গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

অামি তোমায় ভালোবাসি,তুমিও কী অামায় ভালোবাস?

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MH2 (Mysterious Some one) (৯৫৭ পয়েন্ট)



লেখক: রোমান্টিক MH2 [ অামার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে গল্পটা নিজের জীবণ কাহিনী হিসেবে কল্পনা করে পড়বেন,তাহলে সত্যিকারের মজাটা পাবেন] "অাজ সাত বছর পর অামাদের দেখা,তাই না?" "হ্যা অাজ সাত সাতটা বছর হয়ে গেছে।অনেক দিন পর তোমায় দেখলাম।অনেক বদলে গেছ,অনেক স্মার্ট হয়েছ।" "তুমিও তো অনেক কিউট হয়ে গেছ।তা তোমার কোলের মেয়েটি কে?অার রবিন কোথায়?" "এটা অামার মেয়ে।অার রবিন তোমার পিছনে দাড়িয়ে অাছে" পিছনে ফিরলাম,রবিন অামায় জরিয়ে ধরল।কুশল বিনিময় করলাম।যার সাথে কথা বলছিলাম তার নাম প্রিয়া।ও অার রবিন স্বামী স্ত্রী। "প্রিয়া, তোমার মেয়ের নামটা কী?" "অানিকা নাম রেখেছি ওর অার ওর বয়স এখন ২.৫ বছর।" অানিকা নাম রেখেছে শুনে অামি শক খেলাম।কলেজ লাইফের কথা মনে পরল অামার।অাপনারা তো জানেন না,তাই চলুন অামার কলেজ লাইফে চলে যাই,:: অাজ অামি অনেক খুশি।কারণ অামার অাজ প্রথম দিন কলেজে।অাব্বু অাম্মুর কাছ থেকে দোয়া চেয়ে তারপর অাসলাম।কলেজটা সত্যিই অনেক সুন্দর।চারপাশে ছেলে মেয়েরা অাড্ডা দিচ্ছে।অামি অাামার কলেজে অামার ক্লাস খুজছিলাম।একজনকে জিজ্ঞেস করলাম"ক্লাসটা কোথায়?"সে বলে দিল।অামি ক্লাাসে ঢুকলাম।সামনের সিটে জায়গা পেলাম।বসলাম।কিছুক্ষণ পর স্যার অাসল।অামার রোল কলিংয়ের সময় অাসল, "রোল-১১,মো.(...)" "প্রেজেন্ট স্যার" অামার নাম(....).।বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান।অামি সবসময় খুব হাসি খুশি থাকতেই পছন্দ করি।মন ভালো রাখতে চাই।তাই তো সবসময় হাসি খুশি থাকি। ক্লাসে সবসময় মনোযোগী ছাত্র অামি।যদিও অামি খুব একটা কারও সাথে মিশি না,তবে সবার হাসি কষ্টে সবসময় পাশে থাকতে চাই।অামার সমস্যা অামাকে সবাই খুব ভুল বোঝে।যদিও পরে জানে অামি সঠিক কাজ করি।যাইহোক অনেক কিছুই বললাম।এবার কথায় অাসি, কলেজে ক্লাস শেষ করলাম।অামার পারিবারিক অবস্থা তেমন সুবিধার না,তবুও বাবা মা অামার অাবদার পূরণ করতে চেষ্টা করে।অামিও তারা যেন কষ্ট না পায় তাই বেশি অব্দার করি না।দারিদ্র্য তার কারণে অামি প্রাইভেট পড়তে পারি না,নিজে নিজেই সব কিছু পড়ি,সাথে বাবা মাকে সাহায্য করা তো অাছেই। কলেজে এখন নিয়মিত ক্লাস হয়,টিফিন টাইমে সবাই খেতে চলে যায়,অামি তা পারি না,তাই অামি পানি খেয়ে টিফিন টাইমেও বই পড়তে থাকি। কয়েকদিন পর, অাজ ক্লাস পরীক্ষা হল।অামি ফার্ষ্ট হলাম।সবাই অবাক,তারা এতো প্রাইভেট পরেও ফার্ষ্ট হতে পারল না,অার অামি ফার্ষ্ট হলাম,যাকে কিনা ওরা ছাত্রই মানত না। কলেজের পড়াশোনায় সবচেয়ে ভালো মেয়েটা ছিল প্রিয়া,সকলে ভাবত সেই ফার্ষ্ট হবে।সে ফার্ষ্ট না হওয়াতে অামার উপর খেপে গেল। পরের দিন, অামি টিফিন টাইমে বই পড়ছি।এমন সময় অামার মাথায় কেউ বোতল দিয়ে পানি ঢেলে দিল।অামি চেয়ে দেখি প্রিয়া।পানি ঢালার কারণ হিসেবে বলব,ওইদিন অামি প্রিয়াকে বলেছিলাম পড়া শুধু না বোঝে মুখস্থ করতে নেই,বুঝে বুঝে পড়তে হয়।সেদিন রাগে ও কিছুই বলে নি।অাজ প্রতিশোধ নিল।এমনটা ও করবে অামি ভাবতেও পারি নি,ও শুধু অামার মাথায় পানিই ঢালে নি,অামকে গরীব বলে অপমান করল,বলল তোর পরীক্ষার রেজাল্ট দেখেছিস,তোর চাইতে অামি অনেক ভালো গ্রেড পেয়ে অামি ফার্স্ট গার্ল।অার তুই তো অনেক পিছনে,তুই অামাকে কী করে পড়তে হয় তা শিখাস।ওর বান্ধবীরাও অামকে নিয়ে হাসাহাসি করল।অামার কোনো বন্ধু ছিল না,তাই কেউ অামার পাশে দাড়ায় নি,সবাই হাসছিল।অামি ওইদিন ক্লাস না করেই চলে অাসি। অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা, অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় প্রিয়ার রেজাল্ট খারাপ হয়,ও কান্না করছিল।অামি ওর কাছে গেলাম,ও অামাকে দেখে বকতে থাকল।অামি ওকে বললাম,"দেখ এইবার খারাপ হয়েছে তো কী হয়েছে,এভাবে ভেঙ্গে পড়তে নেই,তাই চেষ্টা করো,চেষ্টা করলে কখনও হারবে না,দেখ পরেরবার অারও ভালো হবে।"ওকে অনেকভাবে বুঝানোর পর ও শান্ত হলো।অামিও চলে অাসলাম।অারও কিছুদিন পর ওর কয়েকটা উপকার করায় ও অামার সাথে মিশতে থাকল। দ্বাদশ শ্রেণী,,,, এবার অামি দ্বাদচ শ্রেণীর ছাত্র।এবার যা পরিবর্তন হয়েছে তা হলো অামি অার প্রিয়া অনেক ভালো বন্ধু হয়েছি,অার অামার অারেকটা বেষ্ট ফ্রেন্ড হয়েছে,তার নাম রবিন।তারা একভাই একবোন।তার বাবাও অনেক বড় শিল্পপতী।প্রিয়ার সম্পর্কে যা জানলাম,তার বাবা একজন ধনী ব্যাবসায়ী। এখন প্রিয়া অামার কাছে অনেক কিছু শেয়ার করে।অামি তার সাথে চলতে চলতে তাকে অামি ভালোবেসে ফেলেছিলাম।তার কথা সবসময় অামার মনে পরত।তাকে অামি অামার কল্পনার রাণী করে ফেলেছি। এই কয়দিনে তাকে অারও কাছে পেতে ইচ্ছে করছে,তাকে অাপন করে নিতে ইচ্ছা করছে।তাই ঠিক করলাম,তাকে অামি ভালোবাসি কথাটা বলব।সে যাই বলুক তাতে অামার ভালোবাসা একটুও কমবে না,কারণ অামি তাকে ভালোবাসি।ভালোবাসি বলব করে করেও অার বলা হয়ে উঠছিল না,২৫ এ এপ্রিল,অামি তাকে প্রপোজ করতে গেলাম।প্রপোজ করব তার অাগেই, অামি:::প্রিয়া কেমন অাছ? প্রিয়া: ভালোই,অাচ্ছা জান তোমার কাছ থেকে অামি কিছু জানতে চাই। অামি::বল প্রিয়া,কী জানতে চাও,অামি জানলে অবশ্যই বলব। প্রিয়া :তাই নাকি?তাহলে ভালোবাসার সংগা দাও। অামি:যখন তোমার কাওকে খুব ভালো লাগে তখন তাকে বলে ভালোলাগা।অার যখন তোমার কাওকে এমন মনে হয় যেন ও তোমার হৃদয়ে গাথা হয়ে অাছে,কল্পনায় সবসময় ওকে দেখতে পাও,তোমার মন ওকে চায়,তুমার ওর কোনো জিনিসই খারাপ লাগে না,তাকেই বলে ভালোবাসা।ভালোবাসা হলো দুই দেহের সাথে এক অাত্মার সম্পর্ক,তুমি ওকে ভুলতে চাইবে কিন্তু ভুলতে পারবে না,এর নাম ভালোবাসা।অারও সংগা চাই? প্রিয়া:: না,তবে বলো,কখন অামি বুঝব অামি কাওকে ভালোবসেছি? অামি বুঝলাম না,কেন ও ভালোবাসার পিছনে অাজ পরল।তবে উত্তর তো দিতে হবে, অামি::যখন তুমার কাওকে এমন মনে হবে যে তুমি তাকে তোমার হৃদয়ে অনুভব করতে পারছ,তোমার হৃদয়ে সে বাসা বেঁধে অাছে,তুমি তাকে তোমার কল্পনায়, স্বপ্নে জাগরণে সবসময় দেখতে পাও,ওর চেহারা কখনও ভুলতে পার না,ওর সব কিছু তোমার কাছে মিষ্টি লাগে,ওর রাগ-ভালোবাসা, পছন্দ অপছন্দ সব তোমার ভালো লাগে,তখন তুমি বুঝবে যে তুমি তাকে ভালোবাস।অার হ্যা,যে তোমায় ভালোবাসে তাকে ভালোবেস,যাকে তুমি ভালোবাস তাকে নয়।তাহলেই সত্য ভালোবাসা পাবে,মনে হবে জীবণে স্বর্গ হাতে পেয়েছ এবং তোমার জীবণ স্বর্গ হয়ে গেছে। প্রিয়া::সত্যই তুমি অনেক সুন্দর করে কথা বলো।তবে অামি একজনকে ভালোবাসি,কিন্তু কিভাবে বলব বুঝতে পারছি না। অামি:সাহস করে ওকে বলো,দেখো ও তোমায় ভালবাসবে। অামি অাসলে ভেবেছিলাম ও অামায় ভালোবাসে, প্রিয়া::কিন্তু তার জন্যতো ওকে প্রপোজ করতে হবে,কিন্তু কিভাবে তা করব? অামি::অামি কখনও কাওকে প্রপোজ করি নি,তবে মোটামোটি জানি, প্রিয়া::তাহলে প্রপোজ করে দেখাও। অামি তো একপায়ে দাড়া।হাটু গেড়ে বসলাম,প্রপোজ করলাম এইভাবে, অামি: জান তোমায় অামার অনেক ভালো লাগে।তোমায় অামি অামার স্বপ্নের পরতে পরতে ছরিয়ে রেখেছি।তেমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শিখেছি,ভালোবাসা যে কী তা জানতে শিখেছি।তেমায় অামি অামার হৃদয় মন্দিরে স্থাপন করেছি।জান তোমায় অামি অামার দেওয়া নতুন একটা নামে ডাকব,যে নামে কেও অার তোমায় ডাকবে না,তোমায় অামি অাপন করে নিব,এতো ভালোবাসব যে তোমার সব কষ্ট দূর হয়ে যাবে।তুমি হয়তো বলবে,ভালোবাসাটা অাবার অাছে নাকি? তাহলে অামি তোমায় বলব,"কে বলে ভালোবাসা হয় না,তুমি অামার চোখে একবার চাও,তোমি ভালোবাসা দেখতে পাবে।জান অামি তোমায় ছাড়া বাচতে পারব না,অামি ১০০% বিশ্বাস করি,অামি তোমায় ভালোবাসি,অামি তোমাকে ভালোবাসি,তুমি অামায় ভালোবাস তো? {সুপ্রিয় পাঠক পাঠিকারা,গল্পটা কেমন লেগেছে,অার অামাী প্রপোজটা কেমন লেগেছে,কমেন্টে বলুন।অার অাপনাকে এভাবে কেউ প্রপোজ করলে অাপনি কী করতেন,বলবেন প্লিজ] চলবে,,,, বিদায়


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৮৫৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ~অমুসলিমদের জন্য মক্কা-মদিনায় প্রবেশ নিষিদ্ধ কেন? এতে কী বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব হুমকির মুখে?
→ বিবর্তনবাদ কী? এবং এটার ভুলগুলো।
→ ~আল্লাহ কী ক্ষমাশীল নাকি প্রতিহিংসা পরায়ন? আল্লাহ কী এখানে বিতর্কিত?
→ ~বিজ্ঞানই কী সবকিছুর সমাধান? যদি তাই হয় তবে ধর্মের প্রয়োজনটা কী?
→ ~ তাকদির বনাম স্বাধীন ইচ্ছা: স্রষ্টা কী এখানে বিতর্কিত?
→ কে বাঁচাবে তোমায়?
→ ~ সৃষ্টির রহস্যের সমাধান! সত্যিই কী সম্ভব?
→ নীল আকাশের রং কী?
→ তোমায় চেয়ে
→ ~~ আল্লাহ কী আসলেই সর্বশক্তিমান? আল্লাহ কী এখানে বিতর্কিত?

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...