গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

The vampire world 3.

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Jubayer Ahmed (০ পয়েন্ট)



দ্যা ভ্যাম্পায়ার_ওয়ার্ল্ড__Rafiq Rahman _______________________ একটা ছেলের কমেন্ট। ছেলেটার নিকনেম দেয়া ছিল রাফি। আর আইডি নাম টাও সেরকমই। নিহারীকা আবার তার মিউচুয়াল ফ্রেন্ড। অনিক ভাবলো এটাই হলো সেই রাফি। সেই রাফির আইডি নামটা ছিল "রাফিক রহমান"। সন্দেহমূলক সেই প্রোফাইলের টাইমলাইনে গেলো অনিক। কিন্তু তার টাইমলাইনেও কোন ছবি নেই। আছে সুধু গল্প আর কবিতা। - নিহারিকাকে নিয়ে পালিয়ে এখন প্রেম ভালোবাসার গল্প আপডেট দেয়া হচ্ছে হুম। (মনে মনে বলল অনিক) এবার রাফিককে একটা টেক্সট করলো অনিক। - হাই..(অনিক) রকেটের গতিতে রিপ্লাই আসলো - হেলো (রাফি) - আমি কি আপনাকে একটা ভিডিও কল করতে পারি? (অনিক) - হুম অবশ্যই (রাফিক) কল দিয়ে সরাসরি.... - তোমার নাম কি? (অনিক) - জ্বী রাফিক। (রাফিক) - ওহ,বাসা কোথায়? (অনিক) - দিনাজপুর, আপনার? (রাফিক) - আমার হবু বৌকে উধাও করে নিয়ে এখন আমাকেই বলছ আমার বাসা কোথায়?? (রাগী স্বরে বলল অনিক) - মানে? আপনার বৌ হারিয়েছে আমাকে কেন আপনার সন্দেহ হচ্ছে। আর কে আপনার বৌ?? (রাফিক) - আমার হবু বৌ এর নাম নিহারীকা। কোথায় রেখেছো তাকে? (অনিক) - ওহ নিহারীকা আপনার হবু বৌ। আমরা দুজন খু ব ভাল বন্ধু। আমাদের পরিচয় এফবিতে। ও আমার গল্প খুব পড়তো। কিন্তু কদিন হলো সে অনলাইনে নেই। এখন জানতে পাড়লাম যে সে হাড়িয়ে গেছে। সো স্যাড। (রাফিক) - কোথায় আছে ও? (অনিক) - আরে ভাই আমি কি জানি? আমি সহজ সরল একজন ক্ষুদে মানুষ কিভাবে উড়োবো আরেকজনের ভালোবাসার ফানুস? (রাফি) - আসলেই তুমি কি নিহারীকার খবর জানোনা? (অনিক) - ভাই মিথ্যে বলব কেন? আমি জানিনা সে কোথায়?? তবে আপনি চাইলে আপনার একটা সাহায্য করতে পারি। (রাফিক) - কি সাহায্য বলো? (অনিক) - আমার একজন লোক সম্পর্কে জানা আছে, তাকে কোন হাড়ানো মানুষের ছবি এবং তার সম্মন্ধে বললে সে বলে দিতে পারে সে কোথায় আছে (রাফিক) - তাই? কে সে? আমাকে তার পরিচয় দাও আমি এক্ষনি জাবো তার কাছে..। (অনিক) - তার সাথে দেখা করতে হলে আপনাকে যেতে হবে লস এঞ্জেলস এ। সেখানেই কোন এক অলিগলিতে তার বাস। তার নাম ড.পিটার ও নেইল। এই নামে তিনি পরিচিত ছিলেন। আমি সুধু তার ব্যাপারে এই টুকুই জানি। এর ব্যাপারে আর কিছু জানিনা। আশা করি আপনার নিহারীকাকে নিয়েই ফিরবেন। আর আমার কথা তাকে জানাবেন। বেস্ট অফ লাক (রাফিক) - ধন্যবাদ। কিন্তু তুমি ড.পিটার ও নেইল এর ব্যাপারে কিভাবে জানো? (অনিক) - আমি লেখালেখি করি। আমাকে তো এগুলা জানতেই হয়।???????????? #_______________Interval____________________ কল কাট করে করে দিলো রাফিক রহমান। - আজব..! কল কাট করে দিলো। সে কি আসলেই আমার সাহায্য করতে চায়। নাহ এখন আমাকে লস এঞ্জেলসে জেতেই হবে। যদি আসলেই লোকটা নিহারীকার ব্যপারে কিছু বলতে পারে? আর না বলতে পাড়লে দেশে এসে এর ব্যাবস্থা নিবো (মনকে বলল অনিক) - বাবা। জানিনা আমার মেয়েটা কোথায় চলে গেলো? কোথাও খুঁজে পাচ্ছিনা। সারা দেশে নিহারীকার ছবিও দিয়েছি। কিন্তু ওতো কোথাও নেই। কি করব বাবা? আমার মাত্র একটাই মেয়ে সেও যদি এভাবে আমাকে ছেড়ে যায়। তাহলে আমি কিভাবে বাঁঁচবো?? ( চোখ ঘেষে বলল নাজমুল সাহেব) - আংকেল চিন্তা করবেন না। নিহারিকাকে খুজে পাওয়ার জন্য আমি রাস্তা পেয়েছি। আল্লাহর প্রতি বিস্বাশ রাখুন, অবশ্যই নিহারীকা ফিরে আসবে। (নাজমুল সাহেবের হাতে হাত রেখে বলল অনিক) - কি রাস্তা পেয়েছো বাবা? (নাজমুল সাহেব) - আংকেল আমাকে লস এঞ্জেলসে যেতে হবে। সেখানেই হয়তোবা জানা যাবে নিহারীকা কোথায়।দোআ করবেন আংকেল যেন নিহারিকাকে নিয়েই দেশে ফিরতে পারি।(অনিক) - অবশ্যই বাবা। আমার মেয়েটাকে নিয়েই ফিরবে। (নাজমুল সাহেব) নাজমুল সাহেবের বাসা থেকে বিদায় নিয়ে নিজের বাসায় এসে ব্যাগ প্যাকিং করতে লাগলো অনিক। অনিকের মা এসে বলল - কি হয়েছে বাবা ব্যাগ প্যাক করছিস কেন? (অনিকের মা) - মা আমি দেশের বাইরে যাচ্ছি। নিহারিকাকে ফিরিয়ে আনতে। (অনিক) - নিহারীকা কোথায় আছে? (মা) - জানিনা মা। কিন্তু বিদেশে গিয়েই তার খবর পাওয়া যাবে। (অনিক) - বাবা যদি তোর কিছু হয়ে যায় তাহলে আমার কি হবে বাবা। (মা) - আমার কিছু হবেনা মা। তুমি চিন্তা করোনা মা। জলদি ফিরবো। ভালো থেকো। (অনিক) - ভালো ভাবে ফিরিস বাবা। আমি তোর অপেক্ষায় থাকবো। মায়ের থেকে বিদায় নিয়ে গাড়িতে করে এয়ারপোর্ট এর উদ্দেশ্যে বের হলো অনিক। না চাইতেও নিহারীকার জন্য অনিকের চোখ দিয়ে পানি গড়াতে লাগলো। সুধু মনে আসছে নিহারীকার কথা। একসাথে ঘুরবার কথা, একসাথে অফিসে কাজ করার কথা, যখন নিহারীকা অফিসে লেটে আসতো তখন অনিকের সাথে ঝগরা করতো। বলে যে তাকে কেন ছেড়ে এসেছে অনিক। কিন্তু আজ নিহারীকা নিজেই অনিককে ছেড়ে চলে গিয়েছে। কেমন আছে সে, কিভাবে আছে, কার সাথে আছে? আসলেই কি লস এঞ্জেলসে কোন খবর পাবে অনিক নিহারীকা সম্মন্ধে। নাকি সেই রাফিক নিজেকে বাচাবারা জন্য এমন করলো। এগুলো ভাবতে ভাবতেই এয়ারপোর্ট এ পৌছে গেল অনিক। ভাগ্য ভালো থাকার কারণে টিকিট পেল অনিক। তার ফ্লাইট ৩ঘন্টা পরে। কে নিহারীকাকে নিয়ে গেলো? নিহারীকাতো একাই কোথাও পালাবেনা আর আমি ছাড়া কারো সাথেও যাবেনা। তাহলে নিশ্চই কেউ জোড় করে নিহারিকাকে নিয়ে গেছে। (ভাবছে অনিক) ৩ ঘন্টা পর... ফ্লাইটে বসলো অনিক লস এঞ্জেলসে জাওয়ার জন্যে। ফ্লাইট চলছে...কখন যে না চাইতেও অনিকের চোখের পলক পরে ঘুমে মগ্ন হয়েছে নিজেও বলতে পারেনা। তার ঘুম ভাঙলো মানুষের চেঁচামেচির শব্দে। চোখ বন্ধ করে অনুভব করে বুঝলো মানুষ কারো কাছে খুব আকুতি মিনতি করছে। অনিকের বুঝতে বাকি রইলনা কি ঘটছে বিমানে। বিমানের ভিতরে ডাকাতেরা হামলা করেছে। একজন ডাকাত এসে অনিকের কানের কাছে এসে রাইফেল ধরে চেঁচিয়ে বলল - ওর কিতনা ছোয়েগা? আব উঠ যাহ। বারনা তুম ছাবকা খেল য়েহি খাতাম কার দেংগে। পাকিস্তান থেকে উঠেছে এই ডাকাতগুলো। - দেখিয়ে আপলোক প্লিজ হামে ছোর দিজিয়ে। এহ আপকে লিয়ে বহুত আচ্ছা হেয়। (অনিক) - এবার সেই লোকটা অনিকের ঘাড় ধরে সিট থেকে উঠিয়ে নিয়ে তাদের এডমিনের কাছে নিয়ে গেলো। এডমিন অনিকের ব্যাপারে যা তা বলছে । তাদের উদ্দেশ্য হলো বিমানটি ক্রাশ করানো। তারা বলছে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের বদলা তারা এভাবেই নিবে। এরপর পাইলট কে মেরে দিলো। বিমান আনকন্ট্রোল হয়ে গেলো। সমস্ত ডাকাত গুলো প্যারাসুট নিয়ে নেমে গেলো। বিমান হাওয়ায় দুলছে। ঠিক নিচের দিকেই যাচ্ছে। সবাই মৃত্যুকে আপন ভেবে নিজেরা মৃত্যুর কাছে নিজেদেরকে স্বপে দিতে চাইলো । অনিক তার পকেট থেকে নিহারীকার ফটো টা বের করে তাকিয়ে বলল- তোকে আর উদ্ধার করতে পাড়লাম না রে। আমাকে ক্ষমা করে দিস। অজ্ঞ্যান হয়ে গেল অনিক। বিমানের ভিতর থেকে দেখা যাচ্ছে স্পষ্ট কোন বরফের সাগরে ঢেলে পরছে ঢাকা এয়ারলাইন্স। আগুন গতিতে ঢেলে পরতে পরতে হঠাৎ বিমানটি আবার উপুরের দিকে উঠতে লাগলো। মনে হলো পাইলট আবার জীবিত হয়ে প্লেইন কন্ট্রোল করছে। কিন্তু না, বিমানের কন্ট্রোল রুমে কোন পাইলট নেই। সবাই অবাক, পাইলট ছাড়া বিমান একাই চলছে কিভাবে ?? ইতিমধ্যেই অনিকের জ্ঞ্যান ফিরলো। সে ঘটনা দেখে কন্ট্রোল রুমে দৌড়ে গিয়ে দেখলো অবাক ঘটনা। টিভিতে দেখা যাচ্ছে স্পস্ট কেউ একজন বিমানকে নিজ শক্তিতে বিমানের বাহিরে থেকে বিমান কন্ট্রোল করছে। কিন্তু কে সে?? ক্যামেরা যুম করে নিয়ে অবাক হলো অনিক। নিজের চোখকে যেন বিস্বাশ করতে পারছেনা অনিক। কারণ যে বিমানকে নিচে থেকে একাই কন্ট্রোল করছে তাকে রাফিকের মতই দেখা যাচ্ছে। আরো ভালো করে চোখে ঘষা দিয়ে দেখলো অনিক। হ্যা ঠিক তাই, এটাইতো ফেছবুকের সেই লেখক রাফিক রহমান। #to_be_continue...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৪৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ The Adventure of All GJ's(2)
→ The Adventure of All GJ's(1)
→ বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব(World Humanity Revolutio)
→ The king of darkness
→ The king of darkness 3
→ The king of darkness 4 & last
→ Mash Rafe the untold story❤
→ The vampire world 4
→ The king of darkness 1

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...