গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

আমার বাবা মা নেই

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Maruf (০ পয়েন্ট)



দক্ষিণ আফ্রিকায় আনুমানিক 3.7 মিলিয়ন অনাথ শিশু আছে - যাদের মধ্যে অর্ধেকের কাছাকাছি তাদের বাবা-মায়েদের হারিয়েছেন এইডস-সম্পর্কিত রোগের কারণে। এটি একটি মেয়ের গল্প। আমার নাম প্রিটি, আমি 20 বছর বয়সী এবং আমি দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকি। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমি আমার চাচা-চাচীর সঙ্গে থাকতাম। তাঁরা আমাকে এটি বিশ্বাস করতে বাধ্য করেছিল যে আমাকে মারধোর করা এবং আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করাটা তাঁদের অধিকারের মধ্য পড়ে, কারণ আমি তাঁদের নিজের সন্তান নই এবং আমার অন্য কোথাও যাবার জায়গা নেই। আমি বন্দী হয়ে পড়েছিলাম। আমার ঋতুচক্র চলাকালে আমি যদি আমার চাচীর কাছে স্যানিট্যারি প্যাড চাইতাম, সে বলতঃ "খবরের কাগজ ব্যবহার কর!" আমি যদি নিজেকে সুন্দর দেখাতে আমার চুলগুলো ঠিক করার কথা বলতাম, তাহলে সে বলতঃ "জল আর রদ্দুর আছে তো…"। সবটা ভয়ানক ছিল। জীবনটা তখন আমার কাছে দুর্বিসহ ছিল। আমি খুবই নিরাশ হয়ে পড়েছিলাম। গভীর রাত পর্যন্ত সংসারের নানান ধরনের কাজকর্ম সেরে তবেই আমি আমার স্কুলের বইগুলো বের করতে আর হোমওয়ার্ক করতে পারতাম। একদিন এই বিষয়টি নিয়ে বহুক্ষণ ভাবনা-চিন্তা করার পর, আমি একজন সমাজকর্মীর সঙ্গে গিয়ে কথা বলার সাহস সঞ্চয় করতে পেরেছিলাম, যাঁর সম্বন্ধে আমার স্কুলের একজন শিক্ষকের কাছ থেকে জানতে পেরেছিলাম। আমি ভীষণ ভীত ছিলাম। কিন্তু আমি আনন্দিত যে আমি তা করেছিলাম। তিনি আমার জীবনটাকে পাল্টে দিয়েছিলেন। তাঁর কাছে গিয়ে আমি তাঁকে আমার সব কথা খুলে বলেছিলাম এবং শুধু কেঁদেই চলেছিলাম। তিনি আমার চোখে চোখ রেখে বলেছিলেন, "বাছা, তোমাকে মারার বা তোমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করার অধিকার কারো নেই।" তিনি আমার সঙ্গে আমাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে আমার অভিভাবকদের কাছ থেকে আলাদা আমার একটি থাকার জায়গাও করে দিয়েছিলেন। সেখানে আমাকে দেখাশোনা করার লোক ছিল, আমি পড়াশুনোয় মন দিতে পারতাম এবং আমি আমার মনকে শক্ত করতে পেরেছিলাম। আমি যখন আমার চাচা-চাচীর সঙ্গে থাকছিলাম তখন আমি সাহায্য চাইতে ভয় পেতাম। কিন্তু আমি আনন্দিত যে আমি তা করেছিলাম। এখন আমি আনন্দে আর নিরাপদে আছি। আমি আরও একবার গর্বিত বোধ করছি। আমি এমন এক মেয়ে যে তার অধিকারের জন্য লড়াই করেছে এবং তা অর্জন করেছে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫৬১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হায়রে মানুষ, তাদের কি ছিলনা কোনো হুশ!
→ ~ভূত নামানো(গল্পটি বলেছেন ড.মুহাম্মদ জাফর ইকবাল)।
→ ~ইসলাম কেন পুরুষদের একাধিক স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি দেয়? কিছু ভুল,কিছু বিভ্রান্তের সমাধানের প্রচেষ্টা!
→ "এখনও আমি অপেক্ষা করছি তোমার জন্য!!!" পর্ব-১
→ আমার বাড়ি সিলেট
→ সভ্য সমাজ কই আজ? এই দায়ভার কে নেবে??
→ অ্যামাজনে কয়েকদিন (পর্ব ৬)
→ অ্যামাজনে কয়েকদিন (পর্ব ৬)
→ অমীমাংসিত তদন্ত ৪
→ অমীমাংসিত তদন্ত ৩

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...