গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

সাদ্দাম হুসেইন:ইরাকের কান্না

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আহনাফ জাহিন (২ পয়েন্ট)



ধৈর্য সহকারে পড়বেন...... সাদ্দাম হোসেন সম্পর্কে জানার আগে কিছু বলা দরকার। প্রয়াত প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের কথাই সত্য হয়েছে। ইরাক এখন বিশৃংখল একটি দেশ। ব্যর্থ রাষ্ট্র বলে অনেকেই আখ্যায়িত করেন এ দেশটিকে। ভয়াবহ আকারে রয়েছে সহিংসতা। ইরাক আগ্রাসন থেকে সেখানে মারা গেছেন কমপক্ষে দুই লাখ মানুষ। এসব পূর্বাভাষ সিআইএর কর্মকর্তা জন নিক্সনকে বলেছিলেন সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেছিলেন, ইরাক শাসন করা অতোটা সহজ নয়। আসলেও তাই ঘটছে এখন। সাদ্দাম হোসেনকে অনেকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন জন নিক্সন। তা নিয়েই তিনি লিখেছেন দ্য ডেইলি মেইলে। তাতে তিনি বলেছেন, প্রয়াত প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন ও ইরাক সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র অনেক ভুল করেছে। তার সঙ্গে অনেকবার কথা হয়েছে সাদ্দাম হোসেনের। এখন সেই জন নিক্সন বলছেন, ইরাকে আগ্রাসন চালানোর ক্ষেত্রে অনেক দিন থকে মারাত্মক ভুল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯শে ডিসেম্বর এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। শুরু করা যাক...... আরব বিশ্ব তখন কেবল স্বাধীন হয়েছে ওসমানিয়দের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা এবং ব্রিটিশ-ফরাসি সাথে আতাতগড়ে তুললে নিজেরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করে নিজেরা রাজা বলে রাজপরিবার গঠণ তৈরী করে। এরা তারা যাদের পূর্বপুরুষ ব্রিটেনে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয়ে ওসমানিয় রাজ সভায় বড় বড় পদ পেয়েছিল। ইরাক, লিবিয়া, ইরান, কাতার, কুয়েত, জর্ডান, ইয়েমেন, সৌদি। তবে কিছু দেশে কিছু দেশপ্রেমিক মেরুদন্ড সম্পন্ন কিছু ব্যক্তিরা ছিলেন। ফরাসি দালালি করলেও হাফিজ আল আসাদ যথেষ্ঠ মেরুদন্ড সম্পন্ন ছিলেন এবং সিরিয়াতে রাজতন্ত্র না করে অনেকটা সমাজতন্ত্র করে তোলেন। এর পর একে একে ইরাক, ইয়েমেন, লিবিয়ার এবং সসব শেশেষে ইইরানের কিছু মেরদন্ড সম্পন্নব্যক্তি তাদের মেরদন্ডহীন রাজাদের উৎখাত করে ক্ষমতা গ্রহণ করে। সৌদিরা প্রথমে ব্রিটিশ অনুগত থাকলেও তারাও নিজেদের সাহসিকতায় নিজেদের নেতৃস্থানীয় স্থানে নিয়ে যায়। তবে সৌদিদের মহান ইতিহাসের ইতি ঘটে বাদশাহ ফয়সালকে ষড়যন্ত্র করে বর্তমান আজিজ পরিবারের দ্বারা হত্যার মধ্য দিয়ে। এইসেই সৌদি যারা তাদের আরব ভাইদের রক্ষার্থে ইসরাইলকে শিক্ষা দিতে ১৯৭৩ সালে মার্কিনীদের বিরুদ্ধে তেল অবরোধ দিয়ে তাদের অর্থনীতি গুড়িয়ে দিয়েছিলো । অথচ্ আজ আজিজ আল সৌদ পরিবার তাদের ইতিহাস ফয়সাল আল সৌদ পরিবারের ইতিহাস ভুলে ইসরাইলের বিরুদ্ধে কথা বলায় নিজ পরাবারের মানুষদের বন্দি রাখছে। যাহোক এসব বিতর্কিত কথা বাদ দিই। যাহোক ক্ষমতায় অসীন হওয়া সেসব যুবকদের একজন ছিলেন সাদ্দাম হোসেন। প্রথমে সাদ্দাম হোসেন জেনারেল আহমেদ হাসান আল বকরের উপ-রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সেই সময় সাদ্দাম দৃঃঢ় ভাবে সরকার ও সামরিক বাহিনীর মধ্যকার বিরোধের অবসান ঘটান। এই উদ্দেশ্যে তিনি নিরাপত্তা বাহিনী গঠন করেন। ইরাকের রাষ্ট্রপতি ও বাথ পার্টির প্রধান হিসেবে সাদ্দাম হোসেন আরব জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ধর্ম নিরপেক্ষ ও আধুনিক ইরাক গড়ে তুলতে প্রয়াস নেন। সাদ্দাম এক দলীয় শাসন কায়েম করেন। এসময়ই সাদ্দাম ইরানের সাথে ৯ বছরের যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন (১৯৮০-১৯৮৮)। ইরাক-ইরান যুদ্ধের পরে ১৯৯১ - এ সাদ্দাম উপসাগরীয় যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন। সাদ্দাম তার মতে ইরাকের স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধের সকল পক্ষকে নির্মুল করার উদ্যোগ নেন। এই বিরুদ্ধ পক্ষে ছিল উপজাতীয় ও ধর্মীয় গোত্র গুলো যারা স্বাধীনতা দাবি করছিল। যেমন, ইরাকি শিয়া মুসলমান, কুর্দি, ইরাকি তুর্কি জনগন। ২০০৩ সালে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে কতিপয় আন্তর্জাতিক রাষ্ট্র ইরাক আক্রমণ করে। তারা এই যুক্তি দেখিয়ে আক্রমণ করে যে, সাদ্দাম ব্যাপক ধ্বংসাত্বক জীবানু অস্ত্র তৈরি করছেন (যদিও যুদ্ধ পরবর্তি সময়ে এমন কোন অস্ত্রের হদিস পাওয়া যায় নাই)। ১৩ডিসেম্বর, ২০০৩, সালে সাদ্দাম হোসেন আমেরিকান সেনাদের কাছে ধরা পড়েন। পরবর্তিতে আমেরিকা ইরাকি সরকারের হাতে সাদ্দাম হোসেনের বিচার করে। সাদ্দামের বিরুদ্ধে ছিল মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ইরাকি সময় সকাল ৬.০৬ মিনিটে ঈদের দিন অন্যায়ভাবে সকল মানবাধিকারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বুশের নেতৃত্বে ইরাকে সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি কার্যকর হয়। উল্ল্যেখ্য সাদ্দামের মার্কিন বাহিনীর যেসব সদস্য তার পাহারায় ছিলো তারা আবেদন জানিয়েছিলো ইদের দিন ব্যতিত ফাসি কর্যকরের(যদিও তা শোনা হয় নি)। ফাসি কার্যকরের পর ইরাকের বিভিন্ন উন্মাদ জনগণ আনন্দে উল্লাসিত হয়েছিলো। সাদ্দামের লাশকে আঘাত করেছিলো(ইসলামে মৃত মুসলিম ব্যক্তির লাশে টোকা পর্যন্ত দিতে নেই)। যদিও একমাস পর তাদের সে হাসি আর কোনোদিন দেখা যায় নি। পানি বিদ্যুত আর বিমান হামলা থেকো বাচার আকুতি নিয়ে বারবার আমেরিকার দিকে চেয়ে থেকেছে তাদরর গণতন্ত্রপন্থি রাষ্ট্রপতির দিকে চেয়ে থেকেছে। টিভিতে তাদের দাতকেলানি হাসি আমি দেখি নি। আন্দোলন হয়েছে, তবে তা পানি, খাবারের জন্য। চিকিৎসা, শিক্ষার কথা বাদ দিলাম। (যা নিয়ে কোনো চিন্তাই সাদ্দাম আমলে ছিলো না) এতটুকু সবাই কম বেশি জানি।...... এবার এমনকিছু বলি যা আদৌ অনেকের মনে প্রশ্ন জাগায়..... ১ কুয়েত যুদ্ধ কিজন্য করেছিলো, ইরানে কেনো হামলা করেছিলো... ইরান হামলাটা পরে বলবো আজ কুয়েত যুদ্ধ নিয়ে বলবো..... মিশরে গামাল আবদেল নাসেরের প্যান-আরব জাতীয়তাবাদ অঘোরে সাদ্দাম মত তরুণ Ba'athists প্রভাবিত. নাসের উত্থানের ইরাক, মিশর, লিবিয়া ও রাজতন্ত্রের পতন সঙ্গে 1950 ও 1960-এর দশকে মধ্যপ্রাচ্যের সর্বত্র বিপ্লব ঘটে ক্ষমতায় দখলে নেয় তৎকালীন মেরদন্ড সম্পন্ন দেশপ্রমিক কিছু যুবক, ২০০৩ সালের ২০ মে তার পতনের সূত্রপাত ঘটে আর তার ইতি ঘটে ২০১১ সালে জেসমিন বিপ্লবের মধ্য দিয়ে............... ফলাফল সেসব মেরুদন্ড সম্পন্ন ব্যক্তিদের হত্যা পতন এবং মার্কিন উপনিবেশ স্থাপন। ইরাক ১৯৯১ সালে কুয়েতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। কারনটা কি শুধুই তেলক্ষেত্র দখলের জন্য ছিলো???? না... কাহিনী শুরু আরও আগে। ইরাক দীর্ঘ ৮বছর ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। (একাহিনী আর একটা আর্টিকেলে বলবো)। পশ্চিমা মিডিয়া কুয়েতকে মজলুম আর ইরাককে জুলুমবাজ হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকে। তখন সবে মাত্র ইরাক ইরান যুদ্ধ সমাপ্ত হয়েছে। নানা ষড়যন্ত্রে পতিত ইরাক যুদ্ধে করুনভাবে পরাজয়বরণ করে, এবং সৌদি আর রাজতান্ত্রিক দেশগুলো সাদ্দামের ওপর প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হয়। ইরান যুদ্ধ ষড়যন্ত্র ছিলো , সেটা পরে সাদ্দাম বুঝতে পেরেছিলো। এযুদ্ধে ইরাককে সব থেকে বেশি যে উসকেছিলো সেটা হলো কুয়েত। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ইরাককে যুদ্ধের জন্য সহায়তা দিয়েছিলো। কিন্তু যুদ্ধ শেষে কুয়েত ইরাকের কাছে তারা প্রাপ্য টাকা ফেরত চায়। যদিও তা অনুদান হিসেবে দেয়া হয়েছিলো। ইরাক প্রচুর দেনা হয়ে গেছিলো। তারা কুয়েত সহ আরবের কাছে লোন শোধের জন্য সময় চায় না হলে তেলের উৎপাদন কমিয়ে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২৫ ডলার বাড়ানোর অনুরোধ করে। কুয়েতের তৎকালীন আমির ইরাকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তিন মাসের আল্টিমেটাম দেয় অনেকটা এরকম "ইরাক তিনমাসের মধ্যে কুয়েতের প্রাপ্য শোধ করবে দরকার হলে প্রয়োজনে ইরাক তার মেয়েদের বিক্রি করে টাকা শোধ করতে বাধ্য থাকবে" সাদ্দাম হোসেনের পক্ষ থেকে উত্তরটা এমন ছিলো " ইরাকের মেয়েরা ভোগ্য পণ্য নয় , যে তাদের বিক্রি করা হবে। ইরাক আর তার শাসক গোষ্ঠি এখনও এতটা দূর্বল হয় নি যে কোনো বাইরের দেশ তাদের বিক্রি করে দেবে, আর ইরাক তা চেয়ে চেয়ে দেখবে। যদি আরবদের জন্য ইরাক যুদ্ধ করতে পারে, নিজ দেশের কন্যার সম্মান বাচাতে যেকোন দেশকে গুড়িয়ে দিতে পছপা হবে। প্রয়োজনে সম্মানিত আমিরকে তার আমিরাত শুদ্ধ ইরাকের মেয়েদের পায়ে তলায় ইরাক নিয়ে আসবে।" যখন এরকম উত্যক্ত বাক্যবিনিময় হচ্ছিলো তখন মার্কিন সরকার একটা চাল চালে অনেকটা এরকম """"সাদ্দাম হোসেন ১৯৯০ সালের ১৭ জুলাই এক বিবৃতিতে ইরাকের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চলছে বলে উল্লেখ করে। আর এই বিবৃতির পরই ইরাকের একদল সেনা সীমান্ত বিরোধের অজুহাতে কুয়েত সীমান্তের দিকে যায়। সাদ্দাম সরকারের এইসব তৎপরতার ব্যাপারে মার্কিন সরকারের নীতি ছিল দ্বিমুখী ও কপটতাপূর্ণ। ফলে সাদ্দাম সরকারের মধ্যে এ ধারণা জন্ম নেয় যে, ইরাক কুয়েত দখল করে বসলে মার্কিন সরকার সম্ভবত কোনো হস্তক্ষেপ বা আপত্তি করবে না। যেমন, ১৯৯০ সালের ২৪ শে জুলাই মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন মুখপাত্র বলে: কুয়েতের সঙ্গে মার্কিন সরকারের কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই এবং কুয়েতের ব্যাপারে আমেরিকার কোনো ধরনের প্রতিরক্ষামূলক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত অঙ্গীকারও নেই।"" কুয়েত বিনা উস্কানিতে ইরাকী বাহিনির ওপর গোলা নিক্ষেপ করলে কয়েকজন সাধারন ইরাকী নাগরিক হতাহত হয়। সাদ্দাম মার্কিন প্রতিনিধিদের হঠকারী বক্তব্যে এটা ধরে নেয় মার্কিননীরা ইরাক কুয়েতের ব্যাপারে নাক গলাবে না। কোনো বিশ্লেষকের মতে ১০লক্ষের(২০০৩ এ তা ৬লক্ষে নামিয়ে আনা হয়) মত সেনা আর বিশাল অস্তর ভান্ডারে সমৃদ্ধ ইরাক সবার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিলো। যাহোক ১৯৯০ সালের ২রা আগস্ট ইরাকী বাহিনী কুয়েত হামলা করে, ১৩ ঘন্টায় সমগ্র দেশের ওপর কতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে আলকাজিম নামে নতৃন প্রদেশ হিসেবে দেশটি দখল করে নেয়। বাকি ইতিহাস সবাই জানেন। """ আমি সাদ্দাম ভক্ত নই। তার নিতি সব সঠিক ছিলো না। পেশি শক্তি সর্বদা কাজে লাগে না। তিনি কারো প্ররোচনায় করুক বা নিজ ইচ্ছায় করুক ইরানের নীরিহ জনগণকে হত্যা করেছেন, অন্যায়ভাবে কুয়েতকে দখল করেছেন। তবে আমার প্রশ্ন কুর্দিদের হত্যা করে কি তিনি খুব ভুল করেছিলেন??? আজ যদি বাংলাদেশের উপজাতি চট্টগ্রাম স্বাধীন চায় আর সরকার তা ড্রতিরোধ করে তা কি খুব অন্যায়। ইরাকের তেল সম্পদ মার্কিনীদের হাতে তুলে দিতে সবার আগে ছিলো এই কুর্দিরা। তুরস্ককে অশান্ত করেছে এই কুর্দিরা। এই সেই কুর্দি যারা ইসরাইলকে স্বীকা করে। সাদ্দামকে প্রায় টিভিতে আদালতে একটা ফাইল নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় যেটা তার শেষ ভাষণ ছিলো আদালতে সেখানে অল্প কিছু কথা বললাম তার ভাষা মতে, "আমি লজ্জিত নই যা আমি করেছি, আমি কুর্দিস্তানে সন্ত্রসীদের হত্যা করেছি, যারা ইরাককে বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েছিলো, যারা ইরাকে অশান্তি সৃষ্টি করতে চেয়েছিলো। আমি সেই কুয়েতকে উপযুক্ত শিক্ষা দিয়েছি যারা ইরাকের মেয়েদের রাস্তায় বিক্রি করতে চেয়েছিলো। আমি মরু ইরাককে সবুজ করার চেষ্টা করেছি। আমি সব কাজ সঠিক করি নি, ভাবে কিছু কাজের হয়ত অন্য পথ ছিলো। কিন্ত আমাকে তারা সময় দেয় নি। বাধ্য করেছিলো নিষ্ঠুর হতে। কিন্তু আমি যা করেছি তা ইরাকের জন্য। আমার ইরাকে খাবারের, শিক্ষার,চিকিৎসার অভাব ছিলো না। আমি ইরাকের তেল সম্পদকে বাইরের কারো কাছে বিক্রি করি নি। আমি দেশের সাথে বেঈমানী করি নি। দেশকে নিতে চেয়েছি আরবের সর্বোচ্চ স্থানে....." যেসব মার্কিন বাহিনী তার পাহারায় ছিলো তারা সাদ্দামের ফ্যান হয়ে গিয়েছিলো। তার খাবার দাবারের দিকে তারা নজর রাখতো। ইরাকের এক অটোমোবাইল মিস্ত্রি আক্ষেপ করে বলেছেন "" আমি সাদ্দামের পরিবারের গাড়ি সারতাম, সাদ্দাম আমার পরিবারের দুজন সদস্যকে হত্যা করেছে। যেদিন সাদ্দামের মুর্তি গুড়িয়ে দেয় আমিও সেদিন তা ফেলেছিলাম। ইরাকে আজ সাদ্দাম নেই কিন্ত ইরাক আছে সেখানে জন্ম নিয়েছে হাজারো সাদ্দাম যারা চায় ক্ষমতা, অর্থ, মানুষ যাদের কাছে তুচ্ছ। আমি খালি বলি "ফিরে এসো সাদ্দাম। যদি কোনোদিন সাদ্দামের মুর্তি পুণরায় স্থাপন করা হয় আমি যে হাতে তা ফেলেছি সেই হাতে তা নতুন করে স্থাপন করবো। (বিডি নিউজএক্সপ্রেস, গুগল) বাগদাদের এক ফলবিক্রেতা আজও ইরাকে ব্যান হওয়া সাদ্দাম আমলে দিনার রেখে দিয়েছে(১০দিনার), তিনি বলেন "এই একটা দিনার দিয়ে একদিন বাজারের ট্রলি ভরে যেতো, এখনকার ইরাকের দিনার দিয়ে ১বোতল পানিও হয় না। আমি যেখানেই সাদ্দামের ছবি সম্বলিত তান আমলের দিনার পাই সেখান থেকে তা কিনে নিজের কেছে রেখে দিই " একিদন তার ছবিতে লাথি দিয়ে শান্তি পেতাম আজ তার ছবি বুকে রেখে শান্তি পাই। ইরাকের অর্থনীতি কত পরিবর্তন ঘটেছে তা সহজেই অনুমেয়। যাহোক , এইপোস্টের কিছু বিভিন্ন সোর্স থেকে কপি করা। অধিকাংশ হাতে টাইপ করা।©সমরাস্ত্র পরিচিতি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ কান্না
→ মৃত্যুর কান্না
→ একটি আত্তার নিরব কান্না
→ 18 বছর বয়সের হাসি কান্না
→ পদস্খলিত ভালোবাসা... এবং কিছু অব্যক্ত কষ্ট আর কান্না!!
→ বকের কান্না
→ কান্না
→ ভালোবাসা না চাপাকান্না
→ কান্না-৯৫৬

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...