গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

সাগর মিমির Love story

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MD Shagor Khan (০ পয়েন্ট)



কিরে সয়তান তুই কি ঘুম থেকে উঠবি না? চালু করে উঠ, না হলে আমি কিন্ত পানি ঢেলে দিব?এই বলে আম্মু চলে গেলো। আমি ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করতে করতে বাসা থেকে বের হলাম, দেখলাম পাশের ফ্লাটে নতুন ভাড়াটিয়া এসেছে, জিনিসপত্র ঢুকাচ্ছে ফ্লাটে, আমিও হেল্প করলাম, দাঁড়াও দাঁড়াও আমার পরিচয় তো দেওয়া হলো না আমি সাগর বাবা-মা আদরের ছোট ছেলে বাবা-মার সাথে থাকি ঢাকায় এখানে ভালো একটা জব করি বিকেল বেলা আমি বাহিরে ঘুরতে যাচ্ছিলাম আমার ফ্লাটের দরজা খুলতেই ওকে দেখলাম, কি সুন্দর ডুগডুগি একটা মেয়ে আহ মন টা ভরে গেলো আমাকে দেখে ফ্লাটের ভিতরে চলে গেলো আমিও গুরতে চলে গেলাম। পরের দিন সকাল বেলা আমি অফিসে যাব বলে বাসা থেকে বের হলাম, আবার ও সেই মেয়েটাকে দেখলাম কার সাথে জানি কথা বলতেছে আর খিট খিট করে হাসছিলো। আমি অফিসে চলে গেলাম। এমন করে এক সপ্তাহ কেটে গেলো।আস্তে আস্তে আমার আম্মু আর ওর আম্মুর মাঝে ভালো একটা সম্পর্ক গড়ে উঠলো।আমার আম্মু ভালো কিছু রান্না করলে ওদের কে দিতো, ওরা ভালো কিছু রান্না করলে আমাদের কে দিতো,, মিমিকে আমার অনেক ভালো লাগতো। একদিন ভাবলাম মিমির সাথে কথা বলবো.ও আবার মাদ্রাসায় লেখা পড়া করে. ওর মাদ্রাসার সামনে গেলাম মাদ্রাসা ছুটি হলো, সব কটা মেয়েই কালো বোরখা পরা, এখন আমি মিমিকে কি ভাবে চিনবো, ও আর ওর কয়েক জন বন্ধু মিলে আসছিল গল্প করতে করতে, আমি মিমির কন্ঠ টা সুনে চিন্তে পারলাম ওর সাথে দেখা হলো কথা ও বললাম, মিমি অনেক সুন্দর ছুসিল ভদ্র একটা মেয়ে কয়েক দিন পরে আমার এক চাচাতো বোন আসলো, আমাদের বাসায় বেড়াতে,আমার বড় আপু হয়। আমি তাকে সব কিছু খুলে বললাম, আপু আমি মিমিকে অনেক ভালোবাসি, ওর সাথে আমি কথা বলতে চাই কিন্তু পারিনা। আপু বললো আচ্ছা আমি দেখতেছি বিষয়টা। আপু আমার কথা মত ওর সাথে মেলামেশা করতে থাকে, ওদের দুজনের মধ্যে ভাল একটা বন্ধুত্ব হয়।হঠাৎ করে একদিন আপু মিমিকে বললো মিমি সাগর তোমাকে অনেক পছন্দ করে। এ কথা শুনে হেসে হেসে বলল, আপু আমিও অনেক পছন্দ করি সাগর কে, কিন্তু আমি ওকে বলার সাহস পাই না। পরের দিন আপু আমাকে বলে, সাগর মিমি ও তোকে অনেক ভালোবাসে।আমি তো এই কথা শুনে নাচানাচি শুরু করে দিলাম। পরের দিন সকালে মিমি আপু কে বলল আপু সাগর যেন আমাকে প্রপোজ করে। আমাকে এসে আপু বললো মিমি এগুলো বলেছে আমি তখনই ফুলের দোকানে গিয়ে ৫টা গোলাপ ফুল আনলাম। তার পর সন্ধেবেলা ভালো একটা সময় দেখে. ওর সামনে গিয়ে হাটু গেড়ে বসে ওকে প্রপোজ করলাম I LOvE YoU মিমি আমি তোমাক অনেক ভালোবাসি আমার জিবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসি সারাটা জীবন থাকতে চাই তোমার সাথে। আমার মুখ থেকে এগুলো শুনে হাসি দিয়ে আমার হাত থেকে ফুল টা নিয়ে চলেগেলো। তার পর থেকে, ওর মাদ্রাসায় ওকে এগিয়ে দিতে যেতাম ১৫/২০ মিনিট সময় পেতাম অনেক কথা বার্তা বলতাম। একদিন রমজান মাসে আমি ইফতার পার্টি দেই মিমি আর ওর আব্বু আম্মু কে Invite করি,কিন্তু ওর আব্বু আম্মু আবার শপিং এ চলে যায়। মিমি বাসাই একাই সুনে আমি ওর ফ্লাটে গিয়ে দুইজন মিলে ইফতার করি। আমি কয়েকটা ওর আর আমার পিক্ উঠাই। ভালোই চলতে ছিলো আমাদের রিলেশন। আমি কখনো ভাবিনী একটা মানুষের জীবন এতটাই সুখের হতে পারে। আমি এটা বুজেছি, মিমি আমার জীবনে আসার পরে। ও আমার জীবনে আসার পরে আমার Life Style টাই চেঞ্জ হয়ে গিয়েছিলো। একটা দিন ওকে না দেখলে কাটাতে পারি না। সব সময় অর কথা মনে পড়ে।❤❤❤❤❤❤❤❤ একদিন আমি আমার আর মিমির পিকচার গুলো ইডিট করতে ছিলাম হটাৎ করে আমার ফোনে একটা ফোন আসলো। আমি ফোন টা ধরতেই বলল বাবা আমি মিমির খালা। কিছুদিন আগে মিমির আম্মু আমার ফোন দিয়ে ওর খালার সাথে কথা বলেছিলো। মিমির আম্মু কে একটু ফোন টা দাও, আমি মিমির আম্মু কে ফোন টা দিলাম। ৫/১০ মিনিট পরে আমাকে ফোন টা দিয়ে গরম চোখে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। আমি তখন কিছু বুজতে পারিনি। মিমির আম্মু চলে যায় ওদের ফ্লাটে। একটু পরে দেখি আমার ফোনে মিমির আর আমার একটাও পিকচার নাই সব ডিলিট করে দিছে। আমি তো টেনসনে মরে জাইতেছি। নিশ্চই মিমিকে মারতেছে। এক দুই দিন মিমির সাথে কথা বলতে পারি নি। পরে অনেক কষ্ট করে মিমির সাথে দেখা করি। মিমিকে বললাম তোমার আম্মু তোমাকে অনেক মারছে না, বলে আরে না একটু বকাবকি করছে। মিমি আমাকে সব সময় একটা কথা বলতো,যে আপনি এতো কিছু করেন না, যদি ভাগ্যে থাকে তাহলে আপনি আমাকে পাবেন। আমাদের দুই জন কে কেউ আলাদা করতে পারবে না। আমি ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটি পেলাম,আমি প্রতি ঈদেই গ্রামে গিয়ে সবার সাথে ঈদ করি। কিন্তু এবার মনটা যেতে চাচ্ছিলনা না। তাও আব্বু আম্মুর রিকুয়েষ্ট এ গ্রামে গেলাম। প্রত্বেক টা বন্ধুর সাথে দেখা করি। অনেক মজা মাস্তি করি সবাই মিলে। কিন্তু সব সময় মিমির কথা মনে পড়তো। মিমির সাথে কাটানো মুহুর্ত গুলো মনে পড়ত। মিমিকে না দেখতে পেয়ে আমার মন ব্যাকুল হয়ে পড়ে আমি আমার আব্বু আম্মুর দুই দিন আগেই চলে আসি ঢাকায়। এসেই মিমির সাথে কথা বার্তা বলি। আমি ঢাকায় আসার এক সপ্তাহ মতো পরে, মিমির আব্বু আম্মুর মদ্ধে একটা প্রব্লেম হয়, প্রব্লেম হওয়াই মিমির আম্মু মিমি কে নিয়ে রাগ করে মিমির খালার বাসায় চলে যায় মাদারি পুরে। আমি দুই তিন দিন পরে ফোন দেই মিমির খালার কাছে কথা বার্তা বলি আন্টি মিমিরা কবে আসবে ঢাকায়, বলে বাবা এক সপ্তাহ মতো পরে যাবে ওরা ঢাকায়। আমি এক সপ্তাহর কথা সুনে কিছুটা সস্তি পাই। আমি প্রতিদিন ফোন দিতাম মিমির খালার কাছে, কথা বার্তা বলতাম, খালি বলতো বাবা দুই দিন পরে আসবো। একদিন মিমির খালা আমার মোবাইলে ফোন দেয় দিয়ে বলে বাবা তুমি কেমন আছো কোথায় আছো মিমিরা আর ঢাকায় যাবে না এখন থেকে ওরা এখানেই থাকবে, এই কথা গুলো সোনার পরে আমার মনে হলো পুরো আসমান টা আমার উপর ভেঙে পড়লো। আমি পুরই ভেঙে পড়লাম। কি করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আমি ভাবলাম মিমির খালার বাসায় জাবো মাদারীপুরে। আমি এর আগে কখনোই মাদারীপুরে যাইনি আমি আর আমার দুই বন্ধু রওনা দিলাম মাদারীপুরের উদ্দেশ্যে মাদারীপুরে পৌছালাম আমি শুধু মিমির খালার গ্রামের নাম মিমির মুখে একবারে শুনেছিলাম ওই ঠিকানা অনুযায়ী গ্রাম খুজতে শুরু করলাম গ্রাম পেয়ে গেলাম আমি ভেবেছিলাম হয়তো গ্রামটা হবে আমার গ্রামের মত ৭০/৮০ টা বাড়ি থাকবে ওখানে দেখি পুরোটাই উল্টা ওই গ্রামে পাঁচশোরও বেশি বাসা এখন খুজে বের করব কেমন করে যে মিমির খালার বাসা কোনটা তাও খুজতে খুজতে পেয়ে গেলাম বাসা। আমরা বাসা থেকে প্রায় 30 মিটার দূরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমরা ভাবতেছিলাম কবে মিমি বাসার বের হয়ে আসবে প্রায় এক ঘন্টা মতো পরে মিমির আম্মু আসলো বাসার বাহিরে। একটুর জন্য বেঁচে গেছি ঐ যাত্রায়। আমি আমার বাসায় বলে গিয়েছিলাম যে আম্মু আমি কিশোরগঞ্জ যাব আমার এক ফ্রেন্ডের বিয়ে খেতে দুইদিন পরে আবার চলে আসব। একটু পরে আমার মোবাইলে ফোন আসে আমার আম্মু বলে বাবা মিমির আব্বু যাইতেছে মিমির খালার বাসায় মিমি আর ওর আম্মুকে নিয়ে আনতে। কারণ আম্মু জানতো আমি মিমিকে অনেক ভালোবাসি তাই মিমির খালার বাসায় গেছি আমার কোন ফ্রেন্ডের বাসায় যায়নি। আমি ভাবলাম আর কোন রিস্ক নেয়ার দরকার নেই একদিন পরে তো ঢাকায় আসতেছে তখনই কথা বলব তো আমরা অনেক কয়টা পিক উঠালাম মাদারীপুরে আমরা আবার ঢাকায় ফেরত চলে আসলাম মিমিরা আসলো দুইদিন পরে ঢাকায়। আমি মিমি কে সব খুলে বললাম যে আমি মাদারীপুরে গিয়েছিলাম তোমাকে দেখার জন্য তোমার সাথে কথা বলার জন্য তোমার খালার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম অনেকক্ষণ ধরে কিন্তু তুমি একবারও বাসার বের হয়ে আসো নি, তোমার আম্মুকে দেখতে পেয়েছিলাম তোমার আম্মু একটু জন্য আমাদেরকে দেখতে পাইনি, তখনই আমার আম্মু ফোন দিয়ে বলে বাবা তুমি কোথায় আমি তো আম্মুকে বলে গিয়েছিলাম আমি কিশোরগঞ্জে যাব। আমিতো কিশোরগঞ্জে আম্মু বলে মিথ্যা কথা বলোনা আমি জানি তুমি মাদারীপুরে আছো তুমি ওখান থেকে চলে আসো মিমির আব্বু যাচ্ছে মিমি আর ওর আম্মুকে আনতে এই কথা শুনে আমি চলে আসি ঢাকায় এগুলো বলেই আমি ওকে মাদারীপুরের পিকচারগুলো দেখালাম, ও দেখে অবাক হয়ে গেল বলে যে আপনি আমাকে এতই ভালোবাসেন আমি বললাম আমার জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসি তোমাকে। ওর পর থেকেই ও আমাকে অনেক বেশি ভালোবাসতে শুরু করে। আমি উপর ওয়ালার কাছে সব সময় চাইতাম মিমিকে। এক দেড় মাসে আমাদের ভালোবাসা অনেক গভীর হয়ে যায়। আমি সব সময় ওর কথা ভাবতাম, ও সব সময় আমার কথা ভাবতো। একটা দিন ওর সাথে কথা না বললে ও পাগলের মত হয়ে যেতো, আমিও একটা দিন ওকে না দেখে থাকতে পারতাম না। আবারো চলে আসলো কোরবানির ঈদ কিন্তু এবার ঈদে গ্রামে গেলাম না অনেক রিকুয়েস্ট করে আব্বু আম্মুকে ঢাকায় ঈদ করার জন্য রাজি করালাম, আমি ভেবেছিলাম প্রত্যেক ঈদে গ্রামে গিয়ে বন্ধুদের সাথে মজা মাস্তি করি এবার মনে হয় মজা মাস্তি হবে না, কিন্তু এই ঈদে এতটাই মজা করি যা আমি কখনোই ভুলতে পারবো না অনেক মজা হয়েছিল। একদিন মিমির আম্মু আমাদের কে একসাথে দেখে ফেলে, দেখে ফেলার পর আমাকে শুধু বলে তোমাকে যেন আর কোনদিন না দেখি মিমির সাথে কথা বলতে, এই বলে মিমিকে নিয়ে চলে যায় ওদের ফ্লাটে এটা ঠিক বিকেল পাঁচটার দিকে। আমি অনেক টেনশনে পড়ে যায় নিশ্চয়ই মিমিকে টর্চার করতেছে এই ছোট্ট একটা ব্যাপার নিয়ে মিমিকে অনেক মারে ওই ঘটনার পর থেকে মিমিকে আর বাসার বের হতে দেয় না, সকালবেলা মাদ্রাসায় ওর আম্মু ওকে রেখে আসে আবার বিকেলবেলা সাথে করে নিয়ে আসে, এক সপ্তাহ মিমির সাথে কথা বলতে পারেনি অনেক কষ্ট করে দেখা করি মিমির সাথে, (মিমি) সবকিছুর জন্য সরি, (আমি) সরি কেন? (মিমি) আমি আমার আব্বু আম্মুর ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন কিছু করতে চাই না,আমি আমার আব্বু আম্মুকে কখনো কষ্ট দিতে পারব না, আর আমি আপনাকে ভালোবেসে কষ্ট দিতে চাইনা (আমি) আর একি হয়ে গেল তোমার এক সপ্তাহ আগে তুমি আমাকে একটা দিন না দেখলে থাকতে পারতে না, আর সেই কিনা তুমি আমাকে ভুলে যেতে বলছ, তুমি কি সত্যি আমাকে ভালোবাসো না? (মিমি) আমি আপনাকে ভালোবাসি সারাটা জীবন বেসে যাব । (আমি) তাহলে এগুলা উল্টাপাল্টা বলতেছ কেন? (মিমি) আমি নিরুপায়। আমি মিমিকে অনেক বুঝিয়েছি কিন্তু ও বুঝিনি চলে যায় ওখান থেকে, এরপর থেকে আমি ওর সাথে আর দেখা করিনি এভাবেই শেষ হয়ে যায় একটা নিষ্পাপ ভালোবাসা জানিনা কী দোষ করেছিলাম শুধু উপরওয়ালার কাছে মিমিকে সারা জীবনের জন্য চেয়েছিলাম উনি আমাকে দিয়েও কেড়ে নিয়েছে????????????


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫৫৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ~সান্তনা_দে-২।
→ জিজে দের নিয়ে সপ্ন
→ লাল পা
→ আইনিস্টাইন
→ নিউটন
→ হযরত আলী রাঃ এর কয়েকটি উক্তি
→ প্রেমের কক্ষপথ
→ সভ্য সমাজ কই আজ? এই দায়ভার কে নেবে??
→ এক অন্যরকম অ্যাডভেঞ্চারঃ ফেলুদা অমনিবাস
→ অ্যামাজনে কয়েকদিন (পর্ব ৬)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...