Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/gj-con.php on line 6
আমাদের জাতির পিতা আসলে কে????

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

আমাদের জাতির পিতা আসলে কে????

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান M.H.H.RONI (১১৩০ পয়েন্ট)



বর্তমানে ফেইসবুক,টুইটার অন্যতম জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের তরুন প্রজন্মের কাছে।এটা অনেকেই ব্যবহার করে অনৈতিকভাবে আবার অনেকেই ব্যবহার করে নৈতিকভাবে।যার যেমন ইচ্ছে।আর এই ইচ্ছেমতো ব্যবহারের কারণেই অনেকেই নিজের ইচ্ছেমতো পোস্ট দেয়।যাতে মারাত্নক বিভ্রান্তির শিকার হয় অসংখ্য মানুষ।তাতে অনেকেই কমেন্ট করে যা মন চায়।ধর্মের নামে অসংখ্য পোস্ট দেখা যায় আজকাল এসব মাধ্যমে।যাতে অনেক পোস্ট হচ্ছে যা দ্বারা আমরা জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নিজেদের আত্নাকেও পরিশুদ্ধ করতে পারি।আবার এমন অনেক পোস্ট আছে যা দ্ধারা আমরা কোন প্রকার জ্ঞান অর্জনত করতে পারিই না আরও বিভ্রান্তির শিকার হই।এরকম পোস্টের সংখ্যা নেহাতই কম নয়।যেমন ধরুন একটি পোস্ট লেখা আসলে আমাদের জাতির পিতা কে?? সাথে আবার অফশনও দেওয়া থাকে।অফশন হলো::১/বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ২/ইবরাহিম আ.৩/ আদম আ.।। এখন বলুন আপনার জাতির পিতা কে??কোন অফশনটা বেছে নিবেন আপনি??যিনি পোস্টগুলো দেন নিঃসন্দেহে তিনি নিজেকে খুব জ্ঞানী মনে করেন। আমার মতে তিনি হলেন সবচেয়ে মূর্খ ব্যক্তি।তিনিত এই পোস্ট দিয়েই কাজ শেষ বাকিটা অন্যেদের ইচ্ছা।অনেকেই কমেন্টে লিখেন আমার জাতির পিতা ইবরাহিম আ.।।অনেকেই লিখে আদম আ.।।আবার অনেকেই লিখে শেখ মুজিবর রহমান।। এটা কোন কথা হলো নাকি।।সচেতনতার নামে কতটা ভ্রান্ত পথে আছি আমরা ভেবে দেখেছেন কী???যেখানে ইমাম আবু হানিফা রহ..বলেছেন::: আমাদের যোগ্যতা একজন নবীর সাহাবির পায়ের ধূলোর সমানও না।। সেখানে কীভাবে এরা এসব পোস্ট দেয় বুঝে আসে না আমার।।যাহোক ভূমিকা অনেক বেশিই হয়ে গেল।মনে করবেন না কিছু আপনারা।।এখন আসি ঐ প্রশ্নে।।আমার কাছে ঐ প্রশ্নর উওর তিনটিই সঠিক।।এখন প্রশ্ন হতে পারে কীভাবে:(।।তবে বলি শুনুন।আর এটা সবার ক্ষেএেই হওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি।।এখন ঐ তিনটির উওর দেওয়া যাক চলুন:::: আমার জাতির পিতা ইবরাহিম আ.হলো কীভাবে::::::::: এটাতে প্রায় সবাই একমতই।তাই এর বিস্তর ব্যখ্যা আমি দিব না।।কারণ মুসলীমদের নিয়ে যেহুতু এই পোস্ট তাই কেউত আর বলতে পারবে না যে আমি মুসলীম নই?আর যদি মুসলীম হইই তবে অবশ্যই আমার জাতির পিতা ইবরাহিম আ.।।কারণ আমাদের নবী মুহাম্মদ সা.তারই বংশদর।।আর এটার জন্য ইবরাহিম আ. দুয়া করেছিলেন মহান আল্লাহর দরবারে।শেষ নবী যেন তার বংশদরদের মধ্যে হতে হয়।আর সেই দুয়া মহান আল্লাহও কবুল করে নেন।।তাই একজন মুসলীম হিসাবে তিনি নিঃসন্ধেহে আমাদের জাতির পিতা। আদম আ. কিভাবে আমার জাতির পিতা হলো::::: এটাও সবাই জানে পৃথিবীর সর্বপ্রথম মানব হলো আদম আ. আর সর্বপ্রথম মানবি হাওয়া আ. শয়তানের প্ররোচনায় পরার জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে কিছু সময়ের জন্য পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেন।।এখানে বের করে দেন কেউ বলবেন না।আর তাদের থেকেই মানব সভ্যতার শুরু।তাই পৃথিবীতে যত মানুষই হোক কিংবা যে ধর্মেরই হোক সবারই জাতির পিতা আদম আ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কীভাবে আমার জাতির পিতা হলো:::: প্রথমত জাতি হিসাবে আমি মুসলীম।তারপর আমি মানুষ।আর তারপর আমি একজন বাঙালিও।দেশপ্রেমের শিক্ষা সর্বদাই ইসলাম দেয়।আর যদি আপনার মধ্যে দেশপ্রেম থাকে তবে অবশ্যই আপনাকে দেশের ইতিহাস ঐতিহ্যকেও ভালোবাসতে হবে।তবে এতিহ্যর নামে মাঝেমধ্যে যেসব কর্মকান্ড করা হয় যা ইসলাম বিরুধী তা থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বেই দেশ স্বাধীন হয়।এখানে অনেকেই বলে দেশ স্বাধীন করল যুদ্ধারা যুদ্ধ করে।বঙ্গবন্ধুত শুধু একটি ভাষনই দিয়েছে আর কি করেছে??বাংলার এই অবিসাংবাদিত নেতা কী কী করেছে তা আমি বলব না এজন্য আপনারা তার লেখা অসমাপ্ত আত্নজীবনি বইটি পড়ে নিবেন।আপনি যেহুতু বাঙালি তাই বাঙালির দীর্ঘ ইতিহাসকে আপনি অস্বীকার করতে পারেন না।আর যিনি বাঙালির মধ্যে স্বাধীনতার সপ্ন জাগিয়েছেন যিনি বাঙালিকে করেছেন প্রতিষ্ঠিত তাকে বাঙালির জাতির পিতা মানতে আপনার আমার সমস্যাটা কী??তাছাড়াও যেখানেই বঙ্গবন্ধুর নামে জাতির পিতা উল্লেখ করা হয় সেখানেই আগে বলা হয় বাঙালির জাতির পিতা।সুতরাং অবশ্যই তিনি আমাদের জাতির পিতা।এখন প্রশ্ন আসতে পারে।আচ্ছা মানলাম তিনজনই আপনার জাতির পিতা।আচ্ছা তাহলে বলুন জাতির পিতা কীভাবে তিনজন হয়??ভেবে দেখুন আমরা জাতি হিসাবেও তিনভাবে।আর পৃথক,পৃথক ভাবে তিনজনেই জাতির পিতা।একজন মুসলীম হিসাবে ইবরাহিম আ.।মানুষ হিসাবে আদম আ. আর বাঙালি হিসাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।আশা করি বুঝতে পেরেছেন। এখন আসুন আরেকটি প্রশ্নে।আজকাল এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই পোস্ট দেয় যদি আপনি আল্লাহকে ভালোবেসে থাকেন তবে আল্লাহর নামটি একবার লেখে যান। এখন মনে করুন একজন ঐ পোস্টটা দেখল তখন তার ঐ কমেন্ট করার সময় নেই বা ফোনে চার্জ নেই।এমনটা হতেই পারে কিন্তুু।তখন সে কমেন্টটা করতে পারল না।মনে কিন্তুু আচমকা একটা প্রশ্ন জাগবে তখন আমি কী মহান আল্লাহকে ভালোবাসি না।।আল্লাহ ক্ষমা কর।প্রয়োজন হলে নিজের জীবন উৎসর্গ করব মহান আল্লাহর জন্য।প্রতিটা রক্তের ফোটা দিয়ে আমি মহান আল্লাহর নাম লিখে দেব।সেখানে একবার মহান আল্লাহর নাম লেখার মাধ্যমেই আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ হয়ে যাবে না।বরংচ মহান আল্লাহর পথে চললেই আল্লাহকে প্রকৃত ভালোবাসা হবে।দুনিয়াকে চিল্লিয়ে আপনার বলতে হবে না আমি আল্লাহকে ভালোবাসি।অন্তরে মহান আল্লাহ তায়ালার ভালোবাসা আছে তা আপনি আর মহান আল্লাহ জানলেই হলো।সুতরাং কমেন্টে মহান আল্লাহর নাম একবার লিখলেই প্রমাণ হয় না যে আপনি মহান আল্লাহর অনূগত। ঠিক এমনই আরেকটি বিষয় হলো অনেকেই পোস্ট দেয় যে::আপনি যদি রাসূল সা. কে ভালোবেসে থাকেন তবে মুহাম্মদ সা. নামটি একবার কমেন্টে লিখে যান।এখন মনে করুন আমি লিখলাম না তারমানেই কী আমি রাসূল সা. কে ভালোবাসি না?? অসম্ভব।আমার হৃদয়ে মুহাম্মদ,স্নরনে মুহাম্মদ,সপ্নেও মহাম্মদ।সেখানে একটিবার নবীর নাম লিখার মানেই প্রমান হয় না যে আপনি নবীকে ভালোবাসেন।আপনি নবীর আদর্শকে পুরোপুরি অনূসরন করুন তবেই আপনি নবীকে প্রকৃত ভালোবাসেন।আবার অনেকেই পোস্ট দেয় যে কাল কে কে ফজরের নামায পড়ছেন কমেন্টে লেখুন।।ঐখানে কেউ কমেন্টে লেখে না যে আমি পড়ি নাই।সবাই বলে আমি পড়েছি।এখন সেখানে কে সত্যে বলছে আর কে মিথ্যা বলছে তা কিন্তুু আপনি আমি জানি না।কেউত মিথ্যাও বলতে পারে।তাহলে মিথ্যাটা বলাল কে?? যে প্রশ্নটা করছে সেই।সে যদি এই প্রশ্ন না করত তবে এই মিথ্যার সৃষ্টি হত না।সেই পাপের অংশিদার আপনাকেউ হতে হবে।আপনার জন্যইত সে এই মিথ্যাটা বলছে।আপনি যদি নামায পড়েন তাহলেই ঠিক আছে।অন্যরটা জানার আপনার দরকারটা কী??তবে সত্যিকার অর্থেই যদি আপনি চান সবাই নামায পড়ুক তবে আপনি ঐরকম পোস্ট না দিয়ে নামাযের ফজিলত এবং নামায না পড়ার শাস্তি সম্পর্কে একটি পোস্ট দিবেন আর সবাইকে নামায পড়ার আহব্বান করবেন।সেটাই উওম হবে। আরেকটা বিষয় হলো অনেকেই রাত ১২টা কিংবা১টা এরকম সময়ে পোস্ট দেয় এখন এখানে আল্লাহ পাগল কে কে আছ তারা আল্লাহর নামটি একবার লেখে দেখাও।।অনেকেই লেখে আমি আছি।।ভেবে দেখুন আপনি কতটা ভালো?? যেই সময় মহান আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং প্রথম আসমানে এসে উপস্হিত হয় তার বান্দাদের দোয়া কবুল করতে যখন মহান আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের ডাকে তখন আপনি মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত।আর তখন আপনি মহান আল্লাহর নামটা একবার লিখেই নিজেকে আল্লাহর অনূগত জাহিল করেন।কতটাই দুঃখের কথা।এত রাত জেগে আপনি মোবাইল চালাতে পারেন সেখানে মহান আল্লাহর নাম লিখতে পারেন অথচ আপনি ওযু করে জায়নামাযে বসতে পারেন না।আপনার চেয়ে উওম ঐ ব্যক্তিই যিনি তখন ঘুমিয়ে থাকে।আরেকটা বিষয় আমাদের দেশে বিদ্যমান।যার কারণ গণতান্এিক শাসনব্যস্হা। গণতান্এিক শাসনব্যবস্হাকে ইসলাম অবশ্যই সমর্থন করে।ইসলামের ইতিহাসেও তা প্রমাণিত।কিন্তুু গনতান্এিক দেশে সকল ক্ষমতা বা সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস মনে করা হয় জনগণকে।এটা বিশ্বাস করা ইমান পরিপন্হী বিষয়।যেহুতু আমরা অনেকেই স্টুডেন্ট তাই পড়তেই হবে কিন্তুু মন থেকে তা বিশ্বাস করা যাবে না।। পরিশেষে বলতে চাই,যে বিষয়গুলো এখানে উল্লেখ করা হয়েছে তা পোস্ট করা অন্যায় এটা কিন্তুু আমি বলছি না।যেহুতু অনেকেই এতে বিভ্রান্তির শিকার হয় তা পরিহার করাই শ্রেয় বলে আমি মনে করি।তাই বলছি গুজব ছড়াবেন না।পারলে মানুষকে সৎ কাজে উৎসাহিত করুন।মহান আল্লাহ যেন আমাদের এসব বিষয় হতে হিদায়েত দান করেন।আমিন [প্রতিষ্ঠিত হোক ন্যায় বিচার][প্রতিষ্ঠিত হোক স্বাধীনতা] [লক্ষ্য আমার অসীম][গন্তব্য আমার চিরস্হায়ী জগৎ] ...........সমাপ্ত..............


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫৪৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সৃষ্টিকর্তা আসলেই কি আছে??মানুষ কাজ করলে তবেই রিজিক পায় এতে সৃষ্টিকর্তার হাত কি?হাত থাকলে তিনি কেন কাজ করা ছাড়াই রিজিক দেন না??
→ "আমাদের বকুল ভাই"
→ আবু বকর সিদ্দীক (রা) এর একটি ঘটনা এবং আমাদের জন্যে শিক্ষা
→ এক কঠিন আত্মোপলব্ধি আমি কি আসলেই মুসলমান !!!
→ ইসলাম ধর্মে আমাদের কী দায়িত্ব???
→ বিজয় দিবস কীভাবে আমাদের হলো।
→ বুখারা যখন আমাদের ছিল
→ আমাদের বিদ্যালয়টি সুন্দর হবে
→ আমাদের জীবনটাই অন্যরকম নাম্বার টু(শেষ ৮)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...