গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

অপরিচিতাকে পাওয়ার আশায়

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান বকুল রায় (৩৯ পয়েন্ট)



সূর্য ধীরে ধীরে গড়িয়ে পরছে। সোনালী তেজ ছেড়ে রক্তিম বর্ণ ধারণ করছে। মনে হচ্ছে যেনো ওই পশ্চিম আকাশে এক ফোটা রক্ত চ চুইয়ে পরছে। বৃষ্টির জল যখন টিনের ঘরের উপর পরছিলো তখন সে জল যখন হাতে নিয়ে হাত ভিজিয়ে জল ফেলে দিয়ে আঙ্গুল নিচের দিকে করতাম আর চোখের কাছে নিয়ে আসতাম। সেই জল আঙুল বেয়ে চুইয়ে চুইয়ে মাটিতে পরতো, তখন সেই দৃশ্য দেখতে খুবই ভালো লাগতো। এখন সূর্যটা দেখে মনে হচ্ছে ভগবানও হাতে জল নিয়ে তাতে লাল রঙ মিশিয়ে আমার মতো করে খেলছে। কৃষকের দল মাঠের কাজ ছেড়ে বাড়িতে ফিরছে। পাখিরা বাঁশবাগানে হাট বসিয়েছে তার কিচিরমিচির শব্দ ভেসে আসছে। আমি হাটছি রাস্তায়।একনাগারে হাটছি তো হাটছি।হাটতে অনেক ভালো লাগে। সবুজ ঘাসের উপর খালি পায়ে হাটার মজা অন্য রকম। কিন্তু কেন হাটছি?gj হয়তো কাউকে দেখার আশায়। নাহ্, কেউ নেই। কার আশায় আবার থাকবো! gj রাস্তা তো ফাকা।হাটবার হলে তাও কেউ কেউ চলাচল করতো। যাই দেখি পুকুর পাড়ে। ওমা একি! একটা শালিক পাখি । কী সুন্দর দেখাচ্ছে। ঘাসের উপর কী যেন খুটিয়ে খুটিয়ে খাচ্ছে। ধরবো কি gj ধরার চেষ্টা করলাম। ধরা দিলনা। উঠে আরেকটা শালিকের কাছে চলে গেল। gj( এমনটা কেন? শালিক পাখি কি কখনো একা বের হয় না? না, কখনো কোনো শালিককে একা দেখি নি। আমার শালিক ধরে কাজ নেই বাপু! তার চেয়ে একটু বাঁশিটা বাজাই। লিচু গাছের নিচে বসলাম। বাজাবো! কি বাজাবো? মনের মানুষ নাই,কার জন্য কি বাজাই! তার চেয়ে মিলন হবে কত দিনে গানটা বাজাই।চোখ বন্ধ করে শুরু করলাম...... ইস! কি আবার কামড় দিল। আর সময় পেলো না। চোখ খুলে দেখি একটা লাল পিঁপড়া। কামড়ানোর আর সময় পেলি না angry একি! গাছটি নড়ে উঠলো কেন? শুনেছি বাঁশি বাজালে নাকি সুন্দরী সুন্দরী মেয়েরা নাকি লুকিয়ে লুকিয়ে বাঁশির সুর শোনে। কিন্তু আমি তো কোনো সুন্দরী দেখতে পাচ্ছি না। তবে কে গাছ নাড়ালো!gj শুনেছি এই লিচু গাছে পেত্নিরা থাকে ! তারাই আবার গাছ নাড়লো নাকি ! না বাবা আর এখানে থেকে কাজ নেই। তার চেয়ে বরং কেটে পরি। পেত্নিদের খপ্পরে পরলে আমার হীরার মতো জীবনটা সোনার মতো হবে! তারপর সোনা থেকে রুপা তামা লোহা তো হবেই। শেষ পর্যন্ত জীবনটা মাটি হয়ে যাবে! gj gj একটু পল্লবদের বাগানে যাই। বাগানে কত ধরনের গাছ! ফুলের গাছগুলো চমৎকার! হাই গোলাপ গাছ,কেমন আছো? আমি ভালো আছি। তুই কেমন আছিস? একি যাদু গো ! gj গোলাপ গাছ দেখি কথা বলে! হুম, কথা বলে আবার হাটাচলাও করে! তাকিয়ে দেখি পল্লব। --কিরে তুই --হুম -- উত্তরটা তুই দিলি? --না, গাছে দিছে। -- হুম ! --বিশ্বাস হচ্ছে না ! গাছ হাটাহাটিও করে। ঐদেখ গাছ হাটছে! তাকিয়ে দেখি সত্যি তো। দেয়ালের ওপাশে রাস্তা দিয়ে দুটি গাছের চারা হেঁটে যাচ্ছে ! gj --কি রে এটাও সম্ভব ! --তাই তো দেখছি! একটু পর আমি আর হাসি থামাতে পারছি না। এতো হাসি আসছে যে মনে হচ্ছে পেট ফেটে যাবে!gj কারণ, গাছের চারা হাটছে না ! এক লোক ভ্যানে করে দুটো চারাগাছ নিয়ে যাচ্ছে ! আর দেয়ালের কারণে আমারা ভাবছি গাছ হাটছে। ভ্যানটা দেয়ালটা পেরুতেই পরিষ্কার হলো! যাইহোক, পল্লব বললো, তুই গোলাপ গাছের সামনে দাড়িয়ে কি করছিস? --গোলাপ ছিড়বো। --কেন,কেন? --একজনকে দিবো! --কাকে দিবি? --তা তোর না জানলেও চলবে। --বলবি না তাহলে ! gj --না --তা কি শুধু গোলাপ দিবি? -- না, না। একটা কবিতাও দেব ras --তা কি কবিতা শুনি --শুনবি! gj তবে শোন,, সুমির ঠাকুমা সুন্দরী বেলির ঠাকুমা বান্দরী সকিনার ঠাকুমা সাদা খায় যে খালি আদা ঝুমুরের ঠাকুমার ঝামেলা বেশি আমাকে দেখলে দেয় কাশি.......... --ব্যস ব্যস ব্যস! আর বলতে হবে না gj --কেন কেন angry আরো শোন। আমি কি কবিতা লিখি তা তুই জানতে চাইবি কেন? --আরে রাগছিস কেনgj তুই না আমার বেস্ট ফ্রেন্ড ! --বেস্ট ফ্রেন্ড ! --হুম --তবে দুটো গোলাপ ছিড়ে ফেল! --কেন, দুটো কেন? --তুই সবসময় প্রশ্ন করিস কেন? --ঠিক আছে আর করবো না! gj --ঠিক আছে বলছি। আমি যাকে গোলাপ দিবো, তুইও তাকে গোলাপ দিবি! আর তুই যাকে দিবি, আমিও তাকে দিবি! gj --অ্যাঁ... --কেন কেন? --বারে তুই না বললি আমি তোর বেস্ট ফ্রেন্ড ! --তাই বলে ইয়েতেও ভাগ! gj -- হয়েছে এবার! ওই দেখ কে আসছে আসছিল ওর ইয়ে ras তাই আমি আর দাড়ালাম না। আমার ভাগের গোলাপ নিয়ে ভাগলাম। হাটছি হাটছি হাটছি। নাহ্, এই গোলাপ হাতে নিয়ে হাটার কোনো মানেই হয় না! এবার রাস্তায় যাকে পাবো, তাকেই দিয়ে দিবো। মনে মনে ভাবছি যেনো একটা সুন্দরী আসে gj ওই তো মনে হচ্ছে কেউ আসছে। দেখতে তো সুন্দরী বলে মনে হচ্ছে। আসুক দেখি। আমিও এগোতে থাকি। ও মাগো! gj gj এখানে সুন্দরী কোথায় ! gj এ তো শিমুলের ঠাকুমা।gj যাইহোক, কি আর করার। যা বলেছি তাই করি। --ঠাকুমা, এটা নাও তো! --কেরে বাপু তুই? --ঠাকুমা,আমি বকুল। --তা আমাকে কি দিচ্ছিস রে। --ও তুমি বুঝবে না। নিয়ে গিয়ে তোমার নাতনিকে দিও। ও ঠিকই বুঝতে পারবে! gj তারপর আমি যাচ্ছি, বুড়িও যাচ্ছে। ওদিকে হলো আরেক কান্ড ! থুরথুরে বুড়িটা সত্যি সত্যি গোলাপটা নিয়ে গিয়ে তার নাতনিকে দিলো। তার নাতনি বাধালো ঝামেলা। --ঠাকুমা, তোমার হাতে এটা কি! gj তুমি এই বয়সে পিরিত করতে গেছ! ras দাড়াও আমি ঠাকুরদাকে বলে দিচ্ছি ! --কি বলছিস তুই! এটা দিলে পিরিত হয়ে যায় ! -- হুম। তা কে দিলো তোমাকে? --বকুল দিলো। বললো তোমার নাতনিকে দেখিও। --ওই ফাজিল বেয়াদবটা! gj দাড়াও আমি ওকে এমন মজা দেখবো যে! angry আর এদিকে আমি যাই একটু মাঠের দিকে। যদি একটু ফুটবল টুটবল ⚽⚽ খেলতে পারি কি না। একি! ওরা ফুটবল না খেলে একি করছে! কেউ খন্তা দিয়ে গর্ত খুরছে, কেউ বাঁশ গাড়ছে, কেউ শামিয়ানা টাঙাচ্ছে! gj এরা আবার কি করছে! --কিরে, এখানে কি হচ্ছে? --যা যা পাঁচশ টাকা নিয়ে আয়! -- পাঁচশ টাকা মানে! পিকনিক হবে নাকি? -- হুম। --ওরে গুরু! তবে আমি তো আছিই! আমিও যোগ দিলাম তাদের সাথে। কি! আপনারা আর কি খুজেন! আজ এ পর্যন্তই! আমি অন্য ধান্দায় নাই। এখানে আছি। যদি চান তো চলুন পিকনিক করি gj


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪৪৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভালবেসে না পাওয়ার কষ্ট
→ না পাওয়ার গল্প
→ কারেন্টের আশায়
→ মালিকাকে চিরদিন কাছে পাওয়ার হাসি
→ পাওয়ার অপেক্ষায়
→ না পাওয়ার গল্প
→ পাওয়ার গল্প
→ আশায় থাকি
→ ঈমানের পাওয়ার

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...