Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/gj-con.php on line 6
The king of darkness 1

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

The king of darkness 1

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Jubayer Ahmed (২৩৯ পয়েন্ট)



.The king of darkness পার্ট ঃ- ১ জুবায়ের আহমেদ এখন আমাদের কি হবে? সুবিশাল সমুদ্রের পাড়ে বসে ভাবছে সাহেদ। এই সমুদ্রের মাঝে কেই বা তাদের উদ্ধার করবে।এই পাচজন মানুষ যে এই দ্বীপে রয়েছে তা তো কেউ কল্পনা ও করবে না। হঠাৎ ফারহানের ডাকে পিছন ফিরে তাকালো। ফারহানঃ কিরে? এখানে বসে কি করছিস। সাহেদঃ হাহ! আমাদের ভাগ্য কতই নিষ্ঠুর তাই না।যাচ্ছিলাম ট্যুরে আর আসলাম কোথায়। ফারহানঃ যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। এখন এখান থেকে কিভাবে বোরোনো যায় তা চিন্তা কর। সাহেদঃ চল।দেখি কি করা যায়। এই বলে তারা চলে গেল।সত্যিই তাদের ভাগ্যটা খারাপ না হলে কি মাঝসমুদ্রে প্লেন ক্রাস করতো। সাহেদ, ফারহান ও আসাদ।তারা সবাই বেস্ট ফ্রেন্ড।প্রত্যেকেই ধনীর ছেলে।তারা ট্যুরে যাচ্ছিল নিউইয়র্ক। বাবার টাকা আছে তাই নিজেরাই একটা প্লেন ভাড়া করে। পথে হঠাত প্লেনের ফিউল শেষ হয়ে একটা পাখায় আগুন লেগে যায়।পাইলট প্লেন কন্ট্রোল করতে না পেরে সাগরের মাঝে এক দ্বীপে ল্যান্ড করায়। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো তারা পাচজন বের হলেও আগুন লাগার কারনে পাইলট বের হওয়ার আগেই প্লেন ধ্বংস হয়ে যায়।আর তার থেকে একটা স্টিলের টুকরো এসে তাহসানের একটা পায়ে পড়ে। এজন্য সে খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটছে। বর্তমানে- তারা তিনজন গাছের নিচে বসে আছে।সেই সকাল ১১ টায় তারা প্লেনে উঠেছিল আর এখন বাজে বিকাল চারটা।এতোটা সময় তারা শুধু কিছু বৈমানিক খাবার যেমন,বিস্কিট & কফি ও কোলড্রিনকস খেয়েছিল। ক্ষুধার জালায় তাদের মাথা ঘোরছে।ও হ্যা,তারা এখন তিনজন নয় চারজন।বিমান ক্রো সদস্য জারা তাদের সাথে। সে ও তখন বের হতে পেরেছিল।নাহলে এতক্ষণে হয়তো আধমরা লাশ হয়ে থাকতো।তারা সমুদ্র উপকুল থেকে অনেকটা ভিতরে চলে এসেছে। আর পাচমিনিট পর হয়তো আর কেউ হাটতে পারবে না।কিছুদুর যাওয়ার পর আসাদ বললো আসাদঃ- সাহেদ,আমি যা দেখছি তুইও কি তাই দেখছিস। সাহেদঃ-সাহেদ আনন্দে চিৎকার করে বললো হ্যা হ্যা আমি ও দেখছি। ততক্ষণে সবাই দেখে ফেলেছে যে কিছু দুরে কিছু একটা বাড়ির মতো দেখা যাচ্ছে। তারা তারাতারি পা চালিয়ে গিয়ে যা দেখলো তাতে তারা সবাই অবাক। কারন,এই গহীন জঙ্গলে এতো সুন্দর বাড়ি। আর তার সামনে বিশাল ফুল-ফলের বাগান।বলতে গেলে সবধরনের ফুল ও ফল রয়েছে এখানে। সাহেদঃ- আমাদের দিকে আল্লাহ সহায় হয়েছেন। নাহলে এই জঙ্গলে কি আমাদের জন্য এতো ভালো বাড়ি আর খাদ্য থাকতো। জারাঃ- হ্যা, সত্যিই। তারা বাগানে প্রবেশ করলো।কিছুক্ষণ ডাকাডাকি করেও যখন কেউ সারা দিল না তখন তারা বাগানে গাছের নিচে বসে পরে।আর আসাদ কিছু ফলমুল পেড়ে আনলো।তারা সকলে মিলে খেয়ে নিল।তারপর তারা বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে তা ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলো।বাড়িটা অনেক ছোট। তবুও সেখানে দুইটা রোম। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো সেখানে কিছুই নেই।তারা ধারনা করেছিল বাড়ির ভিতর হয়তো অনেক কিছুই থাকবে। কিন্তু তারা সেখানে দুইটা লোহার বাক্স ছাড়া আর কিছু ই পেলো না। একটা বাক্স ছিল বড় আর অপরটা ছোট।তারা বড় বাক্সটা খুলার চেস্টা করলো এবং ফারহান তা খুলে ফেললো। তারা সেখানে চারটে আংটি বৈকি আর কিছুই নেই।তবে আংটিগুলো খুবই সুন্দর আর বিকেলের রোদে চকচক করছিল।আংটিগুলো ছিল সবুজ, সাদা,নীল আর বেগুনী। তারা চারজনেই চারটি আংটি পড়ে নিল।আর সাথে সাথে বাহিরে কোথাও বিকট আওয়াজের শব্দ পেলো। ফারহানঃ- চলতো দেখি কি হলো। সাহেদঃ- চল। তারা বাহিরে চলে এলো কি হয়েছে দেখার জন্য। আর ছোট কালো বাক্সটা সেখানেই পড়ে রইলো।বাহিরে আসার পর দেখলো আকাশ হঠাৎ লাল বর্ন ধারন করেছে। আর বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। এবং চারিদিকে বর্জপাতের শব্দ হচ্ছে। কিন্তু কোনো বৃষ্টি নেই। জারাঃ- একটু আগেও তো আকাশ ভালো ছিল। এখন এই মেঘ কোথা থেকে এলো। আসাদঃ- আমার মনে হয় আমাদের এখানে বেশিক্ষণ থাকা উচিত হবে না। তারা দৌড়ে বাড়ির ভিতরে সেই কক্ষে গেল। দরজার সামনে যাওয়ার সময় মনে হলো কেউ অন্ধকারে সেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। ভিতরে গিয়ে আসাদ ছোট বাক্সটির কথা বললে তারা দেখলো সেই বাক্সটি খুলা। তারা ততোটা গুরুত্ব দিল না বিষয়টা। সবাই হয়তো ঠিকমতো বসতেই পারে নি ঠিক তখনই মনে হলো বাড়িটা যেন নড়ছে। চলবে?


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১০৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অভিমানী ভালবাসা ২
→ কিছু জোকস (সাথে একটি ধাধা)
→ অপেক্ষা
→ পরিকল্পনা যদি সত্যি হয়?????
→ বটতরুর তিথি - পর্ব ৫
→ বকুলের গার্লফ্রেন্ড এর বিয়া পর্ব-১
→ লোভি মেয়ে
→ Dangerous Lover
→ আইন জালুত - এক চিতাবাঘের গর্জন
→ স্বপ্নামী পর্ব ৬ (টোনাটুনি)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...