গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

বেনজির ভুট্টোর দৃষ্টিতে ৭১...

"যুদ্ধের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান জাহিন আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর (৯৭ পয়েন্ট)



বেনজির ভুট্টোর দৃষ্টিতে ১৯৭১ সাল -------------------------------------------------- একটি ইতিহাসকে কয়েকটি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও একাত্তরের সামাজিক ও রাজনৈতিক ঘটনাবলীর বেলাতেও তা-ই। ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটের মানুষ একাত্তর ও মুক্তিযুদ্ধকে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছে। সকল দৃষ্টিকোণ সম্বন্ধেই অধ্যয়ন জরুরী। বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গণহত্যা নিয়ে কী ভেবেছিল তখনকার পাকিস্তানীরা? বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কেমন ছিল তাদের দৃষ্টিভঙ্গি? এ প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে কাজ করেন বাংলাদেশের দুজন গবেষক মুনতাসীর মামুন এবং মহিউদ্দিন আহমেদ। একাত্তর ও বাংলাদেশ প্রসঙ্গে তৎকালে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারক পদে থাকা ব্যক্তিত্বদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন তারা। সেগুলো ১৯৯৯ সালে দৈনিক ভোরের কাগজ-এ প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সেগুলো বই আকারেও প্রকাশিত হয় পাকিস্তানীদের দৃষ্টিতে একাত্তর নামে। সেখানে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের মাঝে বেনজির ভুট্টোর সাক্ষাৎকারও ছিল। বেনজির ভুট্টো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং নিঃসন্দেহে পাকিস্তানের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। কিন্তু প্রশ্ন হলো একাত্তরে তো তিনি ক্ষমতায় ছিলেন না কিংবা পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ সেরকম গুরুত্বপূর্ণ পদেও ছিলেন না। তাহলে তার সাক্ষাৎকার কেন গুরুত্বপূর্ণ? বেনজির ভুট্টো ছিলেন জুলফিকার আলী ভুট্টোর কন্যা। এই জুলফিকার আলী ভুট্টো ছিলেন তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের (সামগ্রিক পাকিস্তানের নয়) নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এবং একাত্তরের অন্যতম কুশীলব। তার পরিবারের সদস্য হিসেবে একাত্তর ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত পাকিস্তানী বিষয়াদিগুলো কাছ থেকে দেখেছেন বেনজির ভুট্টো। বাংলাদেশ সম্পর্কে কী বলেছিলেন মুনতাসীর মামুন ও মহিউদ্দিন আহমেদের সাক্ষাৎকারে? ১৯৭১ সালে যা ঘটেছিল সে সম্পর্কে তার কোনোকিছু মনে পড়ে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে বেনজির ভুট্টো বলেন- “বাবা বলেছিলেন ইয়াহিয়া খান শেখ মুজিবকে ফাঁসিতে ঝোলাতে চান। আর এরপর ক্ষমতা ছাড়ার পরিকল্পনা ছিল তার, যাতে নতুন সরকার সবকিছু ধোয়ামোছা তকতকে অবস্থায় কাজ শুরু করতে পারে। ইয়াহিয়া বাবাকে বলেছিলেন যে, শেখ মুজিব সবকিছুর মূল। তাকে যে তিনি আগেই হত্যা করেননি সেটিই ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল। তিনি যদি তখনই তা করতেন তাহলে এতকিছু ঘটত না। আমার বাবা (জুলফিকার আলী ভুট্টো) বলেছিলেন, না, ওটা করবেন না। কেননা বাংলাদেশের মানুষ তাকে তাদের নেতা হিসেবে হৃদয় থেকে গ্রহণ করেছে। আর আমরাও এখন (পাকিস্তানে) এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চাই। সত্তরের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে আওয়ামী লীগ। পশ্চিম পাকিস্তান অংশে জুলফিকার আলী ভুট্টো সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও সামগ্রিক পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেননি। গণতান্ত্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে সামগ্রিক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার কোনভাবেই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ একবার বলেছিলেন যে, সত্তরের নির্বাচনের ফলাফল যদি একাত্তরে বাস্তবায়িত হতো তাহলে পাকিস্তান কখনো আলাদা হয়ে যেতো না। কিন্তু এটি বাস্তবায়নের অন্যতম অন্তরায় ছিল পাকিস্তান পিপলস পার্টি বা পিপিপি (জুলফিকার আলী ভুট্টোর রাজনৈতিক দল)। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বেনজির ভুট্টো বলেন- “শেখ মুজিব ৬ দফা চেয়েছিলেন যার আওতায় মাত্র ছয়টি বিষয় থাকবে কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে। প্রতিটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণে থাকবে তাদের নিজ নিজ ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রতিটি প্রদেশের থাকবে নিজ নিজ মুদ্রা ব্যবস্থা বা কারেন্সি। যদি তা-ই হয় তাহলে কেন্দ্রের প্রতিরক্ষা খাতের ব্যয় প্রদানের জন্য কে প্রদেশগুলোকে বাধ্য করবে?আমরা বাস্তবিক পক্ষেই টের পাচ্ছিলাম এ হলো আসলে নেপথ্যে স্বাধীনতার দাবী, যে স্বাধীনতা শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, বরং পশ্চিম পাকিস্তানের প্রদেশগুলোর জন্যও। … আমরা মনে করেছিলাম ৬ দফা বাস্তবায়নের অর্থ হবে ১৯৭১-এ পাকিস্তানের খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যাওয়া। এ কারণেই আমরা ৬ দফার বিরোধিতা করেছিলাম। ৬ দফা কায়েম হলে আজকের পাকিস্তানের অস্তিত্বও থাকতো না। … দ্বিতীয়ত, ’৭০-এর নির্বাচনে তৎকালীন পাকিস্তানের দুটি অংশ ভিন্ন ভিন্ন রায় দিয়েছিল। পূর্বাঞ্চলের (বাংলাদেশের) রায় ছিল দেশ ভাঙার অনুকূলে। কেননা ৬ দফা কার্যত দেশ ভাঙারই শামিল। ওদিকে পশ্চিমাঞ্চলের (পশ্চিম পাকিস্তানের) রায় ছিল ৬ দফার বিরুদ্ধে। পশ্চিম পাকিস্তানের কেউ ৬ দফার পক্ষে ভোট দেয়নি, বরং পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে। এ অবস্থায় একটি রায়কে মেনে নেয়া, অন্যটিকে অস্বীকার করা কারও পক্ষে সম্ভব নয়। … তৃতীয়ত, ভুলে যাওয়া উচিত নয়, ১৯৭০-এর পূর্বাঞ্চলের নির্বাচনে সত্যিকার অর্থে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি। মাওলানা ভাসানী জলোচ্ছ্বাসের দোহাই দিয়ে নির্বাচন বয়কট করেছিলেন।” আরেক প্রশ্নের উত্তরে পিতাকে নির্দোষের আসনে রেখে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান প্রসঙ্গে পিতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর অবস্থান সম্পর্কে বেনজির বলেন- “১৯৭১ এর সেপ্টেম্বরে আমার বাবা প্রকাশ্যে সামরিক অ্যাকশন অবসান ও সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানান। পাকিস্তানে তিনিই প্রথম রাজনৈতিক নেতা যিনি এ কাজটি করেন ও এ ধরনের বিবৃতি দেবার জন্য প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েন। ফলত রাজনৈতিকভাবে সমস্যা সমাধানে তার এ আহ্বানে কেউ সেদিন কান দেয়নি। একাত্তরের ডিসেম্বরে সময় তিনি এক পাকিস্তানী প্রতিনিধিদলের নেতা হিসেবে নিউইয়র্কে আসেন। … একটা বিষয় ঐ সময়ে পরিষ্কার হয়ে ওঠে যে, বিশেষ করে সোভিয়েত প্রতিনিধি দলের লোকেরা তাদের ভাষণ ইচ্ছা করে লম্বা করার কৌশল অবলম্বন করে, কারণ তারা ঢাকার পতন দেখতে চায়। … তিনি বলেন “আপনারা এখানে সকলে ইচ্ছেমতো প্রলম্বিত বক্তৃতা করছেন, আপনারা ‘এখন কি লাঞ্চ করার জন্য বিরতি থাকবে, চায়ের জন্য সভা বন্ধ থাকবে? কিংবা বিশ্রাম নেয়া যাক’- এ ধরনের অনাবশ্যক কথাবার্তার তুবড়ি ছুটিয়ে চলেছেন যখন মানুষ মারা যাচ্ছে, ওদের হত্যা করা হচ্ছে। … আপনাদের এরকমটা প্রত্যাশিত নয়, কারণ বাস্তবতা বদলে যাচ্ছে।” তিনি বক্তৃতা দেবার পর বেরিয়ে গেলেন, সামনের সারির আসনের লোকজন তার পিছু নিল। … এরপর তিনি একান্তে থাকতে চাইলেন। বাবাকে অত্যন্ত বিচলিত ও বিমর্ষ মনে হলো। তিনি বললেন, মনে হলো ওরা সবাই অপেক্ষা করছে কখন ঢাকার পতন ঘটবে। আমরা বোধহয় এখন আমাদের ইতিহাসের এক ক্রান্তিলগ্ন তথা মোড়ে দাঁড়িয়ে আছি। ঐদিন তাকে খুবই বিমর্ষ মনে হলো… তিনি এ কথাও উপলব্ধি করে বললেন , বাঙালীদের প্রতি যথেষ্ট ও চরম অবিচার করা হয়েছে। আমরা যখন ছোট তখন ভাষা প্রশ্নে তার অভিমত ছিল, হয় সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা গ্রহণ করুন কিংবা চারটি প্রদেশের কাছে গ্রহণযোগ্য এমন ভাষা সম্ভব হলে বেছে নিন। কেননা এদেশের মানুষ ইংরেজি বলতে ও তাদের দেশী ভাষা বলতে জানত। ঐ সময় কেমন করে উর্দুতে কথা বলতে হয় ওরা জানতই না।অথচ উর্দুকে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে রাষ্ট্র ভাষায়, এছিল চরম ভুল। এ অবস্থায় বাঙালীরা মনে করতে থাকে, ‘আমাদের ছেলেরা চাকরিবাকরি পাবে না, কেননা তারা পরীক্ষায় ভাষার কারণে পাস করতে পারবে না, কে-ইবা ওদের চাকরি দেবে, ওরা তো উর্দু জানেই না। এ রকমই একটা অনুভূতি ছিল ভাষা আন্দোলনের সময়টায়। তিনি এ-ও উপলব্ধি করেছিলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠকে শাসন ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করাটাও ছিল খুবই অন্যায় ও গর্হিত কাজ। যা কখনোই মেনে নেয়া যায়না। তার ধারণা, প্যারিটি বা দেশের দুই অংশের মধ্যে সমতা নীতির তত্ত্ব দিয়ে আমরা বাঙালীদের প্রতি যথেষ্ট অবিচার করেছিলাম। কেননা কার্যত আমরা বলতে চেয়েছিলাম “তোমাদেরকে আমরা পাকিস্তানী হিসেবে মোটেও মানি না…।” বিদ্যালয়গুলোতে… স্কুলের শিক্ষকরা বলতেন, পূর্বাঞ্চলের লোকেরা ভাত খায়, আকারে খাটো; পশ্চিমের লোকের খাদ্য গম, ওরা লম্বা-চওড়া। এগুলো সত্যিই অনেক স্থুল রকমের বিদ্বেষ। [তখন] শিশু হয়েও আমি অনুভব করতে পারতাম, ব্যাপারটা আসলেই চরম অন্যায়। বড় হয়ে বুঝলাম বাঙালীরা কী বলে, বলতে চায়। এটা আমি বুঝেছি বড় হয়ে প্রধানমন্ত্রী হবার পর। … আমি শৈশবে যা শুনেছি আর যা বুঝিনি তা এখন আমাকে তাড়িয়ে নিয়ে ফিরছে। আমি মনে করি, পাকিস্তান যদি ভাঙে সেজন্য পশ্চিমাঞ্চলের হঠকারীতাই দায়ী। আমরা ওদেরকে তা দিতে প্রস্তুত নই। আজকে আমি মনে করি একারণেই বাংলায় গোলযোগ শুরু হয়।” সাধারণ মানুষ হোক আর প্রধানমন্ত্রী হোক, এটা স্বাভাবিক সে কোনো ঘটনায় কেউ একজন তার পিতার দোষ কম দেখবে এবং ভালো দিকগুলোকেই তুলে ধরবে। বেনজির ভুট্টোর ক্ষেত্রেও তা-ই হয়েছে। তবে তারপরেও এটা আশার কথা যে বাংলাদেশ সম্পর্কে পাকিস্তানীরা মাঝে মাঝে ইতিবাচক কথা বলছেন। পাশাপাশি এটা হতাশার যে পাকিস্তানের নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশ (পূর্ব পাকিস্তান) সম্পর্কে কিছুই জানতে দেয়া হয় না। তাদের পাঠ্যক্রমে নেই বাংলাদেশ সম্বন্ধে সত্যিকার ইতিহাস। তাদেরকে শেখানো বাংলাদেশ আগে পাকিস্তানের অংশ ছিল, পরে একসময় ভারতের সহায়তায় তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সূত্রঃ- https://free.facebook.com/groups/600625164138552?view=permalink&id=601973107337091&refid=18&_ft_=qid.6817049110481683433%3Amf_story_key.601973107337091%3Agroup_id.600625164138552%3Atop_level_post_id.601973107337091%3Atl_objid.601973107337091%3Acontent_owner_id_new.100047045798595%3Asrc.22%3Astory_location.6%3Afilter.GroupStoriesByActivityEntQuery&__tn__=%2As-R


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ❄️ইসলামের দৃষ্টিতে নারী❄️
→ *ইসলামের দৃষ্টিতে বিবাহ!!! পর্ব -১
→ ইসলামের দৃষ্টিতে আবাসন
→ ইসলামের দৃষ্টিতে পর্দা
→ ইসলামের দৃষ্টিতে সুর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ (বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা)
→ ইসলামের দৃষ্টিতে যাদের তওবা পর্যন্ত কবুল হবে না!
→ ইসলামের দৃষ্টিতে মরণোত্তর দেহদান

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...