গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

বিয়ের আগেই বিধবা

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মরীচিকা (১১৩ পয়েন্ট)



গল্পের নামঃ- "বিয়ের আগেই বিধবা " লেখাঃ- রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন। উৎসর্গঃ -- নকল হিমু । (আরাফাত ) >>>>>>>>> >>>>>>>>> -ওগো আমার প্রিয়তমা, তুমি আমার হলুদ পাঞ্জাবি । >ওলে বাবুটা আমার, তুমি আমার, সোনাপাখি গো! - তুমি আমার জোৎস্না রাতের চাঁদ । >তুমি আমার সদ্য জন্মানো কবুতর! -এই কবুতর বললা কেন? >ভালোবাসি বলে। -ভালোবাসো বলেই কি আমাকে আস্ত একটা কবুতর - আই মিন প্রাণী বানিয়ে দিবে? >তুমি নামেও হিমু, কাজেও হিমু মাথায় গোবরে ঠাসা, কিচ্ছু বুঝোনা, সদ্য জন্মানো কবুতরকে তার মা কত আদর করে জানো? কত কেয়ার করে জানো? আর এটা না বুঝে বকবক করছো ! যাও তোমার সাথে ব্রেকআপ!!! -ওহ এবার বুঝতে পারছি । সরি হিমি। >সরি টরি চলবেনা যাও। হিমু একটু নিরব হয়ে গেলো ----- কারো কোনো শব্দ নেই। হিমি রাগে অন্যমুখ হয়ে আছে। হিমি রাগ করলে কঠিন নিঃশ্বাস ফেলে -এটা হিমু আবিষ্কার করলো আবারো। হিমু বলল, হিমি রাগ করলে তোমার গালগুলো লাল হয়ে যায়। আর তোমাকে অনেক সুন্দর দেখায়। মায়াবী লাগে। মনে হয় তোমাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে রাখি। "হিমি একটু খুশি হল । মুখটা হিমুর দিকে ফেরালো, মিষ্টি একটা হাসি দিয়ে বলল কাছে আসো পাগলা হিমু। হিমু ভয় পাচ্ছে যেতে। কিছুক্ষণ আগে যে মেয়ে সাপের মতো ফুসছিলো, সে মেয়ে হাত বাড়িয়ে ডাকছে । নিশ্চয় ছোবল দেওয়ার ধান্ধা। হিমু বলল, চড়-টর দিবা নাতো? >উফফ এই রোম্যান্টিক মুহুর্তে কি বলো? মেজাজটা তো গরম করে দিলি কবুতরের বাচ্চা ! (রাগে) হিমু ভাবলো ভালোবেসে হয়তো কবুতরের বাচ্চা বলছে। কিন্তু তুই করে বললো কেন? হিমুঃ- হিমি তুৃ--তুমি রাগ করলে ভালো লাগে৷ কিন্তু বেশি রাগ করলে পুরো হরর স্টরির পেত্নীর মতো লাগে । হিমি ডাকছে ---এদিকে আয়। হিমু যাচ্ছে না । মনে মনে বলল জ্বিনে টিনে ধরছে নাকি । হিমি কষিয়ে গালে আদর করে দিলো। মনে হচ্ছে লজ্জা রাঙা নয়া বউ। দুই গালে হাত দিয়ে দাড়িয়ে আছে হিমু । হিমি আবার অন্যমুখ হয়ে আনমনা হয়ে দাড়ালো কানটা অবশ্য হিমুর দিকেই খাড়া । কিছুক্ষণ নিরব-- হিমুঃ- এ্যাই তুমি আমাকে মারলে কেন? (জোরে) হিমিঃ- মুখ ফিরিয়ে দাত বের করে ইয়া বড় হা করে কামড়ানোর জন্য তেড়ে আসলো.... হিমু সোজা দৌড় দিলো। ভয়ে জুতা ফেলেই চলে গেছে । হিমি তার বাসায় চলে গেছে একটু পরেই । হিমু অবশ্য ততক্ষণে উকি দিচ্ছিলো যে,হিমি এখনো আছে কিনা! নাহ হিমি নেই , চলে গেছে । যাক বাবা রাক্ষসের হাত থেকে বাঁচা গেল থুক্কু পেত্নীর হাত থেকে । হিমু তার জুতা খুঁজতে লাগলো এদিক সেদিক । কোথাও জুতার ফিতাও নেই৷ যাইহোক খালিপায়েই বিখ্যাত হাটা দিলো --উল্টো দিকে৷ গাড়ির হর্ণে অবশেষে সোজা হল । এবার সোজা হয়ে হাটছে। পথে নিমির সাথে দেখা হল। --আরে হিমু ভাই যে। খালি পায়ে কোথায় গিয়েছিলেন? -এইতো এই গরমে মাথার চাঁদি গরম হয় তো। তাই প্রাকতিক হাওয়া খেতে ঘুরছিলাম। কিন্তু তবুও মাথা গরমই আছে। --হিমু ভাই এতো মিথ্যা বলেন কেন?আমি স্পষ্ট দেখতেছি আপনি পার্লারে গিয়েছিলেন! -পার্লারে???? --হুম। আপনার গালে তো মেকাব মারা হয়েছে বুঝা যায় । লাল হয়ে আছে। অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে আপনাকে। হিমুর তো করুন অবস্থা । তার এখন কাঁদতে ইচ্ছে হচ্ছে ৷ কিন্তু রাস্তাঘাটে হিমুরা কাঁদে না৷ পরিবেশ আছে তো একটা । তাই হিমু বলল --- - আজ বিকালে আমাকে পাত্রীপক্ষ দেখতে আসবে তো৷ তাই একটু মেকাব করে এলাম। +-বলেন কি? হিমু আর কথা না বাড়িয়ে চলে গেল। বাসায় গিয়ে সেকি কান্দন। বলাই বাহুল্য । তুয়ালটা ভিজিয়ে ফেলছে। এদিকে নিমি তার বোন হিমিকে ফোন করলো +----- ট্রিট _ট্রিট_ট্রিট।। হ্যালো নিমি বল! --আপু হিমু ভাইকে আজকে বিকালে মেয়েপক্ষ দেখতে আসবে। >হোয়াট?? কি বলিস? আবোলতাবোল কি বলিস? --নারে আপু, হিমু ভাই নিজে বলল। >তা কি বলল? --হিমু ভাই পার্লার থেকে মেকআপ করে আসতেছিলো৷ পথে দেখা হল৷ আমি জিজ্ঞেস করতেই বলল, পাত্রীপক্ষ দেখতে আসবে। তারপর চলে গেল। মনে হলো অনেক তাড়াআছে তার। হিমি এখন খুবই চিহ্নিত৷ ভাবছে হিমুকে ওভাবে মারা ঠিক হয়নি। মেয়ে মানুষের এতো রাগ মানায় না। কোন পাগলে যে ভর করেছিলো ধ্যাৎ!!ভাল্লাগেনা । বিকালে হিমি দৌড়ে হিমুর বাসায় গেল। হিমুর ঘরের দরজা এখন ভেতর থেকে বন্ধ । এই সময়ে সচরাচর বন্ধ থাকার কথা না। তাই একটু খটকা লাগলো হিমির কাছে। কানটা খাড়া করলো দরকার কাছে। যুবতি বউদের কান্নার মতো শব্দ হচ্ছে ৷ সাউন্ডটা খুবই কম৷ বর বউকে পেটাইলে হিচকি তুলে যেমন কাঁদে । ওরকমভাবে কাদছিলো হিমু। হিমি সবটা বুঝতে পারছেনা। তার মাথায় ঘুরছে মেকাব করার কথাটা। রাগও শরীরে মেচমেচ করছে অবশ্য । কিন্তু আপাতত নিয়ন্ত্রণে আছে। দরজায় টোকা দিল --- হিমু কান্না থামিয়ে দিলো৷ চোখমুখ ভালো করে মুছে ফেলল। দরজাটা ধীরে ধীরে খুলে দিলো। দেখল হিমি দরজার সামনে। হিমু সাথে সাথে ৩ফুট দূরত্বে পিছিয়ে খাটে ধপাস করে বসে পড়ল। হিমি ভেতরে ঢুকলো৷ হিমি হিমুকে ভালো করে চুপচাপ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখছিলো। মনে হচ্ছিল - পুত্রের জন্য পাত্রী যাচাই করতে এসেছে । হিমি বলল,কি হয়েছে কাদছো কেন? চলবে কি??? [ গল্পটি কাউকে অপমান বা ছোট করার জন্য লেখা হয়নি৷ কেউ সিরিয়াসলি নিবেননা। মজা করে লেখা এই গল্পটি । যাকে নিয়ে লেখা ,আগেই তার অনুমতি নেওয়া হয়েছে। গল্পটি পড়ে ডিজিটাল বা নয়া হিমুর রসটা কেমন? আপনারা আপনাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেন এবং ভূল-,ত্রুটি ধরিয়ে দিতে পারেন ] ----কাব্য কথা


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১১৫০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বিয়ের পর ভালোবাসা 2
→ বিয়ের পর ভালোবাসা 1
→ বিয়ের আগে প্রেম হারাম
→ বিয়ের পর অলিমা করতে হয় কেন
→ বিয়ের বাড়ি
→ বিয়ের রাত
→ বিয়ের রাত
→ বিয়ের আগে বাচ্চার নাম
→ বিয়ের প্রথম দিকে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...