Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/gj-con.php on line 6
পাগলা মুক্তিযোদ্ধা

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

পাগলা মুক্তিযোদ্ধা

"যুদ্ধের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান mehrab khan(guest) (৩৫৮০ পয়েন্ট)



মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গল্প পাগলা মুক্তিযোদ্ধা বসন্তের পাখির গান শোনা যাচ্ছে । ধিরেন্দ্র স্যার ছাত্র – ছাত্রীদের একটি ক্লাস পরীক্ষা দিচ্ছে । পরীক্ষাটি হলো গণিত । সোহাগের মাথায় অঙ্কগুলো কিছুতেই ঢুকছে না । শুধু কলম কামরাচ্ছে । তার ডান পাশে প্রিন্স বসেছিল । প্রিন্স স্যারের অনুমতি নিয়ে একটু পানি খেতে গেল । ঠিক তখন সোহাগ প্রিন্সের পরিক্ষার বাড়তি কাগজ চুরি করে নিজের খাতায় লাগাল । সোহাগ আরো কয়েকজনের পরীক্ষার বাড়তি কাগজ চুরি করে নিজের খাতায় লাগিয়ে নিল । দু’ দিন পর ধিরেন্দ্র স্যার পরীক্ষার খাতা দিল । ধিরেন্দ্র স্যার বলল , যারা যারা ফেইল করেছো তারা দাঁড়াও । শুধু সোহাগ বসে থাক । প্রিন্স , এনা , বাচ্চু ও করিম কান ধরে দাঁড়াল । ধিরেন্দ্র স্যার সোহাগকে তার কাছে আসতে বলল । সোহাগ স্যারের কাছে গেল । স্যার বললেন , সোহাগ তোমার খাতায় পৃষ্ঠা ছিল তবুও কেন বাড়তি কাগজে লিখেছ ? সোহাগ বলল , স্যার আমি বাড়তি কাগজে সুন্দর করে লিখতে পারি । স্যার বলেন , আমার যতটুকু মনে আছে আমি তোমাকে কোন বাড়তি কাগজ দেই নি । আর সবচেয়ে বড় কথা তোমার হাতের লেখা পাঁচ রকমের কেন ? সোহাগ চুপ হয়ে গেল । ধিরেন্দ্র স্যার সোহাগকে চরম ধোলাই দিলেন । আর যারা ফেইল করেছে তারাও মার খেল । সেদিন বিকেলে সোহাগ , প্রিন্স ও করিম একটা চায়ের দোকানে বসে গল্প করছে । সোহাগ বলল , ধিরেন্দ্র স্যারের একটা ডাক নাম বানিয়েছি । প্রিন্স বলল , ডাক নামটা কি ? সোহাগ বলল , ডাক নামটা হলো ইন্দ্রের পোলা ধিরেন্দ্র । সবাই হা হা করে হেসে উঠল । সোহাগ ও করিম সিগারেট টানছে এবং প্রিন্স চায়ে চুমুক দিচ্ছে । সন্ধ্যা বেলা তাদের আড্ডা শেষ হলো । ধিরেন্দ্র স্যার আবার একদিন গণিত পরীক্ষা নিলেন । আগে যারা ফেইল করেছিল তারা এবারও ফেইল করল । আবার স্যারের কাছে ধোলাই খেল । সেদিন বিকেলে সোহাগ ও করিম চায়ের দোকানে বসে সিগারেট টানছে ও গল্প করছে । সোহাগ বলছে , শালা ইন্দ্রের পোলা আজকেও আমারে মারল । করিম বলল , ঐ শালায় শুধু তোরে মারছে আমদেরও তো মারছে । একদিন সোহাগদের এলাকায় মুষ্টিযুদ্ধ খেলা হলো । সোহাগ সেই খেলায় নাম দিল । প্রথমে সোহাগ প্রতিপক্ষের কাছে প্রচুর মার খেল । তারপর সোহাগ পাগলের মতো ক্ষেপে গিয়ে প্রতিপক্ষকে মার দেওয়া শুরু করল । অবশেষে সোহাগ জয় লাভ করল । তারপর থেকেই সোহাগের নাম হলো পাগলা মুষ্টিযোদ্ধা । ১৯৭১ সাল । সারা দেশে শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ । সোহাগ , এনা , বাচ্চু , করিম ও প্রিন্স ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ল । একদিন পাকিস্তানিদের সাথে তাদের প্রচণ্ড যুদ্ধ লাগল । অনেকক্ষণ যুদ্ধের পর পাকিস্তানিরা পরাজিত হলো । কিন্তু শত্রুর শেষ বুলেটটি সোহাগের কপালে লাগল । সে শহীদ হলো । তারপর কেও তাকে পাগলা যোদ্ধা বলল না । বলল , পাগলা মুক্তিযোদ্ধা । তার বন্ধুরা তাকে দাফন করল । আর শপথ করল তারা দেশ স্বাধীন করবেই । দেশ স্বাধীন হলো । সবাই নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে । করিম একদিন স্বপ্নে দেখল , সোহাগ বলছে শালা ইন্দ্রের পোলা আজকেও আমাকে মারছে । করিম লাফ দিয়ে উঠে বলল , সোহাগ তুই কি আবার ফিরে আসলি । লেখকঃ মেহরাব হক খান শ্রেণিঃ ষষ্ঠ রাজারবাগ পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৪৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রাজাকার ও মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে পার্থক্য
→ চা পাগলা জিজে
→ ভালোবাসার পাগলামি
→ পাগলাগারদ
→ ফেইসবুক পাগলা শ্বশুর!!!
→ হটাৎ!(আপন্তির পাগলামো)-০৫
→ হটাৎ!(অবন্তির পাগলামো)-০৫
→ পাগলামি
→ পাগলামী

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...