গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

ভয়ংকর রাত

"ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ আনিসুর (২ পয়েন্ট)



মামার ভয়ংকর সেই রাত ঘটনাটি ঘটে ২০১৫ সালে আমার মামার সঙ্গে। তিনি তাবলিগ জামাতে ৪০ দিনের চিল্লায় যায়। চিল্লায় নিয়ম ৩ দিন পর পর মসজিদ পরিবর্তন করা। এরকম একদিন তারা মসজিদ পরিবর্তন করেন। মসজিদে প্রবেশ করার সময় তারা দেখেন একটা লাশ ভ্যান গাড়িতে এক্টি লাশ পাটি দিয়ে পেচানো এবং তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন একটি পুলিশ। সেই পুলিশ মামাকে বলেন এ লাশটিকে গোসল করিয়ে দিতে। মামা পুলিশকে বলেন আমরা আমির সাহেব এর অনুমতি ছাড়া কিছু করতে পারব না। আমির সাহেব আসুন তারপর দেখি। তখন পুলিশ মামাকে বলল ভাই সারাদিনে অনেক হুজুর এনেছি কিন্তু কেউ লাশটিকে গোসল করাতে চায় না। তখন পুলিশটি মামাকে বলেন আপনি মেহেরবানি করে লাশটিকে গোসল করিয়ে দিন। মামা আমির সাহেবকে বলেন আমি ও আমার বন্ধু মিলে লাশটিকে গোসল করাতে চাই। তারপর যখন মামা লাশটাকে গোসল করাতে যায় তখন মামা দেখেন লাশের চেহারার অবস্থা খুবই খারাপ। মামা এটা দেখে খুব ভয় পেয়ে যায়। তারপরও মামা ও তার বন্ধুরা ভয়ে ভয়ে লাশটিকে গোসল করান। তারপর পুলিশ লাশটিকে নিয়ে চলে যান। তিন দিন চলে যায়। মামা ও তার বন্ধু ও সাথি ভাইদের নিয়ে আবারও মসজিদ পরিবর্তন করেন। তাদের সাথি ভাইদের মধ্যে একজন খুব অসুস্থ হয়ে যায়। তার শাস্কষ্টের সমস্যা হয়। তাকে ইনহেলার দিতে হয়। ইনহেলার বাজার থেকে কিনতে হবে। রাত তখন ১২ টা। সকাল পূর্যন্ত অপেক্ষা করা যাবে না। মামা সাথে একজন কে নিয়ে বেরিয়ে যান ইনহেলার কিনতে। মসজিদ থেকে বাজার অনেক দূর। মামা চিন্তা করেন যাবেন কিভাবে?? পায়ে হেঁটে এতো দূর যাওয়া সম্ভব না। কিছু দূর এগোতেই মামা দেখেন একজন লোক রিক্সা নিয়ে বসে আছেন। তার চেহারা দেখা যাচ্ছে না। চাদর দিয়ে ঢাকা। মামা কিছু চিন্তা করে বলেন বাজারে যাব যাবেন?? যত ভাড়া চান দিবো তারাতাড়ি যেতে হবে।কিন্তু লোকটা কিছু বললেন না উঠে দারালেন মামা ও তার বন্ধু রিক্সায় বসলেন। তারপর মামা বাজারে গিয়ে ইনহেলার কিনলেন এবং ওই রিক্সায় মসজিদ ফিরলেন। মামা রিক্সা থেকে নেমে বললেন খুব তারাতাড়ি পৌছে দিয়েছেন। এখন ভাড়া কতো দিবো?? লোকটা বলল ভাড়া দিতে হবে না। রিক্সাওয়ালা বল্লেন আপনি আমার যে উপকার করেছেন। মামা অবাক হয়ে বললেন আমি কি উপকার করেছি?? লোকটা এ কথা শুনে তার চাদর সড়িয়ে দিলো। মামা তার চেহারা দেখে সেনলেস হয়ে পড়ে যান। পরে তার সাথিরা তাকে নিয়ে যান। মামাকে তারা পরে জিজ্ঞেস করে কি হয়েছিল। মামা বলেন আমি যাকে গোসল করিয়েছিলাম সে লোকটি রিক্সাওয়ালা।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১২১৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সেই রাতগুলো
→ সবচেয়ে ভয়ংকর মাছ
→ ~অমুসলিমদের জন্য মক্কা-মদিনায় প্রবেশ নিষিদ্ধ কেন? এতে কী বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব হুমকির মুখে?
→ পুরানো ঈদের রাতগুলো, স্মৃতির পাতায় রয়েই গেল।
→ একটা রাতের গল্প
→ ভয়ংকরী নারী
→ ভয়ংকর প্রহরী
→ তুষার এবং রাত্রি
→ আমি তাকে হারাতে চাইনা (শেষ পর্ব)
→ একটি ভয়ংকর ভুতের গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...