গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

নীল

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Shikha (০ পয়েন্ট)



(সম্পূর্ণ কাল্পনিক) রেল লাইনটা সো--জা চলে গেছে। কিছুদূর গিয়ে অবশ্য বাক নিয়েছে।রেল লাইনের দুই পাশে ইয়া বড় বড় কৃষ্ণচূড়া গাছের সারি।টকটকে লাল ফুল ফুটেছে তাতে।মনে হচ্ছে কেউ যেন লাল রঙ ঢেলে দিয়েছে গাছের উপরে।গাছগুলোর নিচে আবার নরম সবুজ ঘাস।এ দিকে সূর্যটাও অস্ত যাচ্ছে। তাই পশ্চিম আকাশটা লাল বর্ণ ধারণ করছে।এমন একটা সময়ে নীলকে তো এখানে আসতেই হবে।নীল ছেলেটা না বড্ড শান্ত।এখানে এসে চুপচাপ বসে থাকে। "বুঝি না এই ছেলেটা এতো চুপচাপ কি করে থাকে।আমাকে চুপ করে থাকতে বললে তো আমি দম আঁটকেই মরে যাব।"কথাগুলো একমনে বলতে বলতে নীলের কাছে এসে হাজির হলো আসমানি।আসমানি নীলের একমাত্র বন্ধু।তবে আসমানির আরও অনেক বন্ধু আছে। আসমানি ও নীল দুজন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মানুষ।একজন বেশি কথা বলে,আরেকজন একেবারে শান্ত।একজন বন্ধু বান্ধবের সাথে সারাক্ষণ আনন্দে মেতে আছে,আর আরেকজন চুপ করে কোথাও বসে আছে।তবুও তারা বন্ধু। আস্তে আস্তে নীলের পাশে এসে বসলো আসমানি।নীল ও আসমানিদের বাড়ি পাশাপাশি।নীলের মা আসমানিকে বলেছে নীলকে খুজে আনতে।আসমানির অবশ্য নীলকে খুজতে হয়নি। ও জানেই যে নীল এখানেই থাকবে।কারণ নীলকে প্রকৃতি খুব টানে। আসমানি নীলকে প্রশ্ন করলো, --কিরে বসে বসে ভাবছিসটা কি?? --কই কিছু না তো। --তোকে দেখেই বুঝতে পারছি তুই কিছু ভাবছিস। --তাহলে বুঝে নে কি ভাবছি। ---যাই হোক কাকিমা ডাকছে তোকে যা বাড়ি যা। --কেন ডাকছে?? --আমি কি জানি। তুই গিয়ে শুনে নে। বাড়ি ফিরে এলো নীল।মায়ের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো কেন ডাকছিল।তার মা বললো, ---আমরা কাল আমাদের আগের বাড়িতে যাব।তুই সব গুছিয়ে নে। নীলের মনে পড়ে গেল আগে তারা যে বাড়িতে থাকতো তার কথা। তার পাশে বড় নদী ছিল।সেখানে সে কত খেলতো।বড়শি দিয়ে কত মাছ ধরতো! সারাদিন নদীর জলে সাঁতার কাটতো।কত ভালো ছিল দিনগুলো।তারপর একদিন ভাঙ্গন ধরলো নদীতে।প্রিয় জায়গা ছেড়ে চলে আসতে হলো সকলকে।অবশ্য নতুন জায়গা পেতে তাদের কোনো অসুবিধাই হয়নি।কারণ তারা আর্থিকভাবে সচ্ছল।তবুও একটা জায়গায় অনেকদিন থাকার কারণে মায়া জন্মে গেছিল যে। এই নিয়ে আর ভেবে কি হবে।তাই তাড়াতাড়ি নিজের ঘরে চলে গেল ও। (আর কিছু মাথায় আসছে না।কিসব লিখলাম।ভালো হলো কি না কে জানে।)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২২৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অবনীল(পর্ব-৮)
→ অবনীল(পর্ব-৭)
→ অবনীল(পর্ব-৬)
→ অবনীল(পর্ব-৫)
→ অবনীল(পর্ব-৪)
→ অবনীল(পর্ব-৩)
→ নীল হাতি
→ অবনীল(পর্ব-২)
→ অবনীল (পর্ব-১)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...