গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

কোন শাসনব্যবস্হা মুসলীম তথা সমগ্র জাতির জন্যে কল্যান বয়ে আনতে পারে?

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান M.H.H.RONI (৩০২ পয়েন্ট)



মানুষের দলবদ্ধ হয়ে বসবাসকে কেন্দ্র করে আর তাদের উপরে কর্তৃত্ব স্হাপন করার তাগিতেই ঘরে উঠেছে বিভিন্ন প্রকার শাসন ব্যবস্হা।যুগ যুগ ধরে এটা চলে আসছে।কালের পরিক্রমায় বর্তমানে পৃথিবীর অনেক জায়গায় গনতান্এীক শাসনব্যবস্হা বিদ্যমান সেই সাথে আমাদের বাংলাদেশেও। এখন প্রশ্ন হলো কোন শাসনব্যস্হায় মুসলীমরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হতে পারে? আমরা যদি পিছনে ফিরে তাকাই ৬৬১-৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত হযরত মুয়াবিয়া রা. থেকে সূচিত উমাইয়া খিলাফত সারা বিশ্বের মুসলীম উম্মাহর ছায়া হিসাবে অবস্হান করেছিল। ৭৫০-১২৫৮ পর্যন্ত আব্বাসীয় খিলাফতের কাহিনী কে না জানে? এসময় মুসলীমদের এমন সৌভাগ্য হয় যে তা মুসলীমদের স্বর্নযুগ নামে খ্যাত। তারপর আবার সুলতান বাইবার্সের হাত ধরে পুনরায় ১২৬১-১৫১৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত আব্বাসীয় খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হলে মুসলীম উম্মাহ ফিরে পায় তাদের হারানো গৌরব। উল্লেখ্য যে ১৫৫৮ সালে হালাকু খানের নেতৃত্বে বাগদাতের আব্বাসীয় খিলাফত ধ্বংস হয়েছিল।তারপর সুলতান বাইবার্স তা আবার পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তারপরই আবার ১২৯৯-১৯২৪ সাল পর্যন্ত অটোমেন নেতৃত্ব দেয় বিশ্ব মুসলীম উম্মাহকে। এই সময়কার সময়ে মুসলীমদের সামনে দাড়ানোর মতো শক্তি বা সামর্থ কারোর ছিল না। যাইহোক এগুলোর ইতি অনেকদিন হলো হয়েছে। মোটকথা গনতন্এ বা একনায়কতন্এ যেকোন শাসনব্যবস্হাই মুসলীম তথা সমগ্র জাতির জন্যেই কল্যান বয়ে আনতে পারে। শুধু থাকা চাই একটা মনের মতো মন যা সাধারন মানুষের জন্যে নিবেদিত,যা নিজের দায়িত্বকে ক্ষমতা মনে না করা বরং এটা একটা দায়িত্ব যা সাধারন মানুষের জন্যে। তবে এটা স্বিকার করতেই হবে যে মুসলীমদের ইতিহাসে সর্বাধিক সুসময় ছিল রাজতন্এ তথা একনায়কতন্এে। আর এই শাসনব্যবস্হায় কোন অযোগ্য লোক যদি একবার চলে আসে তবে তা সাধারন মানুষ তথা বিশ্ব মুসলীম উম্মাহের জন্যে বয়ে আনে চরম দূর্ভোগ। এর প্রমান বর্তমান সৌদি সরকার। তাদের বিরুদ্ধে কোন সরকার প্রধান কিছু বলবে? হজের বিসা বন্ধ কোন কথা হবে না। বিশ্ব মুসলীম উম্মার প্রাণ হলো মক্কা-মদিনাসমূহ। আর সাধারন মানুষ যারা আছে তারা এমনভাবে মক্কা-মদিনাকে ভালোবাসে যে যদি হজ্জের বিসা বন্ধ হয়ে যায় সাধারন মানুষ বলবে যে এই যে হজ্জের বিসা বন্ধ করে দিয়েছে আমাদের দেশের সরকার কাফের আরও কত কী? এসময় এমনকি স্বার্থবাদী কিছু মৌলিবিরাও ফতোয়া দিতে ভুল করবে না যেমন ফতোয়া দিয়ে অটোমেন ভেঙেছিল ইংল্যান্ডের গুপ্তচর হাম্ফ্রে। সরকার পরে যাবে বিপাকে অথচ কথা বলেছিল ন্যায় আর সত্যের পক্ষে। ঠিক এজন্যেই মালয়েশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহাতির মুহাম্মদ মক্কা-মদিনাকে বিশ্ব মুসলীমদের সম্পদ হিসাবে সকলের অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত করতে চেয়েছিল যা সৌদি সরকারের স্বার্থে ব্যপক বাধা। যদি সেখানে গনতন্এের শাসন থাকত তবে আর এদিন দেখতে হত না সরকার পাল্টিয়ে অন্তত্য শান্তনা পাওয়া যেত। আবার গনতন্এের শাসনেও মুখ্য ভূমিকায় থাকতে হবে জনগনকেই। কারন জনগনকেই সঠিক নেতৃত্ব চিনে নিতে হবে।তবে গনতন্এের নামে একনায়কতন্এের শাসন আরও বেশি বিপদজনক।বর্তমান বিশ্বের অবস্হা সাপেক্ষে কোনক্রমেই একজন ছাড়া আর কেউ পুনরায় খিলাফত প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না যত স্টেইটি থাকুক না কেন। তবে হ্যা আল্লাহ যদি চান তবে অবশ্যই হবে।মঙ্গলরা যখন বিশ্বব্যপি ধ্বংসের বার্তা নিয়ে এসেছিল আর তাতে যখন মুসলীম উম্মাহের আকাশে কালো মেঘ বাসা বেধেছিল তখন সবাই ভেবেছিল একজন ছাড়া কেউ এর থেকে পরিএান দিতে পারবে না। কিন্তুু হয়েছিল ঠিকই সুলতান বাইবার্স ও উসমান গাজীর মাধ্যেমে। যেহুতু এখনো অনেক মুসলীমরা মহৎ লক্ষ্য নিয়ে পবিএ পথে হাটছে তবে অবশ্যই ঐ ব্যক্তি ছাড়াও পুনরায় নবজাগরন হতেও পারে যদি আল্লাহ চান তবেই। মোটকথা গনতন্এ বা একনায়কতন্এ প্রতিটি শাসনব্যবস্হায়ই মুসলীম তথা সমগ্র জাতির কল্যান সাধন করতে পারে যদি দায়িত্বে থাকা লোকটি দায়িত্বকে শুধু দায়িত্বই মনে করে কোন ক্ষমতা নয়। আর এই শাসনব্যবস্হায় জনগন যদি সঠিক হয় তবে চাইলেই যোগ্য নেতৃত্বকে ক্ষমতা দিতে পারে কিন্তুু ঐ শাসনব্যবস্হায় এর কোন সুযোগ নেই। তাই গনতন্একে অবহেলা বা ঘৃণা করার কোন কারন আমি অন্ত্যত্ব খুজে পাই না। [বি.দ্র::: গল্পে ঐ লোক বা তিনি দ্বারা ইমাম মাহদিকে বুঝানো হয়েছে] ............................সমাপ্ত.............................. এগুলো আমার নিজস্ব মতামত তাই না মিললে কেউ কিছু মনে করবেন না।আর মন চাইলে মতামত ব্যক্ত করতে পারেন। ভুল-ক্রটিগুলো ক্ষমা করবেন। @সামির@সবাই।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১০৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মুসলীমরা বলে কোরআনের আলোকে দেশ চালাতে,এটা অমুসলীমদের জন্যও কীভাবে কল্যান বয়ে আনবে?মানুষ তার ইচ্ছামত চালাবে স্রষ্টার বানী কেন গ্রহন করবে?
→ হায়রে মানুষ, তাদের কি ছিলনা কোনো হুশ!
→ সৌন্দর্যের আলাদা করে কোনো রঙ হয় না
→ "আনিকা তুমি এমন কেন?"[২য় তথা শেষ পর্ব]
→ উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) এর একটি ঘটনা এবং আমাদের জন্যে শিক্ষা
→ নারীরা কোন কারন ছাড়াই কাঁদে কেন???
→ সামুদ জাতির ইতিহাস
→ মুসলীমদের কাছে নাইট উপাদি সম্মান নয় লজ্জার হওয়া উচিৎ।
→ মুসলীমরা কেন এক স্রষ্টারই উপাসনা করে?
→ দিগ্নিজয়ী মুসলীম বীরসেনানীগন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...