Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/gj-con.php on line 6
রংবাজ মেয়ে

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

রংবাজ মেয়ে

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ রাসেল খান(guest) (৩৫৮০ পয়েন্ট)



পার্ট___এক আজ আমার কলেজের প্রথম দিন। গ্রাম থেকে এসেছি। আমার গ্রামে আমি হিরো ছিলাম। কিন্তু এখানে এসে দেখি আমি সবার চেযে ক্ষ্যাত। যাই হোক আল্লাহ্ ভরসা করে কলেজে প্রবেশ করলাম। চারদিকে কত সুন্দর সুন্দর ছেলে মেযে কিন্তু কেন যানি সবার থেকে আমার নিজেকে আলাদা আলাদা লাগতেছে। মনে হচ্ছে যেন আমি দেশি মুরগী হযে বয়লেয়ার এর খামারে ঢুকে পরেছি। নতুন যায়গা একা একা ভালো লাগতেছে না। ভাবতেছি ক্লাসে যেয়েই আগে কযেকটা বন্ধু বানাবো। তাই সোজা চললাম ক্লাসের দিকে। সিরি দিযে উঠার সময হঠাৎ সাইড থেকে কে যেনো আমায ধাক্কা মারে. ধক্কা খাওযার সাথে সাথেই মুখ ফসকে (অভ্যাসগত) ভাবে বেরিযে গেছে.... ---- কোন সালায়রে দেখে চলতে পারেনা। --- ঐ কি বললি তুই আমি তোর সালা? , সামনে তাকিযে দেখি একটা পরি ....আরে সরি, পরী না পরীর মতো দেখতে একটা মেযে জিন্স প্যান্ট আর সার্ট পরেছে।সাথে কযেটা ফ্রেন্ড ও আছে। আমি দেখেতো পুরাই ফিদা। নাহ্ চোখ সরাতেই পারতেছিনা। ভাবতেছি হায় হ্যালো বলি। কিন্তু আমি কিছুবলার আগেই... - ঠাস ঠাস ঠাস ঠাস.... শব্দে আমার কান দুটা টা ফো ফো করতে লাগল। পরে বুঝতে পারলাম পরী আমার সার্টের কলার ধরেগুনে গুনে চারটা থাপ্পর দিছে। ---- ঐ হালা কি বললি তুই....... আমি তোর সালা? --- না মানে ...ইযে মানে .... --- কি মনে মানে করতেছিস...... এই একে মাঠে নিযে চল। , বলার সাথে সাথে তাগরা তাগরা দুইডা ছেলে আমাকে জোর করে নিযে চলল মাঠে। আমি হতভ্ম হযে গেলাম সবাই আমার দিকে তাকিযে হাসছে অথচ আমি কিছুই বলতে পারছিনা। আসলে আমি এখনো বুঝতেই পারিনি হেইটা বেটা না বেটি। দেখতে তো পুরাই পরী কিন্তু হেতির আচারন বেটার মতো কিল্লাই। বলতে বলতেই তারা আমাকে মাঠের মাঝে আনলো। --- আআআমাকে ছেছেছেরে দিন প্লিজ আআর কখখন বলবো না ........... --- আরে রাখ তোর থোতলানি ..... ঐ তোরে আগেতো কখনো দেখিনি । নতুন নাকি? --- এ্যা --- ঐ এ্যা কি হ্যা..... বল জ্বী -- জ্বী... --- কোন ইযার...? --- ফাফাস্ট ইযার। --- ধুর সালা পিচ্ছি , আমাকে চিনস? -- নআআআ। --- ঐ সালা থোতলাস কেন...? তোকে তো,, (তেরে এসে) , {পাশ থেকে একজন বলে ওঠে আপু নতুন ছেলে আপনাকে চিনে নাই ছেরে দিন।} --- ছেরে দিবো ....?আচ্ছা ছেরে দিলাম... ঐ শোন নেক্স টাইম আমার সামনে যদি কোনো বেযাদবি করিস তাহলে তোর কপালে খারাপ কিছু থাকবে... -- আআর করবো নাআ.... বলেই বলেই ম্যারাথনগতিতে পালিযে এলাম। সালার গ্রারামে যেখানে কোনো ছেলে আমার উপর কথা বলতে পারে না সেখানে আজ একট মেযে আমাকে এভাবে থ্রেট দিলো। বিধাতা মনে হয এই বেটিরে ব্যাট বানানোর চেষ্টা করে বেটি বানাইছে। শালি একটা হাফলেডি। নাহ্ এই মাইয়্যারে নিযে আর বেশি ভাবা যাইবে না। তানাহলে কপালের গিট খুলে যাবে। তাই সোজা ক্লাসে গেলাম। কযেক জন নতুন বন্ধুও যোগার হলো। তাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম। ঐ রংবাজ মেযেটা নাকি এই কলেজের সবচেযে সেরা ছাত্রি। সব সময লেখা পড়ার অধিক নাম্বার পেযে ফাস্ট হয। আর সেজন্য স্যারেরাও তার ঐরকম আচারনে কিছুবলে না। কলেজের ছোটো বড় সবাই নাকি ঐ মেযেকে আপু বলে ডাকে। আর ঐ মেযের জন্য নাকি এই কলেজে কোনো ছেলেই কোনো মেয়ের সাথে খারাপ ব্যাবহার করতে পারে না। শুনে ভালো লাগল যাইহোক এই কলেজে ইভটিজিং হযতো কমেই হয। কিন্তু মেযে টাকে সুবিধার মনে হচ্ছে না, তাই ওরকম মেযের থেকে দূরে থাকাই ভালো। ফিরার পথে দেখলাম মেযে টা বাইকে শুযে সিগারেট খাচ্ছে সাতে কযেকটা ছেলে দারিযে আছে। একদম মুভির সীনের মতো। আমি দেখে পুরাই সকট। জানি না এ মেযে আরো কত কি খায। তাই আর সেদিকে না তাকিযে দ্রুত চলে এলাম। , ওহ আপনাদেরতো বলতেই ভুলেগেছি, আমি এখানে আমার মাযে এক বান্ধবীর বাসায মানুষ হতে এসেছি, মানে এখান থেকে লেখা পড়া করবো। বাসায আসতেই আন্টি আমাকে কিছু খাবার দিলো। খাবার গুলো শেষ করতেই চলে এল আঙ্কেল। কাল রাতে এখানে এসেছি তাই আঙ্কেলের সাথে বেশি কিছু কথা বলতেই পরিনি। আর সেজন্য আঙ্কেলের সাথে গল্প করতে বসে গেলাম। শুরুতেই আমার কলেজের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা আঙ্কেল কে জানালাম। আমার কথা শুনে আঙ্কেল তো হাসতে হাসতে শেষ। বলতেছে গ্রামের বাঘ শহরের মুরগির খপ্পরে পরেছিলো তাহলে। এর পর তিনি ওনার মেয়ের গল্প করতে শুরু করলেন। ওনার মেযে নাকি এই ডিজিটাল যুগেও খুব পর্দাশীল। দেখতেও মাশাল্লাহ্। লেখাপরাও অনেক ভালো আর একদম শান্তশিষ্ট। এবার ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে। আমি তো শুনে অবাক কারন এই যুগেও এরকম মেযেকি পাওযা যায? এরপর আঙ্কেলের সাথে কথাবার্তা শেষ করে চলে এলাম ঘরে। রাতে যখন খাওযা জন্য নিচে নামলাম তখন দেখি খাবার টেবিলে হিজাব পরে একটা মে বসে। তবে মুখটা খোলা. আমি দেখেতো পুরাই অবাক, আরে এতো ঐ মেয়েটা......... #চলবে , পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ , ,, তখনই আমার খুব খারপ. লাগে যখন পোষ্টটি পড়ে লাইক/কমেন্ট না করে চুপিচুপি চলে যান। লাইক/ কমেন্ট পেলে নতুন নতুন পোষ্ট লিখতে উৎসাহ পাই । ] # _বিঃদ্রঃ- এই পোষ্টটি কেমন লেগেছে ? কমেন্ট করতে ভুলবেন না।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬১৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ লোভি মেয়ে
→ সেই মেয়েটি
→ পাহাড়ি মেয়ের প্রেম
→ রংবাজ মেয়ে
→ সেই মেয়েটি
→ ★অহংকারী মেয়ে ★
→ মেয়েটা তো হারিয়ে গেছে
→ বসের অহংকারী মেয়ে পার্ট ৯
→ বসের অহংকারী মেয়ে পার্টঃ১০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...