গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

গণমাধ্যম সম্পর্কে আরো একটু...!

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান AI Omar Faruk (৫ পয়েন্ট)



দেশের টিভি চ্যানেল ও সংবাদপত্র কতোটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে তা নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই তুলে ধরতে চাই। আমি ভেবেছিলাম কথাগুলো আরও পরে প্রকাশ করবো, কিন্তু এই কথাগুলো নিজের মধ্যে বেশিদিন চেপে ধরে রাখতে পারছি না। মিডিয়ার স্বাধীনতার ও মানুষের বাকস্বাধীনতা সম্পর্কে সকলের জানা দরকার। ঘটনা ১: ডাকসু নির্বাচনের ৩ দিন আগে দেশের সনামধন্য একটি টিভি চ্যানেল টিএসিতে ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের নিয়ে ওপেন বিতর্কের আয়োজন করেছিলো। সেখানে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। আমি যথাসময়ে টিএসসিতে এসে হাজির হই । মঞ্চ,স্টেজ সবকিছু রেডি। লাইভ প্রোগ্রাম হওয়ার কথা ছিলো ১২ টায়, কিন্তু ১২ টা পার হয়ে গেলেও প্রোগ্রাম শুরু হলো না। আমি আয়োজকদের জিগ্যেস করলাম ১২ টা তো বেজে গেছে, এখনো শুরু করছেন না যে? তারা বললেন, প্রোগ্রামটা ১২ টায় করা সম্ভব হচ্ছে না, দুপুর ২.০০ টায় শুরু হবে। এরপর আমাকে যে সাংবাদিক ইনভাইট করেছিলো, আমি তাকে বিষয়টা বলি। তিনি বলেন, ১২ টায় শুরু করতে না পেরে দুঃখিত। আপনি ২ টার সময় আসুন। ২ টার একটু আগে আমার ফোনে কল আসে। আয়োজকদের পক্ষে থেকে জানানো হয়, টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে আজকে প্রোগ্রামটি স্থগিত করা হয়েছে। আমি আবার সাংবাদিককে কল করি। তিনি বলেন, রাশেদ কি করবো বলেন? ডাকসু নির্বাচনে আপনি জিএস পদে নির্বাচন করছেন। শুধু আপনাকে ইনভাইট করার কারণে উপর থেকে চাপ দিচ্ছে (যারা মিডিয়াকে সবসময় চাপ দেয় ), আর ছাত্রলীগ থেকেও বলা হয়েছে, আপনি থাকলে জিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী রাব্বানী আসবে না এবং ছাত্রলীগও প্রোগ্রাম করতে দিবে না। এটা নিয়ে অনেক ঝামেলা হচ্ছে। আমি দুঃখিত, রাশেদ। ২ দিন পর এই প্রোগ্রাম পরবর্তীতে অপরাজেয় বাংলার সামনে বটতলাতে হয়েছিলো আমাকে বাদ রেখেই। আমি থাকলে সমস্যা কি হতো? কিছু হতো না, আমি তাদের কুকীর্তি তুলে ধরতাম, ছাত্রদের উপর নির্যাতনের বর্ণনা তুলে ধরতাম, কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে হেলমেট ও হাতুড়ি বাহিনীর তাণ্ডব তুলে ধরতাম, এটাই মূল সমস্যা। আওয়ামীলীগ যেমন মূল বিরোধীদলকে বাদ রেখে জাতীয় পার্টিকে বিরোধীদল বানিয়ে দেশ চালাচ্ছে। ডাকসু নির্বাচনেও ঠিক তেমন চিন্তাভাবনা ছিলো। মূল প্রতিদ্বন্দ্বীদের বাইরে রেখে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিয়ে ওপেন বিতর্ক করা ছিলো তাদের লক্ষ্য। ঘটনা একটু খুলে বলি। ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে আমার অবস্থান সম্পর্কে কিছু বলবো না। শুধু বলবো, আমি অংশগ্রহণ করার কারণে গোলাম রাব্বানী সাহেবের সহজ জয়টা অনেক কঠিন হয়ে গিয়েছিলো। যেটা নিয়ে তিনি খুব টেনশনে ছিলেন। এই টেনশন থেকে তিনি মিডিয়াকে তার পক্ষে প্রচারণার কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন। এজন্যই তিনি টাকাপয়সাও খরচ করেছিলেন। সাংবাদিকদের নিজের পক্ষে প্রচারণার কাজে লাগাতে তিনি সাবেক এক সাংবাদিক নেতাকে লাখ টাকা দিয়েছিলেন। এই নেতার মাধ্যমে তিনি সাংবাদিকদের হাত করতে চেয়েছিলেন। পরবর্তীতে অর্থ লেনদেনের বিষয়টা ফাঁস হলে সাবেক এই নেতা বর্তমান সাংবাদিকদের দ্বারা অবাঞ্চিত ঘোষিত হয়। ঘটনা ২: জাতীয় নির্বাচনের আগে " তারুণ্য ইশতেহার ভাবনা" নিয়ে কথা বলতে একটা টেলিভিশন চ্যানেলের টকশো অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক আমাকে ইনভাইট করে। চ্যানেলের মালিক আমার নাম দেখে থমকে ওঠে। তিনি বলেন, উপর থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে, তাকে যেন মিডিয়া ফোকাস না করা হয় এবং টকশোগুলোতে না ডাকা হয়। সাংবাদিক তখন আয়োজক ও মালিককে বলেন, রাশেদ ভাই তো চলে এসেছেন। তাকে অনুষ্ঠানে না রেখে ফিরিয়ে দিলে অপমানিত করা হবে। পরবর্তীতে অনেক কথা কাটাকাটির পরে আমাকে অনুষ্ঠানে রাখবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। তবে শর্ত জুড়ে দেওয়া হয় যে, সরকার বিরোধী কথা বলা যাবে না। টিভি চ্যানেল ও সংবাদপত্রের মালিকেরা কোটি কোটি টাকা খরচ করে মিডিয়া হাউজ খুলেছে। শত শত সাংবাদিকরা মিডিয়া হাউজে কাজ করছে। মিডিয়া হাউজের মালিকের ভয় থাকে যে, যদি সরকার তার টিভি চ্যানেল বা সংবাদপত্র বন্ধ করে দেয়, তখন শতশত সাংবাদিকের চাকরি যাবে, সমস্ত ইনভেস্টমেন্ট জলে যাবে। বাংলাদেশে তো টিভি চ্যানেল ও সংবাদপত্র বন্ধ করা নতুন কিছু না। এই বন্ধ হওয়ার ভয় থেকেই সাংবাদিক ও মিডিয়ার মালিক যা চায় তা প্রচার করতে পারেনা, স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনা। আর যেকারণেই রাতের টকশোগুলোতে আজ আর আসিফ নজরুল স্যারদের মতো মানুষদের দেখা যায় না। সমালোচক হিসেবে এমন এমন লোকদের হাজির করা হয়, যাদের ভূমিকা সরকার বিরোধী হিসেবে ঠিক জাতীয় পার্টির মতো।। দেশের গণমাধ্যমের উপর এই নগ্ন হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া যায় না। #মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ " আমরা সঠিক পথেই রয়েছি, অতঃপর শিরক " - এ সম্পর্কে আল্লাহ তাআ'লা নবীজি (সাঃ)-কে কি বলতে বলেছিল?
→ ❄️হালাল উপায়ে উপার্জন সম্পর্কে যা বলেছেন বিশ্বনবী সাঃ❄️
→ সৃষ্ঠিকর্তাকে কে সৃষ্ঠি করেছেন? আল্লাহ সম্পর্কে কিছু বিভ্রান্তিকর প্রশ্নে এবং এর উত্তর
→ ঈসা (আ.) সম্পর্কে মুসলমানদের বিশ্বাস
→ আরোহীর অবসাদ
→ " স্টুপিড ও মায়াবতির গল্প" A Romantic Musical Story of Love-(আর এভাবেই রচিত হয়েছে আরো একটি বিরহের প্রেমকাহিনী)
→ সেদিন আল্লাহই মানুষের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন
→ তাজমহল সম্পর্কে অজানা কিছু রহস্য,
→ জান্নাত সম্পর্কে মহানবী (স:) এর ৪০ টি কথা।

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...