গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

রহস্য উদঘাটন

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ishma anam(guest) (৩৭৬৫৬ পয়েন্ট)



আমি নিরা । ক্লাস ১০ এর ছাত্রী। আমরা সিলেটের একটি শহরে বাসা ভাড়া দিয়ে থাকি। আমাদের ১ মাসও হয়নি এখানে আসা। চারিদিকে কত বাসা । আমাদের বাসার পাশে একটি বাসা ,বড়ই অদ্ভুদ । মধ্য রাতে কিসের চিতকার শোনা যায়। মাকে বহুত বার জিজ্ঞেস করেছি মন মত কোনো উত্তর পাই নি।প্রতিদিন স্কুলে যেতাম ওই বাসার পাশ দিয়েই না কোনো সারা শব্দ না,বড়ই শান্ত বাসাটা । একদিন স্কুল থেকে ফিরে দেখি ঐ বাসার সামনে পুলিশ।কত মানুষের ভির । সকলের মাঝে একটা লাশ। রক্তাক্ত একজন মহিলার লাশ ,দেখে মনে হচ্ছে বাসার ছাদ থেকে পরেছে । কি বিচ্ছিরি চেহারা হয়েছে। পুলিশ বলছে সুইসাইড । মহিলার দেহে কোনো ক্ষত চিন্হ নেই । শুধু মাথায় একটা বড় ফাটল ।তখন মানুষের ভির থেকে একজন বললো:- স্যার,ইকানো তো প্রত্যকদিন কানদন হোনা যায় কথাটা বুঝতে কষ্ট হলেও আন্দাজ করে নিয়েছি । দারোয়ান কে জিজ্ঞাসা করলে বলে সে কিছু জানেনা। বাসায় চলে গেলাম । লাশের চিন্তা মাথা থেকে সরাতে পারছিনা। বারান্দা থেকে ঐ বাসাটা স্পষ্ট দেখা যায় । রাতে বারান্দায় এসে দেখি দারোয়ান বোরখা পরা কার সাথে কথা বলছে । আমি ফোন দ্য়ে ভিডিও করে রাখলাম।যদি কোনো কাজে আসে । তখন সেখানে কেউ ছিল না।সকালে বাইরে হাটতে বেরোলাম । দারোয়ান তখন বসে ছিল। রাতের ভিডিওটা দেখিয়ে ভয় দেখালাম। । বললাম ওই বোরখার ভিতর কে ছিল? বলো নাহলে পুলিশকে খবর দিব । সে ভয়ে বললো :- আফা ঐ মেয়েটা আমায় একখান চিঠি ঐ বাসায় দিতে বলছিল। বিনিময়ে টাকা দিতে বলছিল। আমি বললাম ও কি আবার আসবে? দারোয়ান:- কইছে আইবো আমি বললাম আচ্ছা , ওকে তোমার সাথে গল্পে মাতিয়ে রেখ।বখসিস পাবে । এই নাও অগ্রীম ,বলে ১০০ টাকা দিলাম। রাতে বাবাকে সাথে নিয়ে হাতে নাতে ধরলাম। পুলিশকে খবর দিলে আমাকে বললো :- ধন্যবাদ মামনি । আসল আসামীকে খোজার রাস্তা দেখি দেবার জন্য। বাবা সে সময় আমাকে নিয়ে খুব গর্ব বোধ করলেন। সেসময় পুলিশ বাবাকে বললো বড় হয়ে আপনার মেয়ে গোয়েন্দা হবে । সেসময় আমার মুখে মুচকি হাসি ছাড়া আর কোনো কথাই ছিলনা............


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৭৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রহস্য(১)
→ রহস্য(২)
→ জিজেসদের নিয়ে সারার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন[দ্বিতীয় পর্ব]
→ জিজেসদের নিয়ে সারার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন[প্রথম পর্ব]
→ মৃত্যু পুকুর: এক অসমাপ্ত রহস্য
→ রহস্যময় মমি তেতুন খামেন এবং এর অভিশাপ:
→ জলদানব রহস্য_১১
→ জলদানব রহস্য_১০
→ জলদানব রহস্য_৯
→ জলদানব রহস্য_৮

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...