ইবাদাত করার নিয়াত করেছেন। . আপনি যদি দূর্বল হৃদয়ের অধিকারী হয়ে থাকেন, বিপরীত জেন্ডারের প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণ অনুভব করেন তবে বিয়ে আপনার জন্য ওয়াজিব। আপনি জানেন শয়তানের ধোঁকা কত সুক্ষ্ম, আপনি জানেন প্রেম হারাম, আপনি জানেন যিনার দুনিয়া ও আখিরাতের শাস্তি। আপনি যদি নিজেকে কন্ট্রোল করতে না পারেন, যদি গুনাহের দিকে মন টানে তবে গুনাহ থেকে বাঁচতে আপনাকে বিয়ের ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। লজ্জা কাটিয়ে বাবা-মা কে বিয়ের ব্যাপারে বলতে হবে, তারা রাজি না হলে, রাজি করানোর জন্য চেষ্টা করতে হবে। আপনি যদি গুনাহে লিপ্ত হোন তবে আপনি নিজে তো শাস্তি পাবেনই, ????আপনার পিতা-মাতাকেও শাস্তি দেয়া হবে আপনাকে সময়মত বিয়ে না দেয়ার জন্য। আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। ইন শা আল্লাহ! তখন আল্লাহ আপনার পিতা-মাতার মনকে নরম করে দেবেন। . আপনি যদি কাউকে পছন্দ করেন আর সে যদি দ্বীনদার হয়, তার যদি তাকওয়া থাকে তবে তাকেই বিয়ের জন্য প্রাধান্য দিন। কেননা হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন,‘যদি এমন কেউ তোমাদের বিয়ের প্রস্তাব দেয় যার ধার্মিকতা ও চরিত্রে তোমরা সন্তুষ্ট তবে তোমরা তার সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দেবে। যদি তা না করো তবে পৃথিবীতে ব্যাপক অরাজকতা সৃষ্টি হবে।’ (তিরমিযী) . তবে সে যদি ঈমানদার ও সচ্চরিত্রের না হয়, তবে তাকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করুন। মনে তার চিন্তা আসলে, 'আসতাগফিরুল্লাহ' বলে অন্য কোন ভাল কাজে মনোনিবেশ করুন। ইসলামিক বই পড়ুন, কুরআন সহিহভাবে পড়তে শিখুন, অর্থসহ কুরআন পড়ুন, কুরআনের তিলাওয়াত শুনুন, খারাপ সঙ্গ থেকে সরে আসুন। আর অবশ্যই আল্লাহর কাছে আশ্রয় চান। তার কথা কখনোই ভাববেন না, কিংবা স্মৃতির রাজ্যে ডুবে যাবেন না। . আপনার যদি এখনই বিয়ে করা কোনভাবেই সম্ভব না হয়, তবে রোযা রাখুন। কামভাব দূর করার জন্য রোযার বিকল্প কিছু নেই এমনকি এটা হাদিসেও বলা হয়েছে। . “যারা মুমিন, তাদের জন্যে কী আল্লাহর স্মরণে এবং যে সত্য (কুরআন) অবর্তীর্ণ হয়েছে, তার কারণে হৃদয় বিগলিত হওয়ার সময় আসেনি?” [সূরা হাদিদঃ ১৬ ]???? সংগৃহীত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মুসলীমরা বলে কোরআনের আলোকে দেশ চালাতে,এটা অমুসলীমদের জন্যও কীভাবে কল্যান বয়ে আনবে?মানুষ তার ইচ্ছামত চালাবে স্রষ্টার বানী কেন গ্রহন করবে?
→ "এখনও আমি অপেখা করছি তোমার জন্য!!!!" পর্ব-২
→ "এখনও আমি অপেক্ষা করছি তোমার জন্য!!!" পর্ব-১
→ ~অমুসলিমদের জন্য মক্কা-মদিনায় প্রবেশ নিষিদ্ধ কেন? এতে কী বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব হুমকির মুখে?
→ উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) এর একটি ঘটনা এবং আমাদের জন্যে শিক্ষা
→ সীরাহ কেন পড়া উচিৎ? রাসূল (সাঃ)-আপনার জন্য সর্বোত্তম আদর্শ – দ্বিতীয় পর্ব
→ আল্লাহ যা করে ভালোর জন্যই করে।
→ ~ পর্দা করা এত জরুরী কেন? ইসলামে পর্দা কি শুধু মহিলাদের জন্য নাকি পুরুষ-মহিলা উভয়ের জন্যে??
→ কোন শাসনব্যবস্হা মুসলীম তথা সমগ্র জাতির জন্যে কল্যান বয়ে আনতে পারে?

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...