গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

The king of darkness 3

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Jubayer Ahmed (০ পয়েন্ট)



The king of darkness পার্ট ঃ- ৩ জুবায়ের আহমেদ আগের পর্বের পর ফারহান বললো ঃ- আপনি কি বলছেন আমি বুঝতে পারছি না।আপনি কি আমাদের বিষয়টা বুঝিয়ে বলবেন। বৃদ্ব বলতে শুরু করলো,,,,,,,,,,,,, বৃদ্ধ লোকঃ- তোমাদের কি সত্যিই কিছু মনপ নেই? তাহলে শোন---- আমি হলাম আলী বিন সুফিয়ান। আর তুমি আমার ছেলে ইরফান ( সাহেদ), তুমি আমার বড় ভাই এর ছেলে জায়েদ(ফারহান), তুমি আমার ছোট ভাই এর ছেলে ইসহাক(আসাদ) আর তুমি হলে আমার মেঝো ভাই এর মেয়ে লিজা। তোমরা চারজন সর্বদা একসাথে থাকতে। আমরা ছিলাম রাজ পরিবারের সদস্য।আমার চাচা ছিলেন আমাদের দেশের রাজা।তারজন্য আমরা সবাই ছিলাম যুদ্ববিদ্যায় পারদর্শী। আমাদের বংশের একটা রিতি আছে।আমাদের বংশের প্রত্যেক উত্তরাধিকারী একটা করে আংটি পায়। যার থাকে অকল্পনিয় ক্ষমতা। আমাদের বংশের সবাই কালো রাজ্যের সাথে যুদ্ধে মারা যায় শুধু আমি ছাড়া।তোমরা ছোট থাকার কারনে যুদ্ধে যাও নি। নইলে তোমরা চারজনই মারা পরতে। আমি তোমাদের একটি ছোট কালো বাক্স এবং একটি বড় বাক্স দিয়ে বলেছিলাম এইটা কোথাও লুকিয়ে রাখতে।আর তোমরা সেই যে গেলে আর ফিরে এলে না।আরেকটা কথা, তোমরা তোমাদের বংশীয় বিশেষ শক্তি পেয়েছিলে।আর তার জন্য তোমরা হয়ে উঠেছিলে সেইসময়ের সবচেয়ে বড় যোদ্ধা।তবে তোমরা সেই আংটি পাও নি। বলেই বৃদ্ধ তাদের হাতের দিকে তাকালেন।মৃদু হেসে বললেন, এটা তো হবারই ছিল। আসাদ বললোঃ- তাহলে আপনার আংটি কোথায়? বৃদ্ধঃ- আমার আংটিটি একটু আগে পর্যন্ত ছিল। যার কারনে আমি এতো বছর বেচে ছিলাম।তোমরা তোমাদের আংটি পেয়ে গেছো এতে আমি মুক্ত। ফারহানঃ- কিহ! বৃদ্ধ ঃ- তোমরা যখন আংটি পেলে তখনই আমার আংটিটা ধোয়া হয়ে যায়।আর তোমাদের অতীত বলার জন্য আমি এতোবছর অপেক্ষা করেছি।এই আংটি যার হাতে থাকবে সে হাজার বছর বেচে থাকতে পারে।কিন্তু আংটি যখন তার উত্তরাধিকারীকে পেয়ে যায় তখন সেই মানুষ স্বাভাবিক হয়ে যায়।কিন্তু তার শক্তিগুলো তার কাছে থেকেই যায়। ফারহানঃ- এই আংটি দিয়ে আমরা কি করবো? বৃদ্ধঃ- তোমরা আংটিতে হাত রেখে অতীত মনে করার চেষ্টা করো।তোমাদের শক্তি এমনিতেই চলে আসবে। তারা তাই করলো। আর তাদের সামনে জ্বলন্ত অতীত ভেসে উঠলো। তাদের সামনে চলে এলো তাদের সবার শৈশব । এবং সেই গ্লাসের ভিতরের স্যুট এসে তাদের শরীরে লেগে গেলো। বৃদ্ধঃ- এবার বলো সেই বাক্সটি কি করেছিলে। জারাঃ- আমরা যখন নৌকা নিয়ে বের হই তারপর আমরা প্রায় তিন দিন নৌকা চালিয়ে এই যায়গায় আসি। এবং একটি বাড়ি তৈরি করি আর তাতে সুরক্ষার জন্য আমাদের তলোয়ার বাড়ির চার কোনে গেথে দিই।যখন বাড়ি থেকে বের হই এবং নৌকায় ফিরে আসি তখন দেখি কালো রাজ্যের রাজা সামনে সমুদ্রে দাড়িয়ে আছে।আমরা কিছু বুঝে উঠার আগেই সে আমাদের নৌকাটা ডুবিয়ে দেয়।আর আমরা সমুদ্রের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাই। বৃদ্ধ ঃ- তোমরা তলিয়ে গেলে কি হবে। তোমরা সপদিন মারা যাও নি।তোমরা পানির নিচে প্রায় ৭৮৫ বছর ছিলে। পিটার হয়তো ভেবেছিল তোমরা আংটিগুলোকে এমনিই লুকিয়ে আসবে। কোনো প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা ছাড়াই। কিন্তু যখন সে সেখানে ঢুকতে পারে নি তখন সেই তোমাদের খুজে আনে সাগরের নিচ থেকে আর চারজনের ঘরে মানে তোমাদের প্রত্যেকের বাড়িতে রেখে আসে। সাহেদঃ- আচ্ছা।একটা বাক্স তো আমরা খুলো ফেলি কিন্তু দ্বিতীয় বাক্সটি কে খুললো। ঐ বাক্সতে কি এমন ছিলো যে স্বয়ং কালো রাজ্যের রাজা নিতে এসেছিল। আর আপনি এখানে কি করে। বৃদ্ধ ঃ- হয়তো পিটরের কোনো সহযোগী বেচে ছিল। সেই এই কাজ করেছে। আর সেই বাক্সে ছিল কালো রাজার সমস্ত শক্তি।যা ছিল একটি ছোট কালো পাথরের ভিতর।আর আমি আমার বিশেষ শক্তির কারনে অনুভব করেছিলাম যে সেই বাক্সটি এই দ্বীপে এবং সেই ঘরে ছিল।তাই আমি তার পিছনের এই গোহাটায় আশ্রয় নিই। এবং তোমাদের অপেক্ষা করতে থাকি।তোমাদের সুরক্ষা কক্ষে কেবল তোমরাই ঢুকতে পারতে। কিন্তু আর কেউ তা পারতো না। যেমন পিটার না তেমনি আমিও না। তাই আমিও ঢুকতে পারি নি। আসাদঃ- আপনি তো বলেছিলেন কালো রাজ্যের সকল লোক মারা গিয়েছিল। শুধু পিটার ছাড়া।তাহলে সেই পাথরটি কে বের করলো। ফারহানঃ- হতে পারে পিটার নিজেই। জারা ঃ- আমাদের পাইলটের নামও তো পিটার।তাহলে কি সেই কালো রাজ্যের রাজা পিটার।আর সে জেনে শুনে আমাদেরকে এখানে এনেছে। সাহেদ ঃ- ওহ সিট! আসাদঃ- ও তো মরে গেছিল।তাহলে ও কিভাবে তা খুলবে। বৃদ্ধ ঃ- যদি সে পিটার হয় তাহলে তার মরার কোনো প্রশ্নই উঠে না।তার যে শুধু শক্তি ছিল সেই বাক্সে তা না।সেই পাথরে তার প্রানও ছিল।এখন তোমরা শক্তি পেলে কি হবে তোমাদের তলোয়ার ছাড়া তোমরা তাকে মারতে পারবে না।তোমরা সেই বাক্সটিকে একা রেখে সবচেয়ে বড় ভুল করেছো। ফারহানঃ- এখন আমাদের কি করতে হবে। বৃদ্ধ ঃ- প্রথমে তোমাদেরকে তোমাদের তলোয়ার বের করতে হবে মাটির নিচ থেকে।তারপরে তোমাদের যেতে হবে কালো রাজ্যে।এবং সেখানে গিয়ে পিটারকে থামাতে হবে।এবং তার সৈনিকদের জিবিত করার আগেই তাদের ধ্বংস করতে হবে।এবং পিটারকে মারতে হবে। ফারহান ঃ- আংকেল,আমরা সেখানে কিভাবে যাব। বৃদ্ধ ঃ- তোমরা উড়ে গেলে একদিন সময় লাগবে কালো রাজ্যে যেতে।আর ততক্ষণে পিটার সবাইকে জিবিত করে ফেলবে। ফারহানঃ- তাহলে তো অনেক দেরি হয়ে যাবে। জারাঃ- আপনি এই গোহায় এইসব মেশিন দিয়ে কি করেন। বৃদ্ধ ঃ- আমি এখানে বসে বসে সময় কাটানোর জন্য এই গবেশনাগার তৈরি করি।আমি একজন সাইনটিস্ট ছিলাম।আর আমি এমন এমন জিনিষ আবিস্কার করি যা সুদুর একহাজার বছরেও কেউ তৈরি করতে পারবে বলে মনে হয় না। ফারহানঃ- কি এমন জিনিস তৈরি করেছেন আপনি? বৃদ্ধ ঃ- আমি এতো দ্রুতগতির যান তৈরি করেছি যা কেউ কল্পনা করতে পারবে না।এবং আরও অনেক কিছু। সাহেদঃ- তাহলে তো আমরা সেইটা ব্যাবহার করে কালোরাজ্যে যেতে পারি। বৃদ্ধ ঃ- হ্যা।তবে এইটা শুধু দুইবার ব্যাবহার করতে পারবে। এটাতে যায়গার নাম লিখে দিলেই সেখানে পৌছে যাবে। বৃদ্ধ একটি গোল মেশিনের কাছে গিয়ে বললেন এইটা।ফারহান সহ সকলেই এমন শীপ দেখে অবাক। বৃদ্ধ বললেনঃ- আমি আর বেশি সময় মনে হয় বাচবো না। তাই সময় থাকতে তুমাদের সবকিছু দেখিয়ে দেই। এই বলে তিনি সবাইকে নিয়ে আরেকটা কক্ষে গেলেন। আর বললেন, এই ডায়েরিতে সকল মেশিনের ছবি এবং তা চালানোর পদ্বতি ও তোমাদের প্রয়োজনীয় সকল ধরনের তথ্য পাবে। আরেকটা কথা তোমরা তোমাদের শক্তি কি করে ব্যাবহার করবে তা হয়তো তোমরা অবুভব করেছো। সবাই সমস্বরে উত্তর দিল হ্যা। তারপর তিনি বললেন এই গুহায় শুধু তোমরা ছাড়া আর কেউ ঢুকতে পারবে না।এমনকি টিটারও না। এইবলে তিনি বসে পরলেন। সাহেদ গিয়ে তাকে ধরলো।তিনি সাহেদের কুলে মাথা রেখে নিস্তেজ হয়ে পরলেন।সবার চোখ দিয়ে অজান্তেই পানি বেরিয়ে পরলো।তারপর তারা জানাজা পরে তার দেহ সেখানে ল্যাবের একটি খালি কামরায় দাফন করে দেয় এবং কয়েকটি হাই টেকনোলজির বন্দুক ও ভুলেট বুঝাই করে চারটি ব্যাগে ভরে। ও ফ্লাইংমেশিন নিয়ে একটি গুপ্ত দরজা দিয়ে বের হয়।তারা বেরিয়ে তাদের তলোয়ার মাটির নিচ থেকে বের করে।তলোয়ার বের করতে তাদের বেশি বেগ পোহাতে হয় নি।তারা মাটির উপরে হাত দিয়ে ইশারা করতেই তলোয়ার তাদের হাতে চলে আসে।তারপর তারা তলোয়ারকে অদৃশ্য করে দেয়।এবং ফ্লাইং মেশিনে চড়ে বসে।আর মুহুর্তেই পৌছে যায় কালো রাজ্যে।আর মেশিনে লেখা আসে Welcome to the black world. চলবে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভাইরাল হবো !
→ শাকিলের দাজ্জাল বউ-শেষ পর্ব
→ শামসুর রহমানের সাথে একদিন।
→ সেকাল আর একাল
→ সেকাল আর একাল
→ সুলতান সুলেমান-"সিরিয়াল" ও ইতিহাস...
→ মাছের ভূত
→ ❄️সালাউদ্দীন ইউসুফ ইবনে আইয়ুব❄️
→ করোনা ভাইরাসের কথা
→ ❄️ভারত অভিযান (১ম খন্ড)❄️

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...