Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/gj-con.php on line 6
হিমুর স্নরণে

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

হিমুর স্নরণে

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান M.H.H.RONI (৮১৮ পয়েন্ট)



আজ সন্ধা থেকে প্রচুর বৃষ্টি পড়ছে।এখন বাইরে যাওয়ার কোন মানেই হয় না আমি বরং আরেকটু ঘুমিয়েই নেই।হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে দেখলাম রাতই আছে আমি ভাবছিলাম মনে হয় সকালই হয়ে যাবে।রাত এখন কয়টা বাজে আমার জানা নেই।সময় আমার কাছে কোন বিষয় না।তাই তৎক্ষনাৎ বাইরে রওনা দিলাম।বৃষ্টি তখনও চলছে সাথে আবার এই শীত।বাইরে মানুষত দূরে থাক কোন কুকুরও নেই।কুকুর মহাশয়রা মনে হয় আজকের জন্য অবশর নিয়েছে।আমি একা একা হাটছি যদিও শীতে কাপছি।আমি কী নিশাচর প্রানি নাকি মানুষ সেটাই বুঝতে পারছি না।বুঝেও কোন কাজ নেই আমার।একা একাই বৃষ্টির মাঝে রাস্তার মধ্যেখানে দাড়িয়ে আছি।আজ কোন গাড়িও চলাচল করছে না।নাহয় অন্যদিন হলে হিমুর চিন্হই মুছে যেত এই পৃথিবী থেকে।আমি চোখ বুজে দাড়িয়ে আছি। এমনসময় গাড়ির একটি হর্ন আমার কানে বাজছে।এত রাএে এই বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি আসল কই থেকে ভেবে পাই না।ভেবে বিশেষ কোন কাজই নেই।মনে হয় হেলোসিলেশন হচ্ছে আমার তাই বহাল তবিয়তেই দাড়িয়ে রইলাম সেখানেই।গাড়ির হর্ন ক্রমেই তীব্রতর হচ্ছে।আমি এবার আমার কানদুটো সজোরে চেপে ধরলাম।এমনসময় একটা আওয়াজ শুনলাম এই তুই কে রেএ?এই ভররাএিতে বৃষ্টির মধ্যে রাস্তায় দাড়িয়ে আছিস?আরেকটু হলেইত গেছিলি।আমি মনে মনে ভাবলাম হায় রে হিলোসিলেশন এখন আবার মানুষের কথাও শুনতে পাচ্ছি?আমি যথারিতি চোখ খুললাম না।এবার টাস করে একটা থাপ্পরও হজম করতে হলো আমাকে।যাকগে এটা কোন ব্যপার না এটা আমার ডিকশনারিতে অনেক আছে।এবার আমি চোখ খুললাম।সামনেই দেখলাম দুজন পুলিশ।আমাকে প্রশ্ন:: এই কে তুই মাঝরাএিতে রাস্তার মাঝে দাড়িয়ে আছিস তাও চোখ বুঝে।মরতে চাস নাকি? নাম কী তর? কী করস? আমি মনে মনে বললাম এটা মনে হয় হিলোসিলেশনের জন্যই দেখতে পারছি।তাই আমিও আমার হিমুগিরি শুরু করে দিলাম।আমি বললাম প্রশ্নত একেবারে সবই করে ফেলছেন আমি কয়টার উওর আপনাকে দিব?একজন বলল সবগুলোরই দিবি।আমি বললাম দিব না কি করবি?তারপর সেখান থেকে মোটাসুটা এক পুলিশ আবারও আমার গালে টাস করে একটা বসাল।আমি মনে মনে ভাবলাম নাহ এটাত হিলোসিলেশন হতে পারে না।তখন একজন বলল নাম কী তোর? আমি বললাম হিমু।অপরজন বলল হিমু!!!এটা কেমন নাম?পরক্ষনেই তার প্রশ্ন কী করিস তুই?আমি বললাম হাটাহাটি।এবার ঐ পুলিশ অফিসারগুলো এমন হাসি দিল যা বাংলা সিনেমার হুমায়ুন ফরিদির হাসিও ফেইল।নিয়ম হলো সবাই যখন হাসবে তখন তোমাকেও সাথে সাথে হাসতে হবে কোন প্রকার কারন না বুঝলেও।তাই আমিও এর ব্যতিক্রম করলাম না তাদের সাথে হাসা শুরু করলাম।তখন মোটাসুটা ঐ পুলিশটা বলল আচ্ছা বুঝেছি মাতলামি করছিস এখানে দাড়িয়ে।তোদের মতো মাতাল এই জীবনে আমি কত সাইজ করছি তোকেও করব।এই নিয়ে চলো এই মাতালটাকে।আমাকে যেই গাড়িতে তুলতে যাবে আমি বললাম দাড়ান ধরে তুলতে হবে না আমিত আর প্রেসিডেন্ট নয় একাই উঠতে পারব।পুলিশটি থ হয়ে ফেলফেল করে আমার দিকে তাকিয়ে রইল।আমি দেখেও না দেখার ভান করে ভিতরে বসে বললাম ইস অনেকদিন পুলিশের সাথে একসাথে বসা হয় না।আমার সাথের পুলিশটি আবারও থ হয়ে বসে পরল।যিনি সামনে চালাচ্ছেন তিনি বললেন আরে অবাক হইও না মাতালরা মাটিতে বসে থাকলে মনে করে চাদে বসে আছে তাই সেও এটাই মনে করছে।আরেকটু সময় যাক তখন বুঝবে ঠেলা।আমিও যথারিতি বসে আছি।কিছুক্ষনের মধ্যেই থানায় হাজির।আমাকে রাখা হলো একটি সেলে।নির্জনতা আমার খুবই পছন্দের। যার কারণে বেশ ভালোই লাগছে।হঠাৎ সামনেই আবিষ্কার করলাম মোটাসুটা ঐ পুলিশটা।ভেবে পেলাম না ব্যাটা কোন সময় আসল।এমনসময় তার ডাক:: সেন্ট্রি ডান্ডাটা আনত।হিমু সাহেবকে একটু ধূলাই করি। আরেক কাপ চাও নিয়ে আস।আমি বিশেষ একটা খেয়াল না করার ভান করে সেখানেই বসে আছি নির্ভিকভাবে।কারন আমার ইন্টিউশন বলছে আমাকে ধূলাই করা হবে না।এমনসময় চা এল।আমিও দেরি না করে চায়ে দিলাম এক চুমুক।বললাম আপনি চায়ে চিনি খান না? নাহ এটা খাওয়া যাবে না আপনিই খান।পুলিশ অফিসারটি আমার দিকে অগ্নিদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল।আমি মুচকি একটি হাসি দিয়ে বললাম স্যার আজকে মনে হয় বউ আপনাকে বাসায় পিটাইছে যার কারনে রাগটা এখানে ঝাড়ছেন।লোকটি মনে হলো কিছুটা শান্ত হলো।বুঝলাম অনুমানটা একদম ঠিক।তাই আমি বাংলাদেশের কিছু রাজনীতিবিদদের মতো যা মনে আসে বলতে লাগলাম।মানে চাপা মারা যাকে বলে আরকি। হঠাৎতই যেন কোথায় হারিয়ে গেলাম।কি হলো?? যখন চোখ খুললাম সেই মোটাসুটা লোকটি বলল স্যার, স্যার আপনাকে ডাকছে। তখন সে বলল ওসি সাহেব আপনার পরিচিত আমাকে আগে বলেননি কেন?? প্রায়ইত আমার চাকরিটা যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল।তিনি আমাকে নিয়ে গেলেন ওসি সাহেবের চেম্বারে।ওসি সাহেব আমাকে দেখেই বলল এই দুই কাপ চা নিয়ে আস তোহ।ওসি সাহেব আমার দিকে মুখ করে বসুন।আপনি না বললেন আমার ছেলেকে একদিন দেখতে যাবেন।কই গেলেন নাতো আর।চলেন আজ যাবেন।আমি বললাম না আজ আমার একটা কাজ আছে যাওয়া যাবে না।আমি চলে আসলাম আর মনে মনে ভাবলাম পৃথিবীটা আসলে বৈচিএময়।হিমুদের জীবনে প্রেম,ভালোবাসা মায়া-মমতা থাকতে নেই তবুও আমাকে বার বার তা টানছে।এতক্ষনে পূর্ব আকাশে ঝেকে রোদ উঠেছে।তাই আমিও কোন প্রকার কালবিলম্ব না করে এই কঠোর রোদে আমার সেই বিখ্যাত হাটা শুরু করলাম। ................................................................. পরিশেষে বলছি,জিজেতে আমার প্রথম লেখাটাই ছিল হিমুর স্নরনে।সেই থেকে আজ পর্যন্ত এই বিভাগে বেশ কয়েকটি গল্পই দিয়েছি।এটা আমি জানি হুমায়ুন আহমেদের হিমু সিরিজের ফিলিঙ্স কখনও কারও পক্ষে দেওয়া সম্ভব না।কিন্তুু তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই রয়েছে তার সৃষ্টিগুলো।তিনি বেচে থাকলে হয়ত হিমু নিয়ে আরও অনেক লিখতেন।আমি কিছুটা তার অনুকরনে লিখতে চেষ্টা করেছি মাএ।তাই কোন প্রকার ভুল ক্রটি থাকলে প্লিজ ক্ষমা করবেন।।।.................।।।।।।✋✋✋


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হিমুর স্নরণে।।
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...