গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

দ্যা ব্লাক বুক

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md siddik (০ পয়েন্ট)



গল্প- দ্যা ব্লাক বুক ( পর্ব-০১) লেখক - Riaz Raj আমার আপন চাচাতো বোনকে ১২ জন ছেলে মিলে রেপ করে। কথাটা শুনতেই গা শিরশির করে উঠে। ধর্ষণ শব্দটা শুনতে যতটা ভয়ংকর, ততটাই ভয়ংকর তার ফলাফল। চাচাতো বোন চিৎকার দিয়েও, সাহায্য পায়নি কারো। পশুর মতো ছিড়ে ছিড়ে খেয়েছে ওরা। চাচাতো বোনের নাম তানিয়া। এবার সবে মাত্র ৭ম শ্রেণীতে উঠেছে। এতটুকু একটা বাচ্চা মেয়ের সাথে, নোংরা কাজটি করতে, দ্বিধাবোধ হয়নি মানুষ রুপি পশু গুলোর। তানিয়া ওদের হাতেই মারা যায়। মৃত্যুর পর আরো ৩০-৪০ মিনিট ধর্ষণ করেছে ওরা। এতটা নিষ্ঠুর মানুষ হতে পারে? একটা মেয়েকে ধর্ষণ করতে করতে মেরে ফেলা। এরপর সেই মৃত দেহটাকে আবার উপভোগ করে নিজেদের যৌন লালসা মিঠানো কি মানুষের কাজ হতে পারে? বিবেক বলতে সাধারণ জ্ঞান টুকু কি তাদের হয়নি? আমি ছিলাম বাসায়। তানিয়া স্কুলের দিকেই যাচ্ছিলো। প্রতিদিন সকাল বেলার এই সময়টাতেই মেয়েটি বের হয়। যাওয়ার সময় নাকি আম্মুকে বলেছিলো" চাচি, রিয়াজ ভাইয়াকে আমার সাথে যেতে বলুন না?।  কিন্তু আমি ঘুমিয়ে ছিলাম দেখে আর ডাকা হয়নি। এরকম একটা ভয়ংকর ঘটনা ঘটবে জানলে,আমি নিশ্চয় যেতাম। তবে মানুষের সে শক্তি তো নেই। সে শক্তি যদি কারো থাকতো,তবে হয়তো আজ আর সমাজে এমন কোনো কান্ড ঘটতো না। যা প্রতিনিয়ত সমাজকে ঢেলে দিচ্ছে ঝুঁকির দিকে।  সারাদিন কেটে যাওয়ার পর সূর্য চলে আসে পশ্চিমের আকাশে। রক্তাক্ত আকাশের রুপ হয়তো আমাকে বুঝাচ্ছিলো" যা,তাকে বাচা,সে রক্তাক্ত হয়ে আছে। সূর্যের ভাষা বুঝার মতও যে মানুষের শক্তি নেই। যদি থাকতো,তবে ঠিকই আমি চলে যেতাম। বিকেল পেড়িয়ে সন্ধ্যা নেমে আসে। তানিয়ার আসার কোনো নামগন্ধ নেই। তানিয়ার আম্মু শায়লা বেগম আমাকে বহুবার কল দিলো। তবে তেমন গুরুত্ববহন করিনি আমি। ভাবলাম, হয়তো তানিয়া আছে ফ্রেন্ডদের সাথে। ফিরে আসবে।সন্ধ্যা শেষ হয়ে রাত ঘনিয়ে এসেছে। এবার আর দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে পারলাম না। চাচিকে কল দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম তানিয়া এসেছে কিনা। চাচি কান্নার ধ্বনি ছেড়ে বলেছে, আসেনি। বেশ আতঙ্ক হয়েছে সবাই। এই মেয়েটি তো কোনদিন এত দেরি করে বাড়ি ফিরেনা। বেশি হলে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার সময় চলে আসে। তবে আজ এত দেরি কেনো। বুঝিতে পারছি, কিছুনা কিছু তো অবিশ্যই হয়েছে। তানিয়ার সব বন্ধুদের কল দিয়ে দেখেছি,কেও জানেনা তানিয়া কোথায়। অবিশেষে ওর স্কুলে ফোন দিলাম। স্যাররা বলেছে, সেই ৪ টার সময় নাকি তানিয়া বের হয়ে গেছে। অদ্ভুত কান্ড তো? মেয়েটি যাবে কোথায়?। গায়ে একটি কালো গেঞ্জি,তার উপর কালো শার্টটা পড়ে নিলাম। তাড়াহুড়ো করে বাড়ির নিছে এসে, নিজের Yamaha R15 V3.0 বাইকটা নিয়ে ছুটে চললাম তানিয়ার খোজে। তবে ওই শহরে কোথায় খোজবো আমি। অনেক দ্রুত বাইক চালিয়ে যাচ্ছি। পথের পাশেও দেখতে পাচ্ছিনা। কিছুদূর যেতে না যেতেই মোবাইল ফোন বেজে উঠে। vibration থাকায় কেপে উঠে ফোন। জয়গায় বাইক থামিয়ে কলটা রিসিভ করলাম। ফোন কলের অপর পৃষ্ট থেকে চাচি খবর দেয়, " তানিয়াকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে"।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬৮৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ [বুক রিভিউ] অভিনীত জীবন
→ ফেসবুকের প্রেম
→ দ্যা ফিফটি(৬)
→ (বুক রিভিউ)পদ্মানদীর মাঝি
→ দ্যা ব্লাক বুক(৩য় পর্ব)
→ দ্যা ব্লাক বুক(২ পর্ব)
→ হৃৎজনিত বুকে ব্যথা
→ দ্যা গ্রেট জামাই
→ ডিল অফ দ্যা সেন্সুরি:(:(:(

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...