গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

অপ্রতাশা আগমণ

"ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md.Swit islam (০ পয়েন্ট)



কোন এক শীতের রাতে আমি,আমার বন্ধু রাসেল,কাওছার ও সুমন ওয়াজ মাহফিল হেটে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হই৷ঠিক তখন মোটামোটি রাত ১টা বাজে ৷আমরা চার জন আলাপ পারতে পারতে আচ্ছিলাম,চারি দিক অন্ধকার আর কোয়াশায় যেন কিছু ভালো করে দেখতে পারছি না৷কিছুক্ষণ হাঁটার পর এমন এক জায়গায় আসলাম সেখান কার কথা মনে হলেই গাঁ শিউরে ওঠে৷গ্রামের লোকজনের কাছে শুনেছি ,সেখানে নাকি ভুত বা শয়তান মাঝে মাঝে দেখা যায়৷ কাওছার বলতাছে যে আমার ভয় করতাছে,তখন রাসেল বলতাছে যে ভুত তুট কিছু হয় না৷এটা একটা মনের ভুল যা ভাববি তাই যেন মনে হয় সামনে৷তাই বলি ভাই চল৷ঠিক তখন সুমন বলতাছে ওই দেখ কাছের উপর সাদা ওটা কী ভাই আমার ভয় করতাছে৷তখন আমরা তাকাই আমরা কিছুই দেখতে পাইনি৷আর সুমন কে আমি বলি এটা মজা করার সময় না ভাই মজা করিস না৷সুমন বললো ভাই মজা করছি না৷ (বলা রাখা ভালো যে জায়গা এমন বসতি বাড়ি ওখান থেকে অনেক দূরে আর অনেক গাছপালা দ্বারা ঘেরা আর বাঁশ বাগান রাস্তার দুপাছে) হঠাৎ আমাদের সামনে একটা কাঁঠাল গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়লো আর আমরা সকলে ভয় পেয়ে গেলাম৷আমরা সবাই একসাথে দাঁড়িয়ে পড়ি৷তখন আমি বলি ভাই বাতাস নেই ঝড় নেই ডাল ভেঙ্গে পড়লো কিছু ব্যাপার আছে৷তখন রাসেল বলে কিছু না ডালটি হয়তো নষ্ট হয়ে গেছে তাই ভেঙ্গে পড়ছে কিছু হবে না চল ভাই চল------ আমরা সবাই ভয়ে ভয়ে চলছি আর কালেমা পড়ছি৷ ২ মিনিট হাঁটার পর আমাদের সামনে সাদা কাপড় পড়া এক বৃদ্ধ হেঁটে গেলেন রাস্তার এক পাশ থেকে অন্য পাশে আমরা সকলেই এক সাথে দাঁড়িয়ে যাই৷আর বলি তোরা কিছু দেখলি তখন রাসেল বলে ভাই মনে হয় কে যেন তাড়াহুড়া করে চলে গেল তখন সুমন বলে আর কিছু নয় মনে হয় ভুত৷আর তখন আমাদের প্রাণ যাওয়ার মতো হয়ে গেলো৷আমরা কি করবো বুঝে ওঠতে পারছি না আমরা সামনে যেতে ভয় পারছি আর পেছনে যেতেও৷কি করব ভাবতাছি হঠাৎ দেখি আমাদের পেছনে কে যেন আচ্ছে তখন মনে হয় একটু সাহস পারছি ৷তখন রাসেল বলে চল আমরা এই লোকের পেছন পেছন যাই আমরা বলি চল ৷ভয়ে ভয়ে গলা যেনো শুকিয়ে যাচ্ছে ৷আমরা বলি চাচা কই যাবেন তিনি ইশারা দিয়ে বুঝালেন সামনে যাবে৷আমরা তার পেছনে হাঁটা শুরু করি হঠাৎ কাওছার বলে থাম থাম তোরা,আমরা থামলাম এবং বললাম কি হইছে সামনে দেখ বাঁশ গাছ নিচে পড়ে আছে৷তখন দেখি তাই৷তখন সুমন বলে আমি লোকজনের কাছে শুনছি ভুতেরা নাকি বাঁশ গাছ নিচে নামায় রাখে এবং তার ওপর দিয়ে গেলে নাকি সেই বাঁশ গাছ ওপরে ওঠে যায় আর তাকে মেরে ফেলে৷তখন রাসেল বলে তাহলে চল দেখি লোকটি কী করে তখন দেখি লোকটি বাঁশ গাছের সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের ইশারায় ডাকছে৷আমরা চমকে যাই আর আমি লক্ষ করি লোকটির পায়ের দিকে আর দেখি লোকটির পা নেই এ দেখে ওদের হাতের ইশারাই দেখাই তখন আমরা সবাই দেখে বুঝি এটা আর কেউ নয় ভুত৷ তখন আমরা কী করবো বুঝতে পারছি না৷এমন সময় রাসেল বলে চল আমরা পেছনের দিকে চলে যাই আর তখন আমরা পেছন ঘুরতেই যা দেখি সেটা দেখার জন্য কেউ প্রস্তুত ছিলাম না৷তখন দেখি আমাদের বন্ধু নিলয় যে কিনা এক মেয়েকে না পেয়ে গলায় দঁড়ি দিয়ে মারা গেছে সেই দঁড়ি গলায় অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে ৷ঠিক তখন কাওছার মাটিতে লুটে পড়ে যায় এবং কথা বলছে না৷তখন রাসেল বলে ভাই নিলয় তরে তো আমরা কোন ক্ষতি করিনি কেনো আমাদের সাথে আছো তখন নিলয় হেসে হেসে বলে তোরা আমার বন্ধু তোদের কোন ক্ষতি হবে না বললো আর বললো তাড়াতাড়ি চলে যা তা না হলে হবে আর আমরা তখন কাওছার কে তাড়াতাড়ি কোলে নিয়ে এক দৌড়ে এক বন্ধুর বাড়ির সামনে গিয়ে চিৎকার দিয়ে পড়ে যাই ৷তার পর কি হইছে জানি না সকালে যখন ওঠি তখন সেই বন্ধু শরিফ বলে কি হয় ছিলো তোদের আমরা তখন সব বলি তখন শুনতে পারি এরকম নাকি মাঝে মাঝে হয়৷আর নিলয়কে দেখা যায়৷ আমার এ বাস্তবতার গল্প ভালো লাগে জানাবেন৷আর লেখা ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ধন্যবাদ সবাইকে মোঃ সুইট ইসলাম রাসেল


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৩৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...