গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

সেই মেয়েটি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md.subanur haque(guest) (৬১৭৪ পয়েন্ট)



হেমন্তের ছুটি কাটিয়ে আসতেই বন্ধুরা সবাই বলে,ছুটি কেমন কাটালি?মন ভার দেখে একজন বলে,কী হয়েছে?আমাদের বলবি না। বলবো না কেন, তোরা আমার বন্ধু।তবে শোন........ হেমন্তের ছুটির কথা শুনে মা বললেন, কলেজ যেহেতো বন্ধ,সেহেতো তুমি সোহেলদের বাড়ি ঘুরে অাস।তাছলিমা তোমাকে যেতে বলেছে।এখানে তাছলিমা আমার বড় বোন,সোহেল, শ্রদ্ধেয় দুলাভাই।আমার আপার বিয়ে হয়েছে কালিয়াকৈর বক্তারপুর।মার কথা শুনে আমার ও যেতে ইচ্ছা হলো।মার থেকে টাকা নেওয়ার পর বাবাকে বলি,শাওনদের বাড়িতে যাব, টাকা দেন।বাবা ও টাকা দিলেন। ওখানে যাওয়া পর আমার আপা-দুলাভাই,বেআয়-বেঅান,আপার শশুর-শাশরী অনেক খুশি।সারা রাত আমরা অনেক গল্প করে কাটালাম।পরের দিন সকাল গরিয়ে বিকাল হতেই ভাবলাম,চারো দিকটা ঘুরে দেখি।হাটতে হাটতে আমি বিশাল বড় একটা বট গাছ দেখলাম,জায়গাটা অনেক সুন্দর।চারদিকে গাছের সমারোহ।বিশ্রাম নেওয়ার জন্য, গাছের নিচে গিয়ে বসি।আমি বট গাছ থেকে একটু দূরে একটি মেয়েকে রং তুলি দিয়ে ছবি আঁকতে দেখি। আমি পেছন থেকে মেয়েটি লম্বা চুল দেখে অবাক।এতো লম্বা চুল! আমি মেয়েটির মুখ দেখার জন্য অনেক ঘুরে এবং দূর থেকে লুকিয়ে মেয়েটিকে দেখি।অনেক সুন্দরী ছিল মেয়েটি। আমি একটু ভয় পেলাম,ভূত ও হতে পারে।আবার ভাবি, ভূতই বা হয় কী করে। দুপুর তো নয়,বিকাল ৫টা।এ সময় তো ভূত থাকার কথা না। আমি তার সাথে কথা বলবো ভাবতেই, মেয়েটি রং, তুলি,ক্যানভাস নিয়ে চলে যায় । প্রথম ক্লাস তো বাংলা, তা,কোন স্যারে নিবে?সুজন বললো, নরুলইসলাম স্যার। রাতে ঘুম নেই,শুধু ভাবছি,কাল কখন সেই মেয়েটির সাথে কথা হবে।পরের দিন অনেক আগে গিয়ে বসে ছিলাম,সেই মেয়েটির জন্য । অনেক সময় পর ক্যানভাস হাতে মেয়েটি আসে।তার দিকে তাকালে আমার চোখ ঠান্ডা হয়ে যায়,আমি আর আমার মধ্যে থাকি না।আমি কোথায় যেন হারিয়ে যাই। এর মধ্যে মেয়েটি ক্যানভাস সেট করে ছবি আঁকা শুরু করে দিয়েছে। আমি তাকে জিজ্ঞেসা করি। আপনার নাম কি?নাম,পারবতি। মনে হয় আপনি ভাল ছবি আঁকতে পারেন।আপনি কি আমার ছবি আঁকতে পারবেন?আমার দিকে তাকিয়ে বলে, হা পারবো।আরো অনেক কথা বলার ছিল, কিন্তু কেমন জানি নারবাচ লাগছিল। এতো সুন্দর সে,কী বলবো।কপালে তার লাল টিপ,চোখে গাঢ় কাজল,কানে বড় বড় দুল,লাল রংয়ের ঠোঁট দু'টোর মাঝখান দিয়ে,মুক্তার মত সাদা দাঁতগুলো মিষ্টি হাসিতে ঝলমল করছে।এতোটা সুন্দর লাগছিল।লজ্জায় আমার চোখ ফিরে আসে।তার রুপের আলোতে আমার শরীর মনে হয় জলসে যাবে।থর থর করে শরীর কাপছে,মনে হয় কাপতে কাপতে আমি পরে যাব।ঐ সময় কোন কিছু না বলে শুধু অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম।একটু পরে মেয়েটি মোবাইলে ফোন আসে,মিষ্টি হাসিতে বাই,আবার দেখা হবে।আমি একা একা বসে ভাবলাম,যদি মেয়েটি মোবাইল নাম্বার রাখতে পারতাম।তাহলে ভাল হতো।রাতে শুয়ে শুয়ে ভাবলাম কাল বিকালে কি নিয়ে কথা বলবো।আমি আরিফুলকে জিজ্ঞেসা করলাম,কয়টা বাজে?ক্লাস শুরু হবে না।আরো ২০মিনিট সময় আছে,তুই বল।কিন্তু পরের দুই বিকাল, আমি তার আসায় থাকি সে আসে না।এ দিকে ছুটি আছে দুইদিন, বাড়ি ফিরতে হবে।সফিকুল বলে,তাহলে কী পারবতির সাথে আর দেখা হয়নি।শেষের দিন বিকালে পারবতি এসে বট গাছের নিচে বসে ছিল।আমি রাগের মাথায় বলি এই দুইদিন তুমি কোথায় ছিলে?আসনি কেন ছবি আঁকতে? আমার ইমশন দেখে পারবতির চোখ থেকে টুপ টুপ করে পানি পরে।আমি হাত দিয়ে চোখ মুছে দেই, বলি কী হয়েছে? তারপর পারবতি আমার হাতে লাল হলুদের একটি কাট দিয়ে চলে যায়।কাদিস না বন্ধু, আসলে কাটটি কিসের।বন্ধুরে কাটটি ছিল পারবতির বিয়ের কাট।কাদিস না বন্ধু, চল হাত মুখ দূয়ে ক্লাস করবি।বেল দিয়েছে চল্ চল্ চল্।।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৮৩৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ""সেই কবরটি" "
→ সাদ্দাম হুসেইন:ইরাকের কান্না
→ সেই মেয়েটি
→ সেই তুমি
→ বোকা সেই ছেলেটা
→ সেই দিনগুলো স্মৃতি হয়ে থাকবে
→ সেই মেয়েটি
→ সেই তুমি ৫
→ আমার সেই দিনগুলো........

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...