Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/gj-con.php on line 6
পিটুস । (৪-শেষ পর্ব)

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

পিটুস । (৪-শেষ পর্ব)

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মেহেরাজ হাসনাইন (৩২৬ পয়েন্ট)



● কল্পনার 2100 সাল । এমন একটা অত্যাধুনিক যুগে কোনো এক বিজ্ঞানী চায় যুগান্তকারী অদ্ভুত কাল্পনিক জগতের আবিষ্কার করতে । যে জগৎ সম্পর্কে সে মাত্রই তার নিজের ধারনায় ভেবেছিল । আর কোনো এক দুর্ঘটনায় সেদিন সে জেনেছিল সেই জগতের অস্তিত্বের কথা । হ্যাঁ , কার্টুন জগৎ :S । অবশেষে সে এনিমিটুমিটার তৈরির মাধ্যমে গুপন মিশনে যায় কার্টুন জগৎ কে জানার উদ্দেশ্যে , যে মিশন সম্পর্কে শুধু মাত্র তার বোন জানে বলে সে মনে করতো। আসলে সম্পুর্ন অভিজানের তার মূল কৌতূহল ছিল পিটুস । কারন মেসেজ এ পিটুস নামক চরিত্রই তাকে কার্টুন জগতে আমন্ত্রণ জানায় । সে জানতে চেয়েছিল কে এই পিটুস যে হাসনাইন এর ব্যাপারে এত আগ্রহী যে তাকে আমন্ত্রণ জানালো । কিন্তু পরিশেষে সে জানতে পারে যে পিটুস আসলে কোনো চরিত্র নয় । এটা একটা নাম মাত্র । যে নামের যন্ত্র কার্টুন জগতের অয়ন নামের অন্য এক বিজ্ঞানীর তৈরি । আর এর বৈশিষ্ট সম্পূর্ণ এনিমিটুমিটার এর মত । এর মনে এই নয় যে ওই পিটুস চরিত্রের কেউ নেই । আসলে নাম পিটুস না হলেও এমন কেউ আছে যে আসলেই হাস্নাইনকে সব সময় চোখে চোখের রাখতো । যে চরিত্র তার খুব কনিষ্ট কেউ হবে । তার নাম কিন্তু পিটুস নয় এটা নিশ্চিত । হাসনাইন কিন্তু খুব ভালো করেই জানে সে কে.. :D । ● মূলত এনিমিটুমিটার এর কাজ হচ্ছে বাস্তব জগতের কোনো ব্যক্তি কার্টুন রূপ পেয়ে কার্টুন জগতে যেতে পারবে । আর পিটুস নামের যন্ত্রের কাজ হচ্ছে কার্টুন জগৎ থেকে বাস্তব রূপ পেয়ে বাস্তব জগতে সফর করতে পারবে । এই দুইটা যন্ত্রের সূচনা হাসনাইন এর চিন্তা ভাবনা থেকে । ● হাসনাইন । যে ইনিমিটুমিটার এর নষ্ট হওয়ার কারনে আটকে গেল কার্টুন জগতে । তাকে এই আগ্রহের দিকে নিয়ে আসার প্রধান হাত অনয়ের । কিন্তু একজন আছে যে অনয় কে এসব করার জন্য প্রথমে আহ্ববান করেছিল । সে বাস্তব জগতেরই একজন । কিন্তু সে পরবর্তীতে অনয় এর সাথে যোগাযোগ করে নি । আর এটাও স্বাভাবিক যে হটাৎ কেউ একজন এসে সাহায্য চেয়ে তাকে সাহায্যের প্রস্তুতি নেওয়ার পূর্বেই সে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় । এর মনে দাঁড়ায় তার আর সাহায্যের প্রয়োজন নেই । আর অনয় ও নিজের স্বার্থের অর্থে হাসনাইন কে কার্টুন জগতে আসার আগ্রহ করে দেয় । আসলে অনয় থেকে সাহায্য নেওয়ার মূল লক্ষ্য ছিল হাসনাইন কে কার্টুন জগতের কৌতূহল বাড়িয়ে একটি নতুন জগৎ আবিষ্কারের জন্য হাস্নাইনকে সফল হতে দেখা.. ●এখন হাসনাইন বাস্তব জগতে একটি মাত্র উপায়ে যেতে পারবে আর তা হলো পিটুস । অনয়ের যন্ত্রটি । যেটি সেন্ট্রাল পুলিশের কাছে বাজেআপ্ত করা আছে । এর মাধ্যমেই হাসনাইন সেই মেয়েটির সাথেও যোগাযোগ করতে পারবে যাকে সে ইতিপূর্বেই চিনতে পেরেছে । সে আর কেউ না তার সব থেকে প্রিয় বন্ধুদের মধ্যে একজন। সেই সাথে তার বোন এর সাথেও যোগাযোগ করতে পারবে । আবার আরেকটি পদ্বতি সেটি হলো টাইম ট্রাভেলিং । হাসনাইন একজন টাইম এক্সপার্ট । সে টাইম ট্রাভেল নিয়ে অনেক গবেষণা করেছে । কাজেই , সে জানে যে টাইম ট্রাভেল করে এনিমিটুমিটার নষ্ট হওয়ার আগের সময়ে যেতে পারবে আর এনিমিটুমিটার ব্যবহার করে ফিরে যাবে বাস্তবজগতে । কিন্তু এ ক্ষেত্রে একটা সমস্যা । হাসনাইন কার্টুন জগতের "লো অব নেচার" সম্পর্কে জানে না । অর্থাৎ , কার্টুন জগতের ইউনিভার্স এর ফিজিক্স কেমিস্ট্রি এন্ড বাইলজিক্যাল ধর্ম সমূহ । তাই সে এক্সপার্ট হলেও ওই স্টেপ নিতে পারবে না। যদিও অনয় এর সাহায্য নিতে পারে সে । তবও সেটা সময় সাপেক্ষের ব্যাপার আর বিপদজনক। হাসনাইন এর মাথায় আরেকটা বুদ্ধি আসলো :D । সে পিটুসই চুরি করবে । কিন্তু কিভাবে ?? :S কারন যন্ত্রটি খুব টাইড সিকিউরিটি সহ শহরের অত্যাধুনিক ল্যাব এর শেষ প্রান্তে একটি রুমে অবস্থিত । এখন কেউ জানে না ওই ল্যাব এর রুমটি কোথায় । আর জানলেও ওই অব্দি গেলে বেঁচে ফিরে আসা টা একটা হাস্যকর মন্তব্য হবে । কারন এটা কখনোই সম্ভব না । হাসনাইন অয়ন কে শুধু এই টুকু বললো যে , ল্যাব এর ওই রুমটির লোকেকশন নিয়ে আসতে হবে যেভাবেই হোক । আর এটা নিশ্চিত হওয়া চাই যে , যে রুমে পিটুসটি রাখা আছে ঐতি যেন খালি অর্থাৎ ফাঁকা অবস্থায় পাই । বিশেষ করে ওই রুমের ব্লুপ্রিট । ব্লুপ্রিট তো পাওয়া সম্ভব না তবে ধারণা চিত্র হলেও যথেষ্ট । এর জন্য চাই ওই ল্যাব এর কারো সাহায্য । অনয় সব জোগাড় করে নিলো । ল্যাব এর রুমটির লোকেকশন আর ওই রুম সম্পর্কে ধারণা । মূলত ওই রুমের দরজার সামনে পর্যন্ত এ জগতের সব থেকে টাইট সিকিউরিটি আর দরজার ওপারে কিন্তু কিছুই নেই ল্যাব ইন্সট্রুমেন্ট আর যন্ত্রটি ছাড়া । হাসনাইন এর আইডিয়াটা হচ্ছে , সে যেহেতু এনিমিটুমিটার এর জন্য পোর্টাল নিয়ে কাজ করেছে । সে ওই রুম অব্দি একটা ইন্টারগ্যালকটিক পোর্টাল তৈরি করবে । যার মাধ্যমে অয়নের ল্যাব থেকে সরাসরি ওই ল্যাবে জব সম্ভব আর এর ২মিনিট সময় সহ পিটুস যন্ত্রটি নিয়েই আবার অনয় এর ল্যাব এ ফিরে আসা । এর পর বাড়ি ফিরা । অর্থাৎ এর মাধ্যমে কোনো সিকিউরিটির সমস্যায় পড়তেও হবে না । যেমন কথা তেমন কাজ । হাসনাইন যত দ্রুত সম্ভব পোর্টাল তৈরি করে ফেললো আর সেই সাথে পিটুস কেও নিয়ে আসলো । এর মাঝেই শহরে তাদের দুজনের ওপর রেড ওয়ারেন্ট জারি হয়ে গেল । এখন হাসনাইন বাস্তব জগতে চলে আসবে আর এর উদ্দেশ্যেই পিটুস চালু করা হলো । কিন্তু অনয় এর কি হবে..?? হাসনাইন চলে আসলে অনয় কে তো মেরে ফেলা হবে আর একই সাথে পিটুস ও চুরি করবে এ শহরের সরকার । তাই হাসনাইন চাই অয়ন ও তার সাথে বাস্তব জগতে চলে আসুক । এবার তারা আসার পর পিটুস এর নিজস্ব টাইমার সেট করে দিল যাতে পৃথিবীতে পৌঁছনোর পর পর ই যেন পিটুস সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায় আর যেন কেউ এ জগতে আসতে না পরে । তারা পিটুস এর জন্য লোকেকশন সেট করেনি । অর্থাৎ যেকোনো জায়গায় রেন্ডমলি সিলেক্ট করে তারা পৃথিবীতে ফিরে আসলো... ......... হাসনাইন তার পূর্বের রূপ পেল । অনয় ও একটি সুন্দর ও অদ্ভুদ রূপ পেল । সে নিজেকেই চিনতে পারছে না । এখন বাস্তবজগতে তাকে হাসনাইনের নিজ ভাই এর পরিচয় দিয়ে অনয় হয়ে গেল বাস্তব জগতের একজন স্থায়ী সদস্য । সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতাটি হাসনাইন A কে সব খুলে বললো । সেই মেয়েটির পরিচয় ও জানালো তার বোন কে । সব জানার পর শেষে A একটা -die- ইমুজি দিলো :D :P । আর এভাবেই পিটুস এর গল্প এখানেই সমাপ্ত । ( বিদ্র:- এ গল্পটি সম্পুর্ন কাল্পনিক চিন্তাভাবনার ভিত্তিতে রচিত :D )


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬২০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পথ পথিকের সৃষ্টি করে না, পথিকই পথের সৃষ্টি করে ।
→ দ্যা ব্লাক বুক(৩য় পর্ব)
→ দ্যা ব্লাক বুক(২ পর্ব)
→ আমাকে আপনি বিয়ে করে নিন।
→ ইসলামে ভালোবাসা দিবস এবং মানবতা।
→ *বাহুবল।।
→ বাংলাদেশ ক্রিকেটের কাল্পনিক কিছু কথা।
→ *ভুল প্রেমের মাশুল। পর্ব-২
→ সারাক্ষণ মোবাইল চালালে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যৌন জীবন।
→ ডেঞ্জারাস মেয়ে।

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...