গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

অভিশপ্ত হার (শেষ অধ্যায়)

"অদ্ভুতুড়ে" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ফারহান… (১১৭ পয়েন্ট)



বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী: অভিশপ্ত হার! পর্ব ~০২ ২. বাড়িতে গিয়ে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারলাম না।দুষ্টুর শিরোমণি রিয়া আজকে পড়তে বসেছে! মাকে জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলাম কাল নাকি পরীক্ষা।যাক বাঁচলাম। অনুমতি মার কাছ থেকে পেলাম ঠিকই এখন বাবার কাছ থেকে নিতে হবে। বাবার কাছে যেতেই এমনভাবে প্রশ্ন শুরু করলেন যেন মনে হচ্ছে হাজার হাজার তীর পড়ছে।কিছু কিছু শুনে নেওয়া যায়!… - কোথায় যাবি বললি? - জ্বী কক্সবাজার। - কক্সবাজার কি এখানে নাকি যে কয়েক পা হাঁটলেই চলে যাবি? - জ্বী না! - কেউ যাবে সাথে? - নাদিম আর সাইল যাবে। - কোথায় থাকবি? - সাইলের মামার বাসায়। - কয়দিন থাকবি? - জানি না! - কানে ধর! - কেন? - ধরতে বলেছি!এভাবে কথা বলা কে শিখিয়েছে? অতঃপর আমাকে দেখা গেল বাবার থেকে কিছুটা দূরে কানে ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে!রিয়া কিসের জন্য জানি ঘরের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। আমাকে দেখে সবগুলো দাঁত বের করে বললো,এই ভাইয়া কী করিস? - এক্সারসাইজ করি। এর মাধ্যমে সবকিছুর ব্যায়াম হয়। - তাই নাকি? - হুঁ। - আমাকে পাগল ভেবেছিস? তুই যা বলবি বিশ্বাস করে নেবো ভাবছিস? - যেটা সত্যি সেটাই বললাম! - আমি জানি বাবা তোকে কানে ধরিয়ে রেখেছেন… - তোর না কাল পরীক্ষা।যা পড়তে বস।নাহলে বাবাকে বলবো। - আচ্ছা আচ্ছা যাচ্ছি।তোর একটা ছবি তুলবো নাকি!… - তবে রে… যেই মারতে যাবো বাবা বলে উঠলো,দেখছিস তো আমি ব্যস্ত আছি।তাও এখানে চিল্লাচিল্লি লাগিয়েছিস, কানে ধর দুজন! আমি বললাম, আমি তো আগে থেকেই ধরে আছি! বাবা, বাহ্।যা তোর মাফ! বাবা মাঝেমধ্যে প্রায়ই ভুলে যান। সেজন্য বেঁচে গেলাম।রিয়াকে ইচ্ছামত ভেঙ্গিয়ে চলে আসলাম।যাওয়ার সময় শুনলাম বলছে,বাবা আমার পরীক্ষা তো… বাবা,দাড়িয়ে থাক! কি মনে করে যেন আবার গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম বাবাকে যাবো কিনা! আশ্চর্য বাবা রাজি হয়ে গেলেন।রাজ্য জয় করা হাঁসি নিয়ে বের হওয়ার সময় রিয়ার দিকে তাকিয়ে বুঝলাম আমাকে বকছে মনে মনে। আমাকে দেখে বলল, তোকে পাই একবার তখন মজা দেখাবো! আমি জোকার মার্কা হাঁসি দিয়ে বললাম, আপাতত শাস্তি ভোগ কর! পরে নাহয় তোর মজা খুব আগ্রহ নিয়ে দেখবো! *** নাদিম আর সাইলও অনুমতি নিয়ে নিয়েছে কায়দা করে। এখন শুধু বের করতে হবে কয় তারিখে আমরা যাবো।এটা নিয়েও নাদিমকে মিটিং বসাতেই হবে। নাহলে ভাষণ শুনাবে কিভাবে!পারেও বটে নাদিম। সাইল বলে বসলো, আমি মিটিংয়ে খাবার আনতে পারবো না কিন্তু। নাদিম, তোর থেকে আর খাবার চাই না। এবার নাঈম আনবে। আমি হতভম্ব!ডাইরেক্ট আমার কাছে চলে এলো। আমি বলতে যাচ্ছি তখন নাদিম কানে কানে বলল, এবার তুই দিয়ে দে। ওখানে গিয়ে সাইলের পকেট খালি করবো। বাপরে কী বুদ্ধি করেছে হতভাগাটা! আমাদের থেকে খাবে কিন্তু নিজে খাওয়াবে ই।আড়াই নাম্বার পাজি!(সবকিছুতে এক হলে আমাদের কী হবে। তাই পাজির লেভেলে আছে আড়াই নাম্বারে!) শেষমেষ নাদিম রাজি হলো খাবার আনতে। মিটিং যথাসময়ে হলো। মিটিংয়ে কী বলেছে তা বললে তোমাদের মাথা গরম হয়ে যেতে পারে!তাই বললাম না। আমাদের যাওয়ার দিন ঠিক হলো।সবাই প্রস্তুতি নিতে থাকলাম। অপেক্ষা শেষ হলো।যাওয়ার দিন ঘনিয়ে আসলো।বাস স্ট্যান্ডে এক ঘন্টার বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকার পর বাসের দেখা পাওয়া গেল।বাসে উঠার পর সময় কাটানোর জন্য নাদিম বললো,সবাই একটা করে বীরত্বের কাজের কথা বল।সাইল তুই শুধু কর। আমি বললাম,এই অপদার্থটা খাওয়া ছাড়া আর কী পারে? দেখবি খাওয়ার কথাই বলবে।সাইল শুরু করলো ওর গল্প শুনে মুখ হা হয়ে গেল। কিন্তু নাদিম গল্পের ফাক ফোকর বের করে প্রমাণ করে দিল ওটা বিরাট বড় গুল!সাইলের কাহিনীটা শ্রেফ এই, বুঝলি সে এক ধুমধুমার কান্ড। বোধহয় তখন সেভেনে পড়ি। গ্রীষ্মের ছুটি চলছে সে জন্য স্কুল ঈ।বেড়ানো হয়নি।বাড়িতেই পড়ে আছি।খাই দাই ঘুমাই। তখন এক খালাতো ভাই আসল বেড়াতে। আমার থেকে ছোট বয়সে। সবসময় আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করে। একদিন আমি চ্যালেঞ্জ করে বসলাম খাওয়া নিয়ে।ও বললো রসগোল্লা আধ সের খেতে হবে। আমি এমন খাওয়া খেয়েছি যে সমস্ত দোকান খালি করে দিয়েছি। নাদিম,গল্প শেষ? সাইল, এটা তোর গল্প বলে মনে হয়! নাদিম জবাব না দিয়ে বলল,এই গল্পটা হাসির গল্পে দিলে ঠিক হতো।(যেমন ধরো এই গল্পটার কথা। যেটা অদ্ভুতুড়ে গল্পে দিলাম।এটা বোধহয় হাঁসির গল্প বিভাগে দিলে ভালো হতো!) আরেকটা ভুল হলো তোর খালাতো ভাই তোর থেকে বড়। ছোট কেউ নেই। আমাদের তুই বলেছিলি।কী নাঈম তাই না? আমি,ও হ্যাঁ। তাছাড়া ওর গ্রামের বাড়িতে গিয়েও দেখতে পাইনি! সাইল তোতলাতে লাগলো। নাদিম, এবার নাঈম বল। আমি অনেক ভেবেচিন্তে একটা কাহিনী বলে দিলাম। একদম নিখুঁত গল্প!বলতে লাগলাম, ঘটনাটা মামার বাড়ীতে হয়েছিল। বিকালে সব খেলাধুলা করছে। আমার খুব পিপাসা পেলে ঠান্ডা পানি খাওয়ার জন্য দোকানে গেলাম। তখন ফ্রিজ ছিল না। দোকানিকে বললাম, ঠান্ডা পানি আছে? দোকানি আশেপাশে তাকিয়ে ফিস ফিস করে বলল, তোমার লাইগা কখন থেইকা বইয়া রইছি! এতক্ষণে আইলা।আর মানুষ কই!ঐ গুলারে লইয়া যাইবা কেমনে। আমি অবাক হয়ে বললাম, কী নিয়ে যাবো! দোকানি,আরে তুমিইতো ফোনে বললা, ঠান্ডা পানি আছে বললে মালগুলা বাইর কইরা দিতে। আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। মামাকে ডেকে আনলাম।মামা প্রথমে গুরুত্ব দেয়নি।পরে দোকান থেকে ঐগুলো পাওয়া গেল। সাইল,ঐগুলো কী আবার! আমি,ঐগুলো মানে ঐগুলো! নাদিম, ঘটনা সত্যি হতে পারে। আবার কোনো মুভি থেকে চুরি করে এনেছিস হয়তো! সত্যি হলেও তোকে বাহবা দেওয়ার মতো না। তুই ঐ ব্যাপারে জানতিস না! আমি রেগে বললাম,যাহ্ আর কিছু বলবো না তোদের। নাদিম,আর বলতে হবে না। কিছুক্ষণের মধ্যেই কক্সবাজার নামবে বাস। সাইল, তুই বলবি না? নাদিম,নাহ্ সময় নেই। ও আর কি বলবে থাকলে তো বলবে। কক্সবাজার পৌঁছে গেলাম কিছুক্ষণের মধ্যেই। সেখান থেকে সাইলের মামার বাসায় গিয়ে শুনলাম ওর মামা নাকি জেলেদের কাছে গেছে।ওর মামা সাংবাদিক টাইপের কিছু একটা হবে হয়তো ** আমরা খানিকক্ষণ বিশ্রাম নিয়েই বের হলাম ঘুরতে। নাদিম প্রথমেই সাইলের মামার কাছে যেতে চাইলো। আমরাও সাথে সাথে চললাম।সাইল জায়গাটা চেনে তাই অসুবিধা হলো না। মামার কাছে জানতে পারলাম,সৈকতে একটা হার পাওয়া গেছে।পায়রার পায়ে লাগানো ছিল। জেলেদের কথা অনুযায়ী,ওই পায়রা সুধীর নামের বৃদ্ধ জেলের। সুধীর তার দলবল নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিল।এখনো কোনো খবর নেই ওদের।যে প্রথম এই হারটা দেখতে পায় সে নাকি এখন খুব অসুস্থ।জেলেরা দৃঢ় গলায় বলছে,অভিশাপ আছে এইডাতে! নাদিমকে নাক গলাতেই হবে। নাহলে ভাত হজম হবে না ওর!বলে বসলো,এতো দেখি হলিউড ফিল্মের ব্যাপার! একজন জেলে বললো,হলদি না এইডা অভিশাপ। নাদিম, হলদি বললাম কখন। আমি তো হলিউড বললাম।আজব তো। জেলে বলল, আমরা মুর্খ মানুষ।হেছাৎকথা কইতাছি এই হখর সাগরে হালাই দিতে কও।নাইলে বিপদ আছে কপালে।সুধীরা মরছে দলবল লইয়া।হাসাইন্না(হাসান)মরতাছে।ঐ হার ধরার পর! নাদিম,ঐ হারটা কোথায়? লোকটি দেখিয়ে দিল। নাদিম কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে দেখে রাখতে যাবে তখন এমনভাবে চেঁচিয়ে উঠলো যেন পিঁপড়া জাতীয় কিছু কামড়েছে! নাদিম বলতে লাগলো,দড়ি বা কাপড় জাতীয় কিছু থাকলে দে তাড়াতাড়ি। আমি একটা দড়ি দিয়ে দিলাম। দেখলাম নাদিম তার হাতে বাঁধছে। বাঁধার পর বললো, ওটাতে বিষ আছে! আমরা চমকে গেলাম। নাদিম আরো বললো,এই বিষ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আমি বেঁধে রেখেছি দেখে ছড়তে পারছে না। তাড়াতাড়ি ডাক্তারের কাছে যেতে হবে আমাকে… *** - আবার আরেকটা মানুষ মারা গেল। - ওকে দেখে বুদ্ধিমান মনে হচ্ছে।মরবে না। - কিভাবে নিশ্চিত হলে তুমি? - দেখছনা যে জায়গাটাতে বিষাক্ত সুইটা লেগেছে তার থেকে কিছুটা দূরে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছে। - এই পর্যন্ত অনেক মানুষ মারা গিয়েছে এটার জন্য। - আমাদের কিছু করার নেই। - কিন্তু ভুলটা আমাদেরই ছিল। - সেটা আমি জানি। - তারপরও আমরা কিছু করতে পারবো না? - তুমি জানো এটা পানিতে পড়ার কারণে কিছু শক্তি নষ্ট হয়ে গেছে।এখন আমরা চাইলেও কিছু করতে পারবো না। শুধু দেখা ছাড়া! - তোমার সেদিনটার কথা মনে পড়ে? - কোন দিনের কথা? - যেদিন আমাদের কাড়াকাড়ির জন্য ঐ জিনিসটা পড়ে গিয়েছিল। - সেদিনটার কথা মনে থাকবে না কেন।ঐদিনের পর থেকেই আমাদের দূর্ভোগ শুরু! - সেদিন একজন মানুষ এটাকে পেয়েছিল। পাওয়ার পর ও সেটা ধরতেই বিষাক্ত সুই হাতে লাগে। - তারপরে লোকটা যন্ত্রটাকে লুকিয়ে ফেলে। - এরপর লোকটাকে বাক্সে ভরে ফেলা হয়! - এই মুহূর্তে যন্ত্রটা কোথায় আছে? - ছেলেটার হাতে!ওরা এই মুহূর্তে একটা লঞ্চে আছে। - ছেলেটা সুস্থ হয়েছে? - এখন সুস্থই। - তোমার কি মনে হচ্ছে? - ছেলেটা এখন যন্ত্রটাকে পানিতে ফেলে দেবে। - কী বলছো তুমি! আমরা গত ৪০ বছর ধরে লক্ষ্য রাখছি। - মাথায় রাখতে হবে ওটা আমাদেরই ভুল ছিল। - আমাদের কি মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে? - সেটা সম্ভব নয়।কারণ আমাদের মৃত্যু নেই। - মানে? - তুমি জানো ঐ যন্ত্রটা ফেলার পর আমাদের মৃত্যু হয়েছিল। এখন আমাদের স্মৃতিকে শুধু ধরে রাখা হয়েছে। - মানে আমাদের মৃত্যু হবে না।কী অসহ্য একটা অবস্থা! - আমাদের মৃত্যু নির্ভর করছে ঐ মেমোরি কার্ডের উপর।যতদিন ঐ মেমোরি কার্ড থাকবে ততদিন… - বলছো না কেন? - অহেতুক কথা বলা উচিত নয়! ** নাদিম হারটাকে পানিতে ফেলে দিল। কয়েকদিন পর, মাঝরাতে সাগরে একজন সাহেব জেলেদের একটা দল মাছ ধরতে গেল। হঠাৎ তাদের মধ্যে একজন চেঁচিয়ে উঠলো, সাহেব দেহেন কী উঠছে! সাহেব,কী উঠেছে? জেলে,হারের লাহান! সাহেব,দেখি জিনিসটা। সাহেব হারটা নেড়েচেড়ে দেখতে গেল। হঠাৎ… ** - তারপর? - তারপরের ঘটনা তোমরা জানো। - ও আচ্ছা। তবে স্যার একটা কথা স্পষ্ট হলো না। সুধীর ও তার দল কিভাবে মারা গেল? - সুধীরের মতো জেলেরা খুব পরিশ্রমী। পিঁপড়ের কামর খাওয়ার পরও ওরা তার অনুভূতি পাবে না।কারণ এরচেয়ে বড় বড় কষ্ট সহ্য করতে করতে ওদের শরীর লোহার মত শক্ত হয়ে গেছে। - তারপর হঠাৎ তাদের মাথা ঘুরাতে লাগল। সেজন্য তারা নৌকা ভালোভাবে চালাতে পারেনি।তাই ঝড়ে নৌকা ডুবে গেল! আর পায়রাটার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছিল।তাই না স্যার? - একদম তাই। আমি আজ আসি! যাওয়ার সময় মৃদু হাসলো।নাঈমুর রহমান রূপি 34.0728! এ পর্যন্ত অনেক মানুষকে সে এই গল্প শুনিয়েছেন।তার মিশন এটাই। একদিন আবার ঐ যন্ত্রটা ওদের হাতে আসবে।এই যন্ত্রের জন্য এত পরিশ্রম কারণ ওদের কাছে এরকম যন্ত্র একটাই ছিল।যেটা 52.0342 আর 15.3670 দুজনের ঝগড়ার কারণে নিচে পরে গেছে!… #জাফর ইকবাল স্যারের কল্পকাহিনী আর নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় এর অমর চরিত্র টেনিদা সিরিজের অনুকরণে তৈরি এই গল্পটা। ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেনgj অনেক অনেক ধন্যবাদ গল্পটা পড়ার জন্যgj


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৫৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মুখে বসন্তের দাগ! দূর করতে ব্যবহার করুন এগুলো
→ জিজের পরিচিতরা যে কারণে প্রিয় (শেষ পর্ব)
→ অভিশপ্ত আয়না পর্র৬(শেষ পর্ব):-
→ অভিশপ্ত আয়না পর্ব৫:-
→ অভিশপ্ত আয়না পর্ব৪:-
→ অভিশপ্ত আয়না পর্ব৩:-
→ অভিশপ্ত আয়না পর্ব২:-
→ একটি দামি উপহার
→ অভিশপ্ত আয়না পর্ব১:-
→ আমি (শেষ পর্ব ৮)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...