Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/gj-con.php on line 6
হিমুর স্নরণে।।

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

হিমুর স্নরণে।।

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান M.H.H.RONI (৮১৮ পয়েন্ট)



আজ সকাল থেকেই আকাশে প্রচন্ড রোদ উঠেছে।তাই আমি আর কোন প্রকার কালবিলম্ব না করে এই প্রকন্ড রোদে আমার সেই বিখ্যাত হাটা শুরু করলাম।রাস্তায় চলছি খালিপায়ে তবে সবাই যেভাবে চলে সেভাবে নয়।কারণ আমিত সবাই নয় আমি হিমু।রাস্তায় হাটছি উল্টো দিক করে আর আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি।আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি বলা যায় না ঠিক কারণ সূর্যের তেযের জন্য তাকিয়ে থাকা যায় না।চোখ বুজে হাটছি।এমন সময় পিছন দিক থেকে ধাক্কা লাগল।আমার পিছন দিক কিন্তুু বাকি সবার সামনের দিক।পিছনে ফিরেই দেখলাম যার সাথে ধাক্কা লেগেছে তিনি মধ্যবয়স্কা এক লোক।লোকটির প্রথম কথাই,এই আপনি পাগল নাকি?এভাবে উল্টোদিক করে হাটছেন।কে আপনি?আমি আমার সেই বিখ্যাত রহস্যময় হাসি দিয়ে বললাম জি ভাই আমি হিমু।লোকটি কিছুটা বিস্নিত হলো।বিড়বিড় করে বলল কী হিমু এটা আবার কেমন নাম?যাহোক বাড়ি কোথায় আপনার?লোকটির আমাকে প্রশ্ন।আমি বললাম আপনার বাড়ি।লোকটি বলল আমার বাড়ি ময়মনসিংহ।আপনার বাড়ি কোথায়।আমি আবারও বললাম আপনার বাড়ি।লোকটি এখন প্রচন্ড রেগে গেল।আমার তাকে রাগাতে ভালো লাগছে তাই আরেকটু রাগাবার চেষ্টা করলাম।লোকটি বলল বললাম না আমার বাড়ি ময়মনসিংহে আপনার বাড়ি কোথায়?আমার আবারও একই উওর।লোকটি বলল এই আপনি কী পাগল?আমি বললাম হয়ত!!লোকটি এবার রাগে ফুপাচ্ছে।হাই বোল্টেজে আছে যেকোন সময় ব্রাস্ট হতে পারে তাই আমি আর তাকে রাগাতে চেষ্টা করলাম না।কারণ শান্ততা হলো ঝরের আগাম সংকেত।আমি এবার সুজাসুজি বললাম ভাই আপনার বাড়ি যেথায় আমার বাড়িও সেথায়। লোকটি এবার রেগে আছে না খুশি হয়ে আছে বুঝা যাচ্ছে না।আমিও সেদিকে খেয়াল না করার ভান করে বললাম ভাই আমার বাড়িও ঐখানেই।লোকটি মনে হয় কিছুটা শান্ত হয়েছে।বলল ময়মনসিংহ কোথায়?আমি এবার বিরক্তবোদ করছি।এমনসময় আমার বাবার একটা উপদেশ আমার মনে হয়ে গেল। উপদেশটা এই:: শুন ছেলে যখন তুমি কারও প্রতি বিরক্তবোদ করবে তখন তুমি রাগান্বিত হইও না।তাকে কোন কাজে ব্যস্ত করে দিবে। তাই বাবার উপদেশ মতো আমি লোকটাকে একটি কাজের মধ্যে ব্যস্ত রাখার কৌশল খুজলাম।আমি বললাম ধুর আমাকে চিনলেন না আমি আপনার বাবার দুঃসম্পর্কের মামার বোনের ছেলের নাতি।তাহলে বলুন আমি কী হই আপনার?লোকটি এবার বেশ চিন্তায় পড়ে গেল।আমি তার কী হতে পারি এটা ভেবে।এরই মধ্যে আমাকে হাওয়া হয়ে যেতে হবে।কোনমতে লোকটা থেকে রক্ষা পাওয়া গেল।আমি দীর্ঘ একটা শ্বাস ছেড়ে নিজেকে রিফ্রেশ করে আবার হাটায় মন দিলাম।কিছুদূর যেয়েই দেখলাম কিছু ছেলে-মেয়ে পাশাপাশি বসে আছে।এরা এখানে কী করছে?জীবনের কিছু মূল্যবান সময় এরা বাজেভাবে নষ্ট করছে।আমার বাবার উপদেশ হলো ছেলে কখনই তুমি দুনিয়ার ভালোবাসার মুহে পড়িয় না।তাহলে তুমি কখনও মহাপরুষ হতে পারবে না।তাই আমি সে দিকে দৃষ্টি না দিয়ে দ্রুত সামনে এগুতে লাগলাম।কারণ এটা আমার জন্য ডেনজারাস জায়গা।হাটতে হাটতে দুপুর হয়ে গেল।কিছু খেয়ে নেওয়া দরকার।তাই সামনেই হোটেলের দিকে অগ্রসর হলাম।পরক্ষনেই আমার হাতটা আচমকা পকেট খুজতে লাগল।কিন্তুু পকেটত নেই।আপনাদের বলি হাতটা পকেটে যাওয়ার কারণ।একবার এরকম একটি দিনেই গেলাম হোটেলে খেতে।খাওয়া শেষেই বাইরে বের হতে যাব এমন সময় পিছন থেকে ঠাস করে একজন টেনে ধরল।আমি বললাম হ্যা বলুন হিমু বলছি।লোকটি ছিল দোকানের মালিক।লোকটি বলল হিমু হোন আর যেই হোন খাইলেন যে বিল কই?আমি আমার সেই বিখ্যাত হাসি দিয়ে বললাম বিল?বিল দিব কোথা থেকে আমারত পকেট নেই।তারপর কী হলো জানেন?লোকটার কয়েকটা চড়,থাপ্পর আমার হাসিমুখে গ্রহন করতে হলো।আর বেশি কিছু না আমাকে দিয়ে তার হোটেলের কিছু কাজ করিয়ে নিয়েছিল।কথায় আছে না মাইরের উপর কোন ঔষদ নাই।তাই কথাটা মনে হওয়ার সাথে সাথেই আমি এক লাফে দশ হাত পিছিয়ে গেলাম যা উসাইন বোল্টও করতে পারে নি।পরক্ষনেই খাওয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে রাস্তায় হাটা শুরু করলাম।সামনেই দেখলাম পাচশত টাকার একটা নোট পড়ে আছে।আমি হাতে নিলাম।আর ভাবছি এখন এটা নিয়ে কী করা যায়?ভাবলাম যার টাকা সে এসে নিয়ে যাবে।তাই টাকাটা দুইহাত উচু করে ধরে রাখলাম।যাতে যার টাকা সে সহজেই চিনতে পারে।অনেকক্ষন ধারিয়ে আছি।কিছুক্ষন পর এক ভদ্রলোক বলল এই যে ভাই এই রোদে টাকা হাতে নিয়ে দাড়িয়ে আছেন কেন?আমি বললাম টাকার মালিককে তার জিনিস বুঝিয়ে দিতে।লোকটি বলল মানে?আমি বললাম মানে টাকাটা আমার নয়।পরক্ষনেই লোকটি তার মানিব্যগ বের করে চেক করে বলল এই যে ভাই টাকাটা দেখা যায় আমার।আজ সকালেই পাচশত টাকা নিয়ে বের হয়ে ছিলাম এখন দেখা যায় নেই।আমি বললাম যাক বাচা গেল তুমার টাকা তুমি নিয়ে যাও।লোকটি এমন একটা হাসি দিল যা বাংলা সিনেমার হুমায়ুন ফরিদির হাসিও ফেল।লোকটা আমাকে প্রচুর ধন্যবাদ জানাল।আর বলল ভাই আজকাল এমন ভালো মানুষ পাওয়াই যায় না।তা কি করেন আপনি?আমি বললাম হাটাহাটি।লোকটি বলল মানে?আমি বললাম দিন রাত হাটাহাটি করাই আমার কাজ।লোকটি বলল চলেন ঐদিকে যাই।আমি বললাম চলেন। কিছুক্ষন পর লোকটি ওহ করে বলল ভাই দেখেনত চোখে কী পড়ল?আমি দেখে বললাম কই কিছু নাত।লোকটি বিরক্ত হয়ে বলল আরেএ আপনার ব্যাগটা রেখে তারপর দেখেন।আমি আমার ব্যাগটা যেই রাখলাম লোকটি ব্যাগটা নিয়ে ভৌ দোড় দিল।পরক্ষনেই বুঝলাম লোকটি ছিল ধান্দাবাজ।আমিও দিলাম দৌড়।কারণ অনেক দিন দৌড়ানো হয় না ভালোই লাগছে।ব্যাটা এমন দৌড়াচ্ছে যেন অলম্পিক গ্যামে অংশনিয়েছে।আমি আর পারলাম না বাদ দিলাম।আর মনে মনে চোর ব্যাটার জন্য আফসুস করতে লাগলাম।বললাম ব্যাটা টাকাটা নিয়েই চলে যেতি।তাহলে লাভ হত।এই যে ব্যাগটা নিয়ে এত দৌড়াচ্ছিস কী লাভ ব্যাগেতে আছে একটা হলুদ পান্জাবি আর একটা চিরনী।আর একটা কলম ও খাতা।ব্যাটা যখন চরম উৎসাহ নিয়ে ব্যাগটা খুলে দেখবে যে এইসব জিনিস তখন মুখটা আমাবর্শার চাদের মতো হয়ে যাবে।ভাবতেই হাসি পাচ্ছে আমার।পরক্ষনেই সে হাসি থামিয়ে আমি আবার হাটা ধরলাম।আর ভাবলাম আচ্ছা এই চোরেরাওত একটা কাজ করছে এদেরও বেতনের ব্যবস্হা করলে কেমন হয়?খুব ভালো হয়।এসব ভাবতে ভাবতে আমি সমাজ চেতনাবিদ হয়ে যাচ্ছি যা মহাপূরুষ হবার ক্ষেএে বাধা।তাই সে চিন্তা মন থেকে ঝেরে ফেললাম।এতক্ষনে রোদও হারিয়ে গেছে পৃথিবীর বুক থেকে।সবাই তাদের নিজ নিজ বাসায় ফিরছে আমিত হিমু আমার কোন নির্দিষ্ট গন্তব্য নেই তাই চলছি আর চলছি একদম আলেকজেন্ডার দ্যা গ্রেটের মতো। .......................... অনেক দিন পর হিমুর স্নরণে গল্প লিখলাম।জানিনা কেমন হলো।আমি জানি সেই প্রথম থেকেই অনেকে আমার পাশে ছিল এখনও আছে।ভালো না হলেও বলেছে ভালো হয়েছে।আর নতুন করে অনেক বন্ধু, ছোট,বড় ভাই বোন পেয়েছি এখানে।জানি সবাই আমার পাশে ছিল এখনও আছে।ধুর এত ইমুশনালিটি ভালো লাগে না আমার তাই বাদ দিলাম।☺☺☺????।।।।।।।।।।। ....................সমাপ্ত...................................


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫২৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...