গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

বিজ্ঞান ডেকে আনছে আজ মহাবিপদ

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ধূসর মরুভূমি[ মফিজুল ] (৩০ পয়েন্ট)



আসসালামু আলাইকুম।। এক ব্যক্তির পুএ শিক্ষিত হয়ে বেশী বুদ্ধির কারণে এক সময়ে তার পিতা-মাতাকে অস্বীকার করে বসে।বিজ্ঞানীরাও তদ্রূপ বেশী জ্ঞানের গোলক ধাঁধায় পড়ে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে পর্যন্ত অস্বীকারের ধৃষ্টতা দেখাতে চায়।অথচ বিজ্ঞান এ পর্যন্ত যা আবিষ্কার করেছে তার মধ্যে মানব কল্যাণের তুলনায় অকল্যান ও ধ্বংসের মাএাই অধিক। পারমাণবিক বোমার ধ্বংস ও বিপর্যয় যদি এক পাল্লায় তোলা হয়,অপর পক্ষে কল্যাণধর্মী সকল আবিস্কারের অবদান বিপরীত পাল্লায় রাখা হয়, তাহলে দেখা যাবে প্রথমটির ওজন কোটি কোটি গুণ বেশী।হিরোশিমা নাগাসাকির তান্ডবালীলা তার বাস্তব সাক্ষী।বস্তুতঃ পারমাণবিক বোমা আজ পরাশক্তির হাতিয়ার বৈ নহে।কি করে দুর্বল জাতি ও অপেক্ষাকৃত শক্তিহীন দেশগুলোকে নিজেদের আধিপত্য বলয়ে আবদ্ধ রাখা যায় এবং এ সুবাদে দুর্বলের উপর অর্থনৈতিক শোষণ স্থায়ী করার নৈপুণ্য সুযোগ পাওয়া যায়,পারমাণবিক বোম মূলতঃ তারই গ্যারান্টি মাএ। বিজ্ঞানের এ আবিস্কার বিশ্ব শান্তির পক্ষে কত যে মারাত্মক ও ভয়াবহ হুমকি, সে কথা বুঝিয়ে বলা নিষ্প্রয়োজন।১৯৪৫ সনে মার্কিন পারমাণবিক প্রকল্প প্রধান ওপেন হাইমার ও আইন্সটাইনসহ সমকালীন বিশ্বের দু'শত বিজ্ঞানীর বোম না ফুটানোর আবেদনের প্রতি লক্ষ্য করে জোর গলায় বলতে বাধা নেই।বিজ্ঞান মানবজাতির সেবক নয়,প্রানহারী ঘাতক।শান্তির সহায়ক না হয়ে তা মানবজীবন লুট করে খায়,ডাকাত শুধু ডাকাত। তবে তার যতটুকু ভালো ও কল্যানময় দিক আছে আমরাও তা স্বীকার করি।বিজ্ঞানের সদ্যপ্রসূত পারমাণবিক দস্যু তার যাবতীয় কল্যাণ,সেবা আর উপকরণকে ইসরাফীলী ফুৎকারের প্রলয়ঘাতে নস্যাৎ করে দিয়েছে। মারণাস্ত্রের আঘাতে তিন লাখ জাপানীকে আজরাইলের হাতে সঁপে দিয়ে, অতিরিক্ত কয়েক লক্ষ বনী আদমকে পঙ্গু বানিয়ে এমন কি মিসাইলের আঘাতে কোরিয়ান ও ইরানী যাএী বিমান যথাক্রমে চীন সাগরে আর পারস্য উপসাগরে ডুবিয়ে দিয়ে বিজ্ঞান তার তিলিসমাতি কান্ড ভূমিতে সম্পন্ন করেছে। অতঃপর মঙ্গল গ্রহ পেরিয়ে তার উর্ধব গমনের সীমাহীন অনুশীলনের চমক দেখিয়ে, নিরান্তর গবেষণার পর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে, সম্ভবত আরো কিছু অমঙ্গল ঘটাতে বুধ- বৃহস্পতি ছাড়ানো যায় কিনা।মহাশূন্যে প্রাণীর অস্তিত্ব আছে কি নেই, এসব তার এখনকার জানার বিষয়। কিন্তু তাই বলে সে একেবারে নির্ভর তা নয়। তার ভয় হল কোন এক পর্যায়ে আকাশ ভেঙে পড়ে কিনা।যদি তাই হয় তাহলে গগন ভঙ্গ ঠেকানোর উপায় কি? বিজ্ঞান এখন সে ভাবনায় ব্যাকুল।মারণাস্ত্রের আঘাতে কল্পিত সে ভঙ্গন রোধ করতে পারে কিনা।অগত্যা ভেঙেই যদি গেল তখন কম্পিউটারের আঠা দিয়ে আকাশের ভাঙা টুকরা সম্পূর্ণ জোড়া না-ই হোক অন্তত একটা তালিও দিতে পারে কিনা; বিশ্ববাসী সেটা দেখার অপেক্ষায় বসে আছে। তবে এ পর্যায়ে একটা দৃষ্টান্তের উল্লেখ অপ্রাসঙ্গিক হবে বলে মনে হয়না। কথিত আছে, রাতে ঘুমানোর সময় উপর দিকে পা দিয়ে ঘুমানো "মাছরাঙা" পাখির জন্মগত স্বভাব। কেউ এর কারণ জিজ্ঞেস করলে সে বললঃ নীচে আমার ডিম আছে তো,আল্লাহ না করুন ঘুমের ঘোরে আকাশ যদি ভেঙে পড়ে তাহলে ডিম তো আস্ত থাকার উপায় দেখি না।তাই ঠ্যাং উপরে তুলে নিরাপত্তার পাক ব্যবস্থা করে শুতে যাই।দুর্মুখের ভাষায়- বিজ্ঞানের অবস্থা মাছরাঙার সাথে মিলে যায় কিনা সেটাই দেখার বিষয়। ❀ সংগৃহীত ❀


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৩১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আজও মনে গভীর বনে
→ সভ্য সমাজ কই আজ? এই দায়ভার কে নেবে??
→ ✳হিসাববিজ্ঞান ভাষায় প্রেম পত্র✳
→ আজব ভালোবাসা
→ আজমির দরগা আক্রমন
→ কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই
→ মৃত্যু শয্যায় মহাবীর আলেকজান্ডার তার সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন,'
→ কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
→ ~বিজ্ঞানই কী সবকিছুর সমাধান? যদি তাই হয় তবে ধর্মের প্রয়োজনটা কী?
→ আজও অদেখা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...