Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/gj-con.php on line 6
নয় নম্বর বাড়ি --(০১))

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

নয় নম্বর বাড়ি --(০১))

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান উড়ন্ত পায়রা (৫ পয়েন্ট)



সময় রাত নয়টা নয় মিনিট। গ্রীন রোডের নয় নাম্বার বাড়িটা চিরকালের মতো নিস্তব্ধ হয়ে গেল। বহমান কালের সাথে অস্তিত্বের সংগ্রামে চিরদিনের মতো নিভে গেল মাটির প্রদীপ সম জ্বলতে থাকা বাড়িটির শেষ ও একমাত্র জীবনের আলো। অন্য আটটি মৃত্যুর মতোই অস্বাভাবিক ভাবে মারা গেল পুর্ব। পূর্বের মৃত্যুর মাধ্যমে শেষ হলো তিন যুগ ধরে চলতে থাকা এক পরিবারের গল্প । গ্রীন রোডের এই নয় নম্বর বাড়িতে বিগত তিন দশক ধরে বাস করছিল রাইতাস জোহানের পরিবার । চাকর বাকর মিলে মোট নয় জন যাদের মধ্য সবাই অস্বাভাবিক ভাবে মারা গেছে ঠিক দুবছর পরপর ঠিক রাত নয়টা নয় মিনিটে। আজ পরিবারটির শেষ সদস্য পূর্বের মৃত্যুতে ইতি টানা হলো এক গল্পের। তবে পাড়া পড়শিদের মাঝে শোকের ছায়া বিন্দুমাত্র কাজ করছে না। বরং তারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে যেন অনেক বছর পর। কারণ দুবছর পর পর এই বিভৎস মৃত মানুষ আর দেখতে হবেনা । । তবুও কিছু চোখের জল চুপিসারে নিভৃতে অন্তরালে থেকে ভিজিয়ে রাখে পূর্বের কবরটা। রোজ নিয়ম করে দুটো হলুদ গোলাপ পরে থাকে বাড়িটির সদর দরজার সামনে । এই ব্যস্ত শহরে এসব কারো চোখে পরেনি কোনোদিন । তবে একেবারেই যে অজানা আছে তাও নয়। তবুও এসব ভাবার মানুষ খুব কম। পূর্বের মৃত্যুর পর কোনো তদন্ত হয়নি। অবশ্য এই বাড়িতে মৃত্যুর পর তদন্ত কখনও হয়নি। শুধু রাইতাস জোহানের তদন্ত শুরু হয়েছিল অর্থাৎ প্রথম মৃতের তবে তার সমাধান হয়নি কোনোভাবেই। সেই তদন্ত চলেছিল প্রায় আট বছর যার মাঝে আরো চারটা লাশ বের হয় বাড়ি থেকে । সব মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশি তদন্ত বন্ধ হয়ে যায় একেবারে । পূর্বের মৃত্যুর নয় মাস হয়ে গেছে। এই নয় মাসে দুইশত সত্তরটা হলুদ গোলাপ সদর দরজায় শুকিয়ে মাটিতে মিশে গেছে। এখনো কবরটা নতুন ই আছে কারো যত্নে। আজ নয় মাস পর হঠাৎ এক মেয়ের একগুচ্ছ গোলাপ হাতে বাড়িটিতে আগমন ঘটলো দিবালোকে। উৎসুক জনতার চোখ এড়িয়ে গেছে তা খুব সন্তর্পণে।মেয়েটির মাথা থেকে পা পর্যন্ত নীল রঙের বোরকায় আবৃত। মেয়েটি গোলাপগুচ্ছ হাতে পূর্বের ঘরে ঢুকে গেল ,ঘরের চাবি ছিল । মেয়েটি নিজেকে অনাবৃত করলো বোরকা থেকে এরপর মৃদু হাসিতে আস্তে আস্তে এগিয়ে গেল বেলকুনির দিকে।দীঘল কেশী ,আয়তলোচনা , অপরুপা মেয়েটির দুচোখ বার বার ভিজে যাচ্ছে শুন্যে দৃষ্টি মেলে । এরপর এক আত্নচিৎকারে কেঁপে উঠলো সমগ্র এলাকা। সবাই ছুটে এসে দেখত এক অতীব রুপবতীর রক্তে ভেসে যাচ্ছে মাটি। আবার কি তবে মৃত্যুর শুরু এই বাড়িটায় ! নাকি মেয়েটির অনুশোচনার সমাপ্তি দিয়ে শেষ পূর্বের গল্প !


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪৯০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নয় নম্বর বাড়ি--(০৩))[বাকি অংশ]
→ নয় নম্বর বাড়ি--(০৩))
→ নয় নম্বর বাড়ি--(০২))
→ মৃত্যুক্ষুধা-নয়
→ কুহেলিকা-নয়
→ গল্প নয়,তবে!
→ নয়ন
→ রহস্যময় বাড়ি
→ কলসকাঠী জমিদার বাড়ি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...