গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

☕কবিতার-বিয়ে☕

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান =_= (৩০ পয়েন্ট)



☕কবিতার-বিয়ে☕ লেখাঃ- রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন। উৎসর্গঃ স্বপ্নকন্যা কবিতা এবং জিজে পরিবার। সুপ্রিয় আসসালামু আলাইকুম , আশা করি সকলেই ভালো আছেন ? কথা বাড়ানোর চেয়ে চলুন গল্প শুরু করি...... ☺☺☺☺☺☺☺☺ আমি হাত পা ছেড়ে বসে আছি । মনটা আজ ভীষণ খারাপ। gj শাহী আপুঃ- কি হয়েছে ভাইয়া? আমিঃ- আমি কিছু শুনলাম না (অন্য মনস্ক) এরপর শাহী আপু আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, কি হয়েছে ভাইয়ের? আমিঃ- ও আপু, বসো বসো! কিছু হয়নি তো। শাহী আপুঃ- বললেই হলো মুখটা শুকনো কেন? কি নিয়ে চিহ্নিত বল তো? আমিঃ- আপু! শাহী আপুঃ- হ্যা বল? আমিঃ- কবিতার তো বিয়ে? শাহী আপুঃ- কি বলিস? কবে? কার সাথে? আমিঃ- জানিনা আপু, কবিতা ফোন করে বলল সকালে ১২তারিখ রাতেই বিয়ে। হঠাৎ করেই তার বাবা বিয়ে ঠিক করেছে। এখন কি করবো বলো? শাহী আপু জোরালে হাসিতে ভেঙে পড়লো আর বলল,ধুরর বোকা, কবিতা হয়তো তোর সাথে মজা করছে! তুই কলেজে যা। বাসায় বসে থেকে মন খারাপ করে বসে থেকে হবেনা। ---আপুর কথাটা শুনে একটু স্বস্তিতে এলাম ☺☺☺অতএব কলেজের দিকে রওনা হলাম। কলেজে ঢুকতেই কবিতার বোন ডাক দিলো চিৎকার করে... দুলাভাইইইইইইই (ইসরাত) আমিঃ- কি হয়েছে চিল্লাও ক্যা? ইসরাতঃ - দুলাভাই এতো সুন্দর করে ডাকলাম আর রেগে গেলেন? ঠিক আছে কথা নেই আপনার সাথে ? আমিঃ- ঐ ঐ.. দাড়াও! তুমি রাগ করো কেন? এতো লোকের সামনে চিৎকার করে দুলাভাই বললে অনেকজন ফিরে তাকাবে, তখন তো খারাপ লাগবো। তাইনা? সবাই ভাববে তাদের দুলাভাই বলছো! ইসরাতঃ- পঁচা আপনি আপুকে বলে দিবো দাড়ান? আমিঃ- ঐ শোন, সরি কিছু বলো না। ইসরাতঃ তাহলে আমাকে চকলেট কিনে দেন। তারপর আর কি? দোকান থেকে চকলেট কিনে দিলাম। ----++ ইসরাতঃ- দুলাভাইই..? আমিঃ- আবার কি? ইসরাতঃ- ১০০০৳ টাকা দেন। দিয়ে দিলাম তারপর শালিকা বলল, আমি আপনার শালি, শুধু বোকা বানামু আর পকেট করমু খালি ☺☺☺☺ !!!কি সাংঘাতিক!!!!! ®°কবিতা কোথায়? ©বাসায়, আজকে কলেজে আসবেনা! ®কেন? ©কিছু জানিনা দুলাভাই, কালকে রাত থেকে হঠাৎ কেমন জেনো করছে। আমি স্কুলে যাচ্ছি টাটা ✋ ✋ ✋ । ★★মনটা আবার কেপে উঠলো। কলেজে ঢুকলাম রনি ভাইয়ের সাথে দেখা। মোলাকাত করলাম। র তারপর রনি আর আমি ক্লাস রুমের দিকে গেলাম। তারপর ক্লাসে ঢুকে আমি লিখন ভাইকে পেলাম আর সাজুকে। আমি বললাম আজকে মুড অফ ক্লাস করবোনা। তারপর তিনজন মাঠে এলাম। মাঠে বসে সব বললাম... ! তারপর অন্যান্য গল্প হচ্ছে.. আমি তখনও অন্য মনস্ক। তখনই হঠাৎ ...... হাই কাবাব কি খবর? ®হাতি মগারাজ চুপ কর angry আজকে মুড অফ আমার। © কেন রে তোর কবিতার কি ডানা উঠেছে ?? রনিঃ- আরে নাহ কবিতা ভাবীর বিয়ে! রনি ভাই এটা বলার পর.. সবাই হা!হা!হা! করে হাসছিলো! আমার ফাটছে আর ওরা হাসছে! ®ঐ চুপ কর তোরা! আমি টেনশনে মরছি আর তোরা gj মেহেরাজঃ- কাবারের হাড্ডি চিন্তা করিস না আমরা এত্তগুলা বন্ধু থাকতে কবিতার বিয়ে তো হবেই! ☺☺ আমিঃ- মানে? লিখনঃ- আরে ভাই বিয়ে তো হবেই তবে আপনার সাথে ! রনিঃ- আচ্ছা বিয়ে কবে? আমিঃ- কালকে রাতেই gj মেহেরাজঃ- চল বন্ধু এখানে বসে থেকে লাভ নেই! তোর বাসায় যাই আর নীল-নক্সা সাজাই। সাজুঃ- নীল-নক্সা মানে? মেহেরাজঃ- আরে ভাবীকে তুলে আনার নকশা। রনি,সাজু,লিখনঃ- হুম গুড আইডিয়া। আমাদের দ্রুত কাজ করতে হবে। সময় খুবই কম। ------ এরপর আমরা আমার বাসায় গেলাম। ওখানে দেখি আমার বোন শাহীর বেস্ট বান্ধবী রেহনুমা আপু এবং মীম আপুও হাজির...আপুরা আমাদের সব বন্ধুদের খুবই স্নেহ করে। আমরা তাদের পেয়ে অনেক খুশি, তারাও খুশি। এরপর আগেই লাঞ্চের জন্য বিশাল আয়োজন করলাম। এতোদিন পরে সবাই এসেছে... আপুরা খাবার তৈরীতে ব্যস্ত আর আমরা নক্সা নিয়ে। এরই মধ্যে কবিতার বান্ধবীর ইশিকার নাম্বার থেকে ফোন। ©তুমি কোথায়? (কবিতা, ইশিকার ফোন থেকে ফোন করেছে) ® বাসায় আছি, কি খবর তোমার? ©খবর ভালোনা, আমার ফোন বাবা নিয়ে নিছে বাড়ির বাহিরেও যাওয়া বন্ধ gj ইশিকা না এলে কথাটাও বলা হতোনা এরপর কথা নাও হতে পারে। ® বলো কি? ©হুম, তুমি ঘরে বসে বসে ঘাস কাটো।আমি মরে যাবো বিয়ে হলেই। ® তুমি চিন্তা করোনা। কবিতা লাইন কেটে দিলো.... এরপর আর কি... বড় আপুদেরকে সব শেয়ার করলাম। তারপর আমরা রওনা হলাম কবিতার এলাকায়। কবিতার চাচাতো ভাই ইস্কান্দার (দ্বীপু) , তামিম, মফিজুল, ফারহান, ওমর, রাকিব, শাকিমসহ সবাই ক্রিকেট খেলছে.. আমরা তো আবার ক্রিকেট পাগল... তাদের সাথে অনেক সিনিয়র বনাম জুনিয়র ক্রিকেট খেলছি। +(তখন থেকেই কবিতার সাথে চোখাচোখি ) যাইহোক.. ছোট ভাইয়েরা তো আমাদের দেখে ভীষণ খুশি... আমাদের বলল,চলেন শুরু করি অনেকদিন থেকে সিনিয়র বনাম জুনিয়র খেলা হয়না। আমরাও খেলার ধান্দা সব ভূলে গেলাম। খেলা শুরু হয়ে গেলো৷ জুনিয়রা টস জিতে ফিল্ডিং নিলো। আম্পায়ার হচ্ছে সাদ ভাই আর মামুন ভাই । তরুণরা প্রতিদিনই খেলে আর আমরা তো বুঝেনই কি করি। যাইহোক প্রথমেই লিখন আর সাজুকে নামিয়ে দিলাম। ২০ওভারে খেলা। পাওয়ার প্লেতে ৬ওভারে ওদের জুটি দারুণ ৫০রান। ৭ম ওভারে সাজুর ট্রাম্প ভাঙলো মফিজ। মেহরাজকে নামিয়ে দিলাম মফিজের ১বল ডট খেয়ে চার বলে চারটা ছক্কা। আমরা করতালি দিলাম। এরপর শাকিম স্পিন বল করে ১ওভারে ৩রান দিয়ে লিখনকে আউট করলো কিপিং দ্বীপুর হাতে। পরের ওভারেই মেহরাজ রান আউট। মাঠে রইলাম আমি আর রনি। অনেক ওভার বাকি এখনো। এরপর টেস্টের মতো বল ডট হলো। মাঝখানে রনির ঝড়... রনি *৫৩(৪২)বলে। আমি *১৮(২৭)বলে। ২০ওভারে ১৫৩টার্গেট। তামিম আর শাকিম নেমেই ৬ওভারে ৮০রান। মাথা খারাপ.. বলিংয়ে আমি এলাম ৭ওভারে। আমি আবার হাইজাম খেলার মতো লাফ দিয়ে বল করি.. দেখে সবাই হাসে। যাই হোক সাজু ভাইয়ের দারুণ কেচে একটা উইকেট পেলাম। তারপর কি ১৫ওভারেই ওরা জিতে গেলো। এরপর আমাদের সবারই মনে পড়লো কবিতার কথা। হায়রে আমরা কি পাগল রে! দ্বীপু তো সোজা কবিতার রুমে গিয়ে বলল,হেরে গেছে বড়রা.. রূপচাঁন ভাইদের হারাই দিছি। কবিতা দ্বীপুর কাছ থেকে সব শুনলো। রাগে তো পুরো আগুন। আমরা আর বাসায় এলামনা। আরফা আর নামিকা কবিতার বাড়ির দিকে যাচ্ছে। সাজুঃ- ভাই, দেখো কে যাচ্ছে gj আমিঃ- এমা পলিথিন আর সাপটি যাচ্ছে তো। রনি ভাই ডাক দাও তো রনিঃ- সরি ভাই এরা যে ঝগড়াটে ভয় করে ডাকতে! সাজু ডাক দাও,... সাজুঃ- আমিও পারবোনা , ঐ দিন দেখলাম একটা ছেলেকে ঠাস করে চড় দিচ্ছিল। শরীরে কি জোর এগোর বাপরে! ধুররররর... চলেই গেলো এরা। লিখনঃ- ভাই আরেক সাংঘাতিক মহিলা আসতেছে..... ****আমি তাকিয়ে দেখি আনিশা আর রামিশা হাত ধরে আসতেছে... আমিঃ- ঐ মেয়ে শোন! ওরাঃ- জ্বি ভাইয়া বলুন। আমিঃ- কোথায় যাচ্ছো তোমরা? ওরাঃ- আরে ভাই আমাগো কবিতার বিয়ে তাই সুখ-দুঃখের কথা কইতে যাচ্ছি! আমিঃ- আচ্ছা .. আমাকে তো চিনো? ওরাঃ- না ভাই, আপনি কেডা? gj """" ইশ! বজ্জাত মাইয়াগরে কি করুম কন তো মাথা গরম হয়ে যাচ্ছে। আমিঃ- আচ্ছা তোমরা চুপিচুপি কবিতাকে রাত ১টায় ওদের বাগানে আসতে বইলো কেমন? ওরাঃ- জ্বি ভাই আপ্রাণ চেষ্টা করবো। এই বলে চলে গেলো! কি মেয়েরে বাবা! যাইহোক কাজটা ঠিক মতোই করলো, কবিতাকে বলল। কবিতা বুঝতে পারছে সব। আমরা আরেকটা নীল নকশা করলাম। আমি কবিতার সাথে দেখা করলাম। সব বললাম, কিছুতেই মানতে চাচ্ছে না। কবিতা কান্না করছে আর বলছে আমি বিষ খাবো বর আসার সাথে সাথে । আমি বললাম ও পাগলামী করোনা, মা-বাবা যাই করে সব ভালোর জন্যই করে। কবিতা ফুপিয়ে কাঁদতে কাঁদতে চলে গেলো। আমিও চলে এলাম... ঐ দিকে নীল-নকশার কাজ প্রায় শেষ বলে জানালো মেহরাজ। রাতে আর ঘুম হলো না.. সকাল হতেই আমরা সবাই মেহরাজের বাড়িতে চলে গেলাম। আমাদের সবাইকে চা আপ্যায়ন করলো মেহরাজের ছোটবোন তাছনোভা আফরিন ও তাবাসসুম । তারপর আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শুরু করলাম। পুষ্পিতাকে পাঠালাম জেনো কবিতা কিছু খেতে না পারে সেটা লক্ষ রাখতে। এই দিকে কবিতার হবু স্বামীর গাড়ীর সবাইকে এ্যাটাক দিয়ে পুরো পরিবারকে কিডন্যাপ করলো ভাই-ব্রাদারসরা। তারপর আমরা একটা গাড়ী নিলাম। গাড়ীতে নুমাপি, মীম আপু, শাহীপু.., আর আমরা সবাই উঠে কবিতার বাড়িতে নামলাম। সবাই বলা শুরু করলো জামাই এসেছে। রনি ভাইকে পাঠালাম পুষ্পিতার কাছে যাতে সব ঘটনা কবিতা জানে। কিন্তু রনি পুষ্পিতা পর্যন্ত পৌছাতে পারলোনা.. তবে আমার হবু শ্বশুরকে ঠিকই পেয়েছে... বন্দুক টা গলার ডগায় ঠেকিয়ে বলল,চুপচাপ বিয়ে দেখুন.. কথা বললেই মা-মেয়ে,বউ... গোষ্ঠীসহ শেষ করে দিবো। হবু শ্বশুর বুঝতে পারলো আটঘাট বেঁধেই আমরা মাঠে নেমেছি... তারপর আর কি... সাজু বলল,কবিতা ভাবী আমরা এসেছি বিষ টিষ খাইয়ে থাকলে বলেন তাড়াতাড়ি ☺ কবিতাঃ- আরে নাহ্। আমি কি বোকা নাকি যে বিষ খাবো! মেহরাজঃ- তাহলে?? কবিতাঃ- আরে আমিও প্ল্যান করছি বাসর ঘরে বরের মাথা ফাটাইয়া পালাবো ☺☺☺☺☺ বাপরে বাপ.. এখন তো আপনার নায়ক হাজির, তো বাসর রাতে কি করবেন? কবিতাঃ- ওরও মাথা ফাটাবো, আমারে অনেক কষ্ট দিছে। কেউ কিছু বইলেন না.. আজ রাতেই ওরে বুঝাইয়া দিমু! তারপর বিয়ের গাড়ী, সোজা আমার বাড়ি। * * * (গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক । কেউ মাইন্ড করবেন না। কেউ রাগ করবেন না। আর হয়তো কারো নাম ভূলে না দিয়ে থাকলে সরি। এতো নাম তো মনে রাখা সম্ভব না। ভুল-ত্রুটি মার্জনা করবেন । ধন্যবাদ ।) পরবর্তীতে কবিতার দুষ্টামি গল্পের অপেক্ষা করুন। আজকে টাটা ✋ ✋ ✋


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৪৫৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...